মির্জাগঞ্জে ছিনতাইকারীদের কবলে স্ত্রীসহ জাপা নেতা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছেন জাতীয় পার্টির নেতা আবু জাফর মো. সালেহ ও তার স্ত্রী আয়শা। ছিনতাইকারীরা তাদের সঙ্গে থাকা টাকা, স্বর্ণালংকার, দুটি স্মার্টফোন ও একটি লেপটপ নিয়ে পালায়।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল ) বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়ার বেতাগী-সুবিদখালী সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও বিক্রি, গ্রেপ্তার তিন

ভুক্তভোগী আবু জাফর মো. সালেহ উপজেলা জাতীয় পার্টির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও সুবিদখালী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক এবং তাঁর স্ত্রী আয়শা পার্শ^বর্তী উপজেলা বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে চাকরি করেন। বর্তমানে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে তার স্বামীর বাসা সুবিদখালীতে আছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আবু জাফর মো. সালেহ বলেন, জমি ক্রয়ের জন্য আমার স্ত্রী আয়শা বেতাগী সোনালী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫ শত টাকা উত্তোলন করে এবং তার বাবার কাছে আগের পাওনা ৩ লাখ টাকা এনে একসাথে স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগে নিয়ে সুবিদখালীর উদ্দেশ্যে নিজ মোটরসাইকেলে রওয়ানা দেই। সুবিদখালী যাওয়ার পথে দক্ষিণ আমড়াগাছিয়ায় পৌঁছলে ওতপেতে থাকা ৪ টি মোটরসাইকেলে ১০-১১ জন ছিনতাইকারী আমার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বেধড়ক পিটায় এবং আমার স্ত্রীর হাতের ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা ওই টাকা, তার গলার ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের একটি বেসলাইট, দুটি স্মার্টফোন ও একটি লেপটপ ছিনিয়ে নেয়। এসময় আমাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে সহ্য করতে না পেরে স্ত্রীর আত্মহত্যা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কলাপাড়ায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে সহ্য করতে না পেরে এক গৃহবধূ কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

মৃত জয়নব বিবি (৫০) ওই গ্রামের দিনমজুর মজিবর মোল্লার প্রথম স্ত্রী। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন।

কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে এটি আত্মহত্যা ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে কলাপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা নির্বাচন ২১ মে



ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ




পটুয়াখালীতে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে পৌর শহরের হেতালিয়া বাধঘাট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার কৃতরা হলেন, মোঃ রাকিব মৃধা (২৫) এবং মোঃ সাগর প্যাদা (২২)।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে অটোরিকশা উদ্ধার, চোর চক্রের হোতা আটক

পুলিশ জানায়, গত ২০ ডিসেম্বর সদর উপজেলার মাদাবুনিয়া ইউনিয়নের বোতলবুনিয়া গ্রামের এ্যাড. জাকির হোসেন মাতুব্বর বাদি হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় ট্রান্সফরমার চুরির মামলা করেন। মামলা নং ২১। মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে আসামীদ্বয় মামলার ঘটনার সাথে প্রত্যেক্ষ ভাবে জড়িত এমন সাক্ষ্য প্রমান পাওয়া গেলে প্রযুক্তির সহায়তায় চোর চক্রের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয় বোতলবুনিয়া গ্রামে মেসার্স মাদবর রাইস মিল এন্ড স্ব মিল সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পোল-এ স্থাপিত ৩টি ১৫ কেভি এ ট্রান্সফরমার থেকে গত ১০ ডিসেম্বর গভীর রাতে অভিনব কায়দায় কয়েল ও তেল চুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্রের সদস্যরা। যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী ইপিজেডে ১৩৫০ মিলিয়ন বিনিয়োগের প্রত্যাশা

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জসিম জানান, আসামিরা ইউটিউব দেখে ট্রান্সফরমার চুরির কৌশল রপ্ত করে। প্রযুক্তির মাধ্যমে চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা উক্ত চুরির সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। তবে মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তাদের সঙ্গে এই চোর চক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপার্দ করা হয়েছে।




পায়রা বন্দরে শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে বারেক আঁকন (৩৫) নামের এক শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল দুপুরে লালুয়া ইউনিয়নের চিংগড়িয়া এলাকার প্রথম টার্মিনাল সংলগ্ন নির্মাণাধীন ব্রিজ প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত বারেক পার্শ্ববর্তী তালতলী উপজেলার পূর্ব ঝারাখালী এলাকার সত্তার আঁকনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে বারেক তার বাড়ি থেকে ওই প্রকল্প এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতে আসে। সেখানে নদীতে কাজ করার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত না করেই লাশ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। পরে স্বজনরা তার বুকে আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশে অবহিত করলে আজ সকালে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে অটোরিকশা উদ্ধার, চোর চক্রের হোতা আটক

মৃত বারক আঁকনের বড় ভাই আ: খালেক আঁকন জানান,আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারন তারা তাড়াহুড়ো করে লাশ বাড়িতে নিয়ে এসেছে। আমরা তার বুকে আঘাতের চিহ্ন না দেখলে বুকতেই পারতাম না। তারা লাশ থানায় না নিয়ে তাড়াহুড়ো করে বাড়িতে নিয়ে আসলো কেন? আমরা তাই এ হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

তার ভাগিনা সোহাগ জানান, আমার মৃত মামার ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে, এখন তার পরিবার অসহায়।

পায়রা বন্দরের ওই প্রকল্প এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মোহিমিনুল চৌধুরী জানান, ওই শ্রমিকের লাশ বাড়ি পাঠানোর পর আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। যার কারনে আর পুলিশে অবহিত করা হয়নি।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, ওনারা আমাদের না জানিয়ে লাশ তালতলী বাড়ী পাঠিয়ে দেয়,আবার না জানিয়েই লাশ থানায় নিয়ে আসে। আজ সোমবার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।




পটুয়াখালীতে অটোরিকশা উদ্ধার, চোর চক্রের হোতা আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ব্যাটারি চালিত তিনটি বড় ও একটি ছোট অটোরিকশা উদ্ধারসহ চোর চক্রের হোতা মো: মিলন খানকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটককৃত অটোরিকশা গুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৮ লাখ টাকা।

রবিবার (৩১ মার্চ) রাতে কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার সংলগ্ন আবাসন মাঠ থেকে চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করা হয় এবং আসামীকে আটক করা হয়। আসামী একই ইউনিয়নের মাড়াইপাড়া গ্রামের নাসির উদ্দিন খানের ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় অটোরিকশা চোর চক্রের হোতা মো. মিলন খানের অবস্থান নিশ্চিত হয় পুলিশ। পরে রবিবার রাতে জেলা ডিবির ওসি একেএম আজমল হুদার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে কলাপাড়া থেকে আসামীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আসামীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী আবাসন মাঠ থেকে চোরাই ৪ টি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে। আসামী মিলনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের বিষয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

আরো পড়ুন : ১ সপ্তাহে পটুয়াখালীর হাসপাতালে ভর্তি ২৬৪ ডায়রিয়া রোগী

পটুয়াখালী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি একেএম আজমল হুদা বলেন, অটোরিকশা গুলো প্রকৃত মালিকের কাছে আইনী প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হবে। আসামীর বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।




গলাচিপায় ৪ দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ

পটুয়াখালী সংবাদদাতা :: গলাচিপায় মো: জুনায়েদ (১৫) নামের এক কিশোর ৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) তার বাবা গলাচিপা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নম্বর ১১৭৬

জুনায়েদ কল্যাণ কলস নেছারিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার অফিস সহকারী মো: রুহুল আমিনের একমাত্র ছেলে ও গলাচিপা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।

আরো পড়ুন : স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে গলাচিপা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড রতনদী (রুপনগর) এলাকা থেকে জুনায়েদ নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজির পরও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। জুনায়েদকে খুঁজে পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে নিখোঁজের বাবা, মা ও আত্মীয়-স্বজন।

আরো পড়ুন : ডাকাতিসহ ১২ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার



ডাকাতিসহ ১২ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার বিভিন্ন থানায় সশস্ত্র ডাকাতির অভিযোগে মোট ১২টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দীর্ঘদিন ধরে পলাতক দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার সাইদুর রহমান মানিককে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৩।

শনিবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে র‍্যাব-৩ এর একটি দল নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ইপিজেড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার মানিক পটুয়াখালী সদরের দক্ষিণ বাজারঘোনার আ. সাত্তার মৃধার ছেলে।

র‍্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন জানান, গ্রেপ্তার সাইদুর রহমান মানিক পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার মূর্তমান আতঙ্ক সশস্ত্র আন্তঃজেলা ডাকাত দল মানিক বাহিনীর সর্দার। তার নেতৃত্বে পটুয়াখালীসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি জেলায় প্রায় ২০টিরও বেশি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তার বিরুদ্ধে বরগুনা জেলার আমতলী বাজার থানায় ৫টি ডাকাতি মামলা ও ২টি অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। এছাড়াও পটুয়াখালী সদর থানায় ৫টি ডাকাতি মামলাসহ তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার মানিক মামলাগুলোর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি।

আরো পড়ুন : স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মানিক জানায়, বহুল আলোচিত ২০১৫ সালে পটুয়াখালী সদর থানাধীন মাদারবুনিয়া ও বোতলবুনিয়া গ্রামে একই রাতে তিনটি বসতবাড়িতে ডাকাতির ঘটনাটি তার নেতৃত্বেই ঘটেছিল। ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রেপ্তার মানিকের নেতৃত্বে ডাকাত দলের অপরাপর সদস্য নড়াইল শহীদ, নাদ্রা আল আমিন, রাসেল তালুকদার, জব্বার, রাকিব হাওলাদার, আলামিন মাতুব্বর, কামাল মাতুব্বর, চাঁন হাওলাদার, বশির সরদারসহ ১০/১২ জন সদস্যের একটি ডাকাত দল মানিকের বাড়িতে বসেই ডাকাতির প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। একই রাতে বোতলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মমতাজের বাড়িতে মমতাজের পার্শ্ববর্তী পাড়ার বাসিন্দা আজিজ মাঝির বাড়িতে ও মাদারবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব আলী চৌধুরীর বসতবাড়ির দরজা ভেঙে প্রবেশ করে ডাকাতি করে।

আরো পড়ুন : সূর্যমুখী চাষে সফলতার মুখ দেখছেন উপকূলের হাজারও কৃষক

গ্রেপ্তার মানিক সম্পর্কে এএসপি শামীম বলেন, মানিক আলিম পাস। সে চাকরি না পাওয়ায় ২০০৪ সাল হতে ২০১২ সাল পর্যন্ত নিজ এলাকায় রাইড শেয়ার করতো। তখন তার ডাকাতি কার্যক্রমের অন্যতম সহযোগী নড়াইল শহীদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে ২০১৫ সালে ডাকাতির কাজে জড়িয়ে পড়ে। ২০২০ সালে একাধিক ডাকাতির মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া শুরু হলে সে পালিয়ে নিজ এলাকা ছেড়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চর সুমিলপাড়া এলাকায় আত্মগোপন করে।
আত্মগোপনে থাকাকালে সে একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে চাকরি করতো এবং প্রকৃত নাম পরিচয় গোপন করে সে নিজেকে সাঈদ নামে পরিচয় দিত। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।




স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৫) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুর রহমান আমির (২৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছেন ।

ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরো পড়ুন : সূর্যমুখী চাষে সফলতার মুখ দেখছেন উপকূলের হাজারও কৃষক

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী উপজেলা সদরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ে। ৭ বছর আগে তার মা ও বাবার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। তার বাবা দ্বিতীয় বিবাহ করে মাধবখালী ইউনিয়নের চৈতা বাজারে ভাড়া বাসায় এবং মা আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় বসবাস করে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী মায়ের সঙ্গে থেকেই লেখাপড়া করে। স্কুল বন্ধ থাকায় সে চৈতা বাজারে বাবার বাসায় বেড়াতে যায়। ঘটনার দিন ২২ মার্চ সকাল সাড়ে ১১ টায় সৎ মায়ের সঙ্গে রাগারাগি করে সুবিদখালী যাওয়ার জন্য রওয়ানা দেয়। চৈতা বাস কাউন্টারে আসলে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান আমির প্রথমে তাকে কোথায় যাবে জিজ্ঞাসা করে আলাপচারিতা শুরু করে। আলাপচারিতার এক পর্যায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে হোটেলের রিসিপশনে চাকুরি দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে করে কুয়াকাটা নিয়ে গিয়ে অজ্ঞাত একটি হোটেল কক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের চিত্র অভিযুক্ত তার মোবাইল ফোনে ধারণও করে রাখে। কুয়াকাটা হোটেলে দুইদিন আটকে রাখার পর গত ২৫ মার্চ ভুক্তভোগীকে নিয়ে এসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রেখে চলে যায়।

এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বড় বোন বাদী হয়ে আব্দুর রহমান আমিরের বিরুদ্ধে গত বুধবার (২৬ মার্চ) দুপুরে মির্জাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে, অভিযান চালিয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।

আরো পড়ুন : ডাকাতিসহ ১২ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বোনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান আমিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু দমন নির্যাতন আইনে একটি মামলা রুজু হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার, ১৪ জেলে আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় ১৪ জেলেকে আটক করেছে নৌ পুলিশের একটি টিম। আটককৃত জেলেদের মধ্যে ২ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা ও ১১ জনকে ১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী।

শনিবার (৩০ মার্চ) ভোররাতে কালাইয়া নৌ পুলিশের একটি টিম ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৬ জন জেলেকে আটক করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীর রিজির মায়ের ভাড়ানি এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে অর্ধশতাধিক নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ভোলা ও বাউফলের কতিপয় দাদন ব্যবসায়ীর শেল্টারে অসাধু জেলেরা বেপরোয়া ভাবে বেহুন্দি জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেনু শিকার করছে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেনী‌তে পড়ুয়া শিশু

আটককৃতরা হলেন– শামিম (২৫), বজলুর রহমান (২১), আলমগীর (৪২), রাকিব (২১), আলমগীর (৪৮), সুজন (২১), মাসুদ মিয়া (৩২), রায়হান (১৯), আল আমিন (৩২), নাহিদ (১৭), আবুল কাশেম (৬০), আমিন (৪৫),  ছবু (৪০)ও রহিম (৩২) এর বাড়ি ভোলার লালমোহন এলাকায়। আটককৃতদের মধ্যে রাকিব ও সুজনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর নাহিদ কিশোর হওয়ায় তার মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকী প্রত্যেককে ১ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. লুৎফর রহমান বলেন, আসামিদের কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে নিয়ে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ