গলাচিপা উপজেলায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গলাচিপায় গরু চুরির হিড়িক, ১০ দিনে ১৭ চুরির অভিযোগ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত ১০ দিনে অন্তত ১৭টি গরু চুরি হয়েছে। এরই মধ্যে দুই জনকে চোর সন্দেহে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার গোলখালি ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের নলুয়াবাগী গ্রাম থেকে দুই জনকে আটক করা হয়েছে।

তারা হলেন- ডাকুয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ও পাশের উপজেলা চরমোন্তাজের মেনাজ বয়াতী। এসময় একটি ট্রলারও আটক করেছে স্থানীয়রা।

আরো পড়ুন : হত্যা মামলার আসামি বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

এদিকে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাদুরা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া দুটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় চোরের দল গরুর মালিক বাহাদুর মৃধা নামে একজনকে পিটিয়ে আহত করেছে। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি সদস্য মো. সহিদুল প্যাদা।

স্থানীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে চোরের একটি সংঘবদ্ধ দল নলুয়াবাগী গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের বাড়িতে গরু শেকল কাটছিল। এসময় ‍গৃহস্থ টের পেয়ে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। রাত দুইটার দিকে চোর সন্দেহে দুই জনকে আটক করা হয়। পরে শুক্রবার সকালে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ ১১ জনের মনোনয়ন দাখিল

তারা জানান, গত ১০ দিনে হাকিম ফকির, বাহাদুর মৃধা ও সোহেলের দুটিসহ অন্তত ১৭টি গরু চুরি হয়েছে।

ইউপি সদস্য সহিদুল জানান, গরু চুরি ঠেকাতে ইতিমধ্যে এলাকায় পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস আলম খান জানান, গরু চোর সন্দেহে স্থানীয়রা দুই জনকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। অন্য একটি জিডির ঘটনায় দুইটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে।




হত্যা মামলার আসামি বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: মাহফিলের কমিটি নিয়ে পটুয়াখালীর দুমকীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মোশারেফ মুন্সি (৫০) নামের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পরে ওই মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ হান্নান। এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন বাবা আ. ছত্তার হাওলাদার (৫৫) ও ছেলে মো. সালাউদ্দিন বাপ্পী (৩৫)। তারা পটুয়াখালী জেলা সদর থানাধীন পুরাতন ফেরিঘাটের মাঝগ্রামের বাসিন্দা।

ওসি বলেন, র‍্যাব-৮ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করে দুমকী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর আসামিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় মামার বাসা থেকে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

উল্লেখ্য, উপজেলার পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামের মরহুম আব্দুল গনি মাওলানার ছেলে মাওলানা মো: নেছার স্থানীয় একটি মাদরাসা মাঠে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেন। কিন্তু সেই মাহফিলের কমিটিতে মুন্সি বাড়ির লোকজনের নাম না রাখায় নেছার মাওলানা পক্ষ ও সোবাহান মুন্সি পক্ষে মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় মুন্সির বাজারে উভয়পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে‌ ভর্তি হন, উভয়পক্ষ দুমকী থানায় মামলা করে।

একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি থাকা অবস্থায় আহত মোশারেফ মুন্সি ৭ মে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মারা যান। পরে মোশারেফ মুন্সির মৃত্যুতে পেনাল কোড সংযোজিত হয় এবং আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়।




কলাপাড়ায় মামার বাসা থেকে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মামার বাসা থেকে হালিমা জান্নাত মালিহা (২৪) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌর শহরের মুসলিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা।

নিহত শিক্ষার্থী হালিমা জান্নাত মালিহা কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরের বাসিন্দা শহীদ মোল্লার মেয়ে। তিনি কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজে বিএ (পাস কোর্স) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

লাশ উদ্ধারের বিষয় নিশ্চিত করেন কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছ। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

আরো পড়ুন : বিএনপি নেতার বাড়িতে ‘ভোট চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’ স্টিকার ভাইরাল

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে পার্শ্ববর্তী উপজেলা আমতলীর বাসিন্দা শাহাজাদা হাওলাদারের ছেলে আল হাদী মোহাম্মদ আবিরের সঙ্গে বিয়ে হয় মালিহার। দাম্পত্যজীবনেও লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার কারণে কলাপাড়া পৌর শহরের মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা মামা মহিউদ্দিন মিলন তালুকদারের বাসায় থেকে ক্লাস করতেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে ওই শিক্ষার্থীর ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। এতে তাঁর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করেন স্বজনেরা। পরে সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন তাঁরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।




গ্রামে নয়, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর এলাকায় লোডশেডিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : কৃষকের সেচে যেন সমস্যা না হয় সেজন্য গ্রামের বদলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর আবাসস্থল গুলশান বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় লোডশেডিং দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  এছাড়াও মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সকল অনাবাদী জমিতে চাষ করার আহ্বান জানিয়েছেন সরকার প্রধান।

প্রধনামন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চলমান দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সরকার প্রধানা বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশেষ আইন নিয়ে সমালোচনা কেন? পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নেই, যারা ক্যাপাসিটি পেমেন্ট ছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। কিন্তু প্রতিদিন এটা নিয়ে চিল্লাচিল্লি শুনি। ওই আইনে কাউকে দায়মুক্তি দেয়া হয়নি। ’

সামিটের বিলম্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জরিমানা আদায় হয়েছে বলেও জানান সংসদ নেতা।

তিনি বলেন, ‘বিশেষ আইন নিয়ে যারা কথা বলছেন, সমালোচনা করছেন তারা অর্বাচীন। ’

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে সমালোচনা হয় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অথচ সেটাই সবচেয়ে ক্লিন বিদ্যুতের সোর্স। রূপপুরে আরও একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

গুলশান-বনানীতে লোডশেডিং দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদন বহুমুখী করছে সরকার। হ্যাঁ, গেল কিছুদিন তীব্র গরমে কিছুটা লোডশেডিং হয়েছে। আমরা তা স্বীকার করি। আমি নির্দেশ দিয়েছি লোডশেডিং গ্রামে নয়, এখন থেকে বিদ্যুৎ সংকটে লোডশেডিং হবে গুলশান-বনানীতে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বাসভবন এলাকায়ও লোডশেডিংয়ের নির্দেশ দিয়েছি। ’




পটুয়াখালীতে স্ত্রী চলে যাওয়ায় ফাঁস নিলেন স্বামী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলেন আলী পন্ডিত (৩০) নামের এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার মহিপুরে এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : দুমকী নির্বাচনে অবৈধ ক্যাম্প ভেঙে দিলেন ইউএনও

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেশায় জেলে আলী প্রায়ই স্ত্রীর সাথে ঝগড়াঝাঁটি হতো বাড়িতে। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হয় এর পরে স্ত্রী বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলে সে নিজ ঘরে একা আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়। কিচ্ছুক্ষন পরে নিহতের বড় বোন তাঁকে খোঁজাখুজির পরে ঘরে ঝুলন্ত দেখে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতাল নিয়ে আসলে কুয়াকাটা ২০ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন : স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে পটুয়াখালীতে কর্মশালা

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে হাসপাতালে গিয়ে নিহতের সুরতহাল শেষ করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালীতে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ৩ আসামির যাবজ্জীবন, ৬ জন খালাস




ধর্ষণের পর হত্যা, ঝুলিয়ে রাখা হয় লাশ, গ্রেপ্তার যুবক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় ১০ বছরের শিশু সানিয়াকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে তার লাশ গলায় ওড়না দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বুধবার গলাচিপা থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ মেহেদী হাসান (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

এছাড়া পুলিশের উদ্যোগে ওই শিশুর লাশ ময়নাতদন্ত করা ছাড়াও ধর্ষণের আলামত জব্দ করা হয়েছে। নির্মম এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ মে) সকালে সানিয়া, তার মা সাহিদা বেগম (৩৫) ও ছোট বোন সারামনির (৫) সঙ্গে সকালে বাড়ির কাছের বিলে মরিচ তুলতে যায়। সকাল নয়টার দিকে সানিয়া ভাত খাওয়ার জন্য বাড়িতে যায়।

এর ঘন্টাখানেক পরে সাহিদা বেগম বাড়ি ফিরে তার মেয়ে সানিয়াকে বসতঘরের মাঝখানের কক্ষের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। সাহিদা বেগমের ডাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং লাশ নামায়। ওইদিনই পুলিশ সানিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

আরো পড়ুন : দুমকী নির্বাচনে অবৈধ ক্যাম্প ভেঙে দিলেন ইউএনও

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পর পরই একই বাড়ির আবুল কালাম বিশ্বাসের ছেলে মেহেদী হাসানকে বসতঘরের পিছন দিয়ে জমির দিকে হেটে যেতে দেখা গেছে।

সানিয়ার মা সাহিদা বেগম ও বাবা মো. মফিজুল বিশ্বাস অভিযোগ করেন, মেহেদী হাসান তার মেয়েকে ঘরের মধ্যে একা পেয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে লাশের গলায় ওড়না পেচিয়ে আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে।

এ ঘটনায় মফিজুল বিশ্বাস তার মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় হাসানসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে গলাচিপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস আলম খান জানান, সানিয়ার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। একই বাড়ির হাসান (২২) নামে এক যুবককে আটক করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।




দুমকী নির্বাচনে অবৈধ ক্যাম্প ভেঙে দিলেন ইউএনও

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের স্থাপিত অবৈধ নির্বাচনী ক্যাম্পগুলো ভেঙে দিয়েছেন দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন মাহমুদ।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার থানা ব্রিজ, নতুন বাজার, পাগলার মোড় এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্থাপিত ওই ক্যম্পগুলো ভেঙে দেন।

আরো পড়ুন : গলাচিপা উপজেলা নির্বাচনে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

এ ছাড়া বিকেলে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের পাগলার মোড় এলাকার বিভিন্ন প্রার্থীর অবৈধ ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ড. হারুন-অর রশীদ হাওলাদার নির্বাচনী কাজে সরকারী গাড়ি অবৈধভাবে ব্যবহার করায় গাড়ি জব্দ করেন ইউএনও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন মাহমুদ জানান, নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী আসন্ন ১৩ তারিখের পরে অর্থাৎ প্রতীক বরাদ্দের পরে অনুমতি সাপেক্ষে প্রার্থীরা ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন।




প্রার্থীর পক্ষে গোপন বৈঠক: ৫ প্রিসাইডিং অফিসারসহ ৬ জন কারাগারে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ৫ প্রিসাইডিং অফিসার এবং বৈঠকের সম্বয়ককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ মে) সন্ধ্যায় তাদের সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মো. বিল্লাল হোসাইন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কোর্ট পরিদর্শক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সদর উপজেলার যমুনা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক আবু সামা, বাহুকা কলেজের প্রভাষক বাচ্চু কুমার ঘোষ, জনতা ব্যাংক সিরাজগঞ্জ জোনাল অফিসের প্রিন্সিপাল অফিসার ইয়াসিন আরাফাত এবং বৈঠকের সমন্বায়ক শিয়ালকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আমিনুর ইসলাম।

গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুলহাজ উদ্দীন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম জানা যায়নি।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সদর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন জানান, ওই বৈঠকের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা নির্বাচন নিয়ে একটি ষড়যন্ত্র।

প্রসঙ্গত, রোববার সদর উপজেলার কাদাই এলাকায় একটি রিসোর্টে প্রিসাইডিং অফিসাররা গোপন বৈঠক করছিল-এমন অভিযোগে পুলিশ ও নির্বাচন অফিসার অভিযান চালায়। কিন্তু কাউকে না পেলেও পরের দিন সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ওই ছয় জনকে আটক করে। এ ঘটনায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০ জনের বিরুদ্ধে জেলা নির্বাচন অফিসার মামলা দায়ের করেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত শেষে পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালিয়ে গেলেন স্বামী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকিয়া (১৮) নামে এক গৃহবধূর লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছেন।

মঙ্গলবার তাকিয়ার লাশ বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যায় তার স্বামী মিরাজ।

মৃত তাকিয়া উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের হোসেন হাওলাদারের মেয়ে ও সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামের মো. মিরাজ হোসেনের স্ত্রী।

আরো পড়ুন : লেবুখালি হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ নিয়ে আ’লীগ নেতার বক্তব্যে দুমকীতে তোলপাড়!

তাকিয়ার ভাবী ঝুমুর বলেন, বিয়ের পর থেকে তাকিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন মিরাজ। যৌতুকের জন্য তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলতো শ্বশুর ও শাশুড়ি। গত তিন দিন ধরে তাকিয়াকে প্রচুর মারধর করে মিরাজ। বিষয়টি মুঠোফোনে তাকিয়া তার ছোট ভাইকে জানায়। মঙ্গলবার সকালে শ্বশুর বাড়ি থেকে ফোন করে তাকিয়ার অসুস্থতার খবর দেওয়া হয়। বেলা ১১টায় তাকিয়ার মা হনুফা বেগম বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পর জোরপূর্বক তার স্বাক্ষর নেয় কয়েকজন যুবক। পরে হনুফা বেগমকে বলা হয় তাকিয়া আত্মহত্যা করেছে। এরপরই তাকিয়ার স্বামী মিরাজ হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। মেয়ের মৃত্যুর খবর জেনে মা হনুফা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নার্স বলেন, তাকিয়ার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

আরো পড়ুন : ঢেউয়ে হারিয়ে যাওয়া পর্যটক উদ্ধার কুয়াকাটা

তাকিয়ার মা হনুফা বেগম বলেন, মিরাজ মাদকাসক্ত। সে যৌতুকের জন্য আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি বিচার চাই।

অবশ্য মারধর করে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন তাকিয়ার শ্বশুর ফজলু গাজী।

বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলেই হত্যা না আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।