শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশ্বাস ও প্রত্যাশা রাষ্ট্রদূতদের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা মতবিনিময় করেছেন। নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তারা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং কমিশনের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

বুধবার বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, রাষ্ট্রদূতরা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের চলমান অগ্রযাত্রায় একসঙ্গে কাজ করার আশ্বাসও দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি নির্দিষ্ট মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন দেশি-বিদেশি সবার জন্য নির্বাচনকে উন্মুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে কাজ করছে।

কে এম আলী নেওয়াজ আরও জানান, বিদেশি সংস্থা ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়ের অংশ হিসেবেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাষ্ট্রদূতরা নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং নির্বাচন কমিশনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূতরা বিশেষভাবে জানতে চেয়েছেন, আগের নির্বাচনের তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে। এ সময় কমিশন তাদের জানায়, প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার ও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব জানান, রাষ্ট্রদূতরা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রেখে তারা একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ইউনূস-বঙ্গা বৈঠকে নির্বাচন, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চলমান অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে মিলিত হলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক সংস্কার, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত প্রচেষ্টার বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন, গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ধারা বজায় রাখা, রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাতের কাঠামোগত সংস্কার, চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকায়ন, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণ এবং এশিয়ার তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা। এছাড়া চুরি যাওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার জাতীয় সম্পদ পুনরুদ্ধারের বিষয়টিও আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।

অজয় বঙ্গা এ সময় বাংলাদেশের গত ১৪ মাসের সংস্কার কার্যক্রমে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। তিনি জানান, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নের পথে রাখতে অব্যাহত সহযোগিতা করবে। তার ভাষায়, “বলিষ্ঠ সংস্কার ছাড়া টেকসই উচ্চ প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়।”

জবাবে প্রফেসর ইউনূস বিশ্বব্যাংকের অবিচল সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “জাতির ইতিহাসের সংকটময় সময়ে এ সহায়তা আমাদের সঠিক পথে রাখছে।” একই সঙ্গে তিনি চুরি যাওয়া জাতীয় সম্পদ পুনরুদ্ধার ও চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকীকরণে বিশ্বব্যাংকের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব তুলে ধরে ইউনূস বলেন, এ বন্দর শুধুমাত্র বাংলাদেশের নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি। তিনি উল্লেখ করেন, নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যও এ আধুনিকায়নের সুফল ভোগ করবে। এর ফলে লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

বৈঠকে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের ব্যাংক ও রাজস্ব খাত সংস্কারের অপরিহার্যতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, এসব পদক্ষেপই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই ও শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করবে।

উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




হাসিনার বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগে জড়িত থাকার বিস্ফোরক সাক্ষ্য

বাংলাদেশের ইতিহাসে আলোচিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় একের পর এক নতুন তথ্য উঠে আসছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে প্রসিকিউশন দাবি করেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সেতুভবন, বিটিভি ভবন ও মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগের নির্দেশ দেন এবং পরবর্তীতে সেই দায় চাপিয়ে দেন আন্দোলনকারীদের ওপর।

প্রসিকিউশন আদালতকে জানায়, সেতুভবনে আগুন দেওয়ার পর শেখ হাসিনা মন্তব্য করেছিলেন— “পোড়াইতে বলছি কী, আর আগুন দিছে কই!” এই বক্তব্যই প্রমাণ করে ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত এবং আন্দোলনকারীদের ওপর দোষ চাপানো ছিল একটি কৌশল।

এদিন মামলার ৫১তম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন বিশেষ অনুসন্ধান কর্মকর্তা। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে এই সাক্ষ্য সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এর আগে, মঙ্গলবার সাক্ষ্য দেন সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তা সাহেদ জুবায়ের লরেন্স। তিনি আদালতে উপস্থাপিত জব্দ করা অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে নিশ্চিত করেন যে, কণ্ঠস্বরটি শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনুর। এই ফরেনসিক বিশ্লেষণ মামলার প্রমাণকে আরও জোরালো করেছে।

একই দিনে ডিএমপির ওয়্যারলেস অপারেটর কামরুল হাসান আদালতে বলেন, গত বছরের ১৭ জুলাই ঢাকার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান নির্দেশ দিয়েছিলেন আন্দোলন দমন করতে ডিএমপির সকল সদস্যকে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ ও প্রয়োজনে গুলি চালাতে। তার বক্তব্যে আন্দোলন দমনের সময় পুলিশি ভূমিকার কড়া সমালোচনা উঠে আসে।

পরে সিজার লিস্ট থেকে আরেক সাক্ষী মামলার জব্দ তালিকা আদালতের সামনে উপস্থাপন করেন। এতে অডিও ক্লিপ, ওয়্যারলেস বার্তা এবং বিভিন্ন নথি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব প্রমাণ আদালতে চলমান মামলার প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিচ্ছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, এই মামলার মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে আন্দোলনের নামে ঘটে যাওয়া অগ্নিসংযোগ, সহিংসতা ও দমননীতির নেপথ্যে কীভাবে শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব জড়িত ছিল। আগামী দিনের সাক্ষ্য ও যুক্তি-তর্কে মামলার চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জাতিসংঘে নির্বাচনী রোডম্যাপ তুলে ধরবেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে বিশ্বকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি ও প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করবেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ২৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৪ মাসের সংস্কার কার্যক্রম, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরের উদ্যোগ তুলে ধরবেন।

প্রেস সচিব বলেন, মূল বার্তা হবে—১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনের মতোই সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, বিশ্বনেতারা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে আসন্ন নির্বাচনে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন। জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে সরকারের কার্যক্রম, নির্বাচন প্রস্তুতি, বিচার কার্যক্রম এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিয়মিতভাবে তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে। এতে কোনো ধরনের দূরত্ব নেই।

আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে দেশবাসী দেখেছে তাদের ভূমিকা। দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে হত্যা, গুম ও হাজার হাজার মিথ্যা মামলা হয়েছে। এখন তাদের অবস্থা এমন যে, আর কোনো বন্ধু অবশিষ্ট নেই।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




এলডিসি থেকে উত্তরণে ডব্লিউটিওর সহায়তা কামনা প্রধান উপদেষ্টার

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এই উত্তরণকে সফল ও মসৃণ করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)-এর সর্বাত্মক সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৮০তম সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম চলাকালে ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়ালার সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ অনুরোধ জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের জন্য এলডিসি থেকে উত্তরণ একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। তবে এ সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ও প্রতিযোগিতা ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য ডব্লিউটিওর সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলাতে ডব্লিউটিওকে সংস্কার ও আধুনিকায়নের পথে হাঁটতেই হবে।

ড. ওকোনজো-ইওয়ালা বৈঠকে জানান, বিশ্ব বাণিজ্য নানা চাপের মুখে থাকলেও এখনো প্রায় ৭৫ শতাংশ বাণিজ্য ডব্লিউটিওর নিয়ম মেনে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি এ প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বাংলাদেশের উত্তরণে ডব্লিউটিও সবধরনের সহায়তা করবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ কেবল নিজের স্বার্থে নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চায়। তাই সংস্কার-প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সক্রিয় অংশগ্রহণ করবে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দায়িত্বশীল অবস্থান নেবে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে উত্তরণ লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় বিশেষ করে বাণিজ্য সুবিধা ও শুল্ক অব্যাহতির মতো সুবিধাগুলো হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হতে পারে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও পরিবহন উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফী সিদ্দিকী এবং এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



অকটেন আমদানিতে সরকারের অনুমোদন

দেশে জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন (অকটেন) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে ৫০ হাজার টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেড (অকটেন) আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্রয় সম্পন্ন হবে প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স প্রাইস অনুযায়ী।

প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেডের (অকটেন) চাহিদা থাকবে। এর মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার টন জিটুজি (সরকারি পর্যায়ে) ভিত্তিতে, সমপরিমাণ আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে এবং বাকি ৪ লাখ টন স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াক পুসাকো জাপিন থেকে ৫০ হাজার টন অকটেন আমদানি করা হবে। প্রতি ব্যারেল গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেডের (অকটেন) মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.২০ ডলার, যা প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স প্রাইসসহ গণনা করা হয়েছে।

জ্বালানি খাতের এই ব্যয়ভার বহন করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। অর্থায়নের জন্য বিপিসি তাদের নিজস্ব বাজেট বরাদ্দ, জ্বালানি তেল বিক্রয়লব্ধ অর্থ এবং প্রয়োজনে ঋণের ব্যবস্থা করবে।

এই অনুমোদনের ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পরিবহন ও শিল্প খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নিউ ইয়র্কের অনাকাংখিত ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের দুঃখ প্রকাশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:   যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের  জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এতে উল্লেখ করা হয়, সোমবার নিউইয়র্কে ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে। ওই দিন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় নাগরিক পার্টির আখতার হোসেন এবং তাসনিম জারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলার শিকার হন। এ হামলা চালায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সহযোগী ও সমর্থকেরা।

এতে বলা হয়, ঘটনাটি শেখ হাসিনার সময়ে গড়ে ওঠা সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতির করুণ স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক বাংলাদেশ নির্মাণই অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টা ও সফরসঙ্গী রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ভিসাজনিত সমস্যার কারণে প্রতিনিধি দলকে বিকল্প পথে যেতে হয়। সে সময় ভিভিআইপি প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানানো হলেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুর করেনি। এতে নিরাপত্তায় ঘাটতি তৈরি হয়।

ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ মিশন নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে। তদন্তও চলছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি দলের নিরাপত্তা বহুলাংশে জোরদার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, দেশে বা বিদেশে যেখানেই ঘটুক না কেন—রাজনৈতিক সহিংসতা সহ্য করা হবে না। এ ধরনের ঘটনার প্রতিক্রিয়া আইনগত ও কূটনৈতিকভাবে জানানো হবে।

 




গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা: উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে গণমাধ্যমের করণীয় বিষয়ক নানা আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সাংবাদিকদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বাধীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা, যাতে তারা নির্ভয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে সংবাদকর্মীরা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমানে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই, বরং সরকার প্রত্যাশা করে গণমাধ্যম একটি দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।

এসময় আলোচনায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চলমান কার্যক্রম, সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে করণীয় এবং গণমাধ্যমের মানোন্নয়নে নতুন উদ্যোগ সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কো বাংলাদেশের সংস্কৃতি শাখার প্রধান কিজি তাহনিন। বৈঠকটি ছিল পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যমকে আরও সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিএনপি মনোনয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে সতর্ক রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, সম্প্রতি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে, যা একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

রিজভী জানান, কিছু পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে অসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার গোপন মিশনে একটি চক্র সক্রিয় আছে, যারা বিএনপিকে কলঙ্কিত করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং কিছু গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে।

বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পার্লামেন্টারি বোর্ড প্রার্থী মনোনয়ন দেয় এবং তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাই তফসিল ঘোষণার আগে প্রকাশিত মনগড়া খবরের দিকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রিজভী বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। উপযুক্ত সময়ে, দলের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। কোনো নির্বাচনী এলাকায় এখনও কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হয়নি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের প্রত্যেককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং ইস্পাতের মতো শক্ত ঐক্য বজায় রাখতে হবে। জনগণ বিরক্ত হয় এমন কাজে কেউ জড়াবেন না। জনগণের পাশে থাকলে ধানের শীষের প্রতি ভোট নিশ্চিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূত এবং ভারতের জন্য মনোনীত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। দেশ ইতোমধ্যেই পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে।”

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল,

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  • দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সার্ক পুনরুজ্জীবন
  • রোহিঙ্গা সংকট
  • ঢাকাকে লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের মোকাবিলা

সার্জিও গোর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থনের আশ্বাস দেন।

প্রধান উপদেষ্টা জানান, কক্সবাজারে অবস্থানরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে মার্কিন দূত বলেন, জীবনরক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

বৈঠকে ড. ইউনূস বলেন, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন না হওয়ায় বাংলাদেশ এর পুনরুজ্জীবনে জোর দিচ্ছে। পাশাপাশি তিনি জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিকে আরও এগিয়ে নেবে। এজন্য বাংলাদেশ আসিয়ানে যোগ দিতে আগ্রহী

এছাড়া তিনি নেপাল, ভুটান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারি।”

এ সময় তিনি সার্জিও গোরকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম