ছাত্রদের ওপর গুলি : মামলা হচ্ছে নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধে




হাইকোর্টে বিভাগে সংস্কার প্রয়োজন: অ্যাটর্নি জেনারেল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আপিল বিভাগের মতো হাইকোর্ট বিভাগেও সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আজ রবিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘হাইকোর্টে কোনো হস্তক্ষেপ হবে, এটা আমি চিন্তাও করি না। সিন্ডিকেট কেউ করে থাকলে আমাদের জানাবেন। জানানো মাত্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল স্যার কোনো সিন্ডিকেট করবেন, এটা তার শত্রুও বিশ্বাস করবে না।’

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইতোমধ্যে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আশা করি প্রধান বিচারপতি অতি দ্রুত দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এ জায়গাটিকে উন্নত করবেন।’

অনেক ডেপুটি, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন, অনেক রুমে তালা লাগানো আছে, এ ক্ষেত্রে কি করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করব।’

বিচারাঙ্গনে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বাংলাদেশের এই দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটাই হলো অনিয়মের বিরুদ্ধে। এই সমস্ত অনিয়ম, অনাচারের বিরুদ্ধে জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে। আশা করি মানুষের সেই আশার আলোয় প্রভাবিত হয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার।’

হাইকোর্ট বিভাগ ঢেলে সাজানো প্রয়োজন মনে করেন কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘অবশ্যই মনে করি। যে কারণে জনরোষ তৈরি হয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগে কেন হবে না।’

প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তিনি অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম ক্লাস। তিনি পিএইচডি করেছেন। উনার লেখাপড়া, শিক্ষা-দীক্ষা, চলনে-বলনে কোনো কিছু কোট করার মতো পাবেন না। আপনারা সাংবাদিক। আপনারা জনগণের ওয়াচ ডগ হিসেবে কাজ করবেন।




কর্মবিরতিসহ সব আল্টিমেটাম প্রত্যাহার পুলিশের




দুর্নীতি মামলায়ও খালাস পেলেন ড. ইউনূস

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দুদকের দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলা থেকেও খালাস পেয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জন।

আজ রবিবার ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলমখালাসের এ আদেশ দেন।

খালাস পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও পরিচালক এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান ও প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলাম।

খালাস পাওয়ার বিষয়ে জানা গেছে, এদিন দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আসামিদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে তাদের মামলার দায় থেকে খালাস প্রদানের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে খালাসের রায় ঘোষণা করেন।

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ৩০ মে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ সংস্থার উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ড. ইউনূসসহ

১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

গত ১২ জুন ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

গত ৭ আগস্ট শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় শ্রম আদালতের দেওয়া কারাদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও প্রতিষ্ঠানটির তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।




কুয়াকাটায় প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে বসতঘরে আগুন – হয়রানি বন্ধে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় প্রতিবেশীর পরিকল্পিত হয়রানির প্রতিবাদে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভূক্তভোগী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে রবিবার দুপুরে কুয়াকাটা চৌরাস্তায় অর্ধশতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া ভুক্তভোগী ইউনুস মাতুব্বর, হাওয়া বেগম ও আলী হোসেন বলেন, ‘বিগত ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কুয়াকাটা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেলাপাড়া গ্রামের নুরু খাঁ গং আমাদের জমি জোরপূর্বক দখল করেন। দীর্ঘ বছর একাধিক মামলাসহ নানা হয়রানি করে আসছে চক্রটি। এ নিয়ে দুবার আমাদের পক্ষে রায় দেয় আদালত।

‘সবশেষ গত ৫ আগস্ট আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখলে নিই আমরা। একই দিন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের (নুরু খাঁ) বাড়িতে হামলা চালায়। ওই দিন রাতেই আমাদের ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে তাদের নিজ বাড়িতে আগুন দিয়ে আমাদের ওপর দায় চাপায়।’

বাড়িতে আগুনের ঘটনায় নুরু খাঁরা কুয়াকাটায় নিয়োজিত সেনা অফিসারদের জানালে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।




আল-জাজিরার প্রতিবেদন : বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার, ‘আতংক ছড়াচ্ছে’ ভারতের গণমাধ্যম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তার দেশত্যাগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যম বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার খবর প্রচার শুরু করে।

সেসব খবরে বলা হয়, ‘ইসলামপন্থি নানা বাহিনী’ সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ভারতের বেশকিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ‘আতঙ্ক ছড়ানো’ বিভিন্ন ভিডিও, ছবি ও সংবাদ প্রকাশ পেতে শুরু করে।

সম্প্রতি টাইমস গ্রুপের মালিকানাধীন মিরর নাও–এর ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ কর হয়। যেটির শিরোনাম ছিল, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা? উত্তেজিত জনতার গণহত্যা, হত্যা’। ওই ভিডিওতে সহিংসতা এবং চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চিত্র দেখানো হয়। তবে আগুন দেওয়া চারটি বাড়ির মধ্যে দুটির মালিক আবার মুসলিম।

এ বিষয়ে আল–জাজিরার খবরে দাবি করে বলা হয়েছে, ভিডিওটির শিরোনাম পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর। ওই সব ঘটনায় কোনো ধরনের গণহত্যা হয়নি। কোনো রকম প্রমাণ না দিয়েই চ্যানেলটির ওই ভিডিওতে আরও কিছু দাবি করা হয়। যেমন- ‘উত্তেজিত জনতা ২৪ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে’, ‘হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা’। আসলে ভিডিওতে যে চারটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তার একটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।

স্বাধীনভাবে যাচাই করে দেখা হয়েছে দাবি করে আল–জাজিরা বলেছে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের দিন দুজন হিন্দু নিহত হয়েছেন। তাদের একজন পুলিশ সদস্য এবং অপরজন হাসিনার দল আওয়ামী লীগের এক কর্মী।

এদিকে ভারতের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে এ ধরনের দাবিও করা হয়, ‘শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে এক কোটির বেশি শরণার্থী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে।’

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া এ ধরনের একটি খবর প্রকাশ করে।

ভারতের সরকার ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা এএনআই ভারতের একজন ছাত্রনেতার বরাত দিয়ে বলেছে, প্রতিবেশি দেশের এই গণ–আন্দোলন ‘বাংলাদেশের শত্রুদের সাজানো চক্রান্ত’।

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এ বিষয়টি আরও স্পস্টভাবে তুলে ধরে বলা হয়, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে’ এ আন্দোলন করেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এ ধরনের খবর পরিবেশন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ-উর-রহমান আল–জাজিরাকে বলেন, ওই সংবাদগুলো মূলত ‘ইসলামভীতির দৃষ্টিকোণ’ থেকে পরিবেশন করা হয়েছে।

এ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলন একসময় গণ–আন্দোলনে পরিণত হয়। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই আন্দোলনে যোগ দেন। কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো কোথাও না কোথাও পুরো বিষয়টিকে তাদের ‘ইসলামভীতির চোখ’ দিয়ে ব্যাখ্যা করছে।’

এদিকে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশ করে বলা হয়, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) বাংলাদেশের এ বিক্ষোভে উসকানি দিয়েছে। কারণ তারা চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসুক এবং দেশটি একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত হোক।

এমনকি কয়েকটি গণমাধ্যমে ভারত সরকারকে সম্ভাব্য শরণার্থী সংকট মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতেও পরামর্শ দেওয়া হয়। দাবি করে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে হিন্দুদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে।

দ্য ইকোনমিক টাইমস–এর কূটনীতিবিষয়ক সম্পাদক দীপাঞ্জন আর চৌধুরী তার এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে লেখেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় হওয়াটা না সে দেশের জন্য ভালো হবে, না ভারতের জন্য। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত সীমান্তে সন্ত্রাসকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে…।’

গুজরাটের টেলিভিশন স্টেশন চ্যানেল টিভি-নাইন বাংলাদেশের গণবিক্ষোভকে ‘অভ্যুত্থান’ বলেছে। সামাজিক মাধ্যম এক্স–এ তাদের ১০ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছে, ‘বাংলাদেশে এ অভ্যুত্থানের পেছনে কি আইএসআই? সহিংস হামলার পেছনে কি জামায়াতে ইসলামী?’

তবে বাংলাদেশের আন্দোলন নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, তা স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে জানিয়েছে আল–জাজিরা।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দিন (৫ আগস্ট) রাতে দেশটির ৬৪ জেলার মধ্যে প্রায় ২০টি জেলায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হয়েছে।

যেসব জেলায় এ হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে, আল–জাজিরার প্রতিনিধিরা সেসব জেলার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে যে, ‘ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বরং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই ওই সব বাড়িতে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।’

অন্যদিকে শেখ হাসিনার পতনের পর তার ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতীয় বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এবং গুজব ছড়িয়ে চলেছেন বলে মনে করেন মোস্তাফিজুর। তিনি বলেন, তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হওয়ার দাবি করছেন। বলছেন আইএসআই এর পেছনে রয়েছে।




সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব: পরিবেশ উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আমাদের সরকারের দায়িত্বের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।’

আজ রবিবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন সরকারের এই উপদেষ্টা। সকাল ৯টায় সচিবালয়ে আসেন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এদিন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে করেন তিনি।

বৈঠকে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘দীর্ঘদিন পরিবেশ নিয়ে কাজ করে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা কাজে লাগাব। এটা পুরনো কাজের জায়গা, তাই এই কাজ আমার জন্য চ্যালেঞ্জ নয়।’

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আনদোলনের সমন্বয়করা কীভাবে সরকারের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে তারা কাজ করবেন সেটা সিদ্ধান্ত হয়েছে।’



শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বঙ্গভবনে দুপুর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এসময় তিন বাহিনী প্রধানসহ উপদেষ্টাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 




দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ : আজ বঙ্গভবনে শপথগ্রহণ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

এ বিষয়ে গতকাল প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। আজ দুপুরে বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।

তাকে এ পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মোঃ গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।

সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে ডিগ্রী অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্ম  সৈয়দ রেফাত আহমেদের। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইটালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল সহ পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।




প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ