গলাচিপায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে সেনাবাহিনীর মত বিনিময়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গলাচিপা উপজেলা সদরের বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, মসজিদ-মন্দিরের সভাপতি, বণিক সমিতির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বেলা ৩ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসের দরবার হলে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জন-জীবন স্বাভাবিক, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, নাশকতা সৃষ্টিকারী, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং গুজবকারীদের প্রতিরোধকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জিওসি-৭ পদাতিক ডিভিশন এবং বরিশাল এরিয়া কমান্ডার জনাব মেজর জেনারেল আঃ কাইয়ুম মোল্লা প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিগ্রেড কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাছিম রেজা। মত বিনিময় সভায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রস্তাবনা দিয়ে বক্তব্য রাখেন গলাচিপা প্রেসক্লাব সভাপতি ও কলামিস্ট

সাংবাদিক মু. খালিদ হোসেন মিল্টন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর লাল দাস, পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র সাহা, ডা. এস. বিমল, সমিত কুমার দত্ত মলয়, মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি ও বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র মো. সাহেদ হোসেন প্রমুখ।

সভা শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জিওসি-৭ পদাতিক ডিভিশন এবং বরিশাল এরিয়া কমান্ডার সকলের মতামতের ভিত্তিতে জন-জীবনের শান্তি শৃঙ্খলায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়ে সভা শেষ করেন।




বাউফলে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সরকার পরিবর্তনের পর সার্বিক বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন দেশের জিওসি ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সোয়া ১১ টায় বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কনফারেন্স রুমে ওই মতবিনিময় করা হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম, পুলিশ সুপার মো. আবদুস ছালাম পিপিএম, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী এবং সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমসাময়িক বিষয়ের উপর বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অতুল চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান বাচ্চু, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নাজমুল হক, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি মুনতাসির তাসরিফ ও সামিয়া আক্তার।

মতবিনিময়ে জিওসি পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা বলেন, ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার পরিবর্তন হওয়ায় দেশের আইন- শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছ। পুলিশ বিভাগের কর্মবিরতির কারণে তারাও মাঠে থাকতে পারেনি। ধীরে ধীরে এখন সব ঠিক হয়ে আসছে। সংখ্যালঘু ও তাদের উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, জমিদখল নিয়ন্ত্রণে আসছে। চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হাট-ঘাট দখল করলে সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী কিংবা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেবেন। একাজে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। হিন্দু সম্প্রদায়ের আসন্ন জন্মাষ্টমী ও দুর্গা পূজায় সকল ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।




ডিএমপি-সিআইডিসহ পুলিশের প্রভাবশালী ২৯ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি




শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন




পটুয়াখালীতে তারেক রহমানের নামে মানহানির মামলা খারিজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানহানির একটি মামলা খারিজ করেছেন আদালত।

আজ সোমবার শুনানি শেষে খারিজ করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আশিষ রায়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কাইয়ুম আকন্দ মামলা খারিজ হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইস্ট লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেন তারেক রহমান। ভাষণে ইতিহাস বিকৃত করে সাবেক রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার-পাকবন্ধু হিসেবে অভিহিত করেন এবং বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে আসেন বলে তারেক রহমান মন্তব্য করেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘তারেক রহমান শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারবর্গকে রাজাকার-পাকবন্ধু বলে কটূক্তি করিয়া দেশ, জাতি তথা বাংলাদেশের সুনাম ও সুখ্যাতি বহির্বিশ্বে ক্ষুণ্ন করিয়া ২০ কোটি টাকার সম্মানহানির ঘটনা ঘটাইয়া অন্যায় করিয়াছে। এ মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল্লা রানা তারেক রহমানের এমন মন্তব্যে মানসিকভাবে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। যার কারণে হাবিবুল্লাহ রানা বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।’

তারেক রহমানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন খন্দকার নাসির উদ্দিন ও মেহেদী হাসান। তাঁরা বলেন, মামলার বাদী দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন, যার কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বাদীর অনুপস্থিতিতে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।




১৫ বছরে প্রায় ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সিপিডি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ২০০৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত এই ১৫ বছরে প্রায় ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গবেষণা সংস্থাটি বলছে, ২৪টি বড় কেলেঙ্কারির মাধ্যমে এই অর্থ সরানো হয়েছে। আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের ১২ শতাংশ বা জিডিপির দুই শতাংশের সমান।

আজ সোমবার ‘ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিপিডি। সেখানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

ব্যাংক খাতে চলমান অনিয়ম, লুটপাট ও অর্থপাচারের তথ্য চেপে রাখতেই বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল বিগত সরকার। জনস্বার্থে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ে অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করার আহ্বান সিপিডির।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক তার স্বাধীনতার চর্চার জায়গার পুরোটা হারিয়েছে। গত এক দশকের বেশি সময়ে ব্যাংকিং খাতে ২৪টি বড় ধরনের ‘‘স্ক্যাম’’ হয়েছে, যাতে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকার বেশি ঋণের কেলেঙ্কারি হয়েছে।’

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতের দুষ্টু চক্র ভেঙে ফেলতে হলে ব্যাংক কমিশন গঠন করা প্রয়োজন।’

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের অবস্থা সংকটজনক হলেও প্রণোদনার মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। ‘ক্লিনিক্যালি ডেথ’ উল্লেখ করে সিপিডি বলেছে, আর্থিকভাবে দুর্বল এসব ব্যাংকগুলোকে বন্ধ করে দিতে হবে।

এছাড়া ব্যাংক খাতের স্বচ্ছতা আনতে একটি সুনির্দিষ্ট, সময় উপযোগী, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছে সিপিডি।




পটুয়াখালী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত দুদকের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংস্থাটির দৈনিক ও সাম্প্রতিক সেল থেকে তদন্ত-২ শাখায় দেওয়া এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানান, গণপূর্ত বিভাগের পটুয়াখালীতে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ইউএস ডলার অর্জন এবং ৪৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার কিনে মানিলন্ডারিংয়ের বিষয়ে কমিশন থেকে মামলা দায়ের ও তদন্তের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের তদন্ত-২ শাখার মহাপরিচালককে বলা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রম শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সরকার পরিবর্তনের পরে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রমের স্থবির অবস্থা কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পটুয়াখালীতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে শহরেরর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করছেন পটুয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক মো: নুরু কুতুবুল আলম ও পুলিশ সুপার মো: আব্দুস সালাম সহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ¯স্নেহাংশু সরকার কুট্রি সহ গণমাধ্যম কর্মীরা।

এ সময় জেলা প্রশাসক সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ জেলার বিভিন্ন খেয়াঘাট,মন্দির,লঞ্চঘাট,বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করে স্থানীয় জনগণ সহ সনাতন ধর্মীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা চালু করতে সবধরনের সহযোগীতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসক মো: নুর কুতুবুল আলম বলেন,পটুয়াখালী শহরের অনেকগুলি মন্দির ইতোমধ্যে আমরা পরিদর্শন করেছি,আমার সাথে পুলিশ সুপার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রয়েছেন। বিভিন্ন স্থানে গুজব রয়েছে, গুজবের কারনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তাদের মনে একটা আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। এইগুলি যে আসলে পটুয়াখালী জেলায় কোনকিছু হয়নি ,এখানে ভয়ের কিছু নাই তারা নির্ভয়ে তাদের ধর্মচর্চা করতে পারেন, জীবন যাপন করতে পারেন। এই বিষয়টি তাদের জানান দেয়ার জন্য আমরা সবাই একসাথে এসেছি, তাদের সুখ-দু:খের ব্যাপারগুলি আমরা জানলাম। তাদের কে আমরা আশ্বস্থ করলাম যে আমরা মাঠে আছি, সেনাবাহিনী মাঠে আছে, পুলিশ বাহিনী কাজ করছে, সাংবাদিক ভাইরা সচেতন রয়েছে। আমরা হিন্দু ধর্মবলাম্বী ভাইদের পাশে আছি, তারা এদেশের নাগরিক , আমাদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ নেই , তারা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে যেন তারা স্বাভাবিক জীবন যাপন করে। এ বিষয়টি জানান দেয়ার জন্য আশ্বস্থ করার জন্য আমরা এসেছি। যে কয়টি জায়গায় গিয়েছি সবখানে অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশ পেয়েছি, কারোও কাছ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি যে তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, উপাসনলয়ে বা বাড়ীতে কোন রকম আক্রমণ বা হুমকি দেয়া হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো: আব্দুস সালাম জানান, ৫ তারিখের পর থেকে পটুয়াখালীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে ভাল থাকে তা এখানকার আপামর জনসাধারণ কাধেঁকাধঁ মিলিয়ে রক্ষা করেছেন। আমাদের কিছুটা সীমাবদ্ধতার কারনে আউট মুভমেন্ট কম ছিল গতকাল থেকে স্বাভাবিক মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। থানা পুলিশ তিন-চারদিন আগে থেকেই কাজ শুরু করেছে।প্রত্যেকদিনই আমরা বিচ্ছিন্ন ভাবে বের হই,আজকে আমরা জেলা প্রশাসক ,আমাদের সহকর্মী সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ,সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ,সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে আমরা সম্মিলিত ভাবে বের হয়েছি।যাতে বিভিন্ন জায়গায় গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা হচ্ছে। আমরা আজ পটুয়াখালী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সকল মন্দির সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,গুরুত্বপূর্ণ সব খেয়াঘাট,লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেছি,কোথাও থেকে কোন দুর্ঘটনার খবর আসেনি।সবাই বলেছে,তারা শান্তিতে আছে এবং তাদের উপর কোন আক্রমণ বা ভয়ভীতির ঘটনা ঘটেনি।সে ক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সহ সকলে ভাল আছেন। তিন জানান পটুয়াখালীতে ৯টি থানা ,চারটি তদন্ত কেন্দ্র , ১টি ফাড়ী, রয়েছে , শুরু থেকে সকল জনবল আমাদের থানা ফাড়ি বা পুলিশ লাইনে রয়েছে। আমাদের কোন স্থাপনার কোন ক্ষতি হয়নি,গাড়ী,অস্ত্র,গুলি ,পুলিশের সকল স্থাপনা অক্ষত রয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ¯স্নেহাংশু সরকার কুট্রি বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগের ৬ দিন পর আজ রোববার পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসনের জেলা প্রশাসক ,পুলিশ সুপার , মিডিয়ার সদস্য গন সহ আমি সবাই মিলে একত্রে বের হয়ে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে স্বাভাবিক রয়েছে তা জনগনের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে বের হয়েছি। আজ আমরা জেলা প্রশাসনের সাথে সকল মন্দির ,খেয়াঘাট সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করেছি। বিগত দিনে ভোটার বিহীন শেখ হাসিনার আমলে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক চাঁদাবাজির কারনে মালিকরা নি:স্ব হয়ে গেছে,রক্তপাত হয়েছে। ৫ তারিখের পরে এ গুলি বন্ধ হয়ে গেছে,আমাদের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাধারন মানুষের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছি। আজকে যখন জেলা প্রশাসন ,পুলিশ প্রশাসন নেমেছে পাশাপাশি সেনাবাহিনীতো রয়েছেন ,আমার মনে হয় আমাদের আর রাত জেগে পাহারা দিতে হবে না।




৭ দিনের মধ্যে অবৈধ অস্ত্র জমার নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী ৭ দিনের মধ্যে লুট হওয়া অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১২ আগস্ট) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন l

উপদেষ্টা বলেন, আগামী সোমবারের (১৯ আগস্ট) মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু হবে। তখন অস্ত্র পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




আজ থেকে বিচারকাজ চলবে হাইকোর্টে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকাজ সীমিত আকারে পরিচালনার জন্য ৮টি বেঞ্চ গঠন করেছেন নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আজ সোমবার থেকে এসব আদালতে বিচারকাজ চলবে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় বলা হয়, ‘আমি এতদ্বারা নির্দেশ করছি যে, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য সীমিত আকারে পরিচালনার জন্য নিম্নে উল্লিখিত বেঞ্চসমূহ গঠন করা হইলো। বেঞ্চগুলোর মধ্যে পাঁচটি দ্বৈত বেঞ্চ এবং তিনটি একক বেঞ্চ।’

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের গঠিত বেঞ্চগুলো হলো-

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমান (রিট), বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ (দেওয়ানি), বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী (কোম্পানি বেঞ্চ), বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খান (রিট), বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা (দেওয়ানি ও ফৌজদারি), বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসান (ফৌজদারি), বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. আলী রেজা (ফৌজদারি) এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথ (দেওয়ানি)।