শেখ হাসিনার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলা সেই বরগুনার আ.লীগ নেতা রিমান্ডে

বরিশাল অফিস :: বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবিরকে চাঁদাবাজি মামলায় দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হারুন অর রশিদ এ আদেশ দেন।

এর আগে সকালে তাকে বরগুনা জেলখানা থেকে কড়া পুলিশি পাহারায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হারুন অর রশিদ দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। এ ছাড়া অপর এক চাঁদাবাজির মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে জাহাঙ্গীর কবিরকে বরগুনার আমতলাপাড় এলাকার তার নিজ বাসভবন থেকে বরগুনা থানা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেফতার করে ঢাকার পুলিশের একটি বিশেষ টিম। ওই দিন বিকালে তাকে বরগুনার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত সোমবার (১২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের এই নেতা তিন মিনিট কথা বলেন। এই ফোনালাপে জাহাঙ্গীর কবিরকে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা শৃঙ্খলা মেনে দলীয় কার্যক্রম চালাবেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে যথাযথভাবে পালন করবেন।’

এই নেতা শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না (মনোবল হারাবেন না)। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ঘাবড়াবো কেন। আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন, আমাদের পুলিশ বাহিনীকে মেরে কীভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমাদের কর্মীদের মেরেছে। বোরকা পরে মেরেছে। এ দেশটা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে। আপনারা যেভাবে আছেন থাকেন।’

মামলার বাদী বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ হাওলাদার বলেন, ‘বরগুনা সদর রোডে হারুন মোটরস নামে আমার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। জাহাঙ্গীর কবির ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি আমার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে আমাকে ব্যবসা করতে দেবেন না হুমকি দেন। চাঁদা না দেওয়ার আমার দোকানটি দখল করে নেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় এতদিন আমি মামলা করতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ৫০ বছর দলীয় প্রভাব আর ক্ষমতা দেখিয়ে জাহাঙ্গীর কবির বরগুনার ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চেম্বার অব কমার্স অবৈধভাবে দখল করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। শহরের ঐতিহ্যবাহী বন্দরক্লাব দখল করেছেন। এ ছাড়া অনেকের ঘর জমি দখলসহ তার বিরুদ্ধে জুলুম, দখলের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। আমার করা মামলায় আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন।’

অপরদিকে ১৫ আগস্ট বিকালে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরসহ ছয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে বরগুনা থানায় মামলা করেছে বরগুনা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম মামুন। এই মামলায় প্রধান আসামি ও করা হয় জাহাঙ্গীর কবিরকে।

মামলার অন্য আসামি হলেন- মিজানুর রহমান ওরফে দালাল মিজু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফা কিসলু, বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ অলি, গোলাম কিবরিয়া পিন্টু ও পৌর কাউন্সিলর রইসুল আলম রিপন।

জাহাঙ্গীর কবিরের আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে যে দুটি চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি বরগুনা শহরে একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ। তিনি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ১৩ বছর পর হারুন অর রশিদ হাওলাদার ও ৯ বছর পর মামুন নামের অপর এক ব্যক্তি দুটি সাজানো মামলা করেছেন। এ ছাড়া জাহাঙ্গীর কবির ৭২ বছরের একজন বৃদ্ধ হার্ট ও কিডনি রোগে আক্রান্ত। আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম তাকে জেলখানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।’




প্রচেষ্টা চালিয়েছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশে অরাজকতা ও রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিজেদের দায় স্বীকার করেছেন রিমান্ডে থাকা সদ্য বিদায়ি আওয়ামী লীগ সরকারের তিন প্রভাবশালী। তারা হলেন-সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (চাকরিচ্যুত) জিয়াউল আহসান।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৬ আগস্ট নিউমার্কেট এলাকার পাপশ বিক্রেতা শাহজাহান আলী হত্যা মামলায় এই তিন আসামি রিমান্ডে থাকলেও তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দেশে অরাজকতা ও রাজনৈতিক সহিসংতা সৃষ্টির নেপথ্যে কার কী ভূমিকা ছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শুরুতে তারা সাবেক স্বরাষ্ট্র ও সাবেক সেতুমন্ত্রীর ওপর দায় চাপালেও এখন দায় চাপাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর।

তারা প্রায় একই সুরে বলছেন, ‘আমরা কেবল প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়েছি।’ তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে তারা যেসব পরিকল্পনা করেছেন সেগুলো বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে হুকুম দিয়েছেন বলে এরই মধ্যে স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের পেছনে তাদের দায় স্বীকার করলেও এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি গ্রেফতারকৃতরা।

রিমান্ডে থাকা আসামিরা হত্যা মামলার বাইরে কী কী তথ্য দিচ্ছেন-জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ ও হত্যাযজ্ঞ চালানো, বিশেষ উদ্দেশ্যে আড়িপাতার যন্ত্র ক্রয়, ভয় দেখিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে আয়নাঘর কনসেপ্ট তৈরি এবং বহু মানুষকে গুম-খুন করার বিষয়ে তাদের হাত রয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

সূত্র আরও জানায়, সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক এবং মেজর জেনারেল (চাকরিচ্যুত) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যেসব ঘটনায় মামলা হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-শেয়ার কেলেঙ্কারি, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ-নিধন, আড়িপাতার যন্ত্র পেপাসাস সফটওয়্যার ক্রয়, আয়নাঘর কনসেপ্ট এবং অসংখ্য গুম-খুনসহ নানা আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রিমান্ডে থাকা আসামি সালমান এফ রহমান এবং আনিসুল হকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ীই গ্রেফতার করা হয়েছে জিয়াউল আহসানকে। তারা তিনজনই এখন নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডে আছেন। এদিকে যে মামলায় তাদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে সেই মামলার এজাহার সংশোধন করা হচ্ছে। মামলার বাদী শনিবার সংশোধনী এজাহার থানায় জমা দিয়েছেন। পরে সেটি আদালতে পাঠানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ডিএমপি নিউমার্কেট থানায় দায়ের হওয়া হকার (পাপোশ বিক্রেতা) শাহজাহান আলী হত্যা মামলায় মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয় সালমান এফ রহমান এবং আনিসুল হককে। বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে আদালত থেকে সরাসরি তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। গ্রেফতারের পর শুক্রবার জিয়াউল আহসানকে একই মামলায় আদালতে হাজির করে তার ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত তার ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনজনই এখন ডিবি হেফাজতে পুলিশের রিমান্ডে আছেন।

সূত্র জানায়, সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক এবং জিয়াউল আহসানকে দুটি টিমের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একটি টিমে আছেন নিউমার্কেট থানার ওসির নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ জুনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা। তারা মূলত থানা পুলিশের সদস্য। অপর একটি টিমে আছেন ডিএমপি সদর দপ্তর এবং ডিবির কর্মকর্তারা। এই টিমটি করা হয়েছে মূলত উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে। জুনিয়র টিম কেবল মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তারা মামলার এজাহারে বর্ণিত অভিযোগের বাইরে কোনো বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন না। আর সিনিয়র টিমটি জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে কেবল মামলার বিষয়বস্তুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন না। তারা রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তবে ডিবির বেশির ভাগ পদস্থ কর্মকর্তা অন্যত্র বদলি হওয়া এবং নতুন আদেশপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তা এখনো যোগদান না করায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ সম্ভব হয়নি। প্রভাবশালী আসামি হওয়ায় কেউ কেউ তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ভয় করছেন l

 




নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনা-শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে আবুল হাসান (২০) নামের এক তরুণকে হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও দেড় থেকে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

গতকাল শনিবার রাতে নিহত আবুল হাসানের বড় ভাই আবুল বাশার বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ওই হত্যা মামলাটি করেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সাত্তার মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আবুল হাসান কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করতেন। তিনি বন্দর উপজেলার কুশিয়ারা এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ, সাবেক জাতীয় পার্টির দলীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, তার ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়ন ওসমান, শামীম ওসমানের শ্যালক তানভীর আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল করিমসহ এজাহারনামীয় ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও দেড় থেকে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট বেলা দেড়টার দিকে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় মামলার বাদীর ভাই আবুল হাসানকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অপরাপর আসামির নির্দেশে শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান তাকে গুলি করে হত্যা করেন।

৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন আবুল হাসান। সে সময় চাষাঢ়া এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষ চলছিল। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন আবুল হাসান। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ভোরে তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে তিনি দেশ ছাড়েন।




ভোলায় ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস :: ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আবদুর রাজ্জাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি শশীভূষণ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি লোকমান মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর মৎস্য বন্দর এলাকায় আত্মগোপনে করতে ঘোরাঘুরি করছিলেন লোকমান। এ সময় ভোলার কিছু জনতা তাঁকে দেখে চিনতে পারলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার লোকমান মাতুব্বর চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ এলাকার নান্নু মাতুব্বরের ছেলে। তিনি একই এলাকার জিন্নাঘর এলাকার হোসেন মিয়ার ছেলে তৎকালীন চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক হত্যার প্রধান আসামি।

চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া বলেন, ‘গ্রেপ্তার লোকমান মাতুব্বর চরফ্যাশন এলাকার আতঙ্ক। তিনি ২০১৫ সালে কোরবানির ঈদের দিন চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। হত্যার পুরস্কার হিসেবে তাঁকে শশীভূষণ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি করা হয়। লোকমান মাতুব্বর দীর্ঘদিন এলাকায় দাপট দেখিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করেছেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি শশীভূষণ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি লোকমান মাতুব্বরকে পটুয়াখালী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে তাঁকে ভোলা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।




ঝালকাঠিতে আ.লীগের ১৪ নেতা-কর্মীর নামে মামলা

বরিশাল অফিস :: ঝালকাঠিতে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান তাপু বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরিফ, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মন্নান রসুল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৬০-৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট বিকেলে জেলা শহরের আমতলা মোড় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সভা চলাকালীন অবস্থায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য সংগঠনের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান।

পরে পেট্রল দিয়ে কার্যালয়টি জ্বালিয়ে দেয়।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলায় অভিযুক্ত নেতা-কর্মীরা পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।




যেসব অভিযোগ উঠে আসছে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি টেলিযোগাযোগ নজরদারির জাতীয় সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত মহাপরিচালক।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিউমার্কেট এলাকায় হকার শাহজাহান হত্যার ঘটনায় নিউমার্কেট থানার মামলায়। পরে তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তার ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রায় ১৫ বছর ধরে আলোচিত-সমালোচিত জিয়াউল আহসান ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তিনি সেনাবাহিনীর একজন প্রশিক্ষিত কমান্ডো ও প্যারাট্রুপার ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘদিন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র‌্যাব) চাকরি করেছেন। ২০০৯ সালের ৫ মার্চ তিনি উপ-অধিনায়ক হিসেবে র‌্যাবে যোগ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অসংখ্য ব্যক্তিকে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মূলত ব্যাপক পরিসরে গুমের ঘটনা শুরু হয় তার হাত ধরে। সেটি শুরু হয়েছিল ১/১১-এর পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর। ওই সময় আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী, বিরোধী ঘরানার রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি, সরকারবিরোধী সমালোচকসহ অসংখ্য ব্যক্তি গুমের শিকার হন। তখন দেশের গণমাধ্যমগুলোতে প্রায়ই বিভিন্ন ব্যক্তি গুম হয়েছেন বলে খবর ছাপা হতো। ভুক্তভোগীর পরিবারগুলো থানা থেকে শুরু করে ডিবি, র‌্যাব কার্যালয়ে ধরনা দিয়ে নিখোঁজ স্বজনের খোঁজ পেত না। অভিযোগ রয়েছে এসবের নেপথ্যে ছিলেন জিয়াউল




পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা-সেলিম ও তাপস সরাসরি জড়িত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ১৫ বছর আগে বিডিআর বিদ্রোহে রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ সেলিম শেখ ফজলে নূর তাপসসহ অনেকে সরাসরি জড়িত ছিল বলে দাবি করেছেন নিহত মেজর শাকিলের ছেলে রাকিন আহমেদ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার ৫০ দিনের মধ্যেই ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআরদের একটি গ্রুপ দ্বারা বিদ্রোহ সংগঠিত হয়।

বিদ্রোহী বিডিআর সৈন্যরা পিলখানায় বিডিআর সদর দফতর দখল করে বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন অন্যান্য সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জন বেসামরিককে হত্যা করে। তারা বেসামরিক লোকদের ওপর গুলি চালিয়েছিল, তারা অনেক অফিসার এবং তাদের পরিবারকে জিম্মি করেছিল, স্থাপনা ও সম্পদ ভাঙচুর করেছিল এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়েছিল। পরে সরকারের সঙ্গে একাধিক আলাপ-আলোচনার পরে বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়। অস্ত্র সমর্পণের মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে এই বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়; আরও ২৫ জন বিদ্রোহে জড়িত থাকার কারণে তিন থেকে দশ বছরের মধ্যে কারাদণ্ড পেয়েছিল। আদালত অভিযুক্ত ২৭৭ জনকেও খালাস দিয়েছিল।

১৫ বছর আগের ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ফজলে নূর তাপসসহ আরও অনেকে সরাসরি জড়িত ছিলে বলে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত মেজর শাকিলের ছেলে রাকিন আহমেদ দাবি করেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফজলে নুর তাপস ও শেখ সেলিম সরাসরি জড়িত। এছাড়াও নেপথ্যে আরও রয়েছে। স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন হলে তাদের নামও আসবে।’

এ সময় নিহত সেনা কর্মকর্তা কর্নেল শফিকের ছেলে অ্যাডভোকেট সাকিবুর বলেন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম সেই সময় কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কমিটিতে ছিলেন। রিপোর্টটি প্রকাশ করেছেন সেটি তিন দফা সংশোধন করার পর মিডিয়ায় দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেই রিপোর্টের ‘র’ কপি প্রকাশের দাবি জানান।

এ সময় নিহতের পরিবাররা ২৫ ফেব্রুয়ারিতে বিডিআর বিদ্রোহ না বলে বিডিআর হত্যাকাণ্ড বলার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেন।

নিহত পরিবারের সদস্যরা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভারতের হাত রয়েছে। এছাড়া হত্যকাণ্ডের ঘটনায় ডাল-ভাত নিয়ে দ্বন্দ্বের যে কথা প্রচার করা হয় তা সত্য নয়। এ হত্যাকাণ্ডটিকে ভিন্নখাতে নিতেই এমন কথা প্রচার করা




রাঙ্গাবালীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর তেঁতুলিয়া নদীর তীরে ভেসে এসেছে অর্ধগলিত একটি মরদেহ। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রাম সংলগ্ন তেতুলিয়া নদীতে ভাসমান একটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। চেহারায় বিকৃতি ঘটায় এখনো মরদেহটির কোন পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

স্থাীয়রা জানায়, তেঁতুলিয়া নদীর তীর দিয়ে আসার সময় পচাঁ গন্ধ নাকে আসলে এগিয়ে গিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পাই। পরে ইউপি সদস্য (মেম্বার)কে ফোন দেই। তিনি পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মরদেহটিতে পচন ধরে বিকৃত হওয়ায় চেহারা চেনা যাচ্ছে না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শুক্কুর মিয়া জানান, ওই ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রাম সংলগ্ন নদীর পাড়ে একটি অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। আমাকে ফোনে বিষয়টি জানালে আমি বিষয়টি পুলিশকে জানাই। পরবর্তীতে তারা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে মুঠোফোনে চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. নাজমুল হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ধারণা করছি মরদেহটি ১৫-২০ দিন আগের। একদম পচে-গলে গেছে। মনে হচ্ছে কিছুদিন আগে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ এলাকার জেলে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজদের কেউ হবে হয়তো।

ইনচার্জ মো. নাজমুল আরো জানান, ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানোর ব্যাবস্থা নিচ্ছি। অন্যদিকে নিখোঁজ জেলে পরিবারের লোকদেরও খবর দেয়া হয়েছে। তারা শনাক্ত করতে পারলে পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাশ হস্তান্তর করা হবে।




ছাত্রদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি ৯ বছর পর গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ভোলার চরফ্যাশনে ২০১৫ সালে ছাত্রলীগের হাতে খুন হওয়া চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি আ. রাজ্জাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. লোকমান মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুর মৎস্যবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লোকমান শশীভূষণ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পরে মৎস্য বন্দর এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল লোকমান। এমন সময় ভোলার কিছু জনতা তাকে চিনতে পারলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে তাকে মহিপুর থানা পুলিশ হেফাজতে নেয়।

গ্রেপ্তার লোকমান মাতুব্বর চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ এলাকার নান্নু মাতুব্বরের ছেলে। তিনি একই এলাকার জিন্নাঘর এলাকার হোসেন মিয়ার ছেলে তৎকালীন চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আ. রাজ্জাক হত্যার প্রধান আসামি।

চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া বলেন, লোকমান মাতুব্বর চরফ্যাশন এলাকার আতঙ্ক। তিনি ২০১৫ সালে ঈদুল আজহার দিন চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই হত্যার উপহার হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে শশীভূষণ থানা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব দেন। তিনি এলাকায় মাদক, ইয়াবা সম্রাট হিসেবে পরিচিত। তার আতঙ্কে মানুষ ঘরে থাকতে পারত না।

মহিপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. নোমান হোসেন জানান, সন্ধ্যায় জনসাধারণ লোকমান মাতুব্বরকে আটক করে। পরে আমরা তাকে হেফাজতে নিয়ে আসি। আমরা তার নিজ এলাকা চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার সঙ্গে কথা বলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী আইনানুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




৮ দিনের রিমান্ডে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান