আইনি কাঠামো পাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার, স্পষ্ট হচ্ছে মেয়াদ ও ক্ষমতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আইনি কাঠামোর মধ্যে আসছে শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার (৬ নভেম্বর) দেশের শীর্ষস্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত হওয়ায় বর্তমানে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা এবং প্রধান উপদেষ্টা বা উপদেষ্টার পদ বলে কিছু নেই। এ কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের আইনি ভিত্তি নিয়ে যাতে প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্য ১৯ সেপ্টেম্বর ‘অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।

আইন ও বিচার বিভাগ প্রণীত এ অধ্যাদেশ জারি হলে আদালতে বৈধতার প্রশ্ন তুলে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধ ঘোষণা বা বাতিল করা যাবে না। আর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেয়ার দিন পর্যন্ত বর্তমান সরকারের মেয়াদ হবে। এর আগে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার মেয়াদ ধরা ছিল ৯০ দিন।

অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ কী হবে, তা-ও চূড়ান্ত করা অধ্যাদেশে ঠিক করে দেয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত ধারায় বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার একটি অস্থায়ী বা সাময়িক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অধ্যাদেশটির খসড়ায় রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, বিদ্যমান অন্যান্য আইনে যা কিছুই বলা থাকুক না কেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শ নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে কাজ করতে হবে।

জরুরি অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শ নিতে হবে।তবে কবে নাগাদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ জারি হতে পারে, তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি এই প্রতিবেদনে।




মির্জাগঞ্জে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর ফরাজী বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর ফরাজীকে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার ভোরে সুবিদখালী এলাকায় তাঁর নিজ বাড়িতে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তাঁর বাড়ির দুটি কক্ষ তল্লাশি করে একটি অত্যাধুনিক ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

মির্জাগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন রিমন রাফিন নিশাত জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। দেশব্যাপী অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “জব্দকৃত অস্ত্রটি আমেরিকায় তৈরি। জননিরাপত্তা রক্ষায় এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

ক্যাপ্টেন রিমন আরও বলেন, জাহাঙ্গীর ফরাজীকে মির্জাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের মাধ্যমে এই অস্ত্র কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম আহম্মেদ জানিয়েছেন, এই ঘটনায় দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অভিযানের মূল লক্ষ্য অবৈধ অস্ত্রের অপব্যবহার রোধ এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।




সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলে নীতিগত সিদ্ধান্ত

বরিশাল অফিস ::বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।বৃহস্পতিবার (০৭ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ত্ব করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বেশ কিছুদিন ধরেই বিতর্কিত এই আইন বাতিল বা সংশোধনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল। পরে গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা উচিত। পরে যখন নতুন আইন হবে, এটার বেসিক অ্যাপ্রোচ থাকবে সাইবার সুরক্ষা দেওয়া, নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া বিশেষ করে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামও এ আইন বাতিলের কথা বলেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত বছর বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে তার বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছিল।

কিন্তু এই আইন নিয়ে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে আপত্তি ওঠে। এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা হয়। এখন আইনটি বাতিলের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিল অন্তর্বর্তী সরকার।

অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মামলাগুলো (মুক্তমত প্রকাশের কারণে মামলা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ ছাড়া এসব মামলায় কেউ গ্রেপ্তার থাকলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর অধীনে গত আগস্ট পর্যন্ত দেশের ৮টি সাইবার ট্রাইব্যুনালে মোট ৫ হাজার ৮১৮টি মামলা চলমান।

বর্তমানে স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মোট ১ হাজার ৩৪০টি মামলা চলমান, যার মধ্যে ৪৬১টি মামলা তদন্তকারী সংস্থার কাছে তদন্তাধীন। ৮৭৯টি মামলা দেশের ৮টি সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

এসব মামলার মধ্যে ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তমত প্রকাশের কারণে দায়ের হওয়া মামলাগুলোকে ‘স্পিচ অফেন্স’ এবং কম্পিউটার হ্যাকিং বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিকে ‘কম্পিউটার অফেন্স’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মামলাগুলোর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অধীনে ২৭৯টি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ৭৮৬টি এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের অধীনে ২৭৫টি মামলা চলমান বলে তখন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এতে আরও বলা হয়েছিল, বর্তমান সরকার স্পিচ অফেন্সসংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১ হাজার ৩৪০টি স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মামলার মধ্যে বিচারাধীন ৮৭৯টি মামলা আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত প্রত্যাহার করা হবে। তদন্তাধীন ৪৬১টি মামলা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে।




দেশের বিচার বিভাগ সংস্কারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার আশ্বাস

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। সাক্ষাৎকালে সারাহ কুক বিচার বিভাগ সংস্কারে বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে ঘণ্টাব্যাপী এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

তাদের মধ্যে বিচার বিভাগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আজিজ আহমেদ ভূঞা, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সি মশিয়ার রহমান, প্রধান বিচারপতির একান্ত সচিব শরিফুল আলম ভূঞা উপস্থিত ছিলেন।




প্রতারণার মামলায় মুখ খুললেন অপু বিশ্বাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন প্রযোজক সিমি ইসলাম। গত ২৪ অক্টোবর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই মামলা দায়ের করেন তিনি, যার নম্বর ১১৩৬/২০২৪। অপু বিশ্বাস ছাড়াও মামলার আসামি করা হয়েছে ইউটিউবার হিরো আলম এবং অপু বিশ্বাসের ইউটিউব চ্যানেলের অ্যাডমিন জাহিদুল ইসলামকে।

সিমি ইসলামের অভিযোগ, তার ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক করে নিয়েছেন অপু বিশ্বাস ও তার ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম। এ ব্যাপারে আগে সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন সিমি, এবং মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির মাধ্যমে। তবে সমাধান না পেয়ে শেষমেশ আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, হিরো আলমের মাধ্যমে সিমি ইসলাম অপু বিশ্বাসকে পাঁচ লাখ টাকা দেন। এ বিষয়ে অপু বিশ্বাস বলেছেন, “আমি হিরো আলমকে ভালোভাবে চিনিই না। কোথা থেকে এই টাকা লেনদেনের কথা আসছে, তা জানি না। এসব মনগড়া কথা বলার কোনো ভিত্তি নেই।”

অপু বিশ্বাস আরও জানান যে তার ইউটিউব চ্যানেল অন্য একটি সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, “চ্যানেলের মালিকানা আমার হলেও, পরিচালনা অন্য একটি সংস্থা করে। আমি নিজে এসব দেখি না, আমার অ্যাডমিন সব দেখাশোনা করেন।”

মামলার তদন্ত দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে তেজগাঁও থানা পুলিশকে। আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।




সাবেক সংসদ সদস্য হাসানাত আব্দুল্লাহসহ ৩৯ নেতাকর্মীর নামে মামলা

বরিশাল অফিস ::  বরিশালের গৌরনদীতে ২০২৩ সালে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বিস্ফোরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ দলের ৩৯ নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছে।

উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আক্কেল সরদার বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) গৌরনদী মডেল থানায় তাদের নামে এই মামলা করেন।

মামলায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র হারিছুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন মুন্সী, খাঞ্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর আলম সেরনিয়াবাত।

এ ছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মতলেব মাতুব্বর, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সেরনিয়াবাত, সরকারি গৌরনদী কলেজছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি সুমন মোল্লা, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আল আমিন হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সান্টু ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান দ্বীপসহ নামোল্লিখিত ৩৯ জন এবং ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বুধবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে কালবেলাকে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।




আমির হোসেন আমু গ্রেপ্তার, একাধিক হত্যা মামলার আসামি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, ১৪ দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমুকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আমির হোসেন আমু জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় একাধিক থানায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি। তাকে আজই আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।”

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরও জানান, আমির হোসেন আমু বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে। তাকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর এবং তদন্তের স্বার্থে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আমু, দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার গ্রেপ্তার দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে।

এদিকে, আমির হোসেন আমু গ্রেপ্তারের খবরের পর তার রাজনৈতিক সহযোগীরা দাবি করেছেন, এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার। তবে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।




আট গোপন আটককেন্দ্রের খোঁজ পেয়েছে গুম তদন্ত কমিশন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় আটটি গোপন আটককেন্দ্রের খোঁজ পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কার্যালয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে আটককেন্দ্রগুলো কারা পরিচালনা করতো সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

এ সময় কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন বলেছেন, আমরা র‌্যাব পরিচালিত একটি সেল পেয়েছি, যেটি ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৫ বাই ৪ ফুট। সেখানে আলো ঢোকার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। একটি ড্রেন ছাড়া সেখানে কোনো স্যানিটেশন ব্যবস্থাও ছিল না। এমন পরিবেশেই বন্দিদের বছরের পর বছর আটকে রাখা হতো।

কমিশন গুমের ৪০০টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেছে, যার মধ্যে ১৭২টি ঘটনায় র‌্যাব, ৩৭টি ঘটনায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি), ২৬টি ঘটনায় ডিরেক্টরেট জেনারেল ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই), ৫৫টি ঘটনায় গোয়েন্দা শাখা, ২৫টি ঘটনায় পুলিশ ও ৬৮টি ঘটনায় অন্যদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

কমিশনের আরেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস বলেন, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রমাণ নষ্ট করছে। তারা সেল ও দেয়াল ভেঙে ফেলছে। যেসব বাহিনী প্রমাণ নষ্ট করছে তারা আমাদের সহযোগিতা করছে না। এখনকার কর্মকর্তারাও আগের কর্মকর্তাদের অপরাধে জড়িত ছিলেন।




ঢাকায় শমী কায়সারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: সম্প্রতি আলোচিত অভিনেত্রী শমী কায়সারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ তাকে আটক করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক জাহান।

এ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ১৪ অক্টোবর মাগুরা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন সময় কটূক্তি করেছেন। এর আগে, শমী কায়সার ১৪ আগস্ট দেশের ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠানের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

শমী কায়সার নব্বইয়ের দশকের একটি পরিচিত মুখ ছিলেন, যিনি অভিনয়ে অসংখ্য দর্শকপ্রিয়作品 উপহার দিয়েছেন। তার জন্ম ১৯৭০ সালে, বাবা শহীদুল্লাহ কায়সার এবং মা পান্না কায়সার। পান্না কায়সার একজন লেখিকা এবং সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দুজা চৌধুরীর স্ত্রী মায়া পান্নার বোন।

এছাড়াও, শমী কায়সার এবং রাজনীতিক মাহি বি চৌধুরী সম্পর্কে খালাতো ভাই-বোন। তার গ্রেফতারের খবরটি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।




স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে হাসিনার ছবি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদায়ী সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিকে ‘নিয়মতান্ত্রিক’ বলে আখ্যা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র সভাকক্ষে উপদেষ্টার বাম পাশের উপরের দিকের দেয়ালে প্রথমে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, এরপর আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং এরপর শেখ হাসিনার ছবি রয়েছে। পরে সারিবদ্ধভাবে অন্য সাবেক মন্ত্রীদের ছবি ও মেয়াদকাল রয়েছে।

২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। এ কারণে তার ছবি সভা কক্ষে রয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।