জনসাধারণকে কারফিউ মেনে চলার আহ্বান সেনাবাহিনীর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জনসাধারণকে কারফিউ মেনে চলার পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর’র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে চলমান সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পুনরায় অবনতি হওয়ায় আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে। জনগণের জান-মাল ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধান ও দেশের প্রচলিত আইনের আলোকে তার প্রতিশ্রুত দায়িত্ব পালন করবে উল্লেখ করে এ ব্যাপারে জনগণকে সার্বিক সহযোগিতা করতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়েছে।

বাসস।




সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সোমবার থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ এবং সারা দেশের নিম্ন আদালত বন্ধ ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রধান বিচারপতি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো স্থানে হাইকোর্টের বেঞ্চ বসাতে পারবেন। এ ছাড়া মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও সারাদেশের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খোলা থাকবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্তে প্রধান বিচারপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছেন:

১। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

২। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের সব দপ্তর ও শাখাসমূহ যথারীতি বন্ধ থাকবে

৩। তবে প্রধান বিচারপতি জরুরি বিষয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিগুলো আপলোড করা




বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট খারিজ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : কোটা সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর সরাসরি প্রাণঘাতী গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৪ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদন খারিজ করে দেন।

হাইকোর্ট বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পুলিশ প্রবিধান (পিআরবি) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

আইনজীবীরা বলেছেন, পিআরবিতে বলা আছে, গুলি করার আগে পুলিশকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। জীবন রক্ষার্থে সর্বশেষ ধাপ হিসেবে পুলিশ গুলি করতে পারবেন। তবে নির্বিচারে গুলি করা যাবে না।

এর আগে গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রীতম ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি একটি রিট করেন। এই রিটে ‘আন্দোলনকারী বা বিক্ষোভকারীদের রাস্তায় নামার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তাদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি না চালানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়। সেই সঙ্গে রিটে কোটাবিরোধী আন্দোলনের ছয়জন সমন্বয়কের ডিবি হেফাজত নেওয়াকে বেআইনি উল্লেখ করে তাদের মুক্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়।

একপর্যায়ে সোমবার ও মঙ্গলবার এই রিটের আংশিক শুনানি শেষে পরবর্তী শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করা হয়। মঙ্গলবার শুনানিতে দুই বিচারপতির হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেন, সমস্ত মৃত্যুই আমাদের জন্য দুঃখজনক। আমরা এমন কোন কাজ করব না, যাতে জাতির ক্ষতি হয়।

তবে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের অপর বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন অসুস্থতার কারণে ছুটি নেওয়ায় দ্বৈত বেঞ্চ বসেনি। কেবলমাত্র বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের একক বেঞ্চ পরিচালনা করেন বলে জানান বেঞ্চ অফিসার রেজাউল করিম। এর মধ্যে ছয়জন আন্দোলনকারীকে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি পুলিশ।




কলাপাড়া হাসপাতালের সাবেক কর্মকর্তাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: চিন্ময় হাওলাদারসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কলাপাড়া হাসপাতালের সাবেক নৌ এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার মো. আফজাল হোসেন বাদী হয়ে কলাপাড়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত রবিবার এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হারবাল সহকারী মো.জহিরুল ইসলাম ও সাবেক একাউন্টেন্ট মো. এরশাদ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ডা: চিন্ময় হাওলাদার কলাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত থাকা অবস্থায় বাদীর সাথে পরিচয় হয়। বাদী আফজাল হোসেন ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্থায়ীভাবে জুনিয়র মেকানিকের কাজ করতেন। একসময় সকল আসামীগন একত্রিত হয়ে বাদীর নিকট থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে হাসপাতালের পরিত্যক্ত নৌ এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার হিসেবে চাকুরী দেয়ার প্রস্তাব দেয়। বাদী সরল বিশ্বাসে তাদের প্রস্তাবে রাজী হয়ে দুই ধাপে মোট ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা পরিশোধ করে। এর বিনিময়ে আসামীদ্বয় তাকে একটি অভিজ্ঞতার সনদ প্রদানসহ মহাখালী উপজেলা হেলথ কেয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর লাইন পরিচালকের নিকট স্বারকের মাধ্যমে তাকে ড্রাইভার হিসেবে পদায়নের জন্য জোড় সুপারিশ করেন। তাদের সুপারিশে ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর তিনি কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র ওয়াটার এ্যাম্বুলেন্স এর ড্রাইভার পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে চাকরী স্থায়ীকরনের কথা বলে মামলার ১ নং আসামী ডা: চিন্ময় হাওলাদার তার নিকট পুনরায় দুই লক্ষ টাকা দাবী করেন। বাদী উক্ত টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামীগন তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। নৌ এ্যাম্বুলেন্সটি অচল হয়েছে মর্মে ফেরত নিয়ে কোন উপযুক্ত স্থানে প্রেরণের জন্য অপর একটি স্বারকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে তারা তথ্য প্রদান করেন। অত:পর মামলার ১ নং আসামী ২০২৩ সালের ২৬ অক্টোবর বাদীকে চাকরী থেকে অব্যাহতি প্রদান করিয়া না দাবী পত্র দেন। পরে চাকরির জন্য তাদের দেয়া টাকা ফেরত চাইলে তা ফেরত না দিয়ে উল্টো বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায় বলে বাদী তার মামলায় উল্লেখ করেন।

এবিষয়ে মামলার ১ নং আসামী আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: চিন্ময় হাওলাদার’র নিকট জানতে চাইলে তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে সাংবাদিকদের জানান।




‘আন্দোলনে ৩২ শিশু নিহতের তথ্য সরকারের কাছে নেই’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জুলাই মাসে বিক্ষোভের সময় অন্তত ৩২ শিশু নিহত হয়েছে বলে ইউনিসেফ যে বিবৃতি দিয়েছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শনিবার (৩ আগস্ট) এই কথা বলা হয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন থেকে গতকাল (২ আগস্ট) জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ)-এর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক সঞ্জয় উইজেসেকেরার দেওয়া বিবৃতি বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সঞ্জয় উইজেসেকেরার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জুলাই মাসে বিক্ষোভের সময় অন্তত ৩২ শিশু নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে ইউনিসেফ। এ ছাড়া অনেক শিশু আহত হয়েছে এবং অনেককে আটক করা হয়েছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৩২ জন শিশু নিহত হওয়ার এ মুহূর্তে কোনো তথ্য নেই। তাছাড়া ইউনিসেফের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের এ বিবৃতিতে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্রের উল্লেখ নেই এবং নিহতদের নাম, পরিচয়, প্রোফাইল বা তালিকা উল্লেখ নেই। তবে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্রের উল্লেখসহ ৩২ জন শিশু মৃত্যুর তালিকা সরবরাহ করা হলে বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। শিশুসহ বাংলাদেশের মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত একটি মৃত্যুও কোনোভাবেই সরকারের কাম্য নয় এবং কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করে সরকার এর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

ইউনিসেফের বিবৃতিতে শিশু বেআইনিভাবে আটকের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জ্ঞাতসারে কোনো শিশুকে বেআইনিভাবে আটক করেনি। তদুপরি কোথাও এ সংক্রান্ত ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে তা জানা মাত্রই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




আইনমন্ত্রীর উদ্যোগে বিভিন্ন আদালত থেকে ৭৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীর জামিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের বিশেষ উদ্যোগে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকার দুই আদালত থেকে ৭৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী জামিন পেয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা বিভাগের ৫৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১৪ জন, খুলনা বিভাগে ৬, রংপুর বিভাগে ৩ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী জামিন পেয়েছেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চলমান সহিংসতা ও নাশকতামূলক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রুজু হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারকৃত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার কথা বিবেচনায় করে আইনমন্ত্রী তাদের জামিনের বিশেষ উদ্যোগ নেন।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে যাতে কারাগারে যেতে না হয় সে বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন কিন্তু প্রসিকিউশন টিম আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই যারা সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, যারা এইচএসসি পরীক্ষার্থী, যারা মাইনর তাদেরকে জামিন দেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়ার জন্য প্রসিকিউশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
আইনমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের দ্রুত জামিন দেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগী হতে সারাদেশের প্রসিকিউশন টিমকে (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ছুটির দিনেও ঢাকা সিএমএম আদালত থেকে ৩৭ জন এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালত থেকে ৫ জন পরীক্ষার্থী জামিন পেয়েছেন। আগামী ১১ আগস্ট থেকে তাদের স্থগিতকৃত পরীক্ষাসমূহ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।




দুমকিতে মালবাহী ট্রাক চাপায় নিহত এক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে মালবাহী ট্রাক চাপায় মো. জাকির হোসেন (২৭) নামের এক এনজিও কর্মী নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টায় দুমকি-লেবুখালী সড়কের সাতানী বাইপাসে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত জাকির হোসেন কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) বাউফল ব্রাঞ্চের ক্রেডিট অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মহিষকাটা গ্রামে।

দুমকি থানা পুলিশ জানায়, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাউফল ব্রাঞ্চ থেকে মোটর সাইকেল যোগে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন। দুমকি সাতানী বাইপাস মোড়ে বিপরীত দিকের একটি দ্রুতগামী পাথর বোঝাই ট্রাক (ঝিনাইদহ- ট-১১-১৮৩৬) তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান জাকির হোসেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে প্রেরণ করে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে ট্রাক চালক ও হেল্পার পালিয়ে যায়।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মো. আবদুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করেছেন।




কারাগারে থাকা ৪২ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর জামিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় ঢাকা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানার মামলায় গ্রেপ্তার ৪২ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরের ৩৭ জন ও ঢাকা জেলার পাঁচজন রয়েছেন।

শুক্রবার (২ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রশিদুল আলমের আদালত ৩৭ জনের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। আর ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত অপর পাঁচজনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাইদুল ইসলাম ও মো. মাহবুব আলম  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা মহানগরের জামিন প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- আলী হোসেন, ইসমাইল তালুকদার, ইমরান হোসেন, আব্দুল কাদের, নাফিজ, ইয়ামিন শেখ, আসিফ খান, আব্দুস সামাদ, এলাহি বক্স, সামির হোসেন, তানজিল হাসান, আলাউদ্দিন, অপু, ফয়সাল আহমেদ সামিউল আলম, শাখাওয়াত হোসেন, রনি শেখ, ইমরান আহম্মেদ আফসার, সম্রাট খলিফা, রাশিদুল ইসলাম তুহা, মাসুদ পারভেজ, আসিফ, আল আমিন, রায়হান ইসলাম, শাকিল আহম্মেদ, জাবের হোসেন, রুহুল আমিন, রাহাত উবায়দুল্লাহ, জাকি, তুহিন, নাহিদ আহম্মেদ, মাসুদ রানা, শরিফুল ইসলাম, শিহাব হোসেন, তাসরিফ স্বপ্ন, ছোয়াদ উর রহমান।

ঢাকা জেলার জামিন প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- সামির হোসেন, রাশেদুল হাসান তুহা, সোয়াদ উর রহমান, রুহুল আমিন ও রনি শেখ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) রাতে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় আটক হওয়াদের মধ্যে যদি কেউ চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী থাকে, তারা পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও প্রাসঙ্গিক কাগজপত্রসহ জামিন আবেদন করলে তাদের জামিনে মুক্তিতে সরকার আইনি সহায়তা দেবে বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় আটককৃতের মধ্যে যদি কেউ চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী থাকে, তারা পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও প্রাসঙ্গিক কাগজপত্রাদিসহ জামিন আবেদন করলে তাদের জামিনে মুক্তিতে সরকার আইনি সহায়তা প্রদান করবে। আটককৃত যেসব ছাত্রদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ নেই তাদের জামিনের ক্ষেত্রেও সরকার আইনি সহায়তা প্রদান করবে।




হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ ফেলে পালালেন স্বামী – আটক দুই

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হালুয়া ইউনিয়নের হাসনাপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সুমী বেগম নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুমীর স্বামীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে কলাপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে সুমীর মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান স্বামী ইব্রাহিম প্যাদা ও তার ভাই সাইদুল।

পরে খবর পেয়ে কলাপাড়া থানা পুলিশ নিহত সুমীর মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে। শুক্রবার তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্বজনরা জানান, সুমীকে বিয়ের পর থেকেই নানা কারণে শ্বশুর বাড়ির লোকজন নির্যাতন করতো। তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত দাবি করেন তারা ।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহম্মদ সাংবাদিকদের জানান, নিহত গৃহবধূর ভাই পলাশ হাওলাদার আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে তিনজনের নামে কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় ইব্রাহিম প্যাদা ও সাইদুলকে আটক করেছে। কেন কি কারণে সুমী মারা গেছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।




ভারতে দুইশোর বেশি ব্যাংকে সাইবার হামলা

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতে দুইশোটিরও বেশি ব্যাংকে সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। ‘র‍্যানসমওয়্যার’ নামের এক ধরনের সফটওয়্যারের মাধ্যমে বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে এ হামলা চালানো হয়। এতে আঞ্চলিক ও সমবায় ভিত্তিক ছোট ব্যাংকগুলোর লেনদেন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়।

মূলত ক্ষুদ্র এই ব্যাংকগুলোতে সি-এজ প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা দেওয়া হয়। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে সেই প্রযুক্তিটির ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

হামলার বিষয়টি ন্যাশনাল পেমেন্ট করপোরেশন অব ইন্ডিয়া (এনপিসিআই) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করলেও রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি।

বিবৃতিতে এনপিসিআই জানিয়েছে, সি-এজ প্রযুক্তি ব্যবহার করা ব্যাংকগুলোর গ্রাহকদের সাময়িকভাবে অর্থ লেনদেন ব্যাহত হবে। কারণ, হামলার শিকার ব্যাংকগুলো লেনদেনের নেটওয়ার্ক পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

সূত্র বলছে, সংখ্যায় অনেকটা বেশি হলেও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন ক্ষুদ্র এই ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে মোট লেনদেনের মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হয়ে থাকে। ফলে এ হামলা অর্থপ্রবাহ বা ব্যবসায় তেমন প্রভাব ফেলতে পারবে না।

এদিকে, পুরো ব্যবস্থাটি সচল করতে জোর গতিতে কাজ চলছে। নিরাপত্তা পর্যালোচনার বিষয়টি নিয়েও ভাবা হচ্ছে। তবে এ মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর লেনদেন স্বাভাবিক করাতেই বেশি মনোযোগ সংশ্লিষ্টদের। হামলার ঘটনা খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন জমা দিতে একজন অডিটর নিয়োগ করা হয়েছে- বলছে এনপিসিআই।