হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ : ধর্ষণের ক্ষেত্রে অবৈজ্ঞানিক ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ

চন্দ্রদীপ নিউজ: ধর্ষণের শিকার নারী ও কন্যাশিশুর ডাক্তারি (মেডিকো-লিগ্যাল) পরীক্ষার ক্ষেত্রে ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ বা ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’-এর মতো অবৈজ্ঞানিক এবং অবৈধ পরীক্ষাকে নিষিদ্ধ করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। গত ২৪ আগস্ট বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ আটটি সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ বা ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করে এ রায় প্রকাশ করেন।

এ রায়ে আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করে, সাংবিধানিক বিধান, আন্তর্জাতিক চুক্তি, জাতিসংঘ প্রণীত নির্দেশিকা, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা ও ফরেনসিক বিজ্ঞানের পরিপ্রেক্ষিতে, ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ বন্ধে এবং ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের গোপনীয়তার অধিকার, তাদের ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার, শারীরিক অখণ্ডতা, তাদের ব্যক্তিসত্তার এবং অন্তর্নিহিত মর্যাদার প্রতি সম্মান নিশ্চিতে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা ও আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

পর্যবেক্ষণে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া এবং ভুক্তভোগী ব্যক্তি যদি নাবালিকা হয়, সেক্ষেত্রে তার আইনি অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোনোভাবেই কোনো ডাক্তারি পরীক্ষা করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে আটটি নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ৮ অক্টোবর ব্লাস্ট অন্য পাঁচটি মানবাধিকার সংগঠন (আইন ও সালিশ কেন্দ্র, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্র্যাক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নারীপক্ষ) এবং দুজন গবেষককে (ড. রুচিরা তাবাসসুম নাভেদ এবং ড. মোবারক হোসেন খান) যৌথভাবে ধর্ষণের শিকার নারী ও কন্যাশিশুর ডাক্তারি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ বা ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’-এর মতো অমানবিক পরীক্ষার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মামলা করে।




বাংলাদেশে গড় আয়ু কমেছে ছয় বছর আট মাস

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: বায়ুদূষণে বাংলাদেশে বছরে মানুষের গড় আয়ু ছয় বছর আট মাস কমে গেছে। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশ বাংলাদেশ। ১৯৯৮ সালের তুলনায় বায়ুদূষণ ৬৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে ২০২০ ও ২০২১ সালের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত বায়ুদূষণবিষয়ক এক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের কোন দেশের অধিবাসীদের গড় আয়ু কী পরিমাণ কমছে, সেই হিসাব ধরে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বায়ুদূষণ বিশ্ববাসীর জন্য সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠেছে। বিশ্বের ছয়টি দেশে বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, নাইজেরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। সামগ্রিকভাবে দূষিত বায়ু মানুষের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। ধূমপানে মৃত্যুর চেয়ে তিনগুণ, সড়ক দুর্ঘটনার মৃত্যুর তুলনায় পাঁচগুণ মানুষ বায়ুদূষণে মারা যাচ্ছে।

বায়ুদূষণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষের গড় আয়ু কী পরিমাণে কমছে, তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। বায়ুর মান অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের আয়ু এক বছর থেকে ছয় বছর কমে যাচ্ছে। গত এক যুগে বিশ্বে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে চীন সবচেয়ে বেশি সফলতা দেখিয়েছে। দূষণ রোধে তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো দেশটির বায়ুর মান ৪২ শতাংশ বেশি উন্নতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ১৬ কোটি ৪৮ লাখ মানুষ সারা বছর দূষিত বায়ুর মধ্যে বসবাস করছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত মান, বাতাসে প্রতি ঘনমিটারে অতি ক্ষুদ্র বস্তুকণা ৫ মাইক্রোগ্রামের চেয়ে বেশি। তবে দেশের একেক এলাকার বায়ুর অবস্থা একেক রকম। বড় শহরগুলোর তুলনায় গ্রামের বায়ুর মান ভালো। বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্মল বায়ুর শহর সিলেটেও বায়ুদূষণ আন্তর্জাতিক মানের ১০ গুণ। সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর হলো গাজীপুর। রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে কাছের শিল্প এলাকা গাজীপুরে মানুষের আয়ু আট বছর তিন মাস কমে গেছে। আর বাংলাদেশে বছরে গড় আয়ু কমেছে ছয় বছর আট মাস।

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরগুলোয় ৭ কোটি ৪৭ লাখ মানুষ বসবাস করে। এসব শহরের অধিবাসীদের গড় আয়ু সাত বছর ছয় মাস কমে যাচ্ছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করে বায়ুর মান উন্নত করলে গড় আয়ু বাড়ানো যেতে পারে। ঢাকায় বায়ুর মান উন্নত করে গড় আয়ু আট বছর এক মাস বাড়ানো সম্ভব আর চট্টগ্রামে ছয় বছর নয় মাসের সঙ্গে পুরো দেশের গড় আয়ু বাড়তে পারে পাঁচ বছর আট মাস।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে বায়ুর মান বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সময়মতো তথ্য সরবরাহের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব তথ্য যাতে দূষিত বায়ু থেকে রক্ষা পেতে নাগরিকরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে, তা-ও নিশ্চিত করার ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মিখাইন গ্রিনস্টোন বলেন, বিশ্বের গণমাধ্যমগুলো রাজনৈতিক সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেয়। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করলে বায়ুদূষণসংক্রান্ত সংবাদ প্রতিদিন প্রকাশ করা উচিত। কারণ, অনেক দেশে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রাথমিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়নি। এক্ষেত্রে আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো বিশ্বের মোট দূষিত বায়ুর ৯২ দশমিক ৭ শতাংশ নির্গত করে। এশিয়ার ৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আফ্রিকার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ রাষ্ট্র তার জনগণের জন্য বায়ুর মানবিষয়ক নির্ভরযোগ্য তথ্য সঠিক সময়ে সরবরাহ করে থাকে।

একই সঙ্গে এশিয়ার ৩৫ দশমিক ৬ এবং আফ্রিকার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ দেশে নিজেদের বায়ুর মানমাত্রা আছে। একই সঙ্গে বায়ুর মান নিয়ন্ত্রণে কোনো বৈশ্বিক তহবিল নেই। কিন্তু এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মা বিষয়ে বৈশ্বিক তহবিল রয়েছে। এসব তহবিল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বছরে ৪০০ কোটি ডলার সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে পুরো আফ্রিকা মহাদেশ বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বছরে মাত্র তিন লাখ ডলার পেয়েছে। ওই অর্থের জোগান আসছে মূলত বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে। ওই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরিবারের বার্ষিক ব্যয়ের সমান। আর এশিয়ার দেশগুলোয় যাচ্ছে ১৪ লাখ ডলার। আর ক্লিন এয়ার ফান্ড থেকে চীন, ভারত, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা মিলে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র নানা উদ্যোগের মাধ্যমে বায়ুর মানের উন্নতি করেছে। দেশটি ১৯৭০ সালের তুলনায় বায়ুর মান ৬৫ শতাংশ উন্নতি করেছে। তবে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা এক বছর চার মাস বেশি বাঁচে। এর কারণ, দেশটি নির্মল বায়ু আইন করেছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ওই আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো গড়ে তুলেছে।

বায়ুর মানের দিক থেকে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছে ইউরোপের দেশগুলো। এখানকার অধিবাসীরা ১৯৯৮ সালের তুলনায় ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ ভালো বায়ুর মধ্যে বসবাস করছে। এখানকার বেশির ভাগ দেশ এয়ার কোয়ালিটি ফ্রেমওয়ার্ক ডিরেক্টিভ তৈরি করেছে। ওই আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো সেখানকার ৯৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ ডব্লিউএইচও-এর মানমাত্রার চেয়ে খারাপ বায়ুর মধ্যে বাস করে। তবে তারা ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুর মান ওই মানমাত্রায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের সাফল্য : চীনের উদাহরণ টেনে প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটি বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ ক্ষেত্রে তারা উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। তারা ২০১৩ সালের তুলনায় ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ বায়ুদূষণ কমিয়েছে। এতে তাদের নাগরিকদের গড় আয়ু দুই বছর দুই মাস বেড়েছে। তবে এখনো চীনে বায়ুর মান ডব্লিউএইচও-এর বায়ুমানের তুলনায় ছয়গুণ বেশি। একই সঙ্গে তাদের গড় আয়ু আড়াই বছর কমে যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ বাতাস মানমাত্রার চেয়ে খারাপ বা দূষিত




মুলাদীতে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামী গ্রেফতার

বরিশাল অফিস : জেলার মুলাদী থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামী মোঃ ইয়াছিন সরদার (১৯) মোঃ করিম সরদারকে (৫০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

সোমবাব (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১ টার সময় র‍্যাব-৮ এবং র‍্যাব-১০ এর যৌথ অভিযানে ঢাকা মহানগরের বংশাল থানাধীন এলাকা হতে প্রধান ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার (২৮ আগস্ট) বরিশাল নগরীর রূপাতলী র‌্যাব-৮ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান।

তিনি জানান, আসামীরা বরিশাল জেলার মূলাদী থানাধীন ৩ নং সফিপুর ইউনিয়নের মাছুয়া খালী (উত্তর চরপদ্মা) মাড়ুয়া খালী গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাব অধিনায়ক জানায়, বরিশাল জেলার মূলাদী থানাধীন ৩ নং সফিপুর ইউনিয়নের মাছুয়া খালী (উত্তর চরপদ্মা) গ্রামে পূর্ব শত্রুতা এবং জমি জমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সম্পত্তির ওয়ারিশ আসামীদের নিজ বসত বাড়িতে গত ১৫ আগস্ট দুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রায়হান সরদার ও তার ভাই মোঃ ইমরান সরদারকে গালে, পিঠে এলোপাথারি কোপাতে থাকে আসামীরা ।

এতে রায়হান সরদার ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় এবং রক্তক্ষরনে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে। ভিকটিমের ভাই ইমরান সরদারকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাৎক্ষনিক চিকিৎসার জন্য পার্শ্ববর্তী গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রেরণ করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে শরীয়তপুর জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। বর্তমানে মোঃ ইমরান সরদার হাসপাতালে চিৎসাধীন রয়েছে।

নিহত রায়হানের মা মোসাঃ সূর্যবান বেগম ১৭ আগস্ট বাদী হয়ে বরিশাল জেলার মুলাদী থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান জানান প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর হত্যার মত ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আটক করে আইনের আওতায় এনে সাধারণ জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম ভাবে কাজ করছে র‍্যাব।




লালমোহনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় চিকিৎসক নিহত, চালক গ্রেফতার

বরিশাল অফিস: ভোলার লালমোহনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় চিকিৎসক নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রাতে গ্রেফতারকৃত চালক এরশাদকে লালমোহন থানায় আনা হয়। তিনি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার আড়ায়া এলাকার শুক্কুরের ছেলে।

লালমোহন থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান জানান, গত ৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) কালমা ইউনিয়নের বাকলাইয়ের দোকান এলাকায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় দুর্ঘটনায় নিহত হন লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. হিল্লোল দে। এ ঘটনায় লালমোহন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই চিকিৎসকের চাচা সজল দে।

ওসি আরো জানান, দুর্ঘটনার পরে পালিয়ে যান মাইক্রোবাসের চালক এরশাদ। পালিয়ে গিয়ে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানা এলাকার বোনের বাড়িতে আত্মগোপন করেন তিনি। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালিয়ে  লালমোহন থানার এসআই জাহিদের নেতৃত্বে সোমবার ভোরে ওই চালককে তার বোনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তারা। এরপর রাতে ওই চালককে থানায় আনা হয়। মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃত মাইক্রোবাসচালক এরশাদকে আদালতে পাঠানো হবে।




গৌরনদীতে রান্নাঘর থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

বরিশাল অফিস: বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় রান্নাঘর থেকে সাথী আক্তার নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বার্থী গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত সাথী আক্তার একই গ্রামের আলামিন সরদারের স্ত্রী।

গৌরনদী থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান, ঐ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।




ঝালকাঠির নলছিটিতে বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশন

বরিশাল অফিস: হাসান হাওলাদারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেম তরুণীর। এরই মধ্যে ২০১৮ সালে সৌদিতে পাড়ি জমান প্রেমিক হাসান। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ হয় দু’জনের। ওই তরুণীকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাসও দেন। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন হাসান। এরপর মার্চে ঢাকা থেকে লঞ্চের এক কেবিনে বরিশালে আসেন তারা। ওই সময় তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এছাড়াও এক আত্মীয়র বাড়িতেও তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে হঠাৎ অন্য মেয়েকে বিয়ের প্রস্তুতি নেন প্রেমিক। এমন খবরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এসে অনশনে বসেন ওই প্রেমিকা।

ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের উত্তমাবাদ গ্রামে। শনিবার (২৬ আগস্ট) রাত থেকে প্রেমিক হাসানের বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই তরুণী।

অনশনকারী ওই তরুণী জানান, ২০১৬ সালে হাসান হাওলাদারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপরে ২০১৮ সালে কাজের জন্য হাসান হাওলাদার সৌদি আরব যান। এ সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ হয় দু’জনের। হাসান হাওলাদার ওই তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দেন। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন হাসান হাওলাদার। এরপর তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন ওই তরুণী। তখন হাসান জানান- তার বড় ভাই ও বোনের কাছে তিনি টাকা পান। এই টাকা পেলেই তিনি বিয়ে করবেন।

চলতি বছরের মার্চে ঢাকা থেকে লঞ্চের এক কেবিনে একত্রে হাসান হাওলাদার ও ওই নারী বরিশালে আসেন। এ সময় তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানান ওই নারী। এছাড়াও রমজানের ঈদের সময় ওই তরুণীর খালার বাড়িতে বেড়াতে যান হাসান হাওলাদার। তখনও তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরপরে হঠাৎ বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করেন হাসান হাওলাদার। ফলে ওই তরুণী বাদী হয়ে হাসানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

সম্প্রতি হাসান অন্য এক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবরে প্রেমিকের বাড়িতে এসে অনশনে বসেন ওই প্রেমিকা।

উত্তমাবাদ গ্রামের ইউপি সদস্য মো. মানিক জানান, ‘আদালতে যেহেতু একটা মামলা চলামান রয়েছে তাই আমি ওই নারীকে আপাতত হাসানের বাড়ির পাশে ওই তরুণীর এক আত্মীয়র কাছে রেখে এসেছি। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারকে নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসা হবে।




মাদরাসাছাত্র বলাৎকারে মৃত্যু ও হত্যা মামলায় অধ্যক্ষ আটক

বরিশাল অফিস : পটুয়াখালীর বাউফলে বলাৎকারের শিকার ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় মাদরাসার প্রধান শিক্ষক সেলিম গাজীকে (৩৮) আটক করেছে র্যাব।

সোমবাব (২৮ আগস্ট) র‍্যাব-৮ এর একটি টিম অভিযান চালিয়ে পিরোজপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার (২৮ আগস্ট) বরিশাল নগরীর রূপাতলী র‌্যাব-৮ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান।

তিনি জানান, গ্রেফতার সেলিম গাজী পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বড় ডালিমা এলাকার আবুল কালাম গাজীর ছেলে।

র‌্যাব জানায়, বাউফল উপজেলার বড় ডালিমা মদিনাতুল উলুম কওমিয়া হাফিজিয়া ও নুরানি কিন্ডারগার্টেন মাদরাসা এবং এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সেলিম গাজী।

২০২২ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে শিক্ষা সফরে নিয়ে যান। শিক্ষা সফরে অবস্থানকালীন রাত ১১টার দিকে এক ছাত্রকে বলাৎকার করেন শিক্ষক সেলিম গাজী। পরে বিভিন্ন সময় তার রুমে ডেকে নিয়ে এ পাশবিক নির্যাতন চালাতেন সেলিম গাজী। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখাতেন।

এ ঘটনার পর গত ২ আগস্ট ওই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীসময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার ফাইলেরিয়া অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ১৩ আগস্ট মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ভিকটিমকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় ওই ছাত্র মারা যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে বাউফল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পরে রোববার দিনগত রাত ২টার দিকে অভিযান চালিয়ে পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার গুয়ারেখা ইউনিয়নের বরতকাঠি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে র‌্যাবের একটি দল

র‌্যাব অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান জানান, গ্রেফতার সেলিম গাজীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হবে।




বানারীপাড়ায় ইজিবাইক চালককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা

বরিশাল অফিস : পুলিশ ডিউটি শেষে শেষরাতে বাড়ি ফেরার পথে চোর সন্দেহে আবদুস ছালাম বেপারী (৬০) নামের এক ইজিবাইক চালককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার  দিবাগত রাত সাড়ে চারটার দিকে জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চৌয়ারীপাড়া নামকস্থানে। নিহত ছালাম বেপারী উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বলহার গ্রামের মৃত আবদুল কাদের বেপারীর ছেলে।

জানা গেছে, থানা পুলিশের রাতের ডিউটি শেষ করে ছালাম বেপারী রোববার  শেষ রাতে বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কের চৌয়ারীপাড়া নামকস্থান অতিক্রম করছিলেন। এ সময় স্থানীয় আলমগীর ও আবদুর রবসহ ১০/১৫ জনের একদল লোক ইজিবাইকের সামনে গাছ ফেলে গতিরোধ করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ইজিবাইকের সামনের গ্লাসে আঘাত করা হয়। এতে ইজিবাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় ওই এলাকার আলমগীর, আবদুর রব ও নাঈমসহ বেশ কয়েকজন মিলে কোন কিছু না শুনেই চোর সন্দেহে ছালাম বেপারীকে অমানুষিক নির্যাতন করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছালাম বেপারীকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মারধরের সময় বৃদ্ধ ছালাম হামলাকারীদের কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে করুন আকুতি জানিয়ে বলেন, আমি চোর না, আমি পুলিশ ডিউটি করে এসেছি। তোমরা থানায় খবর নেও তবুও আমাকে মেরো না। কিন্তু হামলাকারীরা তার কোন কথা না শুনেই অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। এ সময় ছালাম বেপারী সবার কাছে একটু পানি চেয়েও পাননি।

বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারী আবদুর রব, এমরান হোসেন ও আল-আমিন নামের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, সোমবার দুপুরে নিহত ছালাম বেপারীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আটক আল-আমিনের দাবি, তিনি হামলাকারীদের হাত থেকে ইজিবাইক চালক ছালাম বেপারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন।




তালগাছ কাটায় পদ হারালেন মহিপুর ইউপি’র চেয়ারম্যান

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে ৩০টি তাল গাছ ও নানা প্রজাতির আরও অন্তত ৪০টি গাছের চারা উপড়ে ফেলার ঘটনায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. সোবাহান হাওলাদারকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যকে দুই লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৭ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি রুল নিষ্পত্তিকালে বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান কচি। অন্যদিকে ছিলেন আইনজীবী শেখ মো. সোহেল এবং প্রশান্ত কুমার কর্মকার।
আদেশের বিষয়ে আইনজীবী কামরুজ্জামান কচি গণমাধ্যমকে বলেন, চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে এক মাসের মধ্যে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে তাদেরকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। ৯০ দিনের মধ্যে এই জরিমানার অর্থ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দিতে বলেছেন আদালত। নির্বাহী কর্মকর্তা জরিমানাকৃত টাকা দিয়ে সেখানে তালগাছ লাগাতে এবং তা সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আবেদন করা হবে বলেও জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী।
উল্লেখ্য, সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে তালগাছ উপড়ে ফেলার খবর নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোসহ প্রথম শ্রেণির একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সেই প্রতিবেদনের বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত ৭ মে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট।




আগৈলঝাড়ায় পাঁচ সহপাঠীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

বরিশাল অফিস :বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পাঁচ সহপাঠীর ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ছয় সহপাঠী ছাত্রীরা। এ ঘটনায় নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা একাধিকবার বৈঠকে বসলেও অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিচার নিয়ে দেখা দিয়েছে দ্বিধা-বিভক্সত্রে জানা গেছে, উপজেলা বাগধা ইউনিয়নের নাঘিরপাড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র আল মাহামুদ বখতিয়ার, মাহাফুজ হাওলাদার, আকাশ বখতিয়ার, নাইম বখতিয়ার ও জিহাদ বখতিয়ারস তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন একই বিদ্যালয়ের ৬ সহপাঠী ছাত্রীরা।

অভিযোগকারী ছাত্রীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে একই বিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাদের (ছাত্রীদের) উত্যক্ত, প্রেমের প্রস্তাবসহ যৌন হয়রানি করে আসছিল। উত্যক্তকারী ওই ছাত্রদের বিরুদ্ধে বিচারদাবীতে প্রধান শিক্ষক বিভুতি ভুষণ সরকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা একাধিকবার শালিস বৈঠকে বসলেও অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অভিযোগকরা পর খেবে আমরা অতঙ্কে কয়েছি।

এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বিভুতি ভূষণ সরকার বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে একাধিকার ম্যানেজিং কমিটি সদস্যদের নিয়ে সমাধানের জন্য বসলেও দ্বিধা-বিভক্তির কারণে সিদ্বান্ত নেওয়া যায়নি। পুনরায় বসা হবে।

এঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর সরদার বলেন, অভিযুক্তদের অভিভাবদের সামনে বসে তাদের বিচার করা হবে। আমারা দ্রুত এর একটা সমাধার করবো।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি প্রধান শিক্ষক বিভুতি ভূষণ সরকার আমাকে জানায়নি। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেনেছি। আমি এর  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।