১৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত যুবলীগ নেতা শাহজাহান সিরাজ গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ১৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি শাহজাহান সিরাজ (৫২) অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছেন। শনিবার বিকেলে রাজধানীর আফতাবনগর এলাকায় পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বাউফলের মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের চৌমোহনী এলাকার বাসিন্দা মো. মোসলেম উদ্দিনের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আদালত শাহজাহান সিরাজকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর গত ৫ আগস্ট তিনি গা-ঢাকা দেন এবং ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, থানার এসআই মনিরুজ্জামান খানের নেতৃত্বে র‍্যাব-২ ও র‍্যাব-৩ এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালান। এ সময় আফতাবনগরের একটি বাসায় অবস্থানরত শাহজাহান সিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআই মনিরুজ্জামান খান বলেন, রবিবার সকালে গ্রেপ্তার আসামিকে বাউফল থানায় আনা হবে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আদালতে প্রেরণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই গ্রেপ্তার স্থানীয় এলাকায় চাঁদাবাজি ও অপরাধ দমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নির্বাচন নিরাপত্তায় ৪০ হাজার বডিক্যাম আসছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে পুলিশের জন্য ৪০ হাজার বডি-ওয়্যার ক্যামেরা (বডিক্যাম) কেনার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনের সময় দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে এসব আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

রোববার (১০ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় বিষয়টি জানায়। এর আগে শনিবার ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরী এবং ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ।

ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ জানান, বডিক্যাম কেনার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। অক্টোবরের মধ্যে এসব ক্যামেরা দেশে এনে পুলিশ সদস্যদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সক্ষমতাসহ অন্যান্য ফিচারের উপর পূর্ণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জার্মানি, চীন ও থাইল্যান্ডের তিনটি আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ চলছে সরবরাহ নিশ্চিত করতে। নির্বাচনের সময় পুলিশ অফিসার ও কনস্টেবলরা বুকে ডিভাইসটি পরে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি বলেন, “খরচ যাই হোক না কেন, আমাদের লক্ষ্য ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করে তোলা।”

প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের দ্রুত ক্রয়প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তিনি জানান, নির্বাচনের নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত স্বচ্ছতা বাড়াতে একটি নির্বাচনী অ্যাপ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রার্থীদের তথ্য, ভোটকেন্দ্রের লাইভ আপডেট এবং অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “অ্যাপটি যেন দেশের ১০ কোটিরও বেশি ভোটারের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চায়ের দোকানে বসা অবস্থায় গাজীপুরে সাংবাদিক খুন

গাজীপুর মহানগরীর ব্যস্ততম এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে মো. আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) নামের এক সংবাদকর্মীকে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তার মসজিদ মার্কেটের সামনে এ নির্মম ঘটনা ঘটে।

নিহত তুহিন গাজীপুরের স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করছিলেন। তিনি রাজধানী থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’-এর গাজীপুর প্রতিনিধি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামে হলেও পরিবার নিয়ে তিনি গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।

স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের কিছু সময় আগে তুহিন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যস্ত চৌরাস্তা এলাকায় পথচারীদের বিশৃঙ্খলভাবে রাস্তা পারাপারের দৃশ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, “যেমন খুশি তেমন রাস্তা পার হওয়ার দৃশ্য। গাজীপুর চৌরাস্তা।”

ভিডিওটি পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরই তিনি চা খেতে যান মসজিদ মার্কেটের পাশে একটি দোকানে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঠিক সেই সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত অতর্কিতে এসে তাকে ঘিরে ফেলে। সবার সামনেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং গলা কেটে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন খান জানান, “ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহল, গণমাধ্যমকর্মী, সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, একজন পেশাদার সাংবাদিককে এভাবে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করায় গণমাধ্যমের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দশমিনায় সংখ্যালঘু পরিবারের ঘরে ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী গুরুতর আহত

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূঁজা খোলার উত্তর পাশে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৪ আগস্ট) ভোররাতে প্রায় ৩টার দিকে চারজন মুখোশধারী ডাকাত ঘরের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে ভয়াবহ তাণ্ডব চালায়।

ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এরপর একে একে ঘরের মালামাল লুট করতে শুরু করে। তারা নগদ ৫০ হাজার টাকা, প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সিস্টেমের মেশিন খুলে নিয়ে যায়।

ডাকাতদের অত্যাচার এখানেই থেমে থাকেনি। বাড়ির প্রবাসী মালিকের স্ত্রী শুক্লা রানীকে তারা বেধড়ক মারধর করে। ডাকাতরা মূল্যবান জিনিস চাইলেও না পেয়ে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে জীবন বাঁচাতে শুক্লা রানী ঘরের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়েন এবং চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। তবে তার আগেই ডাকাতরা সব মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

আহত শুক্লা রানীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি জানান, “চারজন মুখোশধারী আমার ঘরে ঢুকে মারধর করে। তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও সিসি ক্যামেরার মেশিন লুট করে নিয়ে গেছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে আমি সম্মান রক্ষায় ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েছি।”

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গেছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এই ঘটনায় এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জালিয়াতি মামলায় খায়রুল হকসহ ৮ জন ফাঁসছেন

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছয়তলা বাড়ি থাকার পরও সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে পূর্বাচলে প্লট গ্রহণের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ রাজউকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (৪ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, খায়রুল হক প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পের ১ নম্বর সেক্টরের ১০২ নম্বর রোডের ০০৪ নম্বর প্লটটি নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করান। অথচ তার নামে এরই মধ্যে ঢাকার নায়েম রোডে একটি ছয়তলা বাড়ি রয়েছে। এ তথ্য গোপন রেখে তিনি রাজউক বরাবর মিথ্যা হলফনামা দাখিল করেন।

পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে এমন অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ সরকারি চাকরি আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। অভিযোগ উঠেছে, সাবেক বিচারপতি এই অনিয়ম করতে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং এ কাজে রাজউকের একাধিক কর্মকর্তার যোগসাজশ ছিল।

যাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে তারা হলেন–
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা, সদস্য (অর্থ) ও সদস্য (এস্টেট) আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, সদস্য (অর্থ) মো. আবু বক্কার সিকদার, সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সদস্য (এস্টেট) আখতার হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সচিব ও সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম এবং সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) নাজমুল হাই।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, আসামিরা আইনসম্মতভাবে প্লট বরাদ্দের যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও, একে অপরের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিজেদের এবং অন্যদের অবৈধভাবে লাভবান করেছেন। এতে শুধু সম্পদ আত্মসাৎই নয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহারও ঘটেছে।

তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৩, ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

তদন্ত শেষ হলে খুব শিগগিরই আদালতে মামলাটি দায়ের করা হবে বলে জানা গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নির্বাচনের আগ পর্যন্ত অভিযান চলবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের অনেক অস্ত্র খোয়া গেছে। সেগুলো উদ্ধার করতে হবে। তাই এই অভিযান নির্বাচনের আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।”

৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে জনমনে আতঙ্ক আছে কি না—এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, “৩ আগস্ট ঘিরেও কিছুটা আতঙ্ক ছিল, তবে আল্লাহর রহমতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভালো। সরকার ক্ষমতা গ্রহণের সময় যা ছিল, তার তুলনায় আমরা অনেকটা অগ্রসর হয়েছি।”

তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখনো হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি। তার ভাষায়, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে কি না, সেটা জনগণই ভালো বলতে পারবেন। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

৫ আগস্টকে ঘিরে বিশেষ সতর্কতা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সতর্কতা সব সময়ই থাকে। আমাদের বাহিনীও প্রস্তুত অবস্থানে রয়েছে।”

 

এই বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের গতি অব্যাহত থাকবে, বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা সহিংসতা ঠেকাতেও এ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জনগণকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি, আতঙ্ক না ছড়ানোর দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছেন উপদেষ্টা।


মো. আল-আমিন
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফলে এক রাতেই ১১ দোকানে চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক রাতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ছয়হিস্যা চৌমোহনী বাজার ও সংলগ্ন এলাকায় শনিবার (২ আগস্ট) গভীর রাতে এই চুরির ঘটনাগুলো ঘটে। একটি বসতঘরসহ ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই সংঘবদ্ধ চুরির কবলে পড়ে। ঘটনায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আসাদুল তালুকদার জানান, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরের দল পরিকল্পিতভাবে তার রাইস মিল এবং সার-ওষুধের দোকানসহ একাধিক দোকানে হানা দেয়। চুরির শিকার দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে—সালাউদ্দিন মৃধা, গণেশ দাস, মালেক মৃধার মুদি ও মনোহারি দোকান, ফোরকান তালুকদারের দোকান, জাকিরের ফার্মেসি, আবদুর রহমানের হার্ডওয়্যার, আবদুর রহিমের সিমেন্টের দোকান ও দক্ষিণ পাশের হালিম হাওলাদারের বসতঘর। একই এলাকার খেয়াঘাট এলাকায় ফিরোজের কসমেটিকসের দোকান এবং একটি টি-স্টলেও চুরির ঘটনা ঘটে।

ব্যবসায়ীরা জানান, চোরেরা দোকানগুলোর তালা ভেঙে ও নানান কৌশলে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নগদ অর্থ ছাড়াও মালামাল নিয়ে যায়, যার মূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে দোকান খুলতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা চুরির ঘটনা টের পান এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, একই রাতে এতগুলো দোকানে চুরি সংগঠিত হওয়ায় বাজারজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই ধারণা করছেন, সম্প্রতি এলাকায় বেড়ে যাওয়া মাদকের ছড়াছড়ি এসব অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হতে পারে। মাদকাসক্ত চক্রগুলোই এমন পরিকল্পিত চুরির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তারা সন্দেহ করছেন।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তারুজ্জামান সরকার জানান, ঘটনাস্থলে এসআই শহীদুলের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসী দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। চোরেরা বারবার ধরা না পড়ায় জনমনে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে এবং রাতের বেলা বাজার এলাকাকে কেন্দ্র করে টহল জোরদারের দাবি উঠেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কলাপাড়ায় গভীর রাতে ভয়াবহ ডাকাতি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে। উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম রজপাড়া গ্রামের বিশকানি এলাকার আবদুস সোবাহানের বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সংঘবদ্ধ ডাকাত দল গভীর রাতে বাড়ির প্লাস্টিকের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর পরিবারের সদস্যদের হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে এবং প্রায় এক লক্ষ টাকা ও এক ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়।

ভুক্তভোগী আবদুস সোবাহান ও তার স্ত্রী খুকি বেগম জানান, ডাকাতরা ছিল সংঘবদ্ধ ও পরিকল্পিত। তারা ঘরে ঢুকেই সবাইকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুটে নেয়। আতঙ্কে কেঁপে ওঠে পুরো পরিবার। পুরো ঘটনা ঘটার সময় তারা কিছু বলতে বা চিৎকার করতেও পারেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে এটি একমাত্র ঘটনা নয়। মাত্র কিছুদিন আগেই, ১৩ জুলাই একই ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে আরেকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। সে সময়ও ডাকাত দল একটি বাড়িতে ঢুকে সবাইকে বেঁধে ফেলে এবং বাড়ির একজন প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধ করে। ওই ঘটনায় ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৫০ হাজার টাকা লুট হয়।

এই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে এলাকায় ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারির ঘাটতি থাকায় এসব ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল ইসলাম জানান, পুলিশের টহল ফোরলেন এলাকায় ছিল। এটি সত্যিকারের ডাকাতি, নাকি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত ঘটনা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অপরাধ বাড়তে থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। অনেকেই এখন বাড়িতে নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। পুলিশের ওপর আস্থা রাখতে চাইলেও, ঘটনার পুনরাবৃত্তি তাদেরকে আরও শঙ্কিত করে তুলেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শহিদ মিনারে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করতে যাচ্ছে এনসিপি, নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তিতে, রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ রোববার (৩ আগস্ট) আয়োজিত এ সমাবেশকে ঘিরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ও এর আশপাশে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিববাড়ি মোড় ও দোয়েল চত্বরের প্রবেশপথে কড়া নজরদারি চলছে। শহিদ মিনার এলাকা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল, তল্লাশি ও অবস্থান স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে। ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সমাবেশস্থলের বিভিন্ন এলাকা বোমা ও বিস্ফোরক শনাক্তকরণে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

ইশতেহার ঘোষণায় কী থাকবে?
এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ লিয়ন জানান, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আজকের সমাবেশ থেকে যে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করবেন, তা মূলত ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দেওয়া এক দফা ঘোষণার ভিত্তি নিয়ে নির্মিত। এই ইশতেহারে থাকবে—

  • এক নাগরিকের মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্রব্যবস্থা
  • আধুনিক ও মানবিক সভ্যতা গড়ার রূপরেখা
  • রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা
  • তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে একটি মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক, কেমন হবে নতুন বাংলাদেশ। ইশতেহারে থাকবে সেই ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা।”

জনদুর্ভোগ কমাতে সচেষ্ট আয়োজকরা
আয়োজকরা জানিয়েছেন, সমাবেশ সংক্ষিপ্ত রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জনদুর্ভোগ এড়াতে এনসিপির নিজস্ব শৃঙ্খলা টিম মিছিল ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

এনসিপির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা যেন শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে অবস্থান নেয় এবং অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের অসুবিধায় না ফেলে।


সংক্ষিপ্ত তথ্যছক:

বিষয়ের নাম তথ্য
অনুষ্ঠান নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার ঘোষণা
আয়োজক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
স্থান কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, ঢাকা
তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৫
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিএমপি, ডগ স্কোয়াড, শৃঙ্খলা টিম
ইশতেহারের মূল বিষয় এক নাগরিকের রাষ্ট্র, মানবিক উন্নয়ন, প্রযুক্তি-ভিত্তিক আধুনিকতা

 

আল-আমিন,
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম | 

 




অ্যাটর্নি জেনারেল: “শেখ হাসিনা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচার”

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ রোববার (৩ আগস্ট) শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিক বিচার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মামলার সূচনা বক্তব্য রাখছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম

বিচার শুরুর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন:

“পৃথিবীর ইতিহাসে শেখ হাসিনার মতো কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হয়নি। তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচার। যদি মিথ্যার ওপর পিএইচডি করতে হয়, শেখ হাসিনার কাছেই শিখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন,

“পৃথিবীর সব স্বৈরশাসকের যদি কোনো সমিতি হয়, শেখ হাসিনা হবেন তার সভাপতি।”

আজকের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় সকাল সাড়ে ১১টায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ। অন্য দুই বিচারক হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহাম্মদ মোহিতুল হক

ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বিচারকাজ সরাসরি ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজে সম্প্রচার করা হচ্ছে।

রাজসাক্ষীর আবেদন গৃহীত

এই মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন সত্য প্রকাশের শর্তে রাজসাক্ষী হতে সম্মত হলে ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন গ্রহণ করেছে।

মামলার পটভূমি ও অগ্রগতি:

  • ১ জুন: ট্রাইব্যুনাল ৫টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আমলে নেয়।
  • ১৭ জুন: পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
  • ১০ জুলাই: অভিযোগ গঠন করে ৩ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের দিন ধার্য করা হয়।

আসামিপক্ষের প্রতিনিধিত্ব:

  • শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন
  • চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে জায়েদ বিন আমজাদ

জনমত ও রাজনৈতিক উত্তাপ:

এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন, তা রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম