আমতলীতে ওয়াকফ্ জমিতে অবৈধভাবে ডেইরি ফার্ম নির্মাণ – প্রশাসনের সহায়তা দাবী ভুক্তভোগীদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আমতলী উপজেলার গুলাইশাখালী ইউনিয়নে ওয়াকফে জমিতে অবৈধভাবে ডেইরি ফার্ম নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী রিপন আকন ওয়াকফে এস্টেটের জমি দখল করে সেখানে স্থায়ী পাকা ঘর নির্মাণ করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত আলী আহমদ তালুকদার তাঁর ৩ একর ২৬ শতক জমি ওয়াকফে দান করেছিলেন। এ জমির দেখভাল করছেন মোতয়াল্লি মোস্তফা তালুকদার, কিন্তু তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী রিপন আকনের সাথে অবৈধ চুক্তির মাধ্যমে ৫৭ শতক জমি দখল করেছেন।

ভুক্তভোগী আরিফ তালুকদার অভিযোগ করেন, “মোতয়াল্লি জমি শুধুমাত্র কৃষি কাজের জন্য ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু স্থায়ী নির্মাণ সম্পূর্ণ ওয়াকফের নিয়মবিরোধী।” তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

অভিযুক্ত রিপন আকন দাবি করেন, তিনি জমিটি লিজ নিয়ে ব্যবহার করছেন, তবে লিজের বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেননি।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে এসিল্যান্ডকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষা করছেন। তারা বিশ্বাস করেন যে, যদি প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়, তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে।

 




সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গ্রেপ্তার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে আটক করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস) তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মো. জাকির হোসেন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদে তিনি শ্রম, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান মো. জাকির হোসেন, এবং বিজয়ী হয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।




ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানা ধরনের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এ সম্পর্কিত প্রামাণ্য তথ্য দেশের সব প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে। গত ১৫ জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শতশত নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিকে হত্যা করেছে এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে।

সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে যে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কাজে জড়িত আছে।

এই অবস্থায় সরকার ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯’ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল এবং ওই আইনের তফসিল-২ এ ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ নামীয় ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্ত্বা হিসেবে তালিকাভুক্ত করল বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লাস

আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এই মুহূর্তে খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো; মুহূর্তে খবর এলো, সন্ত্রাসী লীগ নিষিদ্ধ হলো; হৈ হৈ রৈ রৈ, সন্ত্রাস লীগ গেলি কই; এই মুহূর্তে খবর এলো, ক্যাম্পাস সন্ত্রাসমুক্ত হলো- ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।




৮ বছরের সাজা থেকে খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ১/১১ এর সময় দায়েরকৃত সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা থেকে হাইকোর্ট বিভাগে খালাস পেলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এর ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আট বছরের কারাদণ্ড থেকে মুক্তি পেলেন।

হাইকোর্টের আপীলের রায়ে, ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকার অভিযোগে লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস প্রদান করা হয়। বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার একক বেঞ্চে এ শুনানি হয়। বাবরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এবং দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম ফজলুল হক।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাবরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এরপর তদন্তের পর ১৬ জুলাই আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়, এবং ১২ আগস্ট অভিযোগ গঠন করা হয়।

লুৎফুজ্জামান বাবর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ২০০৭ সাল থেকে কারাভোগ করছেন। তিনি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ফাঁসির আসামি।

তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।




ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে বিগত ১৫ বছর হত্যা, গণরুমকেন্দ্রীক নিপীড়ন,  ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য,  টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ, যৌননিপীড়নসহ নানাবিধ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সাথে এই ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্ত্বা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ক্ষমতাবলে এই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নানাবিধ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে ছাত্রলীগ জড়িত ছিল এবং এ সম্পর্কে প্রামাণ্য তথ্য দেশের সব প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, গত ১৫ জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্র–ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিদের হত্যা করেছেন এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছেন। এ ছাড়া সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।




সিকদার পরিবারের ১৪ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সোমবার (২১ অক্টোবর) সিকদার পরিবারের ১৪ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশনা দিয়েছে। এই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছে জয়নুল হক সিকদার, তাঁর স্ত্রী মনোয়ারা সিকদার এবং তাঁদের সাত সন্তান।

যাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, তারা হলেন: রিক হক সিকদার, রন হক সিকদার, দিপু হক সিকদার, মমতাজুল হক সিকদার, পারভীন হক সিকদার, নাসিম সিকদার এবং লিসা ফাতেমা হক সিকদার। এছাড়া, নাসিম সিকদারের মেয়ে মনিকা খান সিকদার, রিক সিকদারের দুই ছেলে শন হক সিকদার ও জন হক সিকদার, এবং পরিবারের অন্য সদস্য সালাহউদ্দিন খান, জেফরী খান সিকদার ও মেন্ডি খান সিকদারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিএফআইইউ নির্দেশ দিয়েছে যে, তাদের নামে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলে সেগুলোর হিসাবও ফ্রিজ করতে হবে। আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে এসব ব্যক্তি এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব হিসাবের খোলার ফরম, কেওয়াইসি, এবং হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী বিএফআইইউতে পাঠাতে হবে।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২৩(১)(গ) ধারার আওতায় এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিএফআইইউ বলেছে, অর্থপাচার ও অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ উত্তোলন ঠেকানোসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে তারা এই ধরনের ব্যবস্থা নেয়।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার আন্দোলনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন influential ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের ঘটনা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, এমপি, পুলিশ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টও জব্দ করা হয়েছে। বিএফআইইউ ছাড়াও দুদক ও এনবিআরসহ বিভিন্ন সংস্থা অর্থপাচার, রাজস্ব ফাঁকি, ব্যাংক লুটসহ অন্যান্য অনিয়মের তথ্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।

**ট্যাগ:** সিকদার পরিবার, ব্যাংক হিসাব জব্দ, বিএফআইইউ, মানিলন্ডারিং, অর্থপাচার, দুর্নীতি, বাংলাদেশ ব্যাংক




দশমিনায় নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ ধরায় ৪ জেলের কারাদণ্ড

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দশমিনায় তেতুলিয়া নদীতে ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় চার জেলেকে আটক করা হয়েছে। গতকাল (২১ অক্টোবর) রাতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে এই জেলেরা আটক হন। অভিযানের সময় ৩৫ হাজার মিটার জালসহ ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের মোঃ জাবের (১৯), মোঃ মাহবুব (৩৬), মোঃ সোহাগ (২৬) এবং বাউফল উপজেলার শৌলা এলাকার বাসিন্দা মোঃ জলিল (৫৫)।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দ করা ইলিশ মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে এবং ৩৫ হাজার মিটার জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম জানান, “এ পর্যন্ত ২৬ জন জেলেকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। আজকের অভিযানে চারজনকে আটক করে লক্ষাধিক মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে।”



জামায়াতের নিবন্ধন পুনরুজ্জীবিত: আপিল বিভাগের আদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে দলটির আপিল পুনরুজ্জীবিত (রেস্টর) করার আবেদন মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর ফলে, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে দলটির খারিজ হওয়া আপিল পুনরায় আপিল বিভাগে শুনানির জন্য উঠছে।

গত ১ আগস্ট ২০১৩ হাইকোর্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। এরপর দলটির পক্ষ থেকে আবেদন খারিজ হয়ে গেলে, আজ সেই আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আদেশ দেওয়া হয়।

জামায়াতের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালতের এ সিদ্ধান্তের ফলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম আবার চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।




আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে যুবদল নেতা ও বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল হালিম এ রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর-৬ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।




কুয়াকাটা পৌর আ.লীগ সভাপতিসহ ৪ জন জেল হাজতে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: বিএনপির অফিস ভাংচুর ও নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক মেয়র আ. বারেক মোল্লাসহ চারজনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। সোমবার (২১ অক্টোবর) পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতে হাজির হওয়ার পর বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, কুয়াকাটা সিকদার মার্কেটে অবস্থিত পৌর বিএনপির অফিসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল বাদী হয়ে মহিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আ. বারেক মোল্লাসহ মোট ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এই চারজনের মধ্যে আ. বারেক মোল্লা ছাড়াও রয়েছেন, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনন্ত কুমার মুখার্জি, ৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আলাউদ্দিন এবং ৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

এদিকে, বিএনপির নেতাকর্মীরা আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল করে আসামিদের জামিন না দেওয়ার দাবি জানান।