অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ড. ইউনূসের জামিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।



গাজা ইস্যুতে জার্মানির বিরুদ্ধে নিকারাগুয়ার মামলা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ইসরাইলকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা করেছে নিকারাগুয়া। শনিবার জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনিবার আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মামলায় জার্মানির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনআরডব্লিউএ) অর্থ প্রদান স্থগিত করার বিষয়টিও আনা হয়েছে।

নিকারাগুয়া আইসিজেকে আহ্বান জানায়, জরুরি ব্যবস্থা জারি করে আইসিজে যেন জার্মানিকে ইসরাইলে সামরিক সহায়তা বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ইউএনআরডব্লিউএকে অর্থায়ন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানায়।

আদালত সাধারণত একটি মামলা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনুরোধ করা জরুরি ব্যবস্থার ওপর শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।




চার মামলায় ইমরান খানের জামিন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তান তেহেরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চার মামলায় জামিন দিয়েছেন লাহোরের সন্ত্রাস বিরোধী আদালত।

শুক্রবার (০১ মার্চ) জিলে শাহ হত্যা, জামান পার্কের বাইরে পুলিশের ওপর হামলা, পিএমএল-এন’র অফিস এবং একটি কন্টেনারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে করা মামলাগুলোয় জামিন পান তিনি। শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন বিচারক আশাদ জাভেদ। একইসঙ্গে প্রতিটি মামলায় আবেদনকারীকে ৫ লাখ রুপির বন্ড প্রদানের নির্দেশ দেন তিনি। খবর ডনের।

শুনানি চলাকালে কারাবন্দি ইমরান খানের জামিন আবেদনের বিরুদ্ধে যুক্ততর্ক উপস্থাপনকারী বিশেষ আইনজীবী রানা শাকিল বলেন, গত বছরের ৯ মে’র হামলায় অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ইমরান খান। এছাড়া তার নির্দেশেই সেনাবাহিনীর স্থাপনায় হামলা করা হয়।

এ সময় বিচারক আশাদ জাভেদ ওই আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, কর্মীরা যেন হামলা চালায় সেজন্য ইমরান খান কী তার এক্স হ্যান্ডেলে কোনও পোস্ট দিয়েছিলেন?

এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি আইনজীবী রানা শাকিল। তবে তিনি বলেন, ইমরান খান গ্রেফতারের আগে হামলা চালানোর মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন।

এদিকে ইমরান খানের আইনজীবী সালমান সাফদার বলেন, যে মামলায় ইমরান খানতে অভিযুক্ত করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইমরান খান পুলিশ স্টেশনে হামলা এবং জিলে শাহকে হত্যার সঙ্গে জড়িত নয়।

তিনি বলেন, বিক্ষোভের সময় ন্যাবের হেফাজতে থাকা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে।

সালমান সাফদার আরও বলেন, ট্রায়াল কোর্ট আগে মেধার ভিত্তিতে মি. খানকে আগাম জামিন দিয়েছিল কিন্তু পরে তোশাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তার অনুপস্থিতির জন্য তা খারিজ করে দেয়।

সূত্র: ডন




নকশা ঠিক নেই রাজধানীর ১৩’শ ভবনের: সংসদে সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : রাজধানীতে নকশা ঠিক নেই এমন ১৩’শ ভবনকে চিহ্নিত করা হলেও তাদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি বলে সংসদে জানিয়েছেন সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শনিবার (২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বেইলি রোডের অগ্নিকান্ড বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

সাবেক মন্ত্রী বলেন, যেসব ভবনের প্ল্যান ঠিক নেই এবং যে ভবনের অধিকাংশ ফ্লোর অননুমোদিতভাবে করা হয়েছে সে ভবনগুলো চিহ্নিত করা হলেও তার সময়ে সেগুলোকে ভাঙা সম্ভব হয়নি।

শেখ হাসিনার হাতে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মন্তব্য করে সরকারি দলের এই সদস্য বলেন, বড় বড় অপরাধীদের বিচার হয়েছে।

সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় আরও কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

২০১৯ সালে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুনে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। সে সময় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগার পরে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছিলাম। তদন্ত করে ৬২ জনের বিরুদ্ধে আমরা রিপোর্ট দিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরও সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। তারপর চার্জশিট দেওয়ার সময় অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয় আজকে পর্যন্ত সে মামলার অভিযোগ গঠন পর্যন্ত হয়নি।

রেজাউল করিম বলেন, নারায়ণগঞ্জে একটি ফ্যাক্টরিতে ৫২জন লোককে পুড়িয়ে হত্যা করা হল ২০২১ সালে। সে মামলার আসামীরা জেলে গেছে কিন্তু বিচার আজ পর্যন্ত শুরু হয়নি। এ রকম অনেক ঘটনা আছে।

এর আগে সংসদের বৈঠকের শুরুতে বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে হতাহতের ঘটনায় জাতীয় সংসদে শোক প্রকাশ করা হয়। বৈঠকের শুরুতে স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এই ঘটনায় গভীর শোক এবং নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।




কলাপাড়ায় ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কাণ্ডে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মুজিব শতবর্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে দুস্থদের জন্য ঘর সহ ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্তের আড়ালে ৪২ প্রভাবশালী বিত্তবানের নামে ২৫ কোটি টাকা মূল্যের ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কাণ্ডের মামলায় অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে দুদক।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালী’র উপ-পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল লতিফ হাওলাদার ইতোমধ্যে অভিযুক্ত কলাপাড়ার সাবেক ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক, ভূমি অফিস সার্ভেয়ার মো: হুমায়ুন কবির, সাব রেজিস্টার রেহেনা পারভিন সহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে।

৩রা ও ৪ঠা মার্চ ৪২ প্রভাবশালী খাস জমি দলিল গ্রহীতাদের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করবে দুদক। এরপর অভিযুক্তদের বিচারের জন্য শীঘ্রই আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করবে দুদক।

এর আগে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালী’র সহকারী পরিচালক মো: জাভেদ হাবিব বাদী হয়ে সার্ভেয়ার মো: হুমায়ুন কবিরকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাতানামা আসামীদের নামে ১৬ আগস্ট বিকেলে দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করেন।

সূত্র জানায়, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আলোচিত ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কাণ্ডে ইউএনও আবু হাসনাত, সাব-রেজিস্টার রেহেনা পারভিন, সার্ভেয়ার মো: হুমায়ুন কবির তাদের নির্দোষিতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। মুজিব শতবর্ষের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে দুস্থদের জন্য ঘর সহ ২ শতাংশ খাস জমি বরাদ্দে সরকারের মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নের অন্তরালে বিপুল অর্থের বিনিময়ে ৪২ প্রভাবশালী বিত্তবানের নামে ২৫ কোটি টাকা মূল্যের ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত দেয় অভিযুক্তরা।

সূত্রটি আরও জানায়, আলোচিত ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কাণ্ডের তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৪২ প্রভাবশালী খাসজমি বন্দোবস্ত দলিল গ্রহীতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে মামলাটিতে গতি আসবে। এরপর অভিযোগ পত্র নিয়ে আদালতে শুনানী, অভিযোগ গঠন, স্বাক্ষ্য গ্রহণ, জেরা, যুক্তি তর্ক এবং রায় প্রচার।




পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির  নির্বাচনে তপন সভাপতি খোকন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির  নির্বাচনে তপন সভাপতি খোকন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির  ২০২৪-২০২৫ খ্রিঃ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে  সভাপতি পদে ২৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন  জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সমর্থক এটিএম মোজাম্মেল হোসেন তপন। তার নিকটম প্রতিদ্বন্দী  আওয়ামীলীগ পন্থি বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সমর্থক মো. নুরুজ্জামান মৃধা পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত আওয়ামীলীগ পন্থি বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান খোকন ২৬৬ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপি পন্থি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মো. আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ২৩০ ভোট।

সহ- সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মো. মিজানুর রহমান পিকু ৩১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।  তার প্রতিদ্বন্দী আওয়ামীলীগ পন্থি মিসেস লুৎফুন্নেছা বেগম পেয়েছেন ১৭৬ ভোট।

সহ- সাধারন সম্পাদক দুটি পদে  আওয়ামীলীগ পন্থি এম. রেজাউল করিম অভি ২৯৫ ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মো. মেহেদী হাসান উজ্জল ২৪২ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

লাইব্রেরী সম্পাদক পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের রুহুল নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী  আওয়ামীলীগ পন্থি মো. আশরাফ আলী পেয়েছেন ২২৪ ভোট।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে আওয়ামীলীগ পন্থি মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী ২৬০ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী আইনজীবী ফোরামের গাজী মো. আল আমিন পেয়েছেন ২২৮ ভোট।

দুটি সদস্য পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের  মো. আমির হোসাইন ২৭২ ভোটে এবং আওয়ামীলীগের   মো. মুশফিকুর রহমান তুহিন ২৬১ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহষ্পতিবার ( ২৯ ফেব্রুয়ারী) জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের দোতলায় সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।  নির্বাচনে ৫১৯ জন ভোটারের মধ্যে ৫০৪ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেছেন বলে জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিশনের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট  আনছার আলী নিশ্চিত করেছেন।

এ নির্বাচন কমিশনের অপর দুইজন সদস্য ছিলেন এ্যাডভোকেট আলহাজ্জ মো. আবুল কাশেম খান ও অ্যাডভোকেট আশীষ কুমার চক্রবর্তী।




ঢাকা বার নির্বাচনে ২৩ পদের ২১টিতে আওয়ামীপন্থিদের জয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ কার্যকরী কমিটি নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সাদা প্যানেল ২১টি পদে জয় লাভ করেছে। অপরদিকে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্যের নীল প্যানেল ২টি পদে জয়লাভ করেছে।



বরিশালে ধর্ষণের আসামী গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ধর্ষণ মামলার আসামি  মোঃ সুমন হোসেনকে বরিশাল থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এর একটি যৌথ দল ২৭ তারিখ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বাউফলের নূর ইসলামের ছেলে সুমনকে আটক করে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানাধীন ভাংরা গ্রামের বাসিন্দা মোসাঃ জান্নাতুল আক্তার তানজিলা (১৮) এর সাথে আসামি মোঃ সুমন হোসেন (১৫), পিতা- নূর ইসলাম, সাং- বেতাগী, থানা- দশমিনা, জেলা-পটুয়াখালী এর বিবাহ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পরিচয় গড়ে উঠে।

একসময় পরিচয়ের মাধ্যমে সুঃসম্পর্ক তৈরী হলে আসামী মোঃ সুমন হোসেন বিভিন্নভাবে ভিকটিম জান্নাতুলকে প্রেম ভালোবাসা নিবেদন করে। নানা অপকৌশলে ভিকটিমকে আয়ত্বে নিতে ব্যর্থ হয়ে নিজে আত্মহত্যার ভয় দেখালে কোনো উপায় না পেয়ে ভিকটিম জান্নাতুল তার প্রেমে সাড়া দেয়। পরবর্তীতে আসামী সুমন ভিকটিম জান্নাতুলকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করে। এতে ভিকটিম বাঁধা দিলে আসামী সুমন ভিকটিম জান্নাতুলকে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

আসামী সুমন ভিকটিমকে ০১ সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে করবে বলে জানায় এবং এই ঘটনা গোপন করতে বলে। কিন্তু এক সময় ভিকটিম জান্নাতুলের পিতা-মাতা আসামীর বাড়িতে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে গেলে আসামী সুমন ভিকটিম জান্নাতুলকে বিয়ে করবে না বলে জানায় ও ভিকটিমের পরিবারকে নানা অপবাদ দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

পরবর্তীতে ভিকটিম জান্নাতুল বাদী হয়ে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, পটুয়াখালী’তে একটি মামলা দায়ের করে যার পিটিশন মামলা নম্বর- ১৬৬/২০২৪, ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১) এবং পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার মামলা নং-১২, তারিখঃ ১৯/০৮/২০২৩, ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, সংশোধনী ২০০৩ এর ৯(১)।

এ ঘটনা র‌্যাবের নজরে আসলে র‌্যাব আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষে ব্যাপক ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ ফেব্রুয়ারী র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং র‌্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এর যৌথ অভিযানিক দল বরিশাল জেলার সদর থানাধীন থানা কাউন্সিল এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




৩ মার্চ বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন ড. ইউনূস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া অভিযোগপত্র ও পরোয়ানার বিষয়ে হাজিরা ও আত্মসমর্পণ করতে ৩ মার্চ বিচারিক আদালতে যাবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ১ ফেব্রুয়ারি উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।মামলায় দুদক ১৩ জনকে আসামি করলেও অভিযোগপত্রে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসানের নাম যুক্ত করা হয়।




মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, জাল-নৌকা তুলে নিচ্ছেন জেলেরা

বরিশাল অফিস :: ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে এ নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। জেলেরা নদী থেকে জাল, নৌকা ও ট্রলারসহ মাছ শিকারের সরঞ্জাম নদী থেকে উঠিয়ে নিচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক জেলে নিষেধাজ্ঞার জন্য নৌকা ও ট্রলার তীরে নিয়ে এসেছেন। জালসহ মাছ শিকারের সকল উপকরণ গুছিয়ে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। আবার কোনো কোনো জেলে ভোর থেকে নদীতে দল বেঁধে মাছ শিকার করছেন।

তুলাতুলি এলাকার নাছির মাঝি জানান, দুই মাসের জন্য সরকার নদীতে সবধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এজন্য নৌ ও ট্রলারসহ সবকিছু নিয়ে তীরে ফিরে এসেছি। দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে আবার নদীতে গিয়ে মাছ ধরবো।

মো. লিটন মাঝি জানান, অভিযানের সময় সরকারিভাবে যে চাল বিতরণ করা হয় সেটি এক সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ ও দুই মাসের জন্য বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে নেওয়া কিস্তি আদায়ও বন্ধের জন্য দাবি করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সবধরনের মাছ শিকারের নিষোধাজ্ঞা চলবে। এ বছর নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার জন্য সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলেদের ভিজিএফের চাল মার্চ মাসের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, ভোলার সাত উপজেলায় সরকারি নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন এক লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৫ জন। এদের মধ্যে ভিজিএফের চাল পাচ্ছেন ৮৯ হাজার ৬০০ জন।