নিখোঁজের তিন দিন পর পায়রা নদী থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে নিখোঁজ হওয়ার ৩ দিন পর পায়রা নদী থেকে খাদিজা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে গেলে পায়রা নদীর লেবুখালী ইউনিয়নের আলগির চরে কচুরিপানার মধ্যে লাশটি দেখতে পেয়ে দুমকি থানা পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে শেষ দিকে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট

নিহত খাদিজা বেগম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ২নম্বর বদরপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আইয়ুব আলী খানের স্ত্রী।

তিনি গত ৩ দিন আগে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী দুমকি উপজেলায় ভাইয়ের ছেলের কাছে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হন।

জানা যায় খাদিজা বেগম সুস্থ এবং স্বাভাবিক একজন মানুষ ছিলেন। গত ১২ জুন (বুধবার) পার্শ্ববর্তী দুমকি উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তারপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে কি কারণে বা কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে তার কারণ জানা যায়নি। পরবর্তীতে আত্মীয়স্বজনরা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি ফেসবুকে দিলে অনেকেই জানতে পারেন।




শ্বশুরের ৩শ কোটির সম্পত্তি, ১ কোটি খরচ করে খুন করালেন পুত্রবধূ




পটুয়াখালীতে ইজিবাইকে ওড়না পেঁচিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ইজিবাইকে ওড়না পেঁচিয়ে এইচএসসি এক পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে পটুয়াখালী জেলা শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাইভেট পড়ে যাওয়ার সময় শহরের টাউন কালিকাপুর মডেল মসজিদ মোড়ে ইজিবাইকে গলা ওড়না পেঁচিয়ে অধরা ইসলাম মোহনা নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। মোহনা শহরের শিমুল বাগ এলাকার রাসেল মুন্সর মেয়ে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীর আবাসিক হোটেলে মিলল সাবেক বন কর্মকর্তার মরদেহ

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই এলাকায় ইজিবাইকের মোটরের সঙ্গে মোহনার গলায় থানা ওড়নায় ফাঁস লাগে। তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামিমা নাসরিন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মেয়েটির মৃত্যু হয়।

পটুয়াথালী সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. হিরন জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে সুরাতহাল রিপোর্ট করেছেন। এতে গলায় দাগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পটুয়াখালীর আবাসিক হোটেলে মিলল সাবেক বন কর্মকর্তার মরদেহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী আলীপুর ভাই-ভাই (আবাসিক) হোটেলের ১১নং কক্ষ থেকে সফিকুর রহমান (৬৬) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) সকাল ১১টায় মহিপুর থানা পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে তুলাতলী হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হোটেলের রেজিস্টার ও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী দেখা যায়, নিহত মো. সফিকুর রহমান বান্দরবান সদরে কলেজ রোড ফরেস্ট কলোনির মতিউর রহমানের ছেলে।

আরো পড়ুন : বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় প্রতিবেশীর হামলা – গৃহবধূ নিহত

হোটেল পরিচালক রাসেল মুসুল্লি বলেন, ২০২৩ (০১ ডিসেম্বর) সালে ব্যবসায়ীক কাজের একা থাকার জন্য আমার হোটেলের কক্ষটি ভাড়া নেন। কিছু দিন আগে অসুস্থতার কথা শুনেছি। পরে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক ছিলো সবকিছু। গত কাল থেকে রুম বন্ধ দেখি এবং তার কোন আলাপচারি পাইনি। সকালে জানালা দিয়ে দেখা যায় খাটের পাসে পরে আছে। দ্রুত মহিপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে রুমের দরজা ভেঙে বের করা করেন।

মইপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, হোটেল কর্তৃপক্ষ থানায় খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে রুমের দরজা ভেঙে লোকটি উদ্ধার করে তুলাতলী ২০ শয্যা হাসপালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে। আমাদের ইনভেস্টিগেশনের পরে বোঝা যাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা নাকি হত্যা।




বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় প্রতিবেশীর হামলা – গৃহবধূ নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিয়ের নিমন্ত্রণ না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে প্রতিবেশী দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষে নিলিমা সিকারী (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিন সকালে জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের ধরান্দী গ্রামের আনন্দপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত নিলিমা ওই এলাকার সুনীল সিকারীর স্ত্রী।

কমলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. মনির সিকদার জানান, ৮-১০ দিন আগে নিহত নিলিমা ও তার স্বামী সুনীল নাতনির বিয়ে দেন। এতে নিমন্ত্রণ না পেয়ে, তার কারণ জানতে চান প্রতিবেশী রণজিৎ রায়।

এ নিয়ে তখন দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে রায় পরিবারের কয়েকজন সিকারী বাড়িতে এসে হামলা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
এ সময় তা থামাতে গেলে রায় পরিবারের লোকজনের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন নিলিমা। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন : মির্জাগঞ্জে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় অন্তত ২৫ জন আহত, গ্রেপ্তার ৪

নিহতের ছেলে সুমিত সিকারী জানান, বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে এর আগে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে আবারও ১০-১২ জন লোক এসে হঠাৎ তাদের পরিবারের ওপর আক্রমণ চালায়। এ সময় তার মা আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়।

তবে এ বিষয়ে রায় পরিবারের রণজিৎ ও জয়দেবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।




মির্জাগঞ্জে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় অন্তত ২৫ জন আহত, গ্রেপ্তার ৪

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় অন্তত ২৫ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত রোববার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ভিকাখালী, মধ্য আন্দুয়া ও আন্দুয়া আবাসন; মাধবখালী ইউনিয়নের সন্তোষপুর; মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের সুবিদখালী এলাকাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাকিব ফরাজী, সেলিম সিকদার, রাব্বি ও শাকিল গাজী নামের চারজনকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ফিরোজ হাওলাদার (৫৫), রিয়াজ খলীফা (৩৩), মিরাজ খলীফা (২৮), ইলিয়াস খলীফা (৪০) বিপ্লব গাজী (৩৫), ইলিয়াস হোসেন (২৬), শামিম খান (৩৫), মনির হাওলাদার (৩০), মাসুম মিয়া (৪৮), বাসুদেব (৫৫), নাসির হাওলাদার (৪৭), আইয়ুব আলী মৃধা (৫২), রাতুল মৃধা (৩২) সাইফুল আলম (২৮) নিজাম সিকদার (২৬) ও মো. সুজন সিকদারকে (৩৫) মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তাঁরা উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী, মধ্য আন্দুয়া, আন্দুয়া, ভিকাখালী, উত্তর আমড়াগাছিয়া, সুলতানাবাদ ও সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গত ২৯ মে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে নির্বাচন স্থগিত করে ৯ জুন ভোট গ্রহণ করা হয়। এরপর গত দুই দিনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদের জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকেরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে জড়ান। আজ ভিকাখালী বাজারে ভাইস চেয়ারম্যান পদের জয়ী প্রার্থী ওমর ফারুক (শাওন) ও পরাজিত প্রার্থী দুলাল ফকিরের সমর্থকেরা সংঘর্ষে জড়ান। একই দিনে পাশের আন্দুয়া গ্রামে চেয়ারম্যান পদের জয়ী প্রার্থী খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী ও পরাজিত প্রার্থী জহিরুল ইমলামের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ছাড়া সন্তোষপুর, সুলতানাবাদ, দেউলী সুবিদখালী ও আমড়াগাছিয়া গ্রামে সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে।

জয়ী ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক অভিযোগ করে বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে ভিকাখালী বাজারে দুলাল ফকিরের সমর্থকেরা তাঁর বেশ কয়েকজন সমর্থককে পিটিয়ে আহত করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে দুলাল ফকিরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে চেয়ারম্যান পদের পরাজিত প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ী কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী খান মো. আবু বকরের লোকজন বিভিন্ন এলাকায় আমার সমর্থকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। গত দুই দিনে আমার অন্তত ২৫-৩০ জন নেতা-কর্মী হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।’

আরো পড়ুন : বরিশালের ৯ উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য পরাজিত প্রার্থীর লোকজন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। নির্বাচনের দুই দিন আগে কলাগাছিয়া গ্রামের আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে ঘোড়া প্রতীকের (জহিরুল) লোকজন। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর সুযোগ পেলেই আমার সমর্থকদের ওপর হামলা করছে। আমার কর্মী-সমর্থকেরা যাতে সংঘর্ষে না জড়ায়, সে ব্যাপারে তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে।’

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দু-একটি স্থানে নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। তবে সব ঘটনাই নির্বাচনী সহিংসতা নয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব, জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কিছু ঘটনা ঘটছে। সুবিধা নিতে নির্বাচনী সহিংসতা বলে প্রচার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে। গতকাল রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




তিন কারণে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় সংসদ সদস্য আনারকে




টহল দিয়ে পান না ভাড়া, থানা চত্বরে বিক্ষোভ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফল থানার সামনে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করেছে ইজিবাইক শ্রমিকরা।

পরে ওসি শোনিত কুমার গায়েন ও ইজিবাইকচালক নেতা মঞ্জুর সঙ্গে চালকদের আলোচনার পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

চালকদের অভিযোগ, প্রতিদিন রাতে পুলিশ টহলের জন্য তাদের ৫-৭টি ইজিবাইক ব্যবহার করা হয়। তবে রাতে পুলিশের সঙ্গে ডিউটি করলেও পুলিশ তাদের কোনো টাকা প্রদান করে না। রাতে ডিউটি করার ফলে পরেরদিনও তারা ভাড়া চালাতে পারে না। এতে তাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

এ ছাড়াও উপজেলার অন্যান্য এলাকার ইজিবাইক রাতে ডিউটি করে না, শুধু শহরের ইজিবাইকগুলো ডিউটি করে এতে তাদের ঘনঘন ডিউটি পড়ে। রোববার বিকেলে পুলিশ হঠাৎ ডিউটির জন্য থানা গেটে ইজিবাইক আটক করতে শুরু করে। প্রায় ৪০টির মতো ইজিবাইক আটক করা হয়। এ সময় একজন ইজিবাইক চালককে পুলিশ চড় থাপ্পড় মেরেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আরো পড়ুন : দুমকিতে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৮ সমর্থকের কারাদণ্ড

পুলিশ জানায়, তাদের পর্যাপ্ত যানবাহন নেই। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে রাতে ইজিবাইক নিয়ে ডিউটি করতে হয়। গত ২১ তারিখ থেকে সিরিয়াল করা ইজিবাইকগুলো ডিউটিতে আসছে না। তাই আজকে তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য তাদের থামান হয়েছে। ডিউটির জন্য টাকা দেওয়ার বরাদ্দ নেই। তবে চুরি ডাকাতি বন্ধে তাদের রাতে ডিউটি করতেই হয়। ইজিবাইক চালককে মারধরের অভিযোগ সত্য নয় বলেও জানায় পুলিশ।




পটুয়াখালীতে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল অদ্য ইং ০৩/০৬/২০২৪ তারিখ সময় অনুমান ১৬ঃ০০ ঘটিকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালি থানাধীন কাঁলাচানপাড়া এলাকা হতে ১ জন ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী মোঃ বশির খান(৪৫), পিতা-মৃত সোনে আলী, সাং-উত্তর চরখালী, ইউপি- গলাচিপা, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভিকটিম জীবিকা নির্বাহের জন্য ভাঙ্গারির দোকান এবং ভাতের হোটেলে কাজ করতেন। ভাতের হোটেলে তার সাথে আসামী বশিরের পরিচয় হয়। এরই সুবাদে সে তার সমস্যার কথা আসামী বশিরকে বলে যেন সে তাকে একটি ভাল কাজের ব্যবস্থা করে দেয়।

পরবর্তীতে আসামী বশির ভিকটিমকে গলাচিপা শহরের একটি হোটেলে কাজ দেওয়ার কথা বলে অপর একজন আসামীর বসতবাড়িতে নিয়ে যায়। ঐদিন রাতে আসামী বশির ও তার সাথে থাকা অন্য দুই জন আসামীরা ভিকটিমের সামনে বসেই মাদকদ্রব্য সেবন করতে থাকে। পরবর্তীতে আসামীরা ভিকটিমকে হত্যার হুমকি দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড়পূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।

আরো পড়ুন : দুমকিতে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ৮ সমর্থকের কারাদণ্ড

ভিকটিম রক্তাক্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পরলে একটি ভাড়া করা মোটরসাইকেল করে তাকে আসামিরা হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে ভিকটিম বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করে (গলাচিপা মডেল থানার মামলা নং-১৫ তারিখঃ ২৫/০৯/২০২৩ইং, ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(৩) ধারা)।

বিষয়টি র‌্যাবের নজরে আসলে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প আসামীকে গ্রেফতারের জন্য ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৩/০৬/২০২৪ ইং তারিখ বিকাল ৪ ঘটিকায় পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালি থানাধীন হাওলাদার বাড়ি, কাঁলাচানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ এর নিমিত্তে হস্তান্তর করা হয়েছে।




বরিশালে মানব পাচার মামলায় ৭ জনকে জরিমানা

বরিশাল অফিস :: চাকুরির প্রলোভনে দুই তরুনীকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার মামলায় আবাসিক হোটেলে মালিকসহ ৭ জনকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে। সোমবার বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মঞ্জুরুল হোসেন এ রায় দেন বলে বেঞ্চ সহকারী তুহিন মোল্লা জানান।

দ-িতরা হলো- নগরীর দক্ষিন চকবাজার এলাকার আবাসিক হোটেল পায়েল এর মালিক মনির হোসেন, কর্মচারী বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেউলি গ্রামের মৃত আবুল কাসেম চৌকিদারের ছেলে সেলিম চৌকিদার, একই উপজেলার দত্তরাবাদ গ্রামের আজাহার মৃধার ছেলে আনোয়ার হোসেন, একই উপজেলার পশ্চিম দাড়িয়াল গ্রামের মৃত মমিনউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মন্টু হাওলাদার, নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোতাহার গাজীর ছেলে মিন্টু গাজী, নগরীর বাঘিয়া এলাকার বাসিন্দা আজিজ বেপারীর ছেলে কবির হোসেন ও বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল বেপারীর ছেলে বাদশা বেপারী। রায় ঘোষনার সময় সকলে আদালতে উপস্থিত ছিলো।

মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী তুহিন মোল্লা জানান, ২০২০ সালের ২ অগাষ্ট মহানগর ডিবি পুলিশের একটি দল জানতে পারে আবাসিক হোটেল পায়েল- এ চাকুরির প্রলোভনে দুই তরুনীকে আটকে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করছে। এ অভিযোগে ডিবি পুলিশের দল ওই হোটেলে অভিযান করে। এ সময় আবাসিক ওই হোটেলের দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে দুই তরুনীকে উদ্ধার করে। হোটেলের কর্মচারী সেলিম, আনোয়ার হোসেন ও মিন্টু গাজীকে আটক করে।

এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক তিনজনসহ পালিয়ে যাওয়া হোটেলের আরো ৪ জনের বিরুদ্ধে চাকুরির প্রলোভনে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগে কোতয়ালী মডেল থানায় ওইদিন মামলা করে। ডিবির এসআই দেলোয়ার ওই বছরের ১৬ জুন ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট জমা দেয়। বিচারক ৫ জনের স্বাক্ষ্য নিয়ে রায় দেন। তুহিন মোল্লা বলেন, রায়ে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৩ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেন। দন্ডিত আসামীরা জরিমানা জমা দিয়ে মুক্ত হয়েছেন।