সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

দুর্নীতি মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছেন।

রোববার (১৬ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়। তাঁর পক্ষে অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে আবেদন জানালেও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এ মামলায় সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ৩৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৬৮ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগে গত ১৯ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করা হয়।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়ার পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আবরার হ’ত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের রায় বহাল রেখেছে। এতে ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকে।

রোববার (১৬ মার্চ) দুপুরে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানসহ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদ হাসান চৌধুরী ও আজিজুর রহমান দুলু তাদের পক্ষে শুনানি করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় আদালতের এই রায়ে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার প্রমাণ মেলে। এরপর মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়।

আদালতের রায়ের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত। এই রায় সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।” অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

আবরারের পরিবার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, “আমাদের সন্তানের হত্যাকারীরা যেন দ্রুত তাদের শাস্তি পায়। ন্যায়বিচার পেতে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তেঁতুলিয়া নদীতে তরমুজবোঝাই ট্রলারে ডাকাতি, গণপিটুনিতে নিহত ১

তেঁতুলিয়া নদীতে তরমুজবোঝাই ট্রলারে ডাকাতির চেষ্টাকালে ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক জলদস্যু নিহত হয়েছে। শনিবার (১৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাউফল অংশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জলদস্যুর নাম মো. কবির (৪৫), তিনি ভোলার দক্ষিণ বালিয়া এলাকার বাসিন্দা।

বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, ডাকাতির সময় ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে সংঘর্ষ বাধে। জলদস্যুরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ট্রলারের যাত্রীদের কুপিয়ে জখম করে। এ সময় জলদস্যুরা নদীতে ঝাঁপিয়ে পালিয়ে যায়, তবে কবিরকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয়রা ধুলিয়া লঞ্চঘাটে ট্রলার পৌঁছালে তাকে গণপিটুনি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর বেলা আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানায়, গলাচিপা থেকে ব্যবসায়ী শহিদুল মাতব্বরসহ আটজন তরমুজ নিয়ে চাঁদপুর যাচ্ছিলেন। তালতলা এলাকায় ট্রলারটি পৌঁছালে জলদস্যুরা আক্রমণ করে। হামলায় ব্যবসায়ী শহিদুল মাতব্বর, ফিরোজ মাতব্বর, বারেক মাতব্বরসহ আটজন আহত হন। তাদের বরিশালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, “তরমুজবোঝাই ট্রলারটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে ছেড়ে দেওয়া হবে। জলদস্যুদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জান্নাতি বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর স্বামী ফিরোজ সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মার্চ) উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের মেহেন্দিয়াবাদ গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফিরোজ পেশায় ট্রাকচালক।

গত বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জান্নাতির মরদেহ তাঁর স্বামীর বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। শুক্রবার বিকেলে জান্নাতির বাবা হাবিবুর রহমান মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জান্নাতির স্বামী ফিরোজ সিকদার ও শাশুড়ি ফিরোজা বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে জানানো হয়েছে, বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় ফিরোজ ও তাঁর মা ফিরোজা বেগম যৌতুকের দাবিতে জান্নাতির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্যাতনের একপর্যায়ে জান্নাতিকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁরা মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার করতে চেষ্টা করেন।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, গৃহবধূর বাবার করা মামলার ভিত্তিতে তাঁর স্বামী ফিরোজ সিকদারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফলে পৃথক স্থানে কিশোরী ও তরুণের ম’রদে’হ উদ্ধার

পটুয়াখালীর বাউফলে পৃথক দুটি স্থানে এক কিশোরী ও এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের শৌলা গ্রাম ও ডালিমা ব্রিজ সংলগ্ন গুচ্ছগ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন—শৌলা গ্রামের কাঞ্চন খাঁ বাড়ির নজরুল খানের মেয়ে কুমকুম আক্তার (১৪) এবং ডালিমা ব্রিজ সংলগ্ন গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম (২২)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে শৌলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে কুমকুম আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে পূর্ব কালাইয়া হাসান সিদ্দিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তবে আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

এর আগে, শুক্রবার ভোরে ডালিমা ব্রিজ সংলগ্ন গুচ্ছগ্রাম থেকে জাহিদুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের বরাতে জানা যায়, ভোরে সেহেরি খেয়ে নামাজ আদায়ের জন্য বের হন জাহিদুল। সকাল ৭টার দিকে পরিবারের লোকজন ঘরের পেছনে কাঁঠাল গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান। দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন জাহিদুল, তার স্ত্রী বর্তমানে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় রোববার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আগামী রোববার (১৬ মার্চ) ঘোষণা করা হবে। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন রায়ের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায়, মামলার রায় রোববারের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী পিটিয়ে হত্যা করেন।

এছাড়া, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর ২৪ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষ হয় এবং রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর, আদালত এই হত্যা মামলায় ২০ বুয়েট শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। আরও পাঁচ শিক্ষার্থীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার নথি ২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্টে পৌঁছায় এবং গত বছরের ২৮ নভেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চে এই বিষয়ের শুনানি শুরু হয়।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা

পিরোজপুরের নাজিরপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে মন্দির ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। স্থানীয় স্কুল শিক্ষক ঠাকুর চাঁদ বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে নাজিরপুর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের শ্রীরামকাঠী-বলিবাবলা সড়কের পাশে ঠাকুর চাঁদের ভোগদখলীয় জমি নিয়ে জেলার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরিফুজ্জামান শিকদার (মনি)-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

অভিযোগে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মনির নির্দেশে স্থানীয় উদয়তারা গ্রামের আজিজুল শেখ ও সদর উপজেলার শিকদারমল্লিক গ্রামের জালিজ শেখসহ ৭-৮ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জমিতে হামলা চালায়। তারা সেখানে থাকা বসতঘর ও একটি মন্দির ভেঙে ফেলে। এ সময় পাশের আরেকটি সার্বজনীন মন্দিরও ভাঙচুর করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, ঠাকুর চাঁদ ওই জমি রতন হালদারের কাছ থেকে কিনেছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ নেতা মনি শিকদারও একই জমি কিনেছেন বলে দাবি করেন এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন। জমির মালিকানা দাবি করেই বিরোধের জেরে ঘর ও মন্দির ভাঙচুর করা হয়।

নাজিরপুর থানার ওসি মো. মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান,
“জমি দখল নিয়ে বিরোধের জেরে মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুজ্জামান মনি দাবি করেন,
“জমিটি আমি ক্রয় করেছি। সেখানে থাকা ঘর ভাঙচুর হয়েছে, তবে মন্দির ভাঙার অভিযোগ মিথ্যা।”

উল্লেখ্য, শরিফুজ্জামান মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা, লুটপাট ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

বরিশালের মুলাদীতে হত্যার ভয় দেখিয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে খোকন কবিরাজ (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে মুলাদী পৌরসভার চরডিক্রী কালাপাহাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মুলাদী থানায় মামলা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুলাদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মমিন উদ্দিন

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর খালু মারা যাওয়ায় তার বাবা-মা বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখানে যান। ওই সময় তরুণী তার ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে বাড়িতে ছিলেন।

বেলা ২টার দিকে তার ভাইয়ের ছেলে খেলতে বের হলে, অভিযুক্ত খোকন কবিরাজ দা নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে তরুণীকে জবাই করার ভয় দেখিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন।

কিছুক্ষণ পর তরুণীর ভাইয়ের ছেলে বাড়ি ফিরে এ ঘটনা দেখতে পায় এবং দ্রুত সাইকেল চালিয়ে তার বাবাকে জানায়। এরপর তরুণীর ভাই থানায় খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে অভিযান চালিয়ে খোকনকে গ্রেপ্তার করে

পুলিশ পরিদর্শক মমিন উদ্দিন জানান, ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগীকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পিরোজপুরে মোবাইল গেইম না দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, ১৩ বছরের কারাদণ্ড কিশোরের

মোবাইল দিয়ে অনলাইন গেইম “ফ্রি ফায়ার” খেলতে না দেয়ার কারণে ২০২১ সালে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার একটি ঘটনা ঘটে, যেখানে এক স্কুল ছাত্রকে হত্যা করে তার বন্ধু। পিরোজপুরের একটি আদালত হত্যাকারী কিশোর আবির হোসেন হাওলাদার (১৭) কে ১৩ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে।

আবির হোসেন হাওলাদার, যিনি উপজেলার নদমূলা গ্রামের কালাম হাওলাদারের ছেলে, ২০২1 সালে এক স্কুল ছাত্র শান্ত হাওলাদারের (১৪) সাথে মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। শান্ত তার স্মার্ট ফোন দিয়ে অনলাইন গেইম খেলত, কিন্তু আবিরের নিজের কোনো ফোন ছিল না। একদিন আবির শান্তর কাছে তার মোবাইল ফোনটি চেয়েছিল, কিন্তু শান্ত তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই কারণে তাদের মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়, যা পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়।

ঘটনার পর, ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর, আবির শান্তকে মোবাইল ফোন দেখানোর কথা বলে বাড়ির কাছে একটি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে সে শান্তর মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে নালায় ফেলে পানিতে চেপে ধরে শান্তর মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর সে শান্তর মরদেহ নালার মধ্যে লুকানোর চেষ্টা করে।

পরিবারের সদস্যরা অনেক রাত পর্যন্ত শান্তকে খুঁজে না পেয়ে পরের দিন তার মরদেহ নালার মধ্যে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং চার মাস পরে আবিরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্ত ও সব প্রমাণ যাচাই-বাছাইয়ের পর আদালত আবিরকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ধর্ষণ মামলায় খালাস পেলেন সাবেক উপসচিব রেজাউল