ভারতের কারাগারে ১০৬৭ বাংলাদেশি, গুম হওয়া ব্যক্তিরাও থাকতে পারেন

গত দুই-আড়াই বছরে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক ১০৬৭ বাংলাদেশির নাম-ঠিকানাসহ একটি তালিকা পাওয়া গেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ সেখানে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক মইনুল ইসলাম চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে কমিশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কমিশনের কাছে গুমের শিকার ৩৩০ জনের তালিকা রয়েছে, যাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল, যেখানে পাওয়া তালিকার সঙ্গে গুম হওয়া ব্যক্তিদের নাম মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, পুলিশ ও বিজিবি থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চলছে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ের গুম হওয়া মোহাম্মদ রহমত উল্লাহকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

গুম তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সংঘটিত প্রতিটি গুমের ঘটনায় তৎকালীন সরকারের উচ্চপর্যায়ের সম্পৃক্ততা ছিল। কমিশনে জমা পড়া ১৭৫২টি অভিযোগের মধ্যে প্রায় ১০০০টির প্রাথমিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৮০ জন অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রায় ৪৫ জন কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।

কমিশন জানায়, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ভারত থেকে ফেরত পাঠানো ১৪০ জনের একটি তালিকা যাচাই করে গুম হওয়া কারও সন্ধান মেলেনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পবিপ্রবির জমির গাছ কাটার অভিযোগে দুইজন গ্রেফতার

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অধিগ্রহণকৃত জমির ৪৪টি গাছ কাটার অভিযোগে স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ মো. বাদল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব টেকনিশিয়ান আবু রায়হানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকালে পীরতলা বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৩ মার্চ) সকালে পবিপ্রবি ক্যাম্পাসের খামারবাড়ি সংলগ্ন নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পাশে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির ৪৪টি গাছ কেটে নিচ্ছিলেন সৈয়দ বাদল ও আবু রায়হান। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা আব্দুল মুকিত মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের সহায়তায় গাছগুলো জব্দ করেন এবং দুমকি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ০২/৩মার্চ ২০২৫)।

বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত আবু রায়হান নামমাত্র ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে চাকরিতে থাকলেও অধিকাংশ সময় উপজেলা পরিষদ ও ভূমি অফিসে অবস্থান করতেন।

দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কলাপাড়ায় দম্পতিকে মারধর ও শ্লীলতাহানি, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পরকীয়ার অভিযোগ তুলে এক দম্পতিকে নির্মমভাবে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং অশ্লীল ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নুরজাহান বেগম গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চার দিন পর, সোমবার (৩ মার্চ) রাতে তিনি কলাপাড়া থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে। অভিযোগে বলা হয়, নুরজাহান বেগম ও তার দ্বিতীয় স্বামী শামিম মোটরসাইকেলে চাপলী বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে তুলাতলী এলাকায় পৌঁছালে সাইফুল, বশির, স্বপন, নুর আলমসহ ১০ যুবক তাদের মোটরসাইকেল আটকায় এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। এরপর পাশের এক বিলের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ফের তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। নুরজাহান বেগমের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করা হয়।

ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শামীম চৌকিদার জানান, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় প্রথমে চিকিৎসা ও থানায় অভিযোগ দিতেও বাধা দেওয়া হয়। এমনকি এখনো তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত সাইফুল গাজী দাবি করেন, শামীম ও নুরজাহান বৈধ স্বামী-স্ত্রী নন। তাদের আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া গেছে বলেই তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে ভুক্তভোগী দম্পতি তাদের কাবিননামা দেখিয়ে বৈধ সম্পর্কের প্রমাণ দেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পুরোনো সংবিধান ও শাসন কাঠামো রেখে নতুন বাংলাদেশ গঠন সম্ভব নয়’




রাঙ্গাবালীতে বন্য মহিষের মাংসসহ যুবক আটক

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বন্য মহিষের মাংস ও চামড়াসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ মার্চ) দুপুরে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক যুবকের নাম ইসরাফিল সিকদার। তিনি চরআন্ডা গ্রামের আলী আহমেদ সিকদারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বনাঞ্চল সোনারচর থেকে বন্য মহিষসহ বিভিন্ন প্রাণী শিকার ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইসরাফিলকে তার বাড়ি থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বন্য মহিষের মাংস ও চামড়া উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, চরআন্ডা ও সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচারের সাথে জড়িত। তবে স্পষ্ট প্রমাণের অভাবে এতদিন কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারৎ হোসেন জানান, “দীর্ঘদিন ধরে সোনারচর থেকে বন্য মহিষ পাচারের অভিযোগ পাচ্ছিলাম। সম্প্রতি অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি বন্য মহিষ চোরাচালান হয়েছে বলে তথ্য রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইসরাফিলকে আটক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “আটকের সময় তার কাছ থেকে বন্য মহিষের মাংস ও চামড়া পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংরক্ষিত বনে অবৈধ প্রবেশ ও বন্যপ্রাণী নিধনের অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সংরক্ষিত বনের প্রাণী রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সচেতন মহলও বনাঞ্চল রক্ষায় সরকারি নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



সাড়ে ৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের রায় স্থগিত

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিলের হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে, ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত হওয়ার অনিশ্চয়তা সাময়িকভাবে কাটল

সোমবার (৩ মার্চ) জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতে এই আদেশ ঘোষণা করা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আর রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন

ঘটনার পটভূমি

  • ৬ ফেব্রুয়ারি: হাইকোর্ট ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিলের রায় দেন
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি: হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করা হলে আদালত ২ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেন।
  • ৩ মার্চ: আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে

হাইকোর্টের রায় কারা দিয়েছিলেন?

এই রায় দেন বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ

এই স্থগিতাদেশের ফলে, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরির ব্যাপারে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অনিশ্চয়তা থাকছে


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার খালাসের রায় বহাল




ডিজিএফআই’র সাবেক প্রধান সাইফুলের বাসা থেকে আড়াই কোটি টাকা জব্দ




নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী ফাল্গুনী গ্রেপ্তার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার সাবেক সহ-সভাপতি ফাল্গুনী দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১ মার্চ) ফাল্গুনী দাসকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার শাহবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর।

চবি ছাত্র মজলিসের সভাপতি সাকিব মাহমুদ রূমী বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমরা কয়েকজন বন্ধু বইমেলা প্রাঙ্গণে ছিলাম। হঠাৎ ফাল্গুনী দাসের মতো একজনকে দেখতে পাই, তিনি উজান প্রকাশনীর স্টলের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। নিশ্চিত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুরকে কল দিলে তিনি এসে ফাল্গুনী দাসকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, ফাল্গুনী দাস বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উসকানিদাতা। এ ছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

শাহবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চবি শাখার সহ-সভাপতি ফাল্গুনী দাসকে আটক করা হয়েছে। তাকে শনিবার কোর্টে চালান করা হয়। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।




পটুয়াখালীর বাউফলে কৃষকের তরমুজভর্তি ট্রলার ছিনতাই, চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার ৩

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে চাঁদার দাবিতে কৃষকের তরমুজভর্তি ট্রলার ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ছিনতাই হওয়া ৫০০ তরমুজ উদ্ধার করে ভুক্তভোগী কৃষকের ছেলেকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন—নাজিরপুর ইউনিয়নের যুবদল কর্মী মো. সাইফুল (৩৫), মো. মেহেদী হাসান (২০) ও গোলাম মুর্তজা (৪০)। এর মধ্যে সাইফুল নাজিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে উপজেলা ছাত্রদল থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কৃষক মো. মানিক ব্যাপারী তার খেত থেকে ৮৬০টি তরমুজ কেটে ট্রলারে উঠিয়ে বরিশালে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের ছেলে মো. সাইফুল দেশি অস্ত্রসহ ২০-২৫ জনের একটি দল নিয়ে এসে ট্রলারের চালককে মারধর করে এবং তরমুজভর্তি ট্রলারটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে নিমদী লঞ্চঘাটের পাশে ইটভাটার কাছে নোঙর করে চাঁদা দাবি করা হয়।

ভুক্তভোগী কৃষক জানান, ট্রলার ফেরত পেতে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন সাইফুল ও তার সহযোগীরা। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় কৃষক মানিক ব্যাপারী ও তার ছেলেকে মারধর করে তরমুজ অন্য ট্রলারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে ট্রলারটি ফেরত দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় বুধবার রাত ১২টার দিকে মানিক ব্যাপারী বাদী হয়ে মো. সাইফুলসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, “প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লুট হওয়া ৫০০ তরমুজ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। শিগগিরই বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া সাইফুলের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজিসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম