বাউফলে রিকশাচালক ছদ্মবেশে মাদক ব্যবসায়ী আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে ১ কেজি গাঁজা সহ রমিজ আকন (৪৯) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ।

শুক্রবার দুপুর ২.০০ সময় বাউফল উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন খেজুঁরবাড়ীয়া এলাকায় থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম অভিযান চালিয়ে রমিজ আকনকে ১ কেজি গাঁজাসহ হাতে-নাতে আটক করে।

আরো পড়ুন : ঈদে ছুটিতে ঘুরে আসুন সাগরকন্যা কুয়াকাটায়

আটককৃত রমিজ আকন বাউফল উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন বাশঁবাড়ীয়া গ্রামের মৃত মোসলেম আকনের ছেলে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন জানান, আটককৃত রমিজ আকনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়া চলছে।মামলার প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পেরণ করা হবে।




কলাপাড়ায় ষড়যন্ত্রে দিশেহারা আ.লীগ সভাপতি, মামলা দিয়ে হয়রানি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুরে জামায়াত নেতা ও ধর্ষণ মামলার আসামি আবু হানিফের মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মহিপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি মালেক আকন ও এলাকার দরিদ্র মানুষেরা। তার অবৈধ একাধিক ব্যবসা নির্বিঘ্নে করতে ও পাওনা টাকা না দেয়ার ফন্দি হিসেবে তাদের গ্রামছাড়া করতে এ মামলা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতারা।

আজ (শুক্রবার) সকাল ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন মহিপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি মালেক আকন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জামায়াত নেতা আবু হানিফ, ইউনুস সিকদার ও ইউনুস হাওলাদার দীর্ঘদিন একসাথে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করতেন। তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। এবিষয়ে মাননীয় ত্রাণ ব্যবস্থাপনা ও দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট একটি অভিযোগ আসে। তিনি স্থানীয় মহিপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ প্রদান করেন। মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে বিষয়টি সমাধানের জন্য আবু হানিফসহ সকলকে ডাকলে আবু হানিফ কিছুদিনের সময় চেয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে তিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ করে মামলা করে।

আরো পড়ুন : সারা বছরই মুখর থাকে ইয়ার উদ্দীন দরবার

মহিপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি মালেক আকন বলেন, কারিতাস ভবনের পাশে যে বিল্ডিং নির্মানের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার কথা সে বলেছে তার মালিক আবু হানিফ নয়। ভবনের নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। এ  ভবনের মালিক ইব্রাহীমের কোন অভিযোগ নেই। রাইচ মিল ও তেলের মিল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এটা সম্পূর্ন মিথ্যা। এ প্রতিষ্ঠানের মালিক ইউনুস সিকদারের কোন অভিযোগ নেই। অথচ এসব মিথ্যা মনগড়া তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে চাদাবাজি মামলা দায়ের করেছে।

আরো পড়ুন : ঢাকা-গলাচিপা নৌ-রুটে ১ বছর পর লঞ্চ চলাচল শুরু

তিনি আরো বলেন, আবু হানিফ ছাত্র জীবনে ইসলামি ছাত্র শিবিরের সদস্য থেকে পরবর্তীতে জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত। সরকার বিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত থেকে একের পর এক মিথ্যা ভিত্তিহীন নাটকীয় কাহিনীর অবতারনা করে মামলা মোকদ্দমা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে আসছে। ইতিপূর্বে তিনি একটি ধর্ষন মামলায় এক মাস জেলহাজত বাস করেন। তার রয়েছে একাধিক অবৈধ ব্যবসা। মহিপুর বাজারে তার আবাসিক হোটেল থেকেই এসব ব্যবসা পরিচালনা করা হয়। এর প্রতিবাদ ও জামায়াত নেতা আবু হানিফের শাস্তি দাবি করেন মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতারা।




বরিশালে ধর্ষণ মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ৪ বছরের সাজা

বরিশাল অফিস :: বাদির ধর্ষণ মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩ এপ্রিল) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও সিনিয়র জেলা জজ মো. মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন বরগুনা সদর উপজেলার উত্তর হেউলিবুনিয়া গ্রামের সোহরাব হোসেন গাজীর স্ত্রী লাইলী বেগম। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেন বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান।

জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লাইলী বেগম বাদি হয়ে ওই ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন, তার স্বামী রাজমিস্ত্রি কাজ করতে যায়। ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৮ টায় লাইলী বেগম ঘরের বাইরে নামে। এই ফাঁকে বাড়ি খালি থাকার সুযোগে আবদুল মোতালেব মিয়ার ছেলে জলফু মিয়া লাইলী বেগমের বসত ঘরে ঢুকে। লাইলী বেগম ঘরে গেলে জলফু মিয়া লাইলী বেগমকে জোর করে ধর্ষণ করে।

প্রায় সাত বছর মামলা চলার পর বাদির মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে আসামি জলফু মিয়া বাদি হয়ে লাইলী বেগমের বিরুদ্ধে ওই ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। সাক্ষ্য প্রমাণে লাইলী বেগমকে দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন বিচারক।

রাস্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই রায়ের বার্তা সবার কাছে পৌঁছলে মিথ্যা মামলা করার প্রবণতা কমে আসবে। বাদী একদিকে যেভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করেছে, তেমনি আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করেছে।




পটুয়াখালী থেকে অপহৃত কিশোরী যাত্রাবাড়ীতে উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বহুল আলোচিত পটুয়াখালী জেলার বাউফল এলাকা হতে অপহৃত কিশোরীকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অপহরণকারী মো. মাসুম বিল্লাহ আকনকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩।

ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকায় বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অভিযান চালিয়ে অপহৃতকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও অনুসন্ধানে জানা যায়, অপহৃত ভিকটিম কিশোরী পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানাধীন বাউফল সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেশির ছাত্রী। গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় ভিকটিম প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে তার প্রাইভেট টিউটরের বাড়ির দিকে রওনা করে। পথিমধ্যে বিলবিলাস বাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে গ্রেপ্তারকৃত অপহরণকারী মাসুম অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের সহায়তায় ভিকটিমকে পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক ভিকটিমকে একটি মাহিন্দ্রো গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও ভিকটিম নিজ বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত হয়ে প্রাইভেট টিউটরের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে। প্রাইভেট টিউটর জানায় ভিকটিম তার কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়নি। এমতাবস্থায়  ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে খোঁজাখুঁজির জন্য বের হলে প্রত্যক্ষদর্শী একজন পথচারীর নিকট হতে অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে তারা নিশ্চিত হয় যে, ভিকটিমকে গ্রেপ্তারকৃত মাসুম অপহরণ করেছে।

আরো পড়ুন :দুমকিতে হটাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৪৫ রোগী

পরবর্তীতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানায় গ্রেপ্তারকৃত মাসুম এবং অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। এপ্রেক্ষিতে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য র‌্যাব-৩ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অবস্থান শনাক্ত করে আজ ভিকটিমকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব-৩ এর গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।




দশমিনায় ১৫ জেলেকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দশমিনা উপজেলায় অভয় আশ্রম তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী, উপজেলা মৎস্য অফিস দশমিনা, নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, কোস্ট গার্ড যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন অবৈধ মাছ ধরায় ১৫ জেলেকে আটক ও ৭ লক্ষ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা যৌথ অভিযান জন্য করেন র‍্যব-৮ পটুয়াখালী, উপজেলা মৎস্য অফিস দশমিনা, নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, কোস্টগার্ড।

আরো পড়ুন : ঋণ আত্মসাৎ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর গ্রেফতার

পড়ে সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কর্যালয় জিয়াউল হাসান সৌরভ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫জেলেকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং জব্দ জাল তেঁতুলিয়া তীরবর্তী হাজিরহাট লঞ্চ ঘাট এলাকায় পুরিয়ে ফেলা হয়।

সহকারি কমিশনার (ভুমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্যরেট  জিয়াউল হাসান সৌরভ বলেন, তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ১৫ জেলেকে আটক করে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয় এবং জব্দ ৭ লক্ষ মিটার জাল(বাঁধা, কারেন্ট, চরবেড়া, ফ্যার) পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ অভিযান অব্যহত থাকবে।




ঋণ আত্মসাৎ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ন্যাশনাল ব্যাংক পটুয়াখালী শাখার ঋণ খেলাপি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. জাহাঙ্গীর গাজীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যাংক পটুয়াখালী শাখার ব্যবস্থাপক মনি শংকর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ডিবি হেডকোয়ার্টারের একটি আভিযানিক দল প্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ থেকে জাহাঙ্গীর গাজীকে গ্রেফতার করে। এরপর দিন তাকে পটুয়াখালী যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ১ সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি ৫২৩ ডায়রিয়া রোগী

মনি শংকর আরো বলেন, জাহাঙ্গীর গাজী ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর ন্যাশনাল ব্যাংক পটুয়াখালী শাখা থেকে ২৮ লক্ষ টাকা সিসি ঋণ নিয়ে সময়মত তা পরিশোধ না করে চুক্তি ভঙ্গ করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে ঋণ পরিশোধের জন্য তাকে বারবার নোটিশ করা সত্ত্বেও তিনি ঋণ পরিশোধ না করে ২০২০ সালের ৬ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষকে তার একাউন্টের ৩৩ লক্ষ ১০ হাজার ৯৬৮ টাকার চেক প্রদান করেন। একই দিন চেকটি তার একাউন্টে জমা দিলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ডিজঅর্নার হয়। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হলেও তিনি কোন যোগাযোগ না করায় তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ আপিল শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর জাহাঙ্গীর গাজীর অনুপস্থিতিতে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের টাকা পরিশোধের আদেশ দান করে আদালত। এর প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবশেষে গত ২৮ মার্চ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।




৪ ঘণ্টার চেষ্টায় খুলনার জুট মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : খুলনার রূপসার জাবুসা এলাকার সালাম জুট মিলের অগ্নিকাণ্ড চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট ও নৌবাহিনীর দুটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বুধবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। এর আগে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জুট মিলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা আব্দুল কাদির বলেন, বিকাল ৫টা ৩৮ মিনিটে আমরা আগুন লাগার সংবাদ পাই। তারপর ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এর পর যোগ দিয়েছে আরও ৫টি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের ও নৌবাহিনীর প্রচেষ্টায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।




পটুয়াখালীতে ট্রাকচাপায় রিকশাচালক নিহত, আটক চালক-হেলপার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী শহরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশাকে একটি দ্রুতগামী ট্রাক ধাক্কা দিলে অটোরিকশার চালক ট্রাকের নিচে পড়ে নিহত হয়েছেন।

বুধবার বিকেলে শহরের পুরাতন হাসপাতাল মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রিকশাচালক আব্দুর রাজ্জাক মৃধা (৩০) সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামের মালেক মৃধার ছেলে। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে কালিকাপুর ইউনিয়নের ডিবুয়াপুর গ্রামে শ্বশুর রফেজ মৃধার বাড়িতে বাস করতেন।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করে। আটক করা হয় ট্রাকের চালক মামুন খান ও হেলপার মারুফকেও। জব্দ করা হয়েছে ট্রাকটি। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তাদের বাড়ি আমখোলার রামানন্দ ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামে।

ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. জুয়েল জানান, বিকেলে পটুয়াখালী শহরের রেজিস্ট্রি পুল মোড় থেকে বেপরোয়া গতিতে একটি ট্রাক পুরাতন হাসপাতাল সড়ক মোড় অতিক্রমকালে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশাটির চালক ট্রাকের চাকায় চাপা পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মুমূর্ষু অবস্থায় রিকশাচালককে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ১৩ বছরের শিশু ধর্ষনের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেফতার

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের বেলা শহরের মধ্যে ট্রাক চলাচল নিষেধ থাকা সত্ত্বেও বেপরোয়া গতির ট্রাকটির কারণে প্রাণ গেল রিকশাচালক আব্দুর রাজ্জাকের।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম জানান, পুরাতন হাসপাতাল মোড়ে ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথে জেলা প্রশাসকের বাংলার মোড়ে ট্রাকটিকে আটক করা হয়। ট্রাকের চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে ট্র্যাকটি। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
দিনের বেলায় শহরে যাতে ট্রাক প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে পুলিশ আরও কঠোর নজরদারি করবে বলেও তিনি জানান।




পটুয়াখালীতে ১৩ বছরের শিশু ধর্ষনের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ১৩ বছরের শিশু ধর্ষনের অভিযোগে শফিক হাওলাদার (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা।

মঙ্গলবার ২ এপ্রিল র‍্যাব-৮ এর সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বরিশাল মহানগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটককৃত শফিক হাওলাদার সদর উপজেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের সিকেওয়াবুনিয়া গ্রামের জসিম হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব-৮ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর সোহেন রানা জানান– গত ২৯ মার্চ পটুয়াখালী সদর উপজেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের তিতকাটা গ্রামের ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা হলে বিষয়টি র‍্যাব-৮ এর নজরে আসে। পরে র‍্যাব-৮ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে আটক করে।

আরো পড়ুন : ৬ মাসের মধ্যে চালু হবে পায়রা বন্দর – ১ম জেটি তৈরির কাজ শেষের পথে

তিনি আরো বলেন- গত ২৯ মার্চ ১৩ বছরের এক শিশু পাশের বাড়িতে পিয়াজের জন্য গেলে অভিযুক্ত আসামী শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা জড়ো হলে পরে কৌশলে অভিযুক্ত আসাামী পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুর মা পটুয়াখালী সদর থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে মামলার রুজু প্রক্রিয়াধীন।




কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও বিক্রি, গ্রেপ্তার তিন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ এবং পরে বিক্রি করে দিচ্ছিলো এক যুবক। অভিযোগ পেয়ে, র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় নারীদের কেনাবেচায় সংশ্লিষ্ট আরও দুই জনকে গ্রেপ্তার এবং ১৫ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জেলার দুমকি উপজেলার জলিশা গ্রামের ইমন (২০) এবং নারী কেনাবেচায় তার দুই সহযোগী মাদারীপুরের তানিয়া (২৬) ও পালং উপজেলার জাহানারা বেগম (২৭)।

উদ্ধার হওয়া কিশোরীটি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

আরো পড়ুন : মির্জাগঞ্জে ছিনতাইকারীদের কবলে স্ত্রীসহ জাপা নেতা

মঙ্গলবার সকালে জেলা শহরের পুরাতন হাসপাতাল এলাকার একটি বাড়ি থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মাসুদ রানা জানান, গত ১১ মার্চ মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় ওই কিশোরী। পরের দিন তার বাবা বাকেরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। পরে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তারে ব্যাপারে র‌্যাবের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

গ্রেপ্তারের পর স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, ইমন প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১১ মার্চ ওই কিশোরীকে অপহরণ করে পটুয়াখালী নিয়ে আসে এবং সহযোগী দুই নারীর কাছে ৩০ হাজার টাকায় বেচে করে দেয়। গ্রেপ্তার দুই নারী পটুয়াখালী জেলা শহরের পুরাতন হাসপাতাল এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এই কিশোরীকেও চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু পারেনি।

ইমন এর আগেও প্রতারণার ফাঁদ পেতে অপহরণ ও পাচার করেছে। গ্রেপ্তার তিন জনকে বাকেরগঞ্জ থানায় সোপর্দ এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।