৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে নিয়ে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে মো. সিয়াম (১২) নামে ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে নিয়ে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মো: রিফাত নামে এক কিশোরের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া নামক এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম শিকদারের ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে সিয়াম এবং তার সহপাঠী কিশোর গ্যাংয়ের নেতা রিফাত ছোটবেলা থেকেই পাঙ্গাশিয়া নলদোয়ানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক সঙ্গে ক্লাস পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে সিয়াম লেবুখালী সরকারি হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। অভিযুক্ত রিফাত পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ের ঘরের নাতি। ছোট থেকেই রিফাত নানাবাড়িতেই  থাকেন। তাই সিয়াম ও রিফাতের বসবাস পাশাপাশি এলাকায়। বর্তমানে সিয়াম অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়লেও সহপাঠী হিসেবে সিয়াম ও রিফাতের মধ্যে মোটামুটি একটা বন্ধুসুলভ সম্পর্ক ছিল।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেনী‌তে পড়ুয়া শিশু

সিয়ামের বাবা জসিম সিকদার বলেন, গত কয়েক দিন ধরে সিয়াম ও রিফাতের মধ্যে একটা ঘনিষ্ঠতা লক্ষ করেছি, তবে ওদের মধ্যে কোনো সময় ঝগড়াঝাটি হয়নি। তবে শুনেছি রিফাত কিশোর গ্যাংয়ের নেতা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সিয়ামকে ডেকে অটোরিকশায় করে তেঁতুলবাড়িয়া নামক এলাকার এক নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানে নিয়ে সিয়ামকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরি দিয়ে জবাই দেওয়ার চেষ্টা করলে সিয়াম চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন টের পেলে রিফাত পালিয়ে যায়। আহতাবস্থায় সিয়ামকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী হসপিটালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। বর্তমানে সিয়াম ঢাকার আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

দুমকি থানার ওসি তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।




পটুয়াখালীতে ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেনী‌তে পড়ুয়া শিশু

পটুয়াখালী প্রতি‌নি‌ধি :: পটুয়াখালী‌তে পা‌শের বাড়ী‌তে পিয়াজ আন‌তে গি‌য়ে ধর্ষণের শিকার হ‌য়ে‌ছে চতুর্থ শ্রেনী‌র এক শিক্ষার্থী।

শ‌নিবার দুপু‌রে পটুয়াখালী মে‌ডি‌কেল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ভুক্ত‌ভো‌গির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হ‌য়ে‌ছে ব‌লে নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন সদর থানার ও‌সি মোঃ জ‌সিম।

তি‌নি জানান, এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার সদর উপ‌জেলার বড় বিঘাই ইউ‌নিয়‌নের মোঃ জ‌সিম হাওলাদা‌রের ছে‌লে মোঃ শ‌ফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামী ক‌রে এক‌টি নিয়‌মিত মামলা দা‌য়ের করা হ‌য়ে‌ছে। আসামী‌কে গ্রেপ্তা‌রের চেষ্টা চল‌ছে ব‌লেও ও‌সি মোঃ জ‌সিম জানান।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক

ভুক্ত‌ভো‌গি‌দের অ‌ভি‌যোগ, “ধর্ষণের ঘটনাটিকে প্রথ‌মে স্থানীয় ক‌তিপয় প্রভাবশালী মহল সালিশ – মীমাংসার কথা বলে কাল ক্ষেপন করে‌ছে। যে কার‌ণে মামলা কর‌তে দে‌রি হ‌য়ে‌ছে।”

মামলার বিবরণে প্রকাশ, ভুক্ত‌ভো‌গির প‌রিবার দিনমজুরী ও মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। ঘটনার দিন গত ২৩ মার্চ বেলা ১১ টায় মেয়েকে বাড়িতে রেখে নিকটবর্তী বাবার বাড়িতে যায় তার মা। এ‌দি‌কে মা বাড়িতে আসতে দেরি করায় মে‌য়ে‌টি পাশের বাড়িতে পিঁয়াজ আনতে যায়। তখন ওই বাড়ীর মোঃ শফিকুল ইসলাম ফুস‌লিয়ে মেয়েটিকে তাদের ঘরের মধ্যে নিয়ে দরজা আটকিয়ে দেয়। এক পর্যা‌য়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে শ‌ফিকুল। প‌রে মেয়েটির ডাক চিৎকারে পাশের ঘ‌রের লোকজন এগিয়ে আসলে শফিকুল পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

ঘটনার পরপ‌রেই মেয়েটির মা ও বাবা ঘটনাটি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার ও চৌকিদারকে জানা‌লেও তারা শা‌লিস ব‌্যবস্থার কথা ব‌লে কাল‌ক্ষেপন ক‌রেন।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় দেখা মিললো বিলুপ্তপ্রায় উড়ন্ত লাউডগা সাপের

এ বিষয় জানতে চাই‌লে বড় বিঘাই ইউ‌পি চেয়ারম্যান আবু জাফর হাওলাদার জানান, “বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক স্থানীয় মেম্বার ও চৌকিদার কে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চৌকিদার মোঃ মাসুদ হো‌সেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) মোঃ জসিম জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মেয়েটির মা‌য়ের দায়েরকৃত একটি অভিযোগ গ্রহণ করেছি। ইতম‌ধ্যে মেয়েটির মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রচেষ্টা চলছে।




পটুয়াখালীতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি::  পটুয়াখালীতে মাদক (গাঁজা) বিক্রয়কালে হোসনেয়ারা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে আটক (করেছে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ। আটককৃত  হোসনেয়ারা  ঢাকা জেলার, কেরানিগঞ্জ থানার হযরতপুর গ্রামের মৃত বাছা বয়াতীর মেয়ে।

শনিবার ৩০ মার্চ পটুয়াখালী সদর থানার একটি টিম বিশেষ অভিযান চালালে পটুয়াখালী পৌরসভার কলেজ রোড এলাকা থেকে হোসনেয়ারাকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন :ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস পটুয়াখালীর জনজীবন

পটুয়াখালী সদর থানার অফিস ইনচার্জ মোঃ জসিম জানান- দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালীতে মাদক (গাঁজা) বিক্রয় করে আসছিলো এই নারী। শনিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই এমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম অভিযান চালালে পৌর শহরের কলেজ রোড থেকে সন্দেহভাজন একজন নারীকে আটক করা হয়। পরে তাকে তল্লাশি করে ৫ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। যার বর্তমান অবৈধ্য বাজার মূল্য দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে গাঁজাসহ যুবক আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী গোয়েন্দা পুলিশ এক কেজি গাঁজাসহ মোঃ কবির হোসেন গাজী (৪৭) নামে একজনকে আটক করেছে।

আটককৃত কবির পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত হাফিজ গাজীর ছেলে। শুক্রবার ২৯ মার্চ দুপুর ১ টায় কবিরকে পৌরসভার জৈনকাঠী থেকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন : কোনো কালেই আমার কপালে সুখ জুটলো না’ 

ডিবির অফিস ইনচার্জ একেএম আজমল হুদা জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির এসআই সঞ্জীব কুমার সরকার এর নেতৃত্বে পটুয়াখালী পৌর শহরের জৈনকাঠী থেকে সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়। এসময় আটককৃত ব্যক্তীর দেহ তল্লাশি করে  নীল রংয়ের পলিথিন পাওয়া যায়।  যার মধ্যে বাদামী রংয়ের কস্টেপ প্যাচানো একটি প্যাকেট থেকে এক কেজি পরিমান গাঁজা পাওয়া যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্য পঞ্চাশ হাজার টাকা।

ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।




দশমিনায় তিন জেলেকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দশমিনা উপজেলায় অভয় আশ্রম তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে উপজেলা উপজেলা মৎস্য অফিস ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় অবৈধ ভাবে মাছ ধরার সময় একটি বেহুন্দি জাল, ও তিন জনকে আটক করা হয়।

আটককৃত তিনজনকে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

আরো পড়ুন :পটুয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতির ইন্তেকাল

কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন পটুয়াখালী জেলার, বাউফল উপজেলার ইউনূচ হাওলাদারের ছেলে মোঃ নরফাত(২১), আবদুস ছালাম মৃধার ছেলে মোঃ বরকত হোসেন(২০) ও জাহাঙ্গির মৃধার ছেলে মোঃ হাবিব মৃধা(২১)।

অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সামুদ্রিক মৎস্য  কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুমন, উপপুশি পরিদর্শক(এসআই) আশ্রাফ সহ সঙ্গীয় ফোর্স।

পড়ে জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

আরো পড়ুন :খালের পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধি যুবকের মৃত্যু



স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, স্বামীর হাতে বৃদ্ধ প্রেমিক খুন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

র্দীঘদিন থেকেই ফয়জর মোল্লা ওরফে হুমায়ন কবিরের স্ত্রী মোসা. রুনা বেগমের সঙ্গে অবৈধ সর্ম্পকে লিপ্ত ছিলেন ৬৫ বছরের আবু জাফর মোল্লা। একাধিকবার বাধা দেওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীর প্রেমিক জাফরকে ফেরাতে পারেননি হুমায়ন কবির। যা নিয়ে হুমায়ন কবির ও রুনার সঙ্গে কলহ চলছিল।

তাই জাফরকে মারধরের সিদ্ধান্ত নেন হুমায়ন কবির। এতে স্ত্রী রুনা বেগম প্রথম দিকে রাজী না হলে তাকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে বশে আনেন।

পরিকল্পনামতে গত ১১ মার্চ সন্ধ্যায় জাফরকে ফোনকলে বাড়ির পেছনে দেখা করতে বলেন রুনা। প্রেমিকার ফোনকলে নির্ধারিত সময়ে হাজির হন জাফর।

এ সময় জাফর-রুনার মাঝে নানান কথার এক পর্যায়ে রুনা কৌশলে প্রেমিককে মাঠের মাঝে নিয়ে যান। এ সময় হুমায়ন কবির উপস্থিত হয়ে জাফরকে মাটিতে শুয়ে হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। আদালতে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন হুমায়ন কবির ও রুনা বেগম।

আরো পড়ুন : গাজায় নিহত আরও ৭৬, প্রাণহানি বেড়ে প্রায় ৩২৫০০

ঘটনার বরাত দিয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. জসীম বলেন-স্থানীয় গ্রাম পুলিশের দেওয়া সংবাদে গত ১২ মার্চ সদর উপজেলার জৈনকাঠি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রাম থেকে আবু জাফরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাফর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এমন ধারণা করে পোষ্টমর্টেম করাতে অনিচ্ছুক ছিল পরিবার। কিন্তু মৃত্যুর বিষয়টি সন্দেহজনক হলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করলে অ্যাডিশনাল এসপি সাজেদুল ইসলাম সজল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ পোষ্ট মর্টেমের সিদ্ধান্ত দেন। পোস্টমর্টেম শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে এবং নিহতর ছেলে কবির মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা করে মামলা করেন।

এরপর বিষয়টি উদঘাটন করতে অ্যাডিশনাল এসপি সাজেদুল ইসলাম সজল নির্দেশনায় এলাকায় নিবিড়ভাবে খোঁজখবর নিলে জাফর-রুনার অবৈধ সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় খুনের ঘটনায় ফয়জর-রুনার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ২৭ মার্চ দিবাগত রাতে অভিযুক্তদের বসতবাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেন এসআই দিপায়ন বড়াল।

আটকের পর বুধবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সমীর মল্লিকের আদালতে হাজির করলে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার স্বীকার করেন স্বামী-স্ত্রী।

আদালতে স্বামী-স্ত্রী স্বীকারোক্তিতে বলেন, জাফরকে খুন করার উদ্দেশ্য ছিল না তাদের। কিন্তু ঘটনাক্রমে খুন করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এসআই দিপায়ন বড়াল জানান, নিহত জাফর মোল্লা চার মেয়ে ও এক ছেলের বাবা এবং রুনা বেগম এক ছেলে ও দুই মেয়ের জননী ছিলেন।

আরো পড়ুন : বাবা-মায়ের যে ৫ ভুলে শিশু হয়ে ওঠে জেদি



জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রাতের আধারে এক অসহায় পরিবারের জমিতে ঘর তুলে বেড়া দিয়ে কলাগাছ লাগিয়ে জবর দখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টিয়াখালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের কাছেম আলী স্কুল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। এমনকি গভীর রাতে বালু দিয়ে ওই জমি ভরাট করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৈহিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য দুলাল চন্দ্র হালদার।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২ নং টিয়াখালী ইউনিয়নের ১ নং নাচনাপাড়া ওয়ার্ডের খেপুপাড়া মৌজার ৬ নং জেল এল এসএ খতিয়ানের দাগ নম্বও ৫৩৭এর ১৯৮৩ ও ৮৪ সালে এক একর ৩২ শতাংশ জমি হাল বিএস করিয়ে আমরা দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে পৈত্রিক সূত্রে ভোগদখল করে আসছি। গত ১৮ মার্চ স্থানীয় ভূমিদস্যু রুহুল আমিন, ইব্রাহিম, রাসেল, আলামিনসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী রাতের আধারে সেই জমিতে ঘর তুলে কলা গাছ লাগিয়ে বেড়া দিয়ে দখল নেয়ার চেষ্টা চালায়। বাধা দিতে গেলে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হত্যা ও জখমের ভয় দেখায়। পরবর্তীতে কলাপাড়া থানা পুলিশের সহায়তায় তাদের কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। তারা সম্পূর্ণ জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে জমিটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে।

অভিযুক্ত রুহুল আমিন বলেন, ক্রয় সূত্রে আমি এই জমির মালিক। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আছে।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলি আহম্মেদ বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরো পড়ুন : চর বিজয় যেন লাল কাঁকড়া আর অতিথি পাখির নির্ভরযোগ্য সাম্রাজ্য



দুমকিতে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া এক প্রতারক গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং গ্রাহকদের প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব – ৬।

র‌্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দুমকিতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকে শাহীনকে এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ করা হয়। তিনি গ্রাহকদের কাছ থেকে ৯১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকরা লিখিতভাবে পটুয়াখালীতে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং অফিসে অভিযোগ করেন। টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় এবং ব্যাংকের সুনাম রক্ষার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী সময় ব্যাংকের এরিয়া হেড রিপন কুমার দে বাদী হয়ে দুমকি থানায় প্রতারণা মামলা করেন। এ ঘটনার পর থেকে আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং অভিযান অব্যাহত রাখে।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় উচ্ছেদ আতঙ্কে ভূমিহীন ১৩৬ পরিবার : পায়রাবন্দরের সড়ক নির্মাণ শুরু

এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার র‌্যাব-৬, খুলনার একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, আসামি বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানা এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি একই দিন বিকালে ফকিরহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহীন হাওলাদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। তিনি দুমকির মো. ইউনুচ হাওলাদারের ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পরবর্তিতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




বাউফলে শিশু নির্যাতনের অভিযোগে ব্যবসায়ী আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফলে একটি দোকানের ফ্রিজ থেকে আইসক্রিম খাওয়ার অপরাধে তিন শিশুকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আনোয়ার হাওলাদারকে আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাউফল থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

আরো পড়ুন : আইসক্রিম চুরির অপবাদে ৩ শিশুকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে শিশু ইমাম হোসেন (৭), আব্দুল্লাহ (৯) ও ফাহিম (১০) মৃধার বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আনোয়ার হাওলাদারের অনুপস্থিতিতে তার দোকানের ফ্রিজ থেকে আইসক্রিম নিয়ে খেয়ে ফেলে। পরে ব্যবসায়ী দোকানে এসে শিশুদের আইসক্রিম খেতে দেখে রেগে যান। একপর্যায় তিনি চুরির অপবাদ দিয়ে তিন শিশুকেই শিকলে বেঁধে রাখেন এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মৃধার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে শিশুদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. সাইদুর রহমান বলেন, শিশুদের পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে গা ঢাকা দেন ব্যবসায়ী আনোয়ার হাওলাদার। মঙ্গলবার ভোররাতে বাউফল থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সাত ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ



আইসক্রিম চুরির অপবাদে ৩ শিশুকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফলে অনুমতি ছাড়া একটি দোকানের ফ্রিজ থেকে আইসক্রিম নিয়ে খাওয়ার অপরাধে তিন শিশুকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আনোয়ার হাওলাদারকে আটক করেছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার (২৪ মার্চ) বিকালে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের মৃধার বাজারে ব্যবসায়ী আনোয়ার হাওলাদারের দোকান থেকে স্থানীয় ৩ শিশু ইমাম হোসেন (৭), আবদুল্লাহ (৯) ও ফাহিম (১০) আইসক্রিম খায়।

এ সময় ব্যবসায়ী আনোয়ার দোকানে ছিলেন না। কিছুক্ষণ পর দোকানে এসে শিশুদের আইসক্রিম খেতে দেখে রেগে লাল হয়ে যান আনোয়ার হাওলাদার। পরে দোকান থেকে শিকল এনে ওই ৩ শিশুকে বেঁধে রাখেন। সন্ধ্যার পর তিনি শিশুদের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে কলেজের কর্মচারীকে পেটানোর অভিযোগ

অভিভাবকরা খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে ৩ শিশুকে উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। মুহূর্তেই এমন হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে ওই ব্যবসায়ী গা ঢাকা দেন। ভোররাতে বাউফল থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ব্যবসায়ী আনোয়ার হাওলাদারকে আটক করে।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মো. সাইদুর রহমান বলেন, শিশুদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শিশুদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।