বাউফলে আওয়ামী লীগ কর্মী হত্যায় দুইজন গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর বাউফলে আওয়ামী লীগের কর্মী সুজন হাওলাদার (৩৫) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন এবং ওসি (তদন্ত) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কনকদিয়া ইউনিয়নের বারেক সিপাহির ছেলে এনামুল ইসলাম (৩০) এবং সাত্তার মুন্সীর ছেলে জিহাদ মুন্সী (২৫)। জানা গেছে, এনামুল কনকদিয়া ইউনিয়ন জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক এবং জিহাদ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কনকদিয়া বীরপাশা বাজার এলাকায় সুজন হাওলাদারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুনঈমুল ইসলাম মিরাজের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।

নিহতের বাবা নবী আলী হাওলাদার বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় ছাত্রদল নেতা মিরাজ এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী।

বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত জিহাদ মামলার ১১ নম্বর এবং এনামুল ১৪ নম্বর আসামি। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফলে অটোরিকশা চালককে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

পটুয়াখালী জেলার বাউফলে মো. সুজন হাওলাদার (৩০) নামের এক অটোরিকশাচালককে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়নপাশা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত সুজন মদনপুরা ইউনিয়নের দ্বিপাশা গ্রামের নবী আলী হাওলাদারের ছেলে ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, খুনের কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, সুজনের বাবা নবী আলী হাওলাদার অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মুনঈমুল ইসলাম ওরফে মিরাজের (৩০) নেতৃত্বে সুজনকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তবে, কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তিনি জানেন না।

নবী আলী হাওলাদার জানান, তার ছেলে সুজন আজ বিকেল ৫টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। সন্ধ্যায় তাকে খবর দেয়া হয় যে, মিরাজের নেতৃত্বে একটি দল তাকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে আহত করেছে। এরপর তিনি হাসপাতালে এসে ছেলের মরদেহ দেখেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী নিজাম উদ্দিন (২৮) জানান, সুজন অটোরিকশা নিয়ে নারায়নপাশা নিজাম মিয়ার দোকানের সামনে পৌঁছালে মিরাজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে তার গতিরোধ করে। এরপর সুজনকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা মুনঈমুল ইসলাম ওরফে মিরাজের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মফিজুল ইসলাম জানান, সুজনের শরীরের চারটি অংশে ছুরিকাঘাতের ক্ষত রয়েছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে চিঠি: সুষ্ঠু বিচারের আশা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক, টবি ক্যাডম্যান, বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া প্রত্যর্পণের চিঠির ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে ভারত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনবে।

আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে টবি ক্যাডম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথভাবে ভারতকে প্রত্যর্পণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। তবে এটি ভারতের নিজস্ব সিদ্ধান্ত, তারা ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়াবে কিনা, কিংবা শেখ হাসিনাকে বিচার থেকে রেহাই দেবে কিনা। আমি আশা করি তারা ন্যায়বিচারের পক্ষেই অবস্থান নিবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিঠির উত্তরে ভারতকে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাংলাদেশ সরকার জোর করতে পারে না, তবে আমরা আশাবাদী যে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এর মাধ্যমে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্ণ সুযোগ পাবেন।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে টবি বলেন, ‘আমি পেশাদার হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করতে এসেছি, এবং অতীতের কোনো ঘটনা বা পূর্বের কর্মকাণ্ড আমার কাজকে প্রভাবিত করবে না। এই মামলাগুলো জটিল, এবং এর কার্যবিধি সময়সাপেক্ষ, তাই তাড়াহুড়া না করে সঠিকভাবে এগোতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে আইনকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার জন্য সাজানো হয়েছে, যা আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে যে, আমরা কাজগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। ভবিষ্যতে আইনি কাঠামোর মধ্যে এসব বিষয়ে আলোচনা চলতে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে আইন অঙ্গনের অন্যান্য ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করবো।’

টবি ক্যাডম্যান ব্রিটিশ আইনজীবী এবং লন্ডনভিত্তিক ‘গুয়ের্নিকা ৩৭’ গ্রুপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তিনি গত ২০ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান রিমান্ডে

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় মো. সাগর নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, আদালতে এনামুর রহমানকে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন। আসামির পক্ষে তার আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন, তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এ বিরোধিতা করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এনামুর রহমানের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ সময় আদালতে উপস্থিত হয়ে এনামুর রহমান বলেন, “জুলাই থেকে অক্টোবর চার মাসে গুলিবিদ্ধ ২৯০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।”

এনামুর রহমানের আইনজীবী বলেন, তার মক্কেল গত সংসদ নির্বাচনে এমপি ছিলেন না এবং এই হত্যা মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা নেই। এছাড়াও তিনি অসুস্থ এবং বয়স্ক, তাই তার রিমান্ড বাতিল করতে অনুরোধ করেন।

এছাড়া, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রানা প্লাজার আহতদের চিকিৎসা দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন এবং পরে মাথায় ফ্যাসিস্টের ভূত চেপে বসে। তিনি শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানাতে সাহায্য করেছেন, এই কারণে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া উচিত।

গত ২৬ জানুয়ারি, রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এনামুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।




পটুয়াখালীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

পটুয়াখালীর বাউফলে কবিরকাঠি গ্রামের সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি জিহাদ সিকদারকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আজ রোববার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৮। পরে তাকে বাউফল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ধর্ষক জিহাদ একই গ্রামের বাসিন্দা। জিহাদের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ১০ জুলাই স্কুলে যাওয়ার পথে বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের কবিরকাঠী গ্রামের সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৩) জোড়পূর্বক মাহেন্দ্র গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় জিহাদ সিকদার। পরে বরিশাল থেকে লঞ্চের কেবিনে ঢাকায় নিয়ে জিহাদ তার এক নিকট আত্মীয়ের বাসায় ওই স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাউফল থানায় আট জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। প্রায় ছয় মাস ধরে পলাতক ছিলেন ধর্ষক জিহাদ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাউফল থানার এসআই মফিজুল ইসলাম বলেন, আসামি জিহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনায় আইনজীবীদের আবেদন আহ্বান

কারাগারে আটক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের (আপিল বিভাগ) তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

২৬ জানুয়ারি আপিল বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার শেখ মোহা. আমীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের আদেশে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আপিল বিভাগের রুলস ১৯৮৮ এর আওতায় কারাগারে আটক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মামলা পরিচালনার জন্য আগ্রহী আইনজীবীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

আগ্রহী আইনজীবীরা নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপিল বিভাগের প্রশাসন শাখায় আবেদন জমা দিতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রুলস অনুযায়ী, কারাগারে আটক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আপিলের অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই আবেদন রেজিস্ট্রার গ্রহণ করার পর সরকারকে অবহিত করা হবে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত থাকবে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাওয়ার পর রেজিস্ট্রার আপিল বিভাগের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্য থেকে একজন আইনজীবী নিয়োগ করবেন এবং আদালতে আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করবেন।

 

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




হাসিনা ঘনিষ্ঠদের অর্থ লোপাট তদন্তে অডিটর নিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের অর্থ লোপাট তদন্তে ইওয়াই, ডেলোওয়েট এবং কেপিএমজি নামের তিনটি অডিট প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেসব ব্যাংক থেকে অর্থ লুটপাট হয়েছে সেগুলোতে নিরীক্ষা চালাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্যাংক থেকে হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা ১৭ বিলিয়ন ডলার লুটপাট করেছেন।

সংবাদমাধ্যমটিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট এসব লোপাট করা অর্থে কেনা সম্পদ ফিরিয়ে আনা এবং এরসঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করতে ১১টি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

ইওয়াই এবং ডেলোওয়েট এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। অপরদিকে কেপিএমজির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইম।




এস কে সুরের দেড় লাখের বেশি ডলার, এক কেজি স্বর্ণালংকার পেল দুদক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের লকারে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাংকটির সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর রাখা ৫৫ হাজার ইউরো, ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০ লাখ টাকার এফডিআর ও প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের এক কেজি (প্রায় ৮৬ ভরি) সোনার অলংকার জব্দ করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে তল্লাশি করতে যায়। সেই দলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামান। তিনি বলেন, জব্দকৃত মালামাল বাংলাদেশ ব্যাংকের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

১৪ জানুয়ারি দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরী। ১৯ জানুয়ারি তাঁর ধানমন্ডির বাসায় অভিযান চালিয়ে ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে দুদক। এ সময় সঞ্চয়পত্র ও বিমার প্রায় চার কোটি টাকার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। তাঁর তিনটি ফ্ল্যাটেরও সন্ধান পায় দুদক।




হেলিকপ্টার থেকে গুলির প্রমাণ, সাবেক র‌্যাব মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গণ–অভ্যুত্থানের সময় র‌্যাবের হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি জানান, এ ঘটনায় র‌্যাবের তৎকালীন মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ‘কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’র অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগে এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আজ রোববার এই পরোয়ানা জারি করেন। ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ২০ জন আহত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গত রাত (২৬ জানুয়ারি) সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। রাত ২টা পর্যন্ত চলতে থাকা এই সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টা পরও উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।

নীলক্ষেত মোড় এলাকায় রাত পৌনে ২টা পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা একে অপরকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। আহত শিক্ষার্থীদের সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও, উভয়পক্ষের শিক্ষার্থীরা ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলেও, সংঘর্ষ থামানো সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ সংঘর্ষস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে, তিনি উভয়পক্ষের তোপের মুখে পড়েন। হাসনাত আবদুল্লাহ নীলক্ষেত এলাকায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপস্থিত হলে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা তার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করেন।

এর আগে, রাত ১১টার দিকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে পৌঁছান। সেসময়, স্যার এ এফ রহমান হলের শিক্ষার্থীরা হলের সামনে অবস্থান নেন এবং রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে ধাওয়া দিয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের নীলক্ষেত পার করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পুলিশ দুই রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম