ছাগল–কাণ্ডে’ আলোচিত মতিউর ও তাঁর স্ত্রী গ্রেপ্তার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ‘ছাগল–কাণ্ডে’ আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও তাঁর প্রথম স্ত্রী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আজ বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির উপকমিশনার (ডিসি–মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মতিউর রহমান ও তাঁর স্ত্রী লায়লা কানিজকে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

এই দম্পতির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।




১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বিএনপি নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ বেশ কয়েকজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার কারামুক্তিতে আর কোন বাধা নেই, এমনটি জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় করা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় প্রদান করে। হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। এর আগে ৬ নভেম্বর এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়েছিল।

এ মামলায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ আসামিকে ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মজিবুর রহমান মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছিলেন। তবে, আজকের রায় অনুযায়ী, তারা সকলেই খালাস পেয়েছেন।

২০১৪ সালে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া সহ বেশ কয়েকজন আসামি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছিলেন। এছাড়া, অপর ধারায় সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছিল।

আজকের রায়ের পর, লুৎফুজ্জামান বাবরের কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা রইল না বলে তার আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেফতার

বরিশাল সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে ১৩ জানুয়ারি রাতে তার নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আব্দুল মালেক হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, হামলা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেছে।

গত ৪ আগস্ট বরিশাল জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, যার পর ২৩ আগস্ট মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় মোট ৩৮১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল এবং আরও ৬০০-৭০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে যুক্ত করা হয়েছিল।

চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক হাওলাদার বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। যদিও তিনি দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন, তবুও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর কারাগারে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালতে আনা হয়। এ সময় দুদকের উপ-পরিচালক নাজমুল হুসাইন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তবে আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী তার জামিন চেয়ে আবেদন করেননি। পরে শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, জ্ঞাত আয়ের বহির্ভূত সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে আসামি ও তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ বা সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করার জন্য সম্পদ বিবরণী জারি করা হয়। তিনি গত বছরের ২৭ অক্টোবর নিজ স্বাক্ষরে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশসহ সম্পদ বিবরণী ফরম গ্রহণ করেন। কিন্তু আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ গত ২৫ নভেম্বরের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় এস কে সুর, তার স্ত্রী সুপর্ণা সুর চৌধুরী ও কন্যা নন্দিতা সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে গত ২৩ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করে দুদক।




লায়লা হত্যাচেষ্টা: প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি পেছাল

টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামে পরিচিত, তার বিরুদ্ধে টিকটকার লায়লা আখতার ফরহাদকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার চার্জ শুনানি পেছানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালতে এ মামলার চার্জ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এদিন মামলার দুই পক্ষ—মামুন ও লায়লা—আদালতে উপস্থিত হন। মামুনের পক্ষ থেকে আইনজীবী চার্জ শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সময় আবেদন করেন, তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী চার্জ শুনানির জন্য প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে এবং মামলার চার্জ শুনানি আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেন।

২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর লায়লা আখতার ফরহাদ মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ফেসবুকের মাধ্যমে মামুনের সঙ্গে পরিচয় হয় লায়লার। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারপর থেকে মামুন লায়লার বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

এই সময়ের মধ্যে বিভিন্নভাবে মামুন লায়লার কাছ থেকে টাকা দাবি করতেন। প্রায় সময় মাদক সেবন করে গভীর রাতে বাসায় ফিরতেন এবং অশ্লীল ভাষায় কথা বলতেন। মাঝে মাঝে লায়লাকে মারধরও করতেন। এসব পরিস্থিতিতে মামুনের অযৌক্তিক দাবির বিরুদ্ধে লায়লা প্রতিবাদ করলে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করতেন।

২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর, একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে বাসায় ফেরার পথে, মদপানের জন্য মিরপুরে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে লায়লা তাকে নিষেধ করেন। এই ঘটনায় মামুন উত্তেজিত হয়ে লায়লাকে গালিগালাজ করেন এবং পরে মারধর করে হত্যাচেষ্টা চালান।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আমতলী আদালতে নেই বিচারক, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার মানুষ

বরগুনার আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত চার মাস ধরে বিচারক পদ শূন্য থাকার কারণে মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্তত ১৫ হাজার মানুষ বড় ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এর ফলে আদালতের কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে এবং বিচারপ্রার্থীরা নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

সূত্রে জানা গেছে, আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বর্তমানে ২ হাজার ৭’শ মামলা চলমান রয়েছে। এ মামলাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমতলী ও তালতলী উপজেলার অন্তত ১৫ হাজার মানুষ বিপাকে পড়েছেন। গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর বিচারক মো. আরিফুর রহমানকে বদলী করার পর থেকেই আমতলী আদালতে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়নি, যার ফলে আদালতের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে বরগুনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রাকিবুল হাসান সপ্তাহে দুটি দিন আমতলী আদালতের মামলা পরিচালনা করছেন। তবে এই সীমিত সময়ের মধ্যে মামলাগুলোর সুষ্ঠু শুনানি ও বিচার কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না, যার কারণে মামলা সংশ্লিষ্টদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

এ ব্যাপারে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মামলার আসামী জানান, গত চার মাস ধরে বিচারক না থাকায় তাদের মামলার শুনানি বন্ধ রয়েছে এবং এটি তাদের জন্য বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। তারা দ্রুত আমতলী আদালতে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এছাড়া, আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের তরুণ আইনজীবী সৈয়দ নুহু-উল আলম নবীন জানান, গত চার মাস ধরে নিয়মিত বিচারক না থাকায় মামলাদিগের সঠিক বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে মক্কেলদের বিশেষভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

আমতলী আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন মিয়া বলেন, আদালতে বিচারক না থাকায় অন্তত ১৫ হাজার মানুষের বিচার কার্যক্রমে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি দ্রুত আদালতে নতুন বিচারক নিয়োগের দাবী জানান।

মো: তুহিন হোসেন*
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পটুয়াখালীতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ চুরির অভিযোগে বিএনপি নেতাদের নামে মামলা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে কয়লা ভিত্তিক আরএনপিএল বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্ক্র্যাপ চুরির ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ ৫০ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১২ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডেপুটি ম্যানেজার (অ্যাডমিন) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন মোল্লা ও সোহেল মোল্লাসহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের অধিকাংশের বাড়ি উপজেলার গিলাতলা, লোন্দা ও ধানখালী গ্রামে। চুরি হওয়া মালামাল অন্তর্ভুক্ত তামার তার, লোহার সামগ্রী, স্টিলের পাতসহ বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ৯ জানুয়ারি রাতে আসামিরা বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি করে। পরদিন ১০ জানুয়ারি সকালে ওই মালামাল একটি গাড়িতে পাচারের জন্য তোলা হচ্ছিল। এ সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তাকর্মীরা বিষয়টি কর্মকর্তাদের জানান। পরে পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের সহায়তায় অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের পাঁচ টন মালামাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, চোরাইকৃত আরও এক ট্রাক মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিয়মিতভাবে নির্মাণাধীন এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে লোহা ও তামারের স্ক্র্যাপ চুরি হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে স্থানীয় প্রভাবশালীরা কোটি কোটি টাকার স্ক্র্যাপ পাচার করছে। এমনকি দিনের বেলাতেও এই চুরি ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরএনপিএল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আশ্রাব উদ্দিন জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত তামা, লোহা ও স্টিলের পাত পাচারের উদ্দেশ্যে ট্রাকে তোলা হচ্ছিল। নিরাপত্তাকর্মীরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের সহায়তায় পাঁচ টন মালামাল উদ্ধার করেন, পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম জানান, মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ড. ইউনূসের ৫ মামলা বাতিল, হাইকোর্টের রায়ে আইনি দুর্বলতা নেই

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনের পাঁচ মামলার কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ে কোনো আইনি দুর্বলতা নেই বলে জানিয়েছে আপিল বিভাগ। সম্প্রতি প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, হাইকোর্টের রায় ও আদেশে আইনগতভাবে কোনো ত্রুটি বা দুর্বলতা নেই, তাই এতে হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

২০১৯ সালের ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সাবেক তিন কর্মচারী— আব্দুস সালাম, শাহ আলম এবং এমরানুল হক। ওই বছরের মধ্যেই হোসাইন আহমেদ এবং আব্দুর গফুরও পৃথকভাবে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, এসব মামলা বাতিলের জন্য ২০২০ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস। তখন আদালত মামলাগুলো বাতিলের জন্য রুল জারি করে। ২৪ অক্টোবর হাইকোর্ট এসব মামলা বাতিল করে রায় দেন। এর পর রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। তবে ৮ ডিসেম্বর, বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে রায় দেয়, এবং হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখে।

এই রায়কে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে যথার্থ বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যা শর্তহীনভাবে ড. ইউনূসের পক্ষে গেছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 পিরোজপুরে মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ষষ্ঠ শ্রেণির মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার মাদরাসায় যাওয়ার পথে অভিযুক্ত যুবক হৃদয় গাজীসহ কয়েকজন তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে চলে যায় বলে জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। পরে অপহরণকারীরা ছাত্রীর মুক্তির বিনিময়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে।

অপহৃত ছাত্রীর মা বলেন, “আমার মেয়ে ঘোষেরহাট বি. জি. এস মাহিলা দাখিল মাদরাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের হৃদয় গাজী (২৬) এক মাস ধরে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করছিল। এ বিষয়ে এক মাস আগে আমরা হৃদয়ের পরিবারকে অভিযোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু তারপরও সে আমার মেয়েকে বিরক্ত করত। পরে গত সোমবার মেয়ে মাদরাসায় যাওয়ার পথে হৃদয় ও তার কয়েকজন সহযোগী তাকে অপহরণ করে। তারপর ফোনে আমাকে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।”

মাদরাসার সুপার শাহ-আলম জানান, “ঘটনার পর আমরা অভিযুক্ত ছেলের বাড়িতে গিয়েছিলাম, কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে শিক্ষার্থীর স্বজনদের আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছি।”

এদিকে, ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, “অপহরণের অভিযোগে অভিযুক্ত যুবকের বাবাকে থানায় আনা হয়েছিল। পুলিশ অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধারের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোরে আগুন দেওয়া হয়েছে আলিয়ার অস্থায়ী আদালতে, বকশীবাজার সড়ক অবরোধ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতের একটি কক্ষে আগুন দেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার বাইরে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি অবস্থান করলেও কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি প্রধান দুটি ফটক তালাবদ্ধ থাকার কারণে। আগুনে কিছু নথিপত্র ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি চকবাজার থানা পুলিশের।

এদিকে বিচারকাজ বন্ধ করে মাঠ শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে ওই এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

সকাল থেকে আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনবাহিনীর একটি দল।

আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাদ্রাসার ভেতরে মাঠে বিচার কাজ চলমান থাকলে শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। এর আগে বেশ কয়েকবার মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও কর্ণপাত করেনি তারা। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আজ সড়ক অবরোধ করেছে।

বুধবার রাতভর আন্দোলনের পর বৃহস্পতিবার সকালে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে চকবাজার থানার ওসি রেজাউল হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, পুলিশ আলিয়া মাদ্রাসার ভেতরে অবস্থান করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এর মধ্যেই বাইরে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে।

ওসি বলেন, আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ তো অনেক বড়, দুটি গেট তালাবদ্ধ ছিল। বাইরে ছিল ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি। আজ ভোরে অন্ধকারের মধ্যে কে বা কারা আদালতের একটি কক্ষে আগুন দেয়। এতে কিছু কাগজপত্র আসবাবপত্র পুড়ে যায়।

কারা কাজটি করেছে সেটি জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসকে কোনো কাজ করতে হয়নি। যদিও এর আগে গত ৫ আগস্টেই এই মাদ্রাসায় স্থাপিত আদালত প্রায় পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি ওসির।