মালামাল আত্মসাত মালয়েশিয়া প্রবাসীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস :: সহকর্মীর পাঠানো স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন তার স্বজনদের ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের মামলায় শনিবার ( 29 জুন) সকালে জাবেদ হোসেন ইমন (২০) নামের এক মালয়েশিয়া প্রবাসীকে তার বাবা ও ভাইসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কাউনিয়া থানার ওসি মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের ওইদিন দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সূত্রমতে, বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামচরি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর পাঠানো স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামছড়ি গ্রামের বাসিন্দা খলিলুর রহমান প্যাদা, তার মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলে জাবেদ হোসেন ইমন ও অপর ছেলে কাউসার হোসেন।

মামলার বাদী ঢাকার নবাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম জানান, তার ফুফাতো ভাই ফয়সাল আহমেদ শুভ্র বিগত ছয় বছর ধরে মালয়েশিয়া থাকেন। সেখানে ইমন ছিলো তার সহকর্মী। গত ২২ জুন তিনি (ইমন) দেশে ফেরেন। শুভ্র তার কাছে ৯৩ দশমিক ৯৮ গ্রাম ওজনের ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও একটি দামী মোবাইল ফোন পাঠান। সেই মালামালগুলো হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাদী আরিফুল ইসলামের সংগ্রহ করার কথা ছিল। সেগুলো
সংগ্রহের জন্য আরিফুর ইসলাম বিমানবন্দরে অবস্থান করলে ইমন কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

সূত্রে আরও জানা গেছে, পরবর্তীতে ইমনের ঠিকানা সংগ্রহ করে তার গ্রামের বাড়িতে এসে আরিফুল স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন চাইলে তিনি (ইমন) সেগুলো এয়ারপোর্টে আসা স্বজনকে দিয়েছেন বলে জানান। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আরিফুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় মামলা করেন।




পটুয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিয়ার জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে প্রায় নয় হাজার লিটার নিষিদ্ধ চাইনিজ বিয়ারের ২৭ হাজার ক্যানসহ ৩ যুবককে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২৮ জুন) ভোররাতে পটুয়াখালী টোল প্লাজা থেকে একটি কাভার্টভ্যানসহ এসব মাদক জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাসিরুল ইসলাম (২৮), মেহেদী হাসান রাব্বি (২৩) ও রুবেল মুন্সী (২৭)।

বাসিরুল ও মেহেদী পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাইনিজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়েন্টাল পার্লে বিভিন্ন পদে কর্মরত। রুবেল মুন্সী ওই কাভার্ট ভ্যানের চালক।

আরো পড়ুন : পায়রার ১ ইউনিট বন্ধ – দক্ষিণে দৈনিক ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং

পটুয়াখালী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, চায়না থেকে নৌপথে এসব মাদক পায়রা বন্দর হয়ে কলাপাড়ায় আসে। এখান থেকে ঢাকায় পাচারকালে অবৈধ বিয়ার জব্দ করা হয়। প্রতিটি ক্যানে ৩৩০ এমএল করে মোট বিয়ারের সংখ্যা ৮ হাজার ৮শ’ ৭০ লিটার। জব্দকৃত এসব বিয়ারের বাজার মূল্য ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা। স্বাধীনতার পরে বরিশাল বিভাগে অবৈধ বিয়ার জব্দের এটাই সবেচেয়ে বড় চালান বলে জানান এই কর্মকর্তা।




দুমকিতে ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে অব্যাহতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার সরকারি জনতা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান আরিফ বুধবার রাতে এক যৌথ প্রেস বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

অব্যাহতি পাওয়া নেতারা হলেন- সরকারি জনতা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবু সাইদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান মৃধা ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাঈম।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনবিরোধী, শৃঙ্খলা-পরিপন্থী, অপরাধমূলক এবং সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযাগে তাদের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো।

অভিযোগ আছে, বুধবার দুপুরে ওই ৩ নেতার নেতৃত্বে জনতা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সানাউল্লা হিরা ও সাধারণ সম্পাদক মঈন শিকদারসহ দলীয় নেতাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় জনতা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমপক্ষে পাঁচ কর্মী আহত হয়।

আহত আবু মুছা (১৯), আরাফাত (১৯), ইমরান (১৮), সাইফুল (১৯), শাকিল (১৯) ও শুভকে (২২) উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে সাপের খামার করে বিপাকে রাজ্জাক

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয় নিয়ে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সানাউল্লা হিরা ও সাধারণ সম্পাদক মঈন সিকদার বুধবার দুপুরে অধ্যক্ষের অফিসে আলোচনা করতে যান। এসময় পদবঞ্চিত নেতা আবু সাইদের নেতৃত্ব ১৫-২০ জনের একটি দল অধ্যক্ষের অফিসে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগে উশৃঙ্খলতার স্থান নেই।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।




বাউফলে নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বাউফলের তেতুলিয়া নদীর তীরে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার (৭৫) লাশ উদ্ধার করেছে নৌ-ফাঁড়ির পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল ৯ নং ওয়ার্ড খানকা বাজারের কাছ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে সাপের খামার করে বিপাকে রাজ্জাক

স্থানীয়রা দুপুর ১২ টার দিকে নদীতে লাশ ভাসতে দেখে কালাইয়া নৌ-ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দিলে তারা বিকাল সাড়ে৪ টার সময় লাশ উদ্ধার করেন।

বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়ের বলেন, সুরাতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছেন।




দুমকী জনতা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ – আহত-৫

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকী সরকারি জনতা কলেজ ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত কমিটি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ৫ জন আহত হয়েছে।

বুধবার বেলা ১.০০ টার সময় কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

জানা যায়, গত ১৫ জুন সানাউল্লাহ হিরাকে সভাপতি ও মো: মঈন সিকদারকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে আগামী ১ বছরের জন্য সরকারি জনতা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করে পটুয়াখালী জেলা শাখা ছাত্রলীগ। কমিটি ঘোষণার পরে গত ২৪ জুন পাল্টাপাল্টি আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করে দু’গ্রুপ।

গত ২৪ জুন (সোমবার) সকাল ১০টার দিকে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অস্বীকৃতি জানিয়ে সহ সভাপতি মোঃ আবু সাইদ হাওলাদার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান সুধা’র নেতৃত্বে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ক্যাম্পাসে এসে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

অপরদিকে একইদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ কমিটির সভাপতি সানাউল্লাহ হিরা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঈন সিকদারের নেতৃত্বে আরেকটি আনন্দ মিছিল উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ক্যাম্পাসে এসে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

আরো পড়ুন : মির্জাগঞ্জে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান তরুণীর -আত্মহত্যার হুমকি

পরবর্তীতে কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে বুধবার (২৬ জুন)কলেজ অধ্যক্ষের সামনে দু’গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও পরে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এতে ১। মোঃ নুরে আলম (২১),২। আরাফাত হোসেন(১৬), ৩। মোঃ রিফাত সৃধা(২১), ৪। মোঃ ইমরান হোসেন(২২) ও ৫।মোঃ মুসা(২১) নামের ৫জন ছাত্র আহত হয়। এদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়।

সরকারি জনতা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল লতিফ হাওলাদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে আমি তাৎক্ষণিক দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যর কমিটি গঠন করা হবে এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।

দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, ঘটনা শোনার সাথে সাথে ক্যাম্পাসে গিয়েছি। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কর্তৃক একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




ঋণ নিয়ে স্বামী লাপাত্তা, স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করলেন এনজিও কর্মীরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করায় থানার কথা বলে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে এক নারীকে এনজিওর অফিসে ডেকে এনে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে শাখা ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে বেসরকারি এনজিও কোডেকের উপজেলার বাহেরচর শাখায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লাঞ্ছিত হওয়া নারী সদস্যের নাম আরজু বেগম। তার বাড়ি উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের কৃষক মিজানুর ঘরামীর স্ত্রী।

গৃহিনী আরজু বেগম বলেন, তার নাম ব্যবহার করে ঋণ ছাড়িয়ে টাকা নিয়ে যান স্বামী। অর্ধেকের বেশি কিস্তি দিয়ে তার স্বামী এলাকা থেকে লাপাত্তা হয়ে যান। তাই কিস্তির টাকার জন্য এনজিও কর্মীরা তাকে চাপ প্রয়োগ করছিলেন। কিন্তু টাকা পরিশোধের কোনো সামর্থ্যই নেই তার। বরং সন্তানদের নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে তার।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় প্রান্তিক কৃষকদের প্রধানমন্ত্রীর উপহারের গাছ বিতরণ

আরজু বেগমের অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি ওই ইউনিয়নের বড়ইতলা বাজারে গেলে ঋণের জামিনদার দেলোয়ার হোসেন তাকে আটকে এনজিও কর্মীদের খবর দেন। খবর পেয়ে শাখা ব্যবস্থাপকসহ ৬-৭ জন কর্মী এবং একজন পুলিশ সদস্য গিয়ে আরজু বেগমকে রাঙ্গাবালী থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কোডেক অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আরজু বেগমকে টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন শাখা ব্যবস্থাপক এবং মাঠকর্মীরা। কিন্তু টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায় তাকে ঘাড় ধাক্কাও দেন শাখার ব্যবস্থাপক। পরে টাকা পরিশোধের শর্তে তাকে রাত ১০টার দিকে ছাড়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী গ্রামের শাহিন হোসেন বলেন, ঋণের টাকার জন্য ওই নারীকে কোডেক অফিসে এনে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। গালিগালাজ ছাড়া তার গায়েও হাত পর্যন্ত তোলেন ম্যানেজার (ব্যবস্থাপক)। পরে টাকা পরিশোধের শর্তে ছাড়া পান ওই নারী।

অভিযোগ অস্বীকার করে কোডেকের বাহেরচর শাখা ব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবির বলেন, আরজু বেগম এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। কয়েকটি কিস্তি দেওয়ার পর তার কাছে মোট ৪২ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে আমাদের। কিন্তু তিনি পরপর তিন মাসে ৩০ হাজার টাকা কিস্তি দেননি। তার কাছে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি কিস্তি পরিশোধ করেননি। তাই জামিনদারকে বিষয়টি জানানো হয়। জামিনদার তাকে পেয়ে দোকানে বসিয়ে আমাদেরকে জানান। আমি এবং অফিসের ৬-৭ জন ও থানার কনস্টেবল সোহান গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। এসময় কনস্টেবল বিষয়টি থানা পর্যন্ত না গিয়ে অফিসে বসেই সমাধানের প্রস্তাব দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে আমরা আমাদের অফিসে বসি। এইসময় আরজুর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। কিন্তু তার গায়ে কেউ হাত দেয়নি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই এবং আমাকে কেউ বলেওনি। খোঁজ নিয়ে দেখবো।




মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় করা ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল এ পরোয়ানা জারি করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবদুর রশিদ  বলেন, আজ সাক্ষীদের জেরার দিন ধার্য ছিল। সাক্ষীরা এসেও ছিলেন। কিন্তু মামুনুল হক অনুপস্থিত থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ার জারি করেছেন।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল ধর্ষণ মামলায় মামুনুল হকের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। সেইসঙ্গে মামলাটির সাক্ষীদের জেরা চলমান ছিল। তারই অংশ হিসেবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর এস এম শফিকুল ইসলামকে চতুর্থ দফায় জেরার দিন ধার্য ছিল আজ।

আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম ওমর ফারুক নয়ন জাগো নিউজকে বলেন, মামুনুল হক অসুস্থ। চিকিৎসক তাকে বিশ্রামে থাকার কথা বলেছেন। তাই আমরা আদালতে সময় আবেদন করেছিলাম। আদালত আমাদের আবেদন নামঞ্জুর করে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ  বলেন, ‘আসামিপক্ষ ইচ্ছা করেই মামলাটির বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার চেষ্টা করছেন। রায় তাদের বিপক্ষে যাবে এজন্য তারা দেরি করছেন। আজ সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু আসামি আসেননি। তাই আদালত মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওইসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন।

এরপর ২০২১ সালের ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।

 




পরীমণির সঙ্গে রাত-যাপন : সেই সাকলায়েনকে অবসরে পাঠানোর সুপারিশ




কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে জুনায়েদ (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের পক্ষিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু জুনায়েদ পক্ষিয়াপাড়া গ্রামের শিমুল হাওলাদারের ছেলে।

আরো পড়ুন : দেয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃত্যু

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিশু জুনায়েদ খেলতে গিয়ে সবার অগোচরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে পড়ে যায়। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জুনায়েদ কে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করা হয়েছে।




দেয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নতুন ভবনের দেয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের মাধবখালি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত কৃষকের নাম মো. শাহ আলম সরদার (৬৮)। তিনি মাধবখালী গ্রামের মৃত্যু ওয়ারেচ আলী সরদারের ছেলে।

মাধবখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম নান্নু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ আলম সরদারের ঘরের সামনে তাঁর প্রতিবেশী লিটন সিকদার এক মাস আগে একটি নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে কাউকে না বলে শাহ আলম সরদার ওই ভবনের দেয়ালে পানি দিতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক উমর ফারুক জাবির তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন : তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলে দেশের বৃহৎ বীজবর্ধন খামার

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. উমর ফারুক জাবির বলেন, শাহ আলম সরদারকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর ইসিজি করে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।