একীভূত হচ্ছে এক্সিম ও পদ্মা ব্যাংক 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শ‌রীয়াহভি‌ত্তিক বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে যাচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের পদ্মা ব্যাংক।




বরিশালে গাঁজাসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস : বরিশাল জেলার গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ গাঁজাসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো উপজেলার পিঙ্গলাকাঠীর হাজীপাড়া গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ খলিফার ছেলে ও নলচিড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খলিফা ওরফে বাবু খলিফা এবং তার সহযোগি একই গ্রামের মৃত অতুল হালদারের ছেলে সমীর হালদার।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাবু খলিফার কাছ থেকে ৩০ গ্রাম ও সমীর হালদারের কাছ থেকে ২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন থেকে গাঁজা বিক্রি করে আসছিলেন।

এ ঘটনায় থানার এসআই হৃদয় কুমার চাকলাদার বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।




বেশি দামে খেজুর বিক্রি ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে ৯ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে খেজুর বিক্রি করায় ৭ ফল ব্যবসায়ীকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর।

এছাড়া মেয়াদউত্তীর্ন পন্য বিক্রি করায় ২ কসমেটিক্স ব্যবসায়ীকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুর একটায় কলাপাড়া পৌর শহরে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন পটুয়াখালী ভোক্তা অভিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহ শোয়াইব মিয়া।

এসময় উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মৃনাল চন্দ্র দেবনাথসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের সময় ভোক্তাদের মাঝে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন করা হয়। বাজার নিয়ন্ত্রনে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ভোক্তা অভিদপ্তর।




চাচিকে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় যুব সংহতি নেতা গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

চাচিকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের মামলায় প্রধান আসামি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ অলিউল্লাহ হাওলাদার (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৮।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুমকি থেকে পটুয়াখালী ঢোকার পথে তারা অলিউল্লাহকে গ্রেফতার করেন। এসময় অলিউল্লাহর সাথে থাকা মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ইত্যাদি জব্দ করা হয়। বেলা ৩টার দিকে তাকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়।

র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সোহেল রানা জানান, গত ৭ মার্চ পটুয়াখালী থানায় মামলা গ্রহণের পর থেকে আসামিকে গ্রেফতারের তৎপরতা শুরু করে র‍্যাব।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসিম জানান, চাচিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি অলিউল্লাহ হাওলাদারকে হস্তান্তরের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। মামলার অন্য দুই আসামিকে গ্রেফতারের তৎপরতা চলমান রয়েছে।

গত ৩ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয়ে ভুক্তভোগী নারী গত ৬ মার্চ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিটিশন মামলা হিসাবে নিবন্ধন করাসহ পটুয়াখালী সদর থানায় নিয়মিত মামলা গ্রহণ এবং তদন্ত করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী। ১৫ বছর আগে তার স্বামী মারা যায়, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি সন্তানদের লালন পালন করে বড় ছেলে ও মেয়েকে বিবাহ দেন, ছোট ছেলে ঢাকায় পড়াশোনা করেন। তিনি একা স্বামীর বসত ভিটায় বসবাস করেন। অভিযুক্ত ১নং আসামির বাড়ি তার বাড়ির পাশাপাশি হওয়ায় অলিউল্লাহ প্রায়ই তার ভুক্তভোগীর বাড়ি যাওয়া আসা করত এবং বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিত। বিগত ৬ মাস আগে ১নং আসামি ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তাকে একা পেয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং তা ভিডিও করে। পরবর্তীতে ১নং আসামি ভুক্তভোগীকে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক না করলে গোপন ভিডিও ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দেয়। গত ৩ মার্চ রোববার ১নং আসামি ২ ও ৩নং আসামি মো: মামুন হাওলাদার (৪০) ও মো: বেল্লাল হাওলাদারের মাধ্যমে বিয়ের কথা বলে ভুক্তভোগীকে পটুয়াখালী পৌরসভার শান্তিবাগ এলাকার মেহেদী ভিলায় নিয়ে যায়। পরে ১নং আসামি তাকে বিয়ে না করে হত্যা ও পূর্বের ধারণকৃত পর্নোগ্রাফি ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ফের জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।

এসময় আসামির হাত থেকে বাচার জন্য জোড়াজুড়ি করলে ১নং আসামি তার আমার কপালে ঘুসি মারে নাকে মুখে হাত দিয়ে আঘাত করে। এতে ভুক্তভোগীর দুই পাশের গাল আছড়ে যায়। এ ঘটনার পর আসামি ভুক্তভোগীকে একদিন আটকে রাখে।

পরবর্তীতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর থানায় মামলা না নেওয়ায় ভুক্তভোগী পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

 




পটুয়াখালীতে বড় ভাইয়ের গুলিতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় ২ মামলা

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালীর বাউফলের সূর্যমনি ইউনিয়নে বড় ভাইয়ের অবৈধ পিস্তলের গুলিতে সাব্বির হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে মামলা দুটি করা হয়।

নিহতের মা নাসিমা বেগম বাদী হত্যা মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে বাউফল থানার এসআই ইমরান বাদী হয়ে অস্ত্র মামলা দায়ের করেন। দুটি মামলায় অভিযুক্ত সজিব হোসেনকে (২১) প্রধান আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

এর আগে রোববার সকালে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নে বড় ভাই সজিব হোসেনের (২১) পিস্তলের গুলিতে তারই ছোট ভাই সাব্বির হোসেন (১৭) নিহত হয়। পরিবারের লোকজন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বিদ্যুৎতায়িত হওয়ার খবর দিয়ে সাব্বির হোসেনকে নিয়ে বরিশাল যান। এরপর মাথায় গুলির চিহ্ন থাকায় গুরুতর অবস্থায় বরিশাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথে রোববার গভীর রাতে যায় সাব্বির হোসেন।

বড় ভাইয়ের গুলিতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগবড় ভাইয়ের গুলিতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সজীব একটি পুরানো মরিচা ধরা পিস্তল নিয়ে নাড়াঁচাড়া করতে গিয়ে হঠাৎ ট্রিগারে চাপ পড়ে। এ সময় একটি গুলি তাঁর ছোট ভাই সাব্বিরের কপালের বাম পাশে চোখের উপরে গিয়ে বিদ্ধ হয়। এরপর স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পরিবারের লোকজন ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সাব্বির বিদ্যুতায়িত হয়েছে বলে প্রচার করেন।




বাউফলে জাটকা পাচারের সময় ৩ জন গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জাটকা পাচারের সময় ৩ জন মাছ ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ।

সোমবার ভোর ৬টায় উপজেলার কালাইয়া বন্দর লঞ্চঘাট এলাকা থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় এদের কাছ থেকে সাতশ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়।

পড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দশমিনা উপজেলার বাশবাড়িয়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে স্বপন মোল্লা (২৫), বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের শাহজাহান মিয়ার ছেলে আব্দুল লতিফ (২৭) ও একই ইউনিয়নের আব্দুল মান্নানের ছেলে ইব্রাহীম খাঁ (২২)।

কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. লুৎফর রহমান বলেন, গোপন সূত্রে খবর পাই যে কালাইয়া লঞ্চ ঘাটের পূর্বপাশে জাটকা ইলিশ পাচার করার জন্য রাখা হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে ৬টার দিকে অভিযান করলে সাতশ কেজি অবৈধ জাটকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 




বাউফলে বড় ভাইয়ের পিস্তলের গুলিতে ছোট ভাই নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফলে বড় ভাই মো. সজিব হোসেনের (২১) অবৈধ পিস্তলের গুলিতে প্রতিবন্ধী ছোট ভাই সাব্বির হোসেন (১৬) নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১১ মার্চ) দুপুর পৌনে ২টার দিকে মো. সজিব হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

সাব্বির হোসেন উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের সূর্যমনি গ্রামের বাবুল সরদারের ছেলে। আর মো. সজিব হোসেন বাউফল নবারুণ সার্ভে ইনস্টিটিউটের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সজিব হোসেন একটি পুরানো পিস্তল নিয়ে নড়াচড়া করতে গিয়ে ট্রিগারে চাপ লেগে গুলি বের হয়। সেই গুলি তার প্রতিবন্ধী ছোট ভাই সাব্বিরের কপালের বাম পাশে চোখের ওপরে গিয়ে লাগে। এরপর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নুরজাহান বলেন, সাব্বিরকে আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়। তখন রোগীর অবস্থা আশংকাজনক ছিল। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্বজন বলেন, রোববার বিকেলের দিকে সাব্বিরকে নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছানোর পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গুলিবিদ্ধর বিষয়টি জানতে পেরে তাকে ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসাপাতালে রেফার্ড করেন। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাব্বিরের বড় ভাই সজিবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। সাব্বিরের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।




রোজায় স্কুল বন্ধ রাখার আদেশ বহাল, আপিল শুনানি মঙ্গলবার

চন্দ্রদীপ নিউজ: রমজান মাসে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ আপাতত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য আগামীকাল (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।

শুনানিতে এ কে এম ফয়েজ বলেন, রমজান মাস পবিত্র মাস। করোনার সময় দুই বছর সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। রমজানে ১০-১৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখলে পড়ালেখার কোনো ক্ষতি হবে না। বরং খোলা রাখলে যানজটের সৃষ্টি হবে। অভিভাবকরা সমস্যায় পড়বেন। এ ছাড়া স্কুল বন্ধ রাখতে অভিভাবকরা বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন করে যাচ্ছেন।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, স্কুল খোলা রাখা সরকারের পলিসিগত বিষয়। এক্ষেত্রে হাইকোর্ট এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

এর আগে সকালে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

তার আগে রোববার (১০ মার্চ) রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাহমুদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রমজানে ১৫ দিন মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালায়ও জানায়, রমজানে ১০ দিন ক্লাস চলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

তাদের এমন সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক।

প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১২ বা ১৩ মার্চ পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।




সুপ্রিম কোর্টে মারামারি : তিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বরখাস্ত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের দুইদিন ব্যাপী নির্বাচনে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী বশির আহমেদ, জাকির হোসেন মাসুদ ও শ্যামা আক্তারকে বরখাস্ত করেছে সরকার।




ডিএনএ রিপোর্টে শনাক্ত হলো অভিশ্রুতির পরিচয়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ আগুনে নিহত গণমাধ্যমকর্মী অভিশ্রুতি শাস্ত্রি ওরফে বৃষ্টি খাতুনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে তার বাবা সবুজ শেখ ওরফে শাবলুল আলম এবং মা বিউটি খাতুন।

শনিবার (৯ মার্চ) পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে তার পরিচয় শনাক্ত হয়। রোববার (১০ মার্চ) সিআইডি থেকে ওই প্রতিবেদন থানায় পাঠানো হয়েছে।

সিআইডি ডিআইজি (ফরেনসিক) এ কে এম নাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিশ্রুতি ওরফে বৃষ্টি খাতুনের বাবা-মা দাবিদার সবুজ শেখ ও বিউটি খাতুনের কাছ থেকে ডিএনএ নমুন সংগ্রহ করা হয়েছিল। পাশাপাশি নিহত নারীর মৃতদেহ থেকেও ডিএনএ নমুনা নেওয়া হয়। তা সিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ ও মা বিউটি খাতুন।

ডিআইজি নাহিদুল বলেন, রোববার ওই ডিএনএ প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করে তা থানায় তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ বাবা-মা দাবিদারের কাছে হস্তান্তরের জন্য বলা হয়েছে।

২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের নিহত ৪৬ জনের মধ্যে একজন এই বৃষ্টি খাতুন। বৃষ্টি তার বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে অভিশ্রুত শাস্ত্রি নামে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু অভিশ্রুতি শাস্ত্রি নামে নিজেকে পরিচয় দেওয়ার কারণে তার তার লাশ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। মৃত্যুর পর মন্দিরের পুরোহিত তাকে নিজেদের ধর্মালম্বী দাবি করেন। উল্টোদিকে সবুজ শেখ ও বিউটি খাতুন বাবা-মা দাবি করে জানান, নিহত তরুণী অভিশ্রুতি নয়, তার নাম বৃষ্টি খাতুন। বৃষ্টি তাদের সন্তান। এমন পরিস্থিতিতে পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ।

বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম গ্রামের প‌শ্চিমপাড়ায়। কলেজের সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রেও অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর নাম বৃষ্টি খাতুন। তবে তার বন্ধু সহকর্মীরা জানতেন তার নাম অভিশ্রুতি। মৃত্যুর পর এই নাম নিয়েই ঝামেলা হয়। তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রয়েছে।

এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে থাকা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলামের ডিএনএ পরীক্ষাতেও তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।