ইসকন নিষিদ্ধ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইসকন নিষিদ্ধ চেয়ে এবং যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে চট্টগ্রাম ও রংপুরে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন এক আইনজীবী।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমের রিপোর্ট তুলে ধরে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চে আদেশ প্রার্থনা করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান।

বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যার্টনি জেনারেলকে ডেকে পাঠান আদালত।

অ্যার্টনি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যে কেউ কোনো অ্যাঙ্গেল থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সরকার জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। সাম্প্রতিক ইস্যুতে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

এ সময় উচ্চ আদালত বলেন, তারা উদ্বিগ্ন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেউ যাতে অবনতি করতে না পারে। ইসকন ও সাম্প্রতিক ইস্যুতে সরকারের পদক্ষেপ কালকের মধ্যে জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট।




চিন্ময় কৃষ্ণ সাম্প্রদায়িক উদ্দেশে সন্ত্রাসী সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি করে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দেশে সম্প্রীতি বিনষ্ট করার পরিকল্পনা নিয়েই চিন্ময় কৃষ্ণ কাজ করছিল এবং সাম্প্রদায়িক উদ্দেশে এ ধরনের সন্ত্রাসী সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে যেসব সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে তাদের অবশ্যই কঠোর শাস্তি হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুরু থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দাবিদাওয়া আন্তরিকভাবে বিবেচনা করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বিভিন্ন সভা সমাবেশে মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছিল। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়া সত্ত্বেও কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে বিভিন্ন সভা করে বেড়াচ্ছিলেন তিনি।

মূলত এই ধরনের তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং বাংলাদেশ ও জুলাই অভ্যুত্থানকে নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করা। ভারতীয় মিডিয়া এরকম মিথ্যা প্রচারণা বরাবরই করে আসছে বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, চট্রগ্রাম আদালতে যেভাবে একজন আইনজীবীকে চিন্ময় কৃষ্ণের সমর্থকরা কুপিয়ে হত্যা করলো তা নজিরবিহীন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বরাবরই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে একটা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে চেযেছে। এখন ভারতীয় মিডিয়াও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি করতে চাচ্ছে। সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা অন্তর্বর্তী সরকার নিশ্চিত করবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার নাশকতাকারী হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আইনি প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করবে। এসময় সবাইকে ধৈর্য ধারণ ও শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, দ্রুতই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হবে।




বাকেরগঞ্জে ৬ টি অবৈধ ইটভাটা ভেঙ্গে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর

বাকেরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এই অভিযানে ৬টি অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে কাচা ইটও ধ্বংস করা হয় এবং এক ইটভাটাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে গতকাল এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম। অভিযানে সহায়তা করে সেনা বাহিনী, বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস।

এই অভিযানে ৪টি ড্রাম চিমনী এবং ২টি অবৈধ জিগজ্যাগ ইটভাটা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধ ইটভাটাগুলো পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, বিশেষত এগুলো মাটি, পানি এবং বাতাসের দূষণ ঘটায়, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিযানের এই সাফল্যের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তর আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পটুয়াখালীতে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৫ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাত ৩টায় নিজামপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে এ বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কোস্টগার্ড মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোস্টগার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে থামানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি একটি বাজারের ব্যাগ ফেলে পাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পালিয়ে যায়। পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে তিনটি কার্টুনে রাখা ২৫ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো মহিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “জব্দকৃত ইয়াবা থানার মালখানায় সংরক্ষিত রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে মুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারীদের হামলায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার এ ঘটনায় আহত ৭-৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ অ্যাডভোকেট এনামুল।

তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ২০১৮ সালে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। পরে তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবেও
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা নাম জালাল উদ্দিন। সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মোক্তার উদ্দিন সাগর নামে এক আইনজীবী জানান, আমার চোখের সামনে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে কোপানো হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন ঢাকা পোস্টকে বলেন, চট্টগ্রাম আদালতে সংঘর্ষের ঘটনায় ৭-৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা চিম্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করে। সড়কপথে আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) আলোচিত এই সংগঠককে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পাঠানো হয়। সোমবার রাতে তাকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা কার্যালয়ে রাখা হয়।

এরপর আজ (মঙ্গলবার) বেলা সাড়ে ১১টার কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মহানগর ষষ্ঠ কাজী শরীফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণকে। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশ মোতাবেক চিন্ময় কৃষ্ণকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সকাল থেকে জড়ো হতে থাকে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীরা। আদালত জামিন না মঞ্জুরের আদেশ দিলে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীরা বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে তারা প্রিজন ভ্যান আটকে দেয়। পরে পুলিশ ও বিজিবি মিলে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় বিক্ষোভকারী। দুপুরের দিকে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আদালত এলাকায় মসজিদ-দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে আইনজীবীসহ বিভিন্ন লোকের ওপর হামলা করে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীরা।

সর্বশেষ বিকেল ৫টার দিকে পাওয়া খবর অনুযায়ী চট্টগ্রাম আদালতসহ আশপাশের এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ওই এলাকায় বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। আইনজীবীদের একটি অংশ তাদের সহকর্মী হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে। অন্যদিকে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের বলেন, বিশৃঙ্খলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।




হাসিনাসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে হেফাজতের অভিযোগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যা, গণহত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর হেফাজত ইসলামের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব এ অভিযোগ দায়ের করেন।

এর আগে মুফতি হারুন ইজহারের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

সেখানে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক এমপি হাজী সেলিম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সদ্দিক, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহমেদ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদ, ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, নির্মূল কমিটির সদস্য অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার, একাত্তর টিভির সাবেক সিইও মোজাম্মেল হক বাবু, সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ জোবায়ের, এবিনিউজ২৪ ডটকমের সম্পাদক সুভাস সিংহ রায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ এবং এনএসআইয়ের মো. মনজুর আহমেদকে আসামি করা হয়।




চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র এবং পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম ৬ষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী শরীফুল ইসলাম এই আদেশ দেন।

এদিন সকাল পৌনে ১২টার দিকে জামিন নামঞ্জুরের এই আদেশ দেওয়া হয়। তবে, এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৌরভ কান্তি দাশ।

এর আগে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আদালতে হাজির করা হয়। জাতীয় পতাকার অবমাননার অভিযোগে তাকে কোতোয়ালী থানার নিউমার্কেট মোড়ের স্বাধীনতা স্তম্ভে গ্রেফতার করা হয়। এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে নেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, তার আদালতে হাজিরার খবর পেয়ে সকাল থেকেই তার ভক্তরা আদালতের সামনে জমায়েত হতে শুরু করেন এবং তাকে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। আদালতের আশেপাশে সেই সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়, যেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (বিজিবি) ও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন।

গত সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোলার সাবেক এমপি জ্যাকব কারাগারে

রাজধানীর রূপনগর থানাধীন এলাকায় শামীম হাওলাদারকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ভোলা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল জ্যাকবকে ৩ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জুনাইদ এই আদেশ দেন। এর আগে, পুলিশ হেফাজত থেকে আব্দুল্লাহ আল জ্যাকবকে আদালতে হাজির করলে রূপনগর থানার উপ-পরিদর্শক মামুন মিয়া তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানান। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, গত ১ অক্টোবর ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল জ্যাকবকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারের পর, হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। পরে, গত ২০ নভেম্বর রূপনগর থানার মামলায় আবারও তাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২০ জুলাই রাজধানীর রূপনগর থানাধীন প্রবেশিকা মোড় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শামীম হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় শামীমের চাচাতো ভাই সম্রাট হাওলাদার রূপনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আব্দুল্লাহ আল জ্যাকবকে ১২২ নম্বর আসামি হিসেবে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সংঘর্ষে না জড়িয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান সরকারের

সরকার শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের সংঘর্ষে না জড়িয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো সংঘর্ষের পেছনে যদি কোনো ধরনের ইন্ধন থাকে, তবে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।

রাজধানীতে কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম এই মন্তব্য করেন। তিনি বাসসকে বলেন, “সম্প্রতি বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, সরকার এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি এবং সংঘর্ষে না জড়িয়ে নিজেদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।”

তিনি আরো বলেন, “এ ধরনের সংঘর্ষের পেছনে কোনো প্ররোচনা বা ইন্ধন থাকলে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমাদের দৃঢ় অবস্থান হলো, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ কোনো অঙ্গনে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

এদিকে, আজ (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে গতকাল (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইল (বুটেক্স) এবং ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সরকারের পক্ষ থেকে এসব সংঘর্ষের কারণ এবং তার পেছনের চক্রান্ত খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চার দিনের সফরে ঢাকায় আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চার দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম এ এ খান।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকালে ঢাকায় আসেন তিনি। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদ্দেশে বর্তমানে কক্সবাজারের পথে রয়েছেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা বিতাড়নে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে কি না, সেটির তদন্ত করছে আইসিসি।

তদন্তের কাজে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি।

২৫ থেকে ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে থাকবেন তিনি। কক্সবাজারে গিয়ে তিনি রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের কাজে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বসবেন, কথা বলবেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।

জানা গেছে, কক্সবাজারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ২৬ নভেম্বর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

২১ নভেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র তৌফিক হাসান জানান, আইসিসির অফিস অফ দ্যা প্রসিকিউটর কর্তৃক প্রস্তাবিত উইট‌নেম প্রো‌টেকশান প্রটোকল চূড়ান্তকরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/সংস্থার মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

রোম সনদ অনুযায়ী, রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা বিতাড়নে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে কি না, সেটার তদন্ত করছে আইসিসি। তদন্ত শেষে আইসিসি অভিযুক্তদের বিচারের জন্য আদালতে হাজির করে। রোম সনদের অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ বাংলাদেশ। মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশে কাজ করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক এ আদালত একটি সমঝোতা সই করেছে। তবে মিয়ানমার রোম সনদে সই করেনি।

প্রসঙ্গত, সবশেষ গত বছরের (২০২৩) জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফর করেন আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম।