সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা স্থগিত ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সব বিচারপতিদের অংশগ্রহণে প্রধান বিচারপতির ডাকা সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০ টার সুপ্রিম কোর্টের গণ সংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে আদালত পরিচালনা করা যায় ও বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সকাল সাড়ে ১০ টায় ফুলকোর্ট সভা ডেকেছিলেন প্রধান বিচারপতি।

এর আগে প্রধান বিচারপতিকে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যায়িত করে তার পদত্যাগ দাবি ও ফুলকোর্ট সভা বন্ধের আল্টিমেটাম দেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।




ফুলকোর্ট সভা ডাকলেন প্রধান বিচারপতি : অনতিবিলম্বে পদত্যাগ না করলে করুণ পরিণতির হুঁশিয়ারি আসিফ মাহমুদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সব বিচারপতিদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কিন্তু তাতে সায় দেয়নি বিচারপতিদের কেউ।  উল্টো ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার প্রধান বিচারপতিকে আবারও পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

জানা গেছে, চলমান পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি। এতে আপত্তি তুলেছেন আসিফ মাহমুদ।

শনিবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ লিখেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট ও নানা অপকর্মে জড়িত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে কোনো প্রকার আলোচনা না করে ফুল কোর্ট মিটিং ডেকেছে। ’

দাবি অনুযায়ী পদত্যাগ না করলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগের ব্যাপারে হুশিয়ারি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এই সমন্বয়ক।

আসিফ মাহমুদ আরও লিখেন, ‘পরাজিত শক্তির যেকোনো প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। আইনজীবীরা ইতোমধ্যেই এর প্রতিবাদে জড়ো হয়েছেন। আমরা আগেই প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলাম। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তাদেরকে উষ্কানি দিলে এর ভয়াবহ পরিণাম ভোগ করতে হবে। অনতিবিলম্বে বিনা শর্তে প্রধান বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করুন এবং ফুল কোর্ট মিটিং বন্ধ করুন।’

শনিবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ লিখেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট ও নানা অপকর্মে জড়িত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে কোনো প্রকার আলোচনা না করে ফুল কোর্ট মিটিং ডেকেছে। ’

দাবি অনুযায়ী পদত্যাগ না করলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগের ব্যাপারে হুশিয়ারি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এই সমন্বয়ক।

আসিফ মাহমুদ আরও লিখেন, ‘পরাজিত শক্তির যেকোনো প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। আইনজীবীরা ইতোমধ্যেই এর প্রতিবাদে জড়ো হয়েছেন। আমরা আগেই প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলাম। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তাদেরকে উষ্কানি দিলে এর ভয়াবহ পরিণাম ভোগ করতে হবে। অনতিবিলম্বে বিনা শর্তে প্রধান বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করুন এবং ফুল কোর্ট মিটিং বন্ধ করুন।’

ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভের মাঝে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা।  সরকার পতনের তিনদিন পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।




অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট




পটুয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড – যোগাযোগের নম্বর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে শেখ হাসিনার পতনের পর থমথমে হয়ে উঠে সারাদেশের পরিস্থিতি। ঢাকাসহ সারা দেশেই বিভিন্ন থানায় হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্ক বিরাজ করে পুলিশ বাহিনীর মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে থানা পুলিশসহ সড়কের দেখা যাচ্ছে না ট্রাফিক পুলিশকেও। তবে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে উপকূলীয় অঞ্চলে সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কেউ যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, লুটতরাজ, ভাঙচুর, হানাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হলে নিকটস্থ কোস্ট গার্ডে যোগাযোগ করুন। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান হতে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পটুয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চলের জনসাধারণ যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এই নম্বারে যোগাযোগ করতে পারবেন।

বিসিজি বেইস অগ্রযাত্রা (পটুয়াখালী)
কন্ট্রোল রুম নম্বর- ০১৭৬৯৪৪৬১৬৬, ০১৭৬৯৪৪৬১১১, ০১৭৬৯৪৪৬১৬৫।




অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যদের পরিচয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশের সবার নজর এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দিকে। স্বাভাবিকভাবেই জানতে ইচ্ছে করে এদের পরিচয়। পাঠকদের জন্য তাই এ আয়োজন :

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন সামাজিক উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক। তিনি ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্রবিত্ত ধারণার প্রবর্তনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

ড. ইউনূস অর্ধশতাধিকেরও বেশি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননাও।

সালেহউদ্দিন আহমেদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্নর ছিলেন ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।

ড. ফখরুদ্দীন আহমদ দায়িত্ব ত্যাগের পর তিনি ২০০৫ সালের ১ মে গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই পদে আসীন ছিলেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে।

এম সাখাওয়াত হোসেন

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশি সামরিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী ও লেখক। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কমিশনার ছিলেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। তিনি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পত্রিকায় কলাম লেখেন। তা ছাড়া, ২০টিরও অধিক বই লিখেছেন তিনি।

চাকরি ও নির্বাচন কমিশন থেকে অবসরের পর তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে গবেষণার কাজ করছেন। একই সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রিকার কলামলিস্ট এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

আসিফ নজরুল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি একজন লেখক, ঔপন্যাসিক, রাজনীতি বিশ্লেষক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও কলামিস্ট। টিভি টক-শো ও সাহসী কলামের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। তিনি দশের অধিক গ্রন্থের রচয়িতা।

২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আসিফ নজরুল বাংলাদেশি লেখক হুমায়ূন আহমেদের মেয়ে শীলা আহমেদকে বিয়ে করেন। তার প্রাক্তন স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী।

হাসান আরিফ

ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি, এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন হাসান আরিফ। তিনি একজন বাংলাদেশি আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল।

২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।

মো. তৌহিদ হোসেন

সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করা মো. তৌহিদ হোসেন দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার ছিলেন।

১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

সাবেক এ পররাষ্ট্র সচিব ১৯৫৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান একজন বাংলাদেশি আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী। তিনি পরিবেশ নিয়ে কাজ করা এনজিও বেলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

তিনি আন্তর্জাতিকভাবে ফ্রেন্ডস অফ আর্থ ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী সদস্য; এনভায়রনমেন্টাল ল’ এলায়েন্স ওয়ার্ল্ডওয়াইড এবং এনভায়রনমেন্টাল ল’ কমিশন অব দ্যা আইইউসিএনের সদস্য।

তিনি তার কাজের স্বীকৃতিসরূপ বেশকিছু খেতাব ও পুরস্কার অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজ, হিরোজ অফ এনভায়রনমেন্ট। এছাড়া তিনি ২০১২ সালে রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান। ২০২২ সালে তিনি আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার পান।

শারমিন মুরশিদ

অধিকার ভিত্তিক সংগঠন ব্রতী সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদে রয়েছেন শারমিন মুরশিদ। সংস্থাটি ২০০১ সাল থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠি বিশেষ করে আদিবাসী জনগনের অধিকার আদায়ে কাজ করে আসছে।

তিনি ড. ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ফারুক-ই-আজম

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টায় যুক্ত হচ্ছেন ফারুক-ই-আজম। তিনি হলেন নৌকমান্ডো ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সমন্বিত যুদ্ধাভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’। চট্টগ্রাম বন্দরে আক্রমণের জন্য গঠিত ওই অভিযানিক দলের উপ-অধিনায়ক ছিলেন তিনি।

আদিলুর রহমান খান

আদিলুর রহমান খান একজন মানবাধিকার কর্মী এবং মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাংলাদেশের একজন আইনজীবী এবং সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল হোসেন মোহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সম্মুখসারিতে ছিলেন তিনি।

সুপ্রদীপ চাকমা

নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১৬ উপদেষ্টার মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা। তিনি বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্তব্যরত রয়েছেন। ২০২৩ সালে ২৪ জুলাই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

সুপ্রদীপ চাকমার জন্ম ১৯৬১ সালে খাগড়াছড়ির কমলছড়িতে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। সুপ্রদীপ চাকমা বিসিএস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি সপ্তম বিসিএসে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।

মেক্সিকো ও ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূত ছিলেন সুপ্রদীপ চাকমা।

ফরিদা আখতার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার একজন লেখক, গবেষক ও আন্দোলনকর্মী।

ফরিদা আখতারের জন্ম চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানার হারলা গ্রামে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়াশোনা করেছেন। নারী উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ, তাঁত শিল্প, গার্মেন্টস শিল্প ও শ্রমিক, জনসংখ্যা এবং উন্নয়নমূলক বিষয়ে নিবিড়ভাবে দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে কাজ করছেন তিনি।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের নামে পরিচালিত কার্যক্রমের মারাত্মক কুফল ও নারী স্বাস্থ্যের উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে লেখালেখি এবং প্রতিকার আন্দোলের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সুপরিচিত ফরিদা আখতার। তিনি বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

বর্তমানে তিনি উবিনীগ (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা) এর নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে নারী ও গাছ, কৈজুরী গ্রামের নারী ও গাছের কথা।

নবীন-প্রবীণে অন্তর্বর্তী সরকার, কার কী পরিচয়

মশিউর রহমান (জারিফ)

মশিউর রহমান (জারিফ)
৮ আগস্ট ২০২৪, ২১:১৭
422Shares
facebook sharing button
অ+
অ-
নবীন-প্রবীণে অন্তর্বর্তী সরকার, কার কী পরিচয়



পটুয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীরন সপরিবারে ভারতে পালানোর সময় আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বরিশালে সড়কে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনকালে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ এক প্রকৌশলীকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর চৌমাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

শিক্ষার্থীদের হাতে আটক ওই প্রকৌশলীর নাম হারুনর রশীদ। তিনি পটুয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে আছেন বলে স্বীকার করেছেন। পরিবারসহ ভারতে পালিয়ে যাবার সময় শিক্ষার্থীদের কাছে আটক হন তিনি।

শিক্ষার্থীরা জানান, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপালনকালে আইন ভেঙে একটি প্রাইভেটকার দ্রুত ওভারটেক করছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা গাড়িটিকে আটকে দেয়। পরে চালকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে গাড়িটি তল্লাশি করে বস্তাভর্তি টাকা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। এ ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্যদের খবর দেয় শিক্ষার্থীরা।

ঘটনাস্থল থেকে সেনা কর্মকর্তা মেজর রাশেদ জানান, আটক ব্যক্তি পটুয়াখালী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন। ভারতে যাওয়ার জন্য তিনি পটুয়াখালী এসেছিলেন। শিক্ষার্থীরা তাকে আটকে আমাদের খবর দেয়। আমরা তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে পুলিশে সোপর্দ করি। তার কাছে নগদ ২০ লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিয়ে সোপর্দ করা হয়।




দুমকিতে ভাইকে বাঁচাতে যেয়ে বোনেরও মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী দুমকিতে পুকুরে পড়ে হালিমা (৯) ও আবুবকর (৭) নামের দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মুরাদিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত হালিমা ও আবুবকর দক্ষিণ মুরাদিয়া এলাকার আব্দুর রহমান মৃধার ছেলে-মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু আবুবকর ও হালিমা বাসা থেকে খেলতে বের হয়, আবুবকর পানিতে পড়লে বোন হালিমা তুলতে যায়। এ সময় সেও পানিতে ডুবে যায়। পরে তার মা বাসায় এসে খোঁজাখুঁজির একপর্যায় ছেলে-মেয়েকে পানিতে ভাসতে দেখেন। তাদের উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহবুবর রহমান দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল হান্নান বলেন, লোকমুখে খবর শুনেছি পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি।




পটুয়াখালীতে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে গত ৫ আগস্টে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত শহরের বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা পরিদর্শন করছেন ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি বরিশাল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল কাইয়ুম মোল্লা।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন যান তিনি।

এ সময়ে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ তার সঙ্গে ছিলেন। পরিদর্শনকালে জিওসি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের নিরাপত্তায় সার্বিক সহায়তা ও ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগে করে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকেই দেশ জুড়ে চলছে নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম। পুলিশ স্টেশন জ্বালিয়ে দেয়া থেকে শুরু করে হামলা ভাঙচুরেসহ চরম নাশকতা বিরাজ করে। এদিকে ছাত্ররা বলছে তারা এসব কিছুর সঙ্গে জড়িত নয় । তাদের কে সমনে রেখে দুষ্কৃতকারীরা এ ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।




উত্তরায় এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত গলাচিপার সাগর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ঢাকার উত্তরায় এলোপাতাড়ি গুলিতে মারা গেছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষার্থী মো, সাগর গাজী (২০)। গত সোমবার শেষ বেলায় উত্তরার জসিম উদ্দিন ফ্লাইওভার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের পূর্বপাড় ডাকুয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাগর। বাবা পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ও মা সাহিদা বেগম গৃহিণী। উপজেলার উলানিয়া স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০২১ সালে এসএসসি পাস করেন। ২০২৩ সালে একই কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে একটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারে নাই। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সেই বিষয়ে অংশও নেন সাগর। মাত্র ২ মাস আগে উত্তরা এলাকায় সিটি অনলাইন কোম্পানিতে চাকরিতে যোগদান করে। সাগর উলানিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রদল শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকার আনাচে-কানাচে উৎসুক জনতা রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় সাগরসহ তার সহকর্মীরা উত্তরার জসীম উদ্দিন ফ্লাইওভার এলাকায় বের হয়। উৎসুক জনতা র‌্যাব-১ দপ্তরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এরে র‌্যাবও এলোপাতাড়ি গুলি করে। ছত্রভঙ্গ জনতা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে থাকে। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলি সাগরের মাথায় এসে পড়ে। স্থানীয়রা তাকে ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি। সাগরের সহকর্মীরা তার মুঠোফোনে কল করলে স্থানীয়রা তার মৃত্যুর খবর জানান। পরে তার আত্মীয় ও সহকর্মীরা হাসপাতাল থেকে লাশ শনাক্ত করে। লাশ এম্বুলেন্সযোগে তার গ্রামের বাড়ি পূর্বপাড় ডাকুয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে মঙ্গলবার ভোর রাতে এসে পৌঁছায়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উলানিয়া বন্দর মাসজিদুল আয়শা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় সাগরকে।

সরজমিন দেখা যায়, স্বজনের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা-মা।

বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাই। খুব কষ্ট করে ছেলেদের লেখাপড়া চালাই। আন্দোলনের শুরু থেকে সাগর সক্রিয় ছিল। পরীক্ষা শেষেই চলে যায় ঢাকায়। ফিরে আসে লাশ হয়ে।

ছেলেকে হারিয়ে বিলাপ করছে মা সাহিদা বেগম। তিনি জানান, ‘কষ্ট কইরা লেহাপড়া করাইছি, মানুষ করছি। আমার পুতকে মারছে ক্যান। আমার পুতের দোষটা কী।’




অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীরের পদত্যাগ