মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশু মারা গেছে

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী সেই শিশুটি মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার সকালে জানানো হয়, শিশুটির আজ আরও দু’বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে (হৃদ্‌যন্ত্রের স্পন্দন বা হার্টবিট বন্ধ হয়ে যাওয়া); দ্বিতীয়বার প্রায় ৩০ মিনিট সিপিআর দেওয়ার পর রিভার্স করেছে। ব্রেন ফাংশন করছে না; জিসিএস (কোমা) লেভেল ৩। তার রক্ত চাপ ও অক্সিজেন লেভেল অনেক কম।

শিশুটি গত ৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকার সিএমএইচ-এ ভর্তি হয়। তার চিকিৎসার জন্য সব ধরনের সম্ভাব্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গত ৬ মার্চ মাগুরার শহরতলী নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ৮ বছর বয়সি শিশুটি। ওই সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও চালানো হয়।

ধর্ষণের ঘটনার পর গত ৮ মার্চ শনিবার শিশুটির মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। এতে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ, বোনের স্বামী সজিব, সজিবের বড় ভাই রাতুল ও বোনের শাশুড়ি জাহেদাকে আসামি করা হয়। মামলায় সকল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা মাগুরা কারাগারে রয়েছেন।




শেখ হাসিনা ও জেনারেল আজিজসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নথিভুক্ত

২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে কারা অভ্যন্তরে বিডিআরের সাবেক উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুর রহিমের মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন নিহত আব্দুর রহিমের ছেলে অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিডিআর বিদ্রোহ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল, সাবেক কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক সংসদ সদস্য নূরে আলম চৌধুরী লিটন, শেখ সেলিম, শেখ হেলাল, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক, সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং কেন্দ্রীয় কারাগারের তৎকালীন জেল সুপার ও চিকিৎসকরা। এছাড়া, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মন্ত্রী-এমপিসহ আরও ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। বাদীর দাবি, তার বাবা আব্দুর রহিমকে মিথ্যা রাজসাক্ষী হতে প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর ২০১০ সালের ২৯ জুলাই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি নথিভুক্তের আদেশ দিয়েছেন। এটি বর্তমান সরকারের সময়ে পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথম মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভুবনেশ্বরে ১০ বাংলাদেশি গ্রেফতার

ভারতের ওডিশা রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বরের রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ১০ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রোববার (৯ মার্চ) সকালে ওডিশা পুলিশের অপরাধ দমন শাখার স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, তিনজন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা কোনো বৈধ নথি ছাড়াই অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন এবং তারা কয়েক দিন ধরে ভুবনেশ্বর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি মোবাইল ফোন ও বাংলাদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা আসামের ধুবরি জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে পরে ওডিশায় পৌঁছান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে তাদের আটক করা হয়। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভোলায় আ.লীগের ১৬ নেতার জামিন নামঞ্জুর, আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ভোলায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ১৬ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (৯ মার্চ) ভোলার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ.এইচ.এম. মাহমুদুর রহমান তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৯ সালের ৩ মার্চ বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ছয় বছর পর ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত ২ ডিসেম্বর মামলা করেন। এতে সাবেক এমপি তোফায়েল আহমেদসহ ৮৪ জনকে আসামি করা হয়। উচ্চ আদালত থেকে ১৮ জন আগাম জামিন নিলেও রোববার শুনানির পর আদালত ১৬ জনের জামিন নামঞ্জুর করেন।

জামিন নামঞ্জুরের পর আসামিরা আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বনশ্রীতে স্বর্ণ ডাকাতি: পটুয়াখালীর ছাত্রলীগ ও শ্রমিকদলের নেতা গ্রেফতার

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ছয়জনের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের একজন পটুয়াখালীর বাউফলের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম, যিনি স্থানীয় একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা। অন্যজন শ্রমিকদলের নেতা সুমন মোল্লা।

শনিবার (৮ মার্চ) গ্রেপ্তারকৃতদের গণমাধ্যমের সামনে হাজির করার পর স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের নতুন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দা ইকবাল মৃধার ছেলে। তিনি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন এবং এর আগেও একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। অপরদিকে, সুমন মোল্লা একই ইউনিয়নের আয়নাবাজ কালাইয়া এলাকার বাসিন্দা শাহজাহান মোল্লার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর জেলা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে আমিনুলসহ ডাকাত দলের সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি একাধিক ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের মতে, আমিনুল ইসলাম রাজনৈতিক সভা-সমাবেশেও সক্রিয় ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একাধিক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তোলা ছবি ভাইরাল হয়।

বাউফল উপজেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক হাসান মাহমুদ মঞ্জু বলেন, “আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তবে তাকে বহিষ্কারের জন্য ইতোমধ্যে ইউনিয়ন শ্রমিকদলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

বাউফল থানার পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম বলেন, “আমিনুল একজন পেশাদার ডাকাত। এর আগেও তাকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এবারও স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় তার সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চাঁদাবাজির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী নেতা নাহিদকে অব্যাহতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক রংপুরে নির্মাণাধীন একটি পার্কের মালিকের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১১ টায় সংগঠনটির মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি ও সদস্য সচিব রহমত আলী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছেl

এর আগে গত ১ মার্চ গঙ্গাচড়ার পূর্ব খলেয়া এলাকায় নির্মাণাধীন গ্রিন সিটি ইকো পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে নাহিদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

চাঁদা চাওয়ার ওই ভিডিওতে শোনা যায়, পার্ক কর্তৃপক্ষ নাহিদকে বলেন ‘তুমি যদি বলো সেখানে বালুর ব্যবসা হচ্ছে, তাহলে সেটা বন্ধ করে দিই।’ এ সময় নাহিদ বলেন, ‘না আপনি কেন কাজ বন্ধ করবেন। আপনি চালান, আপনি তো ভাই-ব্রাদার আমাদের। আপনি ভাইয়ের সঙ্গে রাতে কথা বলেন সময় নেন, সমস্যা নাই।’

পরে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘১ লাখ টাকা দিতে পারব না, ৫ হাজার টাকা দিই। এক লাখ টাকা কই থেকে দেব, একটা তো সিস্টেম আছে।’ পরে নাহিদ বলেন, ‘না না। আমি তাহলে আগাই। আপনি ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আপনি তো দেখছেন বিষয়টি কোথায় গেছে, ইউএনও-ডিসিকে সামলাতে হচ্ছে। যদি মনে হয় কিছু কমাবেন, তাহলে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আমি চাই না আপনাদের কোনো সমস্যা হোক। জানেন তো সংগঠন চালাতে হলে কী কী করতে হয়’।

যদিও নাহিদ হাসান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বারবারই অস্বীকার করে আসছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পারি একটি পার্কে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আমরা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ৭-৮ জনের একটা টিম সেখানে গিয়ে দেখতে পাই বালু উত্তোলন করে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাদের কাছে জানতে পারি পার্কের ভেতরে পুকুর খনন করে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। সেখানে একটি রিপোর্ট করি এবং বেশকিছু ভিডিও করে রাখি। সেখানকার একজন মুরুব্বি বেলাল নামে একজনকে ফোন দেয়। বেলাল বিএনপির পরিচয় দিয়ে আমাকে শিমুলবাগ কমিউনিটি সেন্টারে ডাকে। তাদের ১০-১২ জনের একটা টিম আমার কাছে আসে। কথাবার্তার মাঝে আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে অর্থের প্রলোভন দেখায়। আমরা সেটি এড়ানোর চেষ্টা করে দ্রুত সেখান থেকে চলে আসি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি কালবেলাকে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের সিদ্ধান্ত জানালাম। আমরা অনেক রকম বিষয় পাচ্ছি, কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আমরা যেহেতু পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহতি তাকে দিয়েছি সেহেতু কেন্দ্র থেকে পরিদর্শন করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে ‘।




গলাচিপার দুর্ধর্ষ চোর ইয়াকুব মৃধা গ্রেফতার

পটুয়াখালীর গলাচিপার কুখ্যাত চোর ও একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ইয়াকুব মৃধা (৪৪) র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে বরগুনার আমতলী বাজার সংলগ্ন পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়ক থেকে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ এর একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃত ইয়াকুব মৃধা পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার শৈলাবুনিয়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তার মৃধার পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে সে ঢাকা, যশোর, ধামরাই ও বগুড়ায় সক্রিয় চুরির গ্যাং পরিচালনা করে আসছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত এই অপরাধীর বিরুদ্ধে অন্তত ১০টিরও বেশি চুরি ও ডাকাতি মামলা রয়েছে।

ইয়াকুব মৃধার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

  • গুলশান থানা, ঢাকা: মামলা নং- ৬১ (২৬ সেপ্টেম্বর ২০১১), ধারা: ৩৯৫/৩৯৬/৪১২ (ডাকাতি ও সহিংস অপরাধ)।
  • যশোর থানা: মামলা নং- ৭৩ (১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫), ধারা: ৩৯৯/৪০২ (ডাকাতির প্রস্তুতি)।
  • ধামরাই থানা: মামলা নং- ২২ (২০১৬), ধারা: ৩৯৯/৪০২।
  • ডিএমপি কদমতলী থানা: মামলা নং- ১৭, ধারা: ৩৯৯/৪০২।
  • যশোর কোতোয়ালি থানা: চুরির মামলা।

র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনায় ইয়াকুবের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, রাত ৪টার দিকে বগুড়ার শেরপুর থানাধীন শেরুয়া বটতলা এলাকায় পিরপাল মাজার মার্কেটে “কিষান অটো” নামে একটি দোকানে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে। সাত-আটজন মুখোশধারী চোর দোকানের তালা ভেঙে ইজি বাইক, অটোরিকশা, আইপিএস ও সিএনজির মোট ৪১টি ব্যাটারি চুরি করে, যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা।

ভুক্তভোগী মো. মুনজুরুল হাসান বাদী হয়ে শেরপুর থানায় অজ্ঞাত চোরদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের পর ইয়াকুব মৃধার সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হলে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাব-৮ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ইয়াকুব মৃধাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ধর্ষণের বিচার দাবিতে মধ্যরাতে জাবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক ; ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দোষীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মধ্যরাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রফিক-জব্বার হল এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ছাত্রী হলের সামনে দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পৌঁছায়। এতে প্রায় ১০ থেকে ১২টি হলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ চলতে থাকে প্রায় আধা ঘণ্টা, পরে রাত তিনটার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ধর্ষকদের গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’; ‘জাস্টিস, জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; ‘হলে হলে খবর দে, ধর্ষকদের কবর দে’; ‘চব্বিশের বাংলায়, ধর্ষকদের ঠাঁই নাই’—ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ইংরেজী বিভাগের ৫৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী চিশতী বলেন, “কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটছে। অথচ সরকার নিরব ভূমিকা পালন করছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে কঠোর কর্মসূচি এবং ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ব্লক করে দেব।”




পটুয়াখালীতে কন্যা শিশুকে ধর্ষন চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেফতার

পটুয়াখালী কলাপাড়ায় মাদ্রাসা পড়ুয়া এক কন্যা শিশুকে (১০) ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে এনছান মৃধা ওরফে গেদু (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ (শনিবার) দুপুরে উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের পশ্চিম লোন্দা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে সকালে ওই কন্যা শিশুর মা বাদী হয়ে কলাপড়া থানায় একটি ধর্ষন চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশি এনছান মৃধার নাতনীর সঙ্গে ওই কন্যা শিশু প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাওয়া আসা করতো। গত বুধবার (৫ মার্চ) বেলা এগারোটার দিকে ওই শিশু বড়ই খেতে এনছান মৃধার বাড়িতে যায়। এসময় এনছান তাকে বেশি বড়ই দেয়ার কথা বলে তাদের উঠানের দক্ষিন পাশে নিয়ে জড়িয়ে ধরে শরীরের স্পর্শ কাতর স্থানে একাধিকার হাত দিয়ে ধর্ষন চেষ্টা চালায়। এসময় ওই কন্যা শিশু জোড়াজুড়ি করে কোন রকমের তার কাছ থেকে ছুটে দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সব খুলে বলে। কিন্তু বিষয়টি তার মা তেমন গুরুত্ব দেয়নি। গতকাল রাতে ওই শিশুর মা শরীরে এলার্জির মলম লাগাতে গিয়ে বাম পাশের স্তন ফুলা দেখে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসাপতালে নিয়ে আসে এবং সকালে থানায় মামলা দায়ের করেন।
কলাপাড়া থানার ওসি জুয়েল ইসলাম বলেন, আসামীকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
মো: আল-আমিন



মহিপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

পটুয়াখালীর মহিপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ জিএম জসিম নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার (৭ মার্চ) রাতে মহিপুর সদর ইউনিয়নের ওয়াপদা কলোনীর গরুর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মহিপুর গরুর বাজার এলাকায় নিজ বাসা থেকে জিএম জসিমকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে সবুজ পলিথিনে মোড়ানো ও সাদা কাগজে রাখা ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, জিএম জসিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তাকে আটকের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শনিবার (৮ মার্চ) সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, চিহ্নিত মাদক কারবারি জিএম জসিমকে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম