রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট

চন্দ্রদীপ নিউজ: রমজান মাসে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্কুল খোলা রাখার ব্যাপারে জারি করা প্রজ্ঞাপন স্থগিত ঘোষণা করে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

রোববার (১০ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, শিক্ষা সচিব, উপসচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, উপসচিব শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালককে বিবাদী করা হয়।

রিটে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বা বুধবার (১৩ মার্চ) পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।




সভাপতিসহ ৪ পদে বিএনপি, সম্পাদকসহ ১০ পদে আ.লীগ জয়ী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ ৪টি পদে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে সম্পাদক পদে শাহ মঞ্জুরুল হকসহ ১০টি পদে আওয়ামী লীগের প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।



টাকা ছিনতাই এর অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : যুবককে পিটিয়ে জখম করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের নেতা মো. মেহেদী হাসান বাদলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন মো. সুমন হোসেন নামে ওই ভুক্তভোগী। মামলায় বাদলের সহযোগী মো. সজিব হাসান সূর্য ও সিয়াম হোসেন আবিদসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

‘বাদীপক্ষের আইনজীবী মাকছুদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তের দায়িত্ব দেন।’

অভিযুক্ত মেহেদী হাসান বাদল পটুয়াখালী শহরের একতা সড়ক এলাকার ব্যাপারী বাড়ির ফারুক মেকারের ছেলে। বর্তমানে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। 

এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ভুক্তভোগী যুবককে মারধর করে জখম করা হয়। এ সময় আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মো. সুমন হোসেন (ভুক্তভোগী) দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক দুস্থ প্রতিবন্ধী সোসাইটি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নানা রকম সামাজিক কর্মকাণ্ড করে আসছেন। তবে আসামি মো. মেহেদী হাসান বাদলের সঙ্গে তাঁর পূর্ববিরোধ থাকায় বিভিন্ন সময় তাঁকে মারধর কিংবা হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল।

এ অবস্থায় ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সন্ধ্যায় শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় শিশু সংগঠন খেলাঘর আসর। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে রাত ৯টার দিকে মো. সুমন হোসেন শহীদ মিনারের সামনে ঝাউতলা সড়কে আসলে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান বাদল এবং তাঁর সহযোগী মো. সজিব ও সিয়াম হোসেন আবিদসহ কয়েকজন তার ওপর রড–লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তাঁর গলায় থাকা ১ ভরি স্বর্ণের চেইন এবং সুমনের সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তি সাঈদ শিকদারের পকেট থেকে সাত হাজার টাকা নিয়ে দৌড়ে পালায় মেহেদী হাসান বাদল ও তাঁর সহযোগীরা। পরে স্থানীয়রা এসে সুমন হোসেনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগী সুমন হোসেন বলেন, ‘আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার ওপরে (নাতি বাদল) যেভাবে অতর্কিত হামলা চালিয়ে জখম করেছে, আমি তার বিচার চাই। আমাকে সে (মো. মেহেদী হাসান বাদল) প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আমার প্রাণের নিরাপত্তা চাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান আরিফ বলেন, ‘মামলার বিষয়ে আমরা এখন পর্যন্ত কিছু জানি না। ছাত্রলীগ কখনো মাদকাসক্ত, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। আর এই ঘটনার যদি সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’




কুয়াকাটার নিখোঁজ পাঁচ জেলে ভারতের জেলহাজতে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে পাঁচ জেলে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে আটকা পড়েছেন। সেখানকার বনবিভাগের কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের আলীপুরা থানা পুলিশে হস্তান্তর করলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

এসব জেলেদের ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে।

জানা গেছে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আলীপুর মৎস্য বন্দর থেকে বড়শি নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ হয় খাজুরা গ্রামের মো. জামাল (৩৮), দিয়ার আমখোলাপাড়া গ্রামের গোলাম রাব্বি (২৮), ফাঁসিপাড়া গ্রামের মাসুম (২৪), আলীপুরের ইয়াছিন খান (৩৫) ও মো. হোসেন (৪৫)। ১৩ দিন পরেও কিনারে না ফেরায় নিখোঁজ রাব্বির ভাই মিজানুর রহমান মহিপুর থানায় পহেলা মার্চ একটি জিডি করেছেন।

মিজানুর জানান, ভারতের একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সচিত্র খবরের মাধ্যমে জানতে পারেন, বর্তমানে ওই পাঁচ জেলে ভারতীয় জেলহাজতে রয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ইঞ্জিন বিকল হয়ে তারা নৌকাসহ সাগরে ভেসে ভারতীয় সীমানায় অনুপ্রবেশের অভিযোগে সেখানকার বনকর্মীদের হাতে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আটক হন পাঁচ জেলে। এরপর তাদের আলীপুরা থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। নিখোঁজ জেলেদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য মিজানুরসহ স্বজনরা সরকারের সহায়তা কামনা করেছেন। ১৪ দিন পরে নিখোঁজ থাকা জেলেদের সন্ধান পেলেও ভারতীয় জেলহাজতে বন্দি থাকায় পরিবারের উৎকণ্ঠার যেন শেষ নেই।

মহিপুর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদার পাঁচ জেলে নিখোঁজে জিডির বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

 




র‍্যাবের হাতে ধরা ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীতে ইমাম হাসান নামে ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া ইমাম হাসান নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৮।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) পটুয়াখালীর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ইমাম হাসান বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একজন বহিষ্কৃত সদস্য। ইমাম হাসান ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে বিমান বাহিনীতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩০ যুবককে আটকে রাখা এবং টাকা দাবির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় গ্রেফতার হয়েছিলেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার হয়, যেখানে দেখা যায় ইমাম হাসান ডিজিএফআই কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে একজনকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। ভিডিও চিত্রটি পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ এর নজরে আসে। এ সময় তার সম্পর্কে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রকার প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সত্যতা এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তার কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি ভুয়া আইডি কার্ডসহ লক্ষাধিক টাকার একটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭১৮০ (সাত হাজার একশত আশি) টাকা পাওয়া যায়।

ইমাম হাসানকে পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 




ক্লাশে ঢুকে মেডিকেল ছাত্রকে গুলি করা সেই শিক্ষক আটক

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে আরাফাত আমিন তমাল নামের এক শিক্ষার্থীকে গুলি করার ঘটনায় শিক্ষক ডা. রায়হান শরীফকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় তাকে কলেজ থেকে সদর থানায় নেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. রায়হান শরীফকে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ থেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ দিলেই সেটা এজাহার হিসেবে নিয়ে মামলা দায়ের করা হবে। মামলা হলে সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিরুল হোসেন বলেন, আহত শিক্ষার্থীর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সে এখন শঙ্কামুক্ত। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলস্থ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন আইটেম ক্লাশ চলাকালিন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ডা.রায়হান শরিফ বিভিন্ন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসতো। এ বিষয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এমনিক ডা. রায়হান শরিফ কমিউনিটি মেডিসিনের শিক্ষক হওয়ার স্বত্তেও তার নিজস্ব ক্ষমতা দেখিয়ে ফরেনসিক বিভাগে তিনি ক্লাস নিয়ে থাকেন। ক্লাস চলাকালীন সময় ছাড়াও প্রায় সময়ই তিনি পিস্তল নিয়ে চলাফেরা করতেন। আজ বিকেলে ভাইভা চলাকালীন ৪৫ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে দেশীয় পিস্তল নিয়ে হঠাৎ করে ক্লাসে প্রবেশ করে শিক্ষক রায়হান শরীফ ৩য় বর্ষের ছাত্র আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করে। তার চিৎকারের সবাই এগিয়ে এসে ডা. রায়হান শরিফকে তালাবদ্ধ করে রাখেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তমালকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে আন্দোলন শুরু করে মেডিকেলের ছাত্র-ছাত্রীরা। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।




দশমিনায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনায় মো. রাসেল খান (২৪) নামে এক মাদক কারবারিকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে দশমিনা থানা পুলিশ।

রোববার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বহরমপুর ইউনিয়নে বগুড়া বাজারে ইয়াবা বিক্রয়কালে রাসেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

(৪ মার্চ) সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার বিষয়টি জানিয়েছেন। গ্রেফতার রাসেল খান উপজেলার ৫ নম্বর বহরমপুর ইউনিয়নের বগুড়া গ্রামের জাকির খানের ছেলে।

ওসি মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, পুলিশ সুপার মো. সাইদুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় দশমিনা থানার একটি বিশেষ টিম মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রোববার সন্ধ্যায় ৫০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল খানকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। আজ (৪ মার্চ) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 




বাউফলে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফলে ২৮ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সুজন হাওলাদার (২৪) নামের এক ছাত্রলীগ নেতা ও তার সহযোগী অটোরিকশা চালক রাজিব হাওলাদারকে (২২) আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ। সুজন কাছিপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের একাংশের সাংগঠনিক সম্পাদক। আটককৃত রাজিব একই এলাকার।

রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে বাউফল থানার এসআই মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়ন বাজার থেকে তাদের আটক করে।

ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন আগে সুজন ও রাজিব খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ খায়িয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারীর আপত্তিকর ছবি মোবাইলে ধারণ করে অভিযুক্তরা। এরপর ওই ছবি দেখিয়ে তার সাথে পুনঃরায় শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। এতে রাজি না হওয়ায় ওই আপত্তিকর ছবি তার স্বামীর কাছে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ওই নারী রবিবার (৩ মার্চ) সকালে বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরই পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি শোনীত কুমার গায়েন অভিযুক্তদের আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 




রাজধানীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে অভিযান, আটক ৩৫

চন্দ্রদীপ নিউজ: রাজধানীর ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন স্থানে রেস্টুরেন্টে অনিয়ম ও অবব্যবস্থপনার অভিযোগে ৩৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর মধ্যে শুধু ধানমন্ডিতেই ১৫টি রেস্তোরাঁয় অনিয়ম ও অব্যবস্থপনার অভিযোগে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপকসহ কর্মীরাও রযেছেন।

এছাড়াও অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন, ধানমন্ডির হোয়াইট হল নামের রেস্তোরাঁর শামীম হোসেন তুহীন, ম্যারিটেজ ঢাকার খুরশীদ আলম, এ্যারিস্টোক্যাটের সাব্বির হোসেন, আদি কড়াই গোস্তের খালিদ হোসেন, দি লবি লাউঞ্জের মারুফ হোসেন, ইয়ামচা ডিস্ট্রিক্টের পুলক বিশ্বাস, ক্যাফে ডোলচের আশিক তালুকদার, ক্যাফে সাওপাওলোর শাহিন সারোয়ার, ক্যাপিট্যাল লাউঞ্জের রেদুয়ান আহম্মেদ, পার্ক এন্ড স্ট্রাটের্র মিজানুর রহমান, খানাজের শরিফুল ইসলাম, ক্যাফে ইউফোরিয়ার আল আমিন, টুইন পার্কের আল আমীন মোস্তফা তালুকদার, স্টার দেশীর মেহেদী হাসান, ডিকে-১৩ এর রাসেল পালমা, বেস্টার প্রের আমিনুল ইসলাম রিফাত, চা-টাইপের সামিত আলম সিয়াম, চয়ন হালদার ও বিবিকিউ’র সুমিত রায়।

রোববার (৩ মার্চ) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এছাড়া যেসব রেস্তোরাঁয় ছোটখাট অনিয়ম পাওয়া গেছে তাদের মুচলেকা রেখে সতর্ক করা হয়।

ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেন, রাজধানীতে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন আছে কিনা, নিরাপদ স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করছে কিনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটুকু, অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র এবং ঝুঁকির বিষয়টি দেখা হয়।

এদিকে পুলিশের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন থানার একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে নিয়ম মেনে হোটেল-রেস্টুরেন্ট চালানো হচ্ছে কিনা সেই বিষয় অভিযানে গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে আগে সেভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়নি। এ কারণে মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জন মারা গেছে। এর মধ্যে ৪৪ জনের লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুইজনের পরিচয় এখনো সনাক্ত হয়নি। সিআইডি এই দুইজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে।

আগুনের ঘটনার প্রেক্ষিতে ভবন ও রেস্টুরেন্ট সংশ্লিষ্ট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই অবহেলাজনিত দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে ভবন মালিকসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।




পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলসহ যুবক আটক, এক মাসের কারাদণ্ড

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীতে চলতি এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় একটি কেন্দ্রের সীমানার মধ্যে সন্দেহজনকভাবে এক যুবককে তল্লাশি করেন ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট। তল্লাশিতে তার কাছে থাকা ইংরেজি পরীক্ষায় আসা একটি প্রশ্নের উত্তরসহ চিরকুট পাওয়া যায়। এই অপরাধে তাকে আটক ও পরে জরিমানাসহ এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে জেলার গলাচিপা উপজেলার কালিকাপুর নুরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

দণ্ডিত যুবকে রনাম রাকিব শরিফ। তিনি উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের কামার হাওলা গ্রামের বাসিন্দা। এসময় অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক কিশোরকে আটক করা হলেও এক সরকারি কর্মকর্তার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন আল হেলাল জানান, সন্দেহভাজন ওই যুবকের কাছে ইংরেজি প্রথম পত্রের ৯ নম্বর প্রশ্নের হুবহু মিল থাকা উত্তরসহ চিরকুট পাওয়া যায়। তার উদ্দেশ্য ছিল নকল প্রস্তুত করে কেন্দ্রে সরবরাহ করা। পরে তাকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। অপর এক কিশোরকে গলাচিপা উপজেলা প্রবেশন অফিসারের জিম্মায় জামিন দেওয়া হয়েছে।