বাউফলে কমিউনিটি পুলিশি ডে পালিত

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): ‘পুলিশ জনতা ঐক্য গড়ি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পটুয়াখালীর বাউফলে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত হয়েছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় দিবস উপলক্ষে বাউফল থানার  সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য রেলী শুরু করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানার সামনে শেষ হয়। পরবর্তীতে বাউফল থানা হল রুমে কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে কেক কেটে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়।

উক্ত কমিউনিটি পুলিশিং ডে আলোচনা সভা উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- অফিসার ইনচার্জ বাউফল থানা জনাব মো. আরিচুল হক। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম ওসি তদন্ত বাউফল থানা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মো. ফরহাদ হোসেন কমিশনার, ৫নং ওয়ার্ড বাউফল পৌরসভা ও বাউফল থানা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি ও কমিউনিটি পুলিশিং এর বাউফল থানার অন্যান্য সদস্যগণ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশের বিভিন্ন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীরা।




নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুমকীতে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত

মো:আল-আমিন (পটুয়াখালী): “পুলিশ -জনতা ঐক্য করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি ” এ প্রতিপাদ্যে  দুমকী থানার আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিংডে ২০২৩ উপলক্ষে র্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় দুমকী থানার মূল ফটক থেকে  এক বর্নাঢ্য র্যালী বের করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে কেক কাটা শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( তদন্ত) মোঃ মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাউফল দুমকী সার্কেল মোঃ সাদ্দাম হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল ইমরান, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ গোলাম মর্তুজা, শ্রীরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আজাহার আলী মৃধা ও লেবুখালী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম তুহিন আকন প্রমূখ।

এসময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত গনমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




পিরোজপুরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত

বরিশাল অফিস: পিরোজপুর শহরে এক পাষন্ড স্বামী ছুরিকাঘাতে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে শহরের মাছিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিহতের ভাই সাকিল শেখ অভিযোগ করেছেন। নিহত লাইজু বেগম (৩৫) ওই এলাকার রাজিব খানের স্ত্রী এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার কালিকাঠী গ্রামের মোস্তফা শেখের কন্যা।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত স্বামী রিয়াজ খান (৩৮) পলাতক রয়েছে। পেশায় নির্মাণ শ্রমিক রিয়াজ পিরোজপুর সদর উপজেলার মাছিমপুর এলাকার সোহরাব খানের পুত্র। নিহতের ভাই সাকিল জানান, তার বোন লাইজুর সাথে স্বামী রিয়াজের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিলো। সেই বিরোধের জের ধরেই বৃহস্পতিবার রাতে রিয়াজ তার বোনকে পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পিরোজপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার মো: সাকিল সরোয়ার জানান, পেটে গুরুতর আঘাত নিয়ে লাইজু নামের এক নারীকে পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া শুরু করতেই তার মৃত্যু হয়।

পিরোজপুর সদর থানার ওসি আবীর মোহাম্মদ হোসেন জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার ও ঘটনাস্থল পরির্শন করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিকে আটকের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




বরিশালে ২২ দিনে ৭৮৪ টি মামলায় ৮০৮ জন‌ জেলেকে কারাদন্ড

এস এল টি তুহিন (বরিশাল) : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ নিধনের সময় বরিশালে বিভাগের বিভিন্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে গেলো গত ২৪ ঘন্টায় ২৮ জেলেকে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ২ লাখ ২৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এ নিয়ে গোটা অভিযানে গত ২২ দিনে এখন পর্যন্ত ৭৮৪ টি মামলায় ৮০৮ জন‌ জেলেকে বি‌ভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপা‌শি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬ শত টাকা জ‌রিমানা আদায় করা হয়।

বিভাগীয় মৎস অফিস থেকে চন্দ্রদীপ নিউজকে জানানো হয়, ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ২ হাজার ৮৩৭ টি অভিযান চালানো হয়েছে এবং ১ হাজার ১৮ টি মোবাইল কোর্ট করা হয়েছে। যেখানে গেলো বাইশদিনে বরিশাল বিভাগের ৩১০ বার বি‌ভিন্ন মৎস অবতরণ কেন্দ্র, ৪ হাজার ৩৫৮ বার বি‌ভিন্ন মাছঘাট, ৭ হাজার ৪৭৩ বার বি‌ভিন্ন আড়ৎ ও ৪ হাজার ৮৬৬ বার বি‌ভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছে মৎস অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

আর গেলো বাইশদিনের অভিযানে ১৬ হাজার ১২৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০‌ কো‌টি ৭৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা মূল্যের ৫২ লাখ ৬৩ হাজার ৫ শত মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ হওয়া সামগ্রী নিলাম করে আয় হয়েছে ১০ লাখ
৫৬ হাজার ২ শত টাকা।




২৮ অক্টোবর পুলিশ কনস্টেবল হত্যার প্রধান আসামি গলাচিপা থেকে গ্রেপ্তার 

মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী:  গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হত্যার মূল আসামি আপন আহম্মেদকে (৪৫) পটুয়াখালী গলাচিপা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) রাতে গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয় আপন আহম্মেদ কনস্টেবল আমিরুল হত্যার মূল আসামি। তার বিরুদ্ধে নৈরাজ্য সৃষ্টি, নাশকতা ও হত্যার দায়ে মামলা করেন ঢাকা জেলা পুলিশ।

ঢাকা কেরানীগঞ্জ থানার শান্তিনগর ব্রাহ্মণকীর্তা এলাকার মো. দ্বীন ইসলামের ছেলে আপন। গ্রেপ্তার এড়াতে গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নে আশ্রয় নেন তিনি। এই এলাকার এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয় গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ শোন্তি কুমার গায়েন বলেন, ঢাকা ও গলাচিপা থানার পুলিশের একটি টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি আপন আহম্মেদকে উপজেলার কলাগাছিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তাকে ঢাকা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।




বরিশালে স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

বরিশাল অফিস: স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় দুই সন্তানের জননীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কালনা গ্রামের।

থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে মর্গে প্রেরণ করেছেন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন নিহত খাদিজা বেগমের (৩৫) ভাই রুহুল আমিন।

কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া গ্রামের শাহজাহান চৌকিদারের ছেলে রুহুল আমিন অভিযোগ করে বলেন, বিগত ১২ বছর পূর্বে কালনা গ্রামের বাদশা মল্লিকের ছেলে নাঈম মল্লিকের সাথে তার বোন খাদিজার সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুইটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে কারণে অকারণে নাঈম আমার বোনকে বিভিন্নভাবে শারিরিক নির্যাতন করে আসছিলো।

তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতের কোন এসময় পরিকল্পিতভাবে খাদিজাকে হত্যা করে তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে নাঈম ও তার পরিবারের লোকজনে। অভিযোগ করে রুহুল আমিন আরও বলেন, আমার বোন জামাতা নাঈম অতিসম্প্রতি বরিশালের একটি মেয়ের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। বিষয়টি আমার বোন জানতে পেরে নাঈমকে বাঁধা প্রদান করে। একারণেই খাদিজাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে নাঈম বাড়ি থেকে আত্মগোপন করেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নাঈম মল্লিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোন বন্ধ থাকায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নাঈম মল্লিকের বড় ভাই সেন্টু মল্লিক বলেন, ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় বাড়ির
লোকজনে খাদিজাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা খাদিজাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

গৌরনদী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।




ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুল ছাত্রীকে মারধর

বরিশাল অফিস : অব্যাহত উত্যক্তের পর এক স্কুল ছাত্রীকে রাতের আধাঁরে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্লীলতাহানিসহ ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ এজাহারভূক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনাটি জেলার বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার উত্তর মুন্সীরতালুক গ্রামের।

এজাহারের বরাত দিয়ে থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তৌহিদুজ্জামান জানিয়েছেন, ধামুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৫) দীর্ঘদিন থেকে যৌন হয়রানী করে আসছিলো উত্তর মুন্সীরতালুক গ্রামের মনিন্দ্রনাথ বাড়ৈর বখাটে ছেলে হৃদয় বাড়ৈ ও তার সহযোগিরা।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ অক্টোবর রাতে ছোট বোনের সাথে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে বখাটে হৃদয় ও তার সহযোগি হরষিৎ বাড়ৈ, অসীম কুমারসহ অন্যান্যরা জোরপূর্বক ওই স্কুল ছাত্রীকে ধরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

একপর্যায়ে স্কুল ছাত্রী ও তার ছোট বোনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে বখাটেরা ওই স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ঘটিয়ে মারধর করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে উত্তরমুন্সীর তালুক গ্রামের বাসিন্দা স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে এজাহারভূক্ত আসামি হরষিৎ বাড়ৈকে গ্রেপ্তার করেছেন।

ওসি (তদন্ত) আরও জানিয়েছেন, এজাহারভূক্ত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




বরিশালে তিন বিএনপি সমর্থক গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার পশ্চিম ধানডোবা এলাকা থেকে তিন বিএনপি সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল এলাকার হাদিস ঘরামীর ছেলে পলাশ ঘরামী, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আফজাল সিকদারের ছেলে জহিরুল ইসলাম ও মৃত মুজাহারুল ইসলামের ছেলে সোহেল মোল্লা।

বরিশাল গৌরনদী মডেল থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, গত দেড় মাস পূর্বে একটি মারামারির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তিন আসামীকে রোববার রাতে পশ্চিম ধানডোবা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সকালে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এসএম আফজাল হোসেন বলেন, রোববার রাত আটটার দিকে তার ছেলে সহ তিনজনকে বাশাইল বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে গৌরনদী থানা পুলিশের সদস্যরা।




রাঙ্গাবালীতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার রাঙ্গাবালীতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ।

এ সময় ঘটনাস্থলপ তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয় ও দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের পুলঘাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন খান বলেন, ইউনিয়নের ওয়ার্ড কার্যালয়ে শান্তি সমাবেশের প্রস্তুতি চলছিল, হঠাৎ বিকট শব্দে আমাদের লোকজন ছোটাছুটি শুরু করেন। তখন একের পর এক ককটেল মারতে থাকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা এবং যাওয়ার সময় অফিসের চেয়ার ও মালামাল ভেঙে ফেলে রেখে যায়।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল রহমান ফরাজী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ সরকারের একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে কোনো কিছু হলেই বিএনপির ওপর দায় চাপানো। গতকাল এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে আমাদের নেতা-কর্মীরা জড়িত ছিল না। উল্টো আমাদের চার নেতা-কর্মীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। গ্রেপ্তারের দায় এড়াতে তারা এ নাটক সাজিয়েছে।’

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এ বিষয়ে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় কার্যালয়ের ভেতর থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে অকার্যকর করা হয়েছে। বাইরে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে যার অংশবিশেষ পাওয়া গেছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলাসহ সকল আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার রাঙ্গাবালী বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ৪ নেতা-কর্মীকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সদর থানায় ভাঙচুর ও অরাজকতার অভিযোগে মামলা রয়েছে।




ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতার চেম্বারে হামলা

বরিশাল অফিস : হরতাল প্রতিহত করার ঘোষনা দিয়ে ঝালকাঠিতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিবের চেম্বারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাঁরা বাসার সমনে থাকা দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।

রোববার সকাল ১১টার দিকে জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী লাঠিসোটা নিয়ে শহরের মহিলা কলেজ সড়কে সম্মুখের এ ভাংচুর চালিয়েছে। এ সময় ৩টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়। হামলার পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। পরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আরো ১৫ জনকে আটক করেছে।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন অভিযোগ করেন, সকালে তিনি তার বাসভবনের নীচে আইনজীবী চেম্বারের কাজ শেষে আদালতে যান। কিছুক্ষণ পরেই জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক ও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোটা নিয়ে তাঁর আইনজীবী চেম্বারে হামলা চালায় ও চেম্বারের সামনে থাকা তিনটি মোটরসাইকেলও ভাংচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীদের বদলে তার চেম্বারের ভেতর থেকে বিএনপি নেতা জুবায়ের হোসেন, বিএনপির মিডিয়া সেলকর্মী আরিফ হোসেন ও বিএনপি কর্মী আইনজীবী মো. তুষারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। অপরদিকে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে কয়েক ঘন্টা অবস্থান নিয়ে সরকারের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে।

এদিকে হরতালের আগের রাতে ও হরতালের দিন সকালে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে জেলার সদর, নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আরো ১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে বলে দলীয় সূত্রে জানাগেছে।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার ও নলছিটি থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঝালকাঠি সরদ থেকে আটক হওয়া বিএনপির ৭ কর্মী ও নলছিটি থেকে আটক হওয়া ১১ বিএনপির কর্মীকে পুর্বের দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। দুপুরে আটককৃত ১৮জনকে আদালাতে পাঠালে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিলায় ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মনিরুজ্জাামান ও নলছিটি সিনিয়র জুডিশিলায় ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক মাহাবুবা শারমিন তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।