বাউফলে জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, থানায় জিডি

পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক মিয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) করা ওই জিডিতে মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক উল্লেখ করেন, মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের জাহিদ খানের ছেলে সোহাগ খান একাধিক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে।
জিডিতে আরও বলা হয়, সোহাগ খানের পরিবারে জমি ও ভবন নিয়ে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। তার বাবা, ভাই ও চাচা ইসমাইল খান দুই চাচা হেমায়েত খান ও শফিকুল ইসলামের নির্মাণাধীন ভবন দখল করতে চেয়েছিল। এ নিয়ে থানায় অভিযোগ হলে ওসি উভয় পক্ষকে ডেকে মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে ইউনুস খান গং সালিস মানেনি এবং ভবনের মালামাল—পানির মোটর, বৈদ্যুতিক তার, ৩৬ ব্যাগ সিমেন্ট, প্লেনশিটসহ অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শফিক খান থানায় মামলা করেন এবং পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সোহাগ খান ১৭ ফেব্রুয়ারি কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেয়। পোস্টে দাবি করা হয়, উপজেলা জামায়াতের আমির তার কর্মীদের দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল নিয়ে গেছেন। অন্য একটি পোস্টে বলা হয়, জামায়াত আমির ইসহাক মাওলানার নির্দেশেই শফিক খানের সুবাদে তার বাবাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তার করে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মাওলানা মুহম্মদ ইসহাকের ছেলে, বাংলাদেশ হাইকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, “আমার বাবার সঙ্গে এসব ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করতে সোহাগ খান বিদেশ থেকে ফেসবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা দ্রুত সংশ্লিষ্ট দেশের অ্যাম্বাসিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করব।”
এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অপপ্রচারের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম








