যৌন নিপীড়নের শিকার পুরুষদের জন্য জাপানে হটলাইন

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক : যৌন নিপীড়নের শিকার পুরুষদের জন্য হটলাইন চালু করছে জাপান সরকার। দেশটির এক মন্ত্রী গত মঙ্গলবার এ ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি পুরুষদের ব্যান্ড দলের বৃহত্তম এজেন্সির যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা স্বীকার করে নেওয়ার পর এমন উদ্যোগ নিল সরকার।

মন্ত্রিপরিষদের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার দেশটিতে যৌন নিপীড়নের শিকার পুরুষদের জন্য এ হটলাইন চালু হওয়ার কথা। আগামী তিন মাস এটি চালু থাকবে। নিপীড়নের শিকার কিশোর ও পুরুষেরা ফোন করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারবেন।

জাপানের শিশুনীতি প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী আয়ুকো কাতো বলেন, ‘আমরা আশা করছি, নিপীড়নের শিকার পুরুষেরা এতে নিরাপদ বোধ করবেন এবং তাঁরা কোনো দ্বিধা ছাড়াই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারবেন।’

জাপানের বিখ্যাত বয়ব্যান্ড এজেন্সি জনি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। চলতি মাসে প্রথমবারের মতো তারা স্বীকার করেছে, জনি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রতিষ্ঠাতা জনি কিতাগাওয়া কয়েক দশক ধরে তরুণ কর্মীদের যৌন নিপীড়ন করেন। এরপর দেশটির সরকার এমন পদক্ষেপ নিল।

২০১৯ সালে ৮৭ বছর বয়সে কিতাগাওয়ার মৃত্যু হয়। তাঁর মাধ্যমেই এসএমএপি, টোকিও ও আরাশির মতো জনপ্রিয় মেগাগ্রুপ জে-পপ ব্যান্ডগুলো তৈরি হয়েছে। পুরো এশিয়াজুড়েই এসব ব্যান্ড দলের ভক্ত আছে।




দাফনের ৩৫ দিন পর গলাচিপায় নারীর লাশ উত্তোলন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): গলাচিপায় আদালতের নির্দেশে দাফনের ৩৫ দিন পর বৃহস্পতি বার মানসুরা নামের এক নারীর লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে তার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের গ্রামর্দন গ্রামের পারভেজ হাওলাদারের স্ত্রী। ১৭ আগস্ট স্বামীর বাড়িতে মানসুরার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মানসুরার মা নিলুফা বেগম মেয়েকে হত্যার অভিযোগে ৮ সেপ্টেম্বর পারভেজসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

পরে আদালত ওই মামলা আমলে নিয়ে লাশ উত্তোলনের আদেশ দেয়।




পটুয়াখালীর দুমকিতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার দুই

মো:আল-আমিন (পটুয়াখালী): যৌতুক ও অপরাধ মামলার ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে দুমকি থানা পুলিশ।

গত বুধবার দুপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তাররা হলেন, সিআর ১০৬৯/২৩ যৌতুক নিরোধ আইনের আওতায় উপজেলার পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামের প্রয়াত বারেক ফরাজীর ছেলে সোহাগ ফরাজী (৩০)।

অপর এক অভিযানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ৫১ (৪) ০৫ পরিপ্রেক্ষিতে একই উপজেলার পাঙ্গাসিয়া গ্রামের আাইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩০) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মাহাবুবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে গতকাল পটুয়াখালী জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।




আজ প্রতিবেদন দাখিল থানায় ছাত্রলীগ নেতা নির্যাতনসহ ৩ কর্মকর্তার দায় পেয়েছে কমিটি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: রাজধানীর শাহবাগ থানায় আটক রেখে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গঠিত তদন্ত কমিটি। ওই ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদের দায় ছিল, তবে এর নেপথ্যে দায় ছিল এডিসি সানজিদা ও রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হকেরও। ছাত্রলীগ নেতাদেরও মিলেছে সংশ্লিষ্টতা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য বলেন, প্রথমে তদন্ত শেষ করতে না পারায় আমরা সময় নিয়েছিলাম। দায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেছি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছি। ঘটনার তদন্তে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া সব কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যার যতটুকু দায়-দায়িত্ব ও সংশ্লিষ্টতা ছিল তা উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

কার কার বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে ওই কর্মকর্তা বলেন, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় পুলিশ ও প্রশাসনের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আমরা ডিএমপি কমিশনারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবো।

উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে তুলে নিয়ে গিয়ে শাহবাগ থানা হেফাজতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতন করেন পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ।

ভুক্তভোগী দুজন হলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম।

ওইদিন রাতে নারীঘটিত একটি ঘটনার জেরে শাহবাগ থানায় তাদের নির্যাতনের পর মারধর করা হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার জেরে রাতে শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে ঘটনা মীমাংসা করেন।

নির্যাতনের ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার মুখে হারুন অর রশীদকে প্রথমে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। ঘটনার তদন্তে ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলেই ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির প্রধান ডিএমপি সদর দপ্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) আবু ইউসুফ। কমিটির দুই সদস্য হলেন, রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (নিউমার্কেট জোন) শাহেন শাহ এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-মতিঝিল বিভাগ) রফিকুল ইসলাম।

এরমধ্যেই হারুনকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) বদলি আদেশ জারি করে ডিএমপি। তবে ওইদিন বিকেলেই পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে এপিবিএন-এ বদলি করা হয়।

তবে ১১ সেপ্টেম্বর বদলি করা এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। এর একদিন পর আবার রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয় এডিসি হারুনকে।




বরিশালে দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় প্রদান করেন। বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট ফয়জুল হক ফয়েজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পৃথক দুই মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ুন কবির জানান, ২০১২ সালের ৫ জুন আহতী বাটরা গ্রামের বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে গরু তাড়াতে যায় ১১ বছর বয়সী এক শিশু। ক্ষেতের পাশে থাকা রজত শিশুটির মুখ চেপে ধরে পাশের পাটক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন রজত। পরে শিশুটির চিৎকার শুনে বাবা এসে তাকে উদ্ধার করে।

অপরদিকে ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল উজিরপুরে ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রীকে খাবারের প্রলোভন দিয়ে দোকানের পেছনে নিয়ে যান দণ্ডিত দোকানী আবুল হোসেন বালী। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় এক ক্রেতা এসে দোকানী আবুলকে না পেয়ে পেছনে উঁকি দিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করতে দেখে মাদরাসায় গিয়ে জানান। পরে মাদরাসার শিক্ষকরা গিয়ে শিশুকে উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে উজিরপুর থানায় মামলা করেন। থানার এসআই হুমায়ুন কবির একই বছরের ২৩ জুন আদালতে চার্জশিট জমা দেন। বিচারক ৪ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এ রায় ঘোষণা করেন।




বরিশালে যৌতুকের বলি নববধূ

 

বরিশাল অফিস: প্রেমের সম্পর্কে দুই মাস পূর্বে প্রেমিক নয়ন সরদারের হাত ধরে পালিয়ে বিয়ে করেছিলো ১৮ বছরের মুমু আক্তার। পরবর্তীতে উভয় পরিবার তাদের বিয়ে মেনেও নিয়েছিলেন। কিন্তু দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন সরদার।

যৌতুকের দাবিতে নববধূ মুমু আক্তারকে চাঁপ প্রয়োগ করে আসছিলো নয়ন। বিভিন্ন সময় মুমু আক্তার তার দিনমজুর বাবার কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা এনে দিয়েছিলেন স্বামী নয়নের হাতে। সর্বশেষ নয়নের দাবিকৃত যৌতুকের এক লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে আনতে অপারগতা প্রকাশ করায় মুমু আক্তারকে শারিরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে মুমু আক্তারকে হত্যা করে বাথরুমের আড়ার সাথে লাশ ঝুলিয়ে রেখে এলাকায় আত্মহত্যার অপপ্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত মুমু আক্তারের বাবা ও তার স্বজনরা। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রতনপুর গ্রামে।

সোমবার দুপুরে নিহত মুমু আক্তারের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন মুমু আক্তারের দিনমজুর বাবা তাহের শেখ।

তিনি বলেন, তার মেয়ে মুমু আক্তার প্রেমের সম্পর্কে গত দুই মাস পূর্বে একই গ্রামের মৃত খোকন খানের ছেলে নয়ন সরদারের হাত ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্যর মধ্যস্থতায় তারা এ বিয়ের সম্পর্ক মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ের পর বিভিন্ন সময় নয়ন তার কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা নিয়েছে। সর্বশেষ এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। ওই টাকার জন্য প্রায়ই তার মেয়েকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করা হতো। তাহের শেখ অভিযোগ করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে তার মেয়ে মুমু আক্তারকে হত্যা করে নয়ন ও তার পরিবারের সদস্যরা লাশ বাথরুমের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার কথা রটিয়ে দেয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে নয়ন সরদারের স্বজনরা জানিয়েছেন, দাম্পত্য কলহের কারণে অভিমান করে মুমু বাথরুমের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় নিহতের স্বামী নয়ন সরদারকে গ্রেপ্তার করে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ওসি (তদন্ত) আরও বলেন, ময়নাতদন্তের রির্পোট হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি হত্যা না আত্মহত্যা তার আসল রহস্য জানা যাবে।




বাউফলে যুবলীগ কর্মী আহত

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালী বাউফলে দোকানে চা পান করতে আসেন স্থানীয় যুবলীগ কর্মী শিউর রহমান নিউটন (৩৭)। এসময় তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বাউফলের কাশিশুরী ইউনিয়নে এস.এ. ইনস্টিটিউশনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। আহত নিউটনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার সন্ধ্যায় এস.এ. ইনস্টিটিউশনের সামনে চা পান করতে আসেন নিউটন। হঠাৎ ৮-৯ জন দুষ্কৃতকারী এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হাত-পা, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম করে।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাকিবুল ইসলাম বলেন, আহত ব্যক্তির মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আরিচুল হক বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বরিশালে আবাসিক হোটেলে ইয়াবাসহ আটক ২

 

বরিশাল অফিস: বরিশাল নগরীর আবাসিক হোটেলের কক্ষে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে কোতোয়ালি মডেল থানার একটি বিশেষ অভিযানিক দল গোপান সংবাদের ভিত্তিতে নগরের ফলপট্টি এলাকার বিসমিল্লাহ আবাসিক হোটেলের পঞ্চম তলার ৫০৭ নম্বর কক্ষে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার রাজাপুর এলাকার মোঃ বাবুল (৪২) ও বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ভাতশালা এলাকার সজল ঘরামী (৩২) কে আটক করা হয়।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে রোববার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আরাফাত হাসান।




এমটিএফ গ্রুপের ৬ সিইওর নামে বরিশালে মামলা

 

বরিশাল অফিস: মেটা ভার্স ফরেন একচেঞ্জ গ্রুপের (এমটিএফ) নামধারী ৬ সিইওসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে ওই মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম ফারুক মামলা গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমান রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী মো. নুরুল ইসলাম কাকন। মামলার বাদী বরিশাল নগরের ব্রাউন্ড কম্পাউন্ড রোডের বাসিন্দা মো. হামিদ গাজীর ছেলে মো. ইউসুফ আলী।

আসামিরা হলেন—নগরের বান্দ রোড নুরজাহান মঞ্জিলের বাসিন্দা মিজানুর রহমান (৪৮), তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন (৩৮), নগরের সিএন্ডবি রোডের বাসিন্দা সালাম সরদারের ছেলে নোমান আহম্মেদ সরদার (৩০), নগরর বিএম কলেজ গেট এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন সরদারের ছেলে মিলন হোসেন বাদশা (৪৮), তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম (৪০) ও তার ছেলে অলিউল ইসলাম (৩০)।

বেঞ্চ সহকারী নুরুল ইসলাম কাকন বলেন, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ করে ইলেকট্রনিক্স প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বরাতে কাকন বলেন, আসামিরা মাফিয়াসহ জাল-জালিয়াতি চক্রের সদস্য। তারা এমএলএমের আদলে ই-লেনদেনের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেন। মামলার বাদীসহ ১০ সাক্ষীর সাথে পূর্বপরিচিত হওয়ায় তাদের বরিশাল নগরের বিভিন্ন নামীদামি হোটেলে নিয়ে ই-লেনদেনের মাধ্যমে ব্যবসা করে লোভনীয় ও আকর্ষণীয় লাভ করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেন। আসামিদের প্রলোভনে সাড়া দিয়ে মিজানুর রহমান বাচ্চু ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের প্রমো কোডের মাধ্যমে বাদীসহ ১০ জন সাক্ষীর নামে একাউন্ট খোলেন। আসামিরা নিজেদের অর্থায়নে কিছু ডলার জমা করে প্রলুদ্ধ করেন। প্রলোভনের ফাঁদে সাড়া দিলে বাদীসহ ১১ জন গত ১ মে থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময় সাড়ে ৫ লাখ টাকা জমা দেন।

গত ১২ আগস্ট বাদীসহ ১১ জন আসামিদের কাছে গিয়ে টাকা উত্তোলনের জন্য নগরের সিএন্ডবি রোড ফারজানা কমিউনিটি সেন্টারে নোমান আহম্মেদের সেবা অনলাইনের অফিসে যায়। সেখানে যাওয়ার পর নামধারী ৬ আসামিরা জানিয়েছেন, সফটওয়ার আপডেটের কারণে ডলার ওঠানো সম্ভব হচ্ছে না। আগামী সপ্তাহে লভ্যাংশসহ উত্তোলন করা যাবে। গত ১৮ আগস্ট রাতের মধ্যে বাদীসহ ১১ জনের সকল তথ্যে ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলে।

পরদিন ১৯ আগস্ট সেবা অনলাইনের অফিসে গেলে আসামিরা জানিয়েছেন, সকল টাকা উত্তোলন করে নোমান এমটিএফ’র প্রধান সিইও মাসুদের কাছে দুবাই চলে গেছেন। তিনি ফিরে এলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। গত ২০ আগস্ট নোমানকে পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে তিনি জানান, টাকা বিদেশিরা নিয়ে গেছে। পরে আসামিরা টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন।

মামলায় বাদী আরও উল্লেখ করেছেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে নগদ টাকা নিয়ে ডলারে রূপান্তর দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।




আগৈলঝাড়ায় নববধূর লাশ উদ্ধার

 

বরিশাল অফিস: বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ রবিবার সকালে উপজেলার রতনপুর গ্রাম থেকে নববধূ মুমু আক্তারের (১৮) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে। তবে নববধূর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশ লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছেন।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত মুমু আক্তার ওই গ্রামের নয়ন সরদারের স্ত্রী ও একই গ্রামের তাহের শেখের মেয়ে। গত দুই মাস পূর্বে তাদের বিয়ে হয়েছিলো। নিহতের স্বামীর পরিবারের দাবি, দাম্পত্য কলহের কারণে রবিবার সকাল নয়টা থেকে দশটার মধ্যে টয়লেটের আড়ার সাথে মুমু গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।