পিটিয়ে মারার ঘটনায় মামলা করেছে ঢাবি প্রশাসন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেন নামে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগে শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শাহবাগ থানার ওসি মো. খালিদ মনসুর বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এজাহার দিয়েছে, সে অনুযায়ী হত্যা মামলা করা হয়েছে। তবে আসামি অজ্ঞাতনামা।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনা তদন্তে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ফজলুল হক হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক ড. আলমগীর কবিরকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে এই কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কমিটির কাছে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

থানার ওসি মনসুর জানান, ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়েছে কিনা তদন্তের পরে বিষয়টি বোঝা যাবে। কারণ তখন তাকে নিয়ে হাসপাতালে চলে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। মোবাইল চোর সন্দেহে তাকে মারধর করা হয়।




সময়ের অপেক্ষা, আইনি লড়াইয়ে নামবেন আওয়ামী আইনজীবীরা




কমিশন থেকে সরে গেলেও যুক্ত থাকবেন শাহদীন মালিক!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সংবিধান সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনের প্রধান কাজ শুরুর আগেই শাহদীন মালিককে সরিয়ে ড. আলী রীয়াজকে প্রধান বানানো হলো। তবে কমিশনের প্রধানের পদ থেকে শাহদীন মালিক নিজেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। যদিও এ বিষয়ে শাহদীন মালিকের সঙ্গে ব্যক্তিগত টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে রিপন নামে এক সহকারী জানান, স্যার এ বিষয়ে ‘কোনও কমেন্ট’ করবেন না বলেছেন।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে হঠাৎ করেই জানা যায়—সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেওয়া প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘১১ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে ছয়টি কমিশন গঠন এবং কমিশনের প্রধানদের নাম ঘোষণা করেন। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তার পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক, আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র অনাবাসিক ফেলো ও আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (এআইবিএস) প্রেসিডেন্ট।

কাজ শুরু না হতেই শাহদীন মালিক কেন সরে গেলেন, জানতে চাইলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান  বলেন, ‘সংবিধান সংস্কারের টিমকে লিড দেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা তার নেই। তাই তিনি থাকতে চাননি। তবে প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি থাকবেন। কেবল সংবিধান সংস্কার কমিশন নয়, বিচার বিভাগসহ আরও অনেক কমিশন আছে, যেগুলোতে তার অনেক কিছু দেওয়ার আছে। উনি সেটা করবেন।’

এদিকে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর শাহদীন মালিকের ব্যক্তিগত টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে মো. রিপন নামে এক ব্যক্তি কল রিসিভ করে বলেন, ‘‘স্যার আগামী এক সপ্তাহ এ বিষয়ে কথা বলবেন না। নো কমেন্টস। স্যার যাদের সঙ্গে কথা বলছেন— তাদের ‘নো কমেন্টস’ বলছেন। আমাকেও সেটি বলতে বলা হয়েছে।’’ তিনি নিজে থেকেই কমিশন প্রধান হিসেবে না থাকার কথা বলেছেন কিনা জানতে চাইলে এই ব্যক্তি আবারও বলেন, ‘নো কমেন্টস’।

অধ্যাপক আলী রিয়াজ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখানে কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে তাকে দেশে এসে কমিশন প্রধানের দায়িত্ব নিতে হবে। উল্লেখ্য, নতুন ছয় কমিশনের প্রধানদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রথম বৈঠক করার কথা আছে।




পটুয়াখালীতে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মনির শরীফ (৫০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই শিশু কলাপাড়া হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ওই শিশুর মা তার মেয়ের বরাত দিয়ে জানায়, তার মেয়ে মিঠাগঞ্জ সাফাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। গত ৬ আগষ্ট সাফাখালী গ্রামের নিজ বাসা থেকে ওই শিশু দোকানে বিস্কুট কেনার জন্য রওয়ানা দেয়। এসময় প্রতিবেশী মনির রাস্তায় বসে ওই শিশুকে পিছন থেকে মুখ চেপে তার ঘরে নিয়ে যায়। পরে ওই শিশুর মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে খালে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার সময় মনিরের ঘরে কেউ ছিলোনা।

বাড়িতে এসে ওই শিশুর ব্লাডিং শুরু হলে গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এতে সুস্থ না হওয়ায় পরবর্তীতে কলাপাড়া হাসপাতালে দু’দফা চিকিৎসা দেওয়া হলে সেখানেও ব্লাডিং পুরোপুরি বন্ধ না হলে চিকিৎসকের সন্দেহ হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই শিশুর মা শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ধর্ষনের বিষয়টি খুলে বলে। এঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় ওই শিশুর পিতা।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মদ জানায়, এঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সম্প্রতি সংস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে ঘোষিত ছয়টি কমিশনের একটি ছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন, যেখানে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তার পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলো।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে ছয়টি কমিশন গঠন এবং কমিশনের প্রধানদের নাম ঘোষণা করেন। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তাঁর পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল গণমাধ্যমকে বলেন, অধ্যাপক শাহদীন মালিক পেশাগত ব্যস্ততার কারণে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনে অপারগতা জানিয়েছেন।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, গণতন্ত্রীকরণ, সহিংস চরমপন্থা এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষজ্ঞ একজন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।




রকিব, হুদা ও আউয়াল কমিশনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন




রাঙ্গাবালীতে বিএনপি অফিসে গণসংঘর্ষ – আহত ৪০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মাঝির ট্রলার আটকানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিসে পোস্টার ও ব্যানার খুলে নেয়ায় গণসংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় শিশু, বৃদ্ধা মহিলাসহ কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মাছ ধরার ট্রলারে মাঝির কাছে পাওনা দিনমজুরির টাকা আদায়ের জন্য মাঝির ট্রলার আটকে রাখে এক জেলে। পরে করা হয় স্থানীয় শালিস বৈঠক। সেখানে সমাধান না হওয়ায় পাওনাদারকে পেটালো ট্রলার মাঝি ও তার ছেলেরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিসে সাঁটানো পোস্টার ও ব্যানার খুলে নেয় জেলের স্বজনরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, যা থেমে থেমে চলে প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যৌথবাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জানান, গণসংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫টি দোকান ভাঙচুর, দু‘টি বসত-ঘর ও আটটি দোকান লুটপাট হওয়ার অভিযোগ উঠে। এতে শিশু ও বৃদ্ধা মহিলাসহ কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌ-বাহিনীর টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র দুষ্কৃতিকারীরা পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী জনসাধারণের ভাষ্যমতে জানা যায়, চরবিশ্বাস এলাকায় একটা মাছের ট্রলারে কাজ করত চরবেষ্টিন গ্রামের আশ্রয়ণের এক ছেলে। ওই ছেলে ট্রলারটির মাঝির কাছে কিছু টাকা পাওনা ছিল এবং তার পাওনা টাকা না দেয়ায় সে মাঝির ট্রলার নিয়ে আসে। মঙ্গলবার সকালে এটা মীমাংসার জন্য নলুয়া বাজারে একটা সালিস হয়। সালিসের ফয়সালা নৌকার মাঝির মন মতো হয়নি বলে তিনি এবং তার আরো দুই ছেলে মিলে নলুয়া বাজারে চরবেষ্টিন আশ্রয়ণের ছেলেটাকে মারধর করে। মার খেয়ে ছেলেটা চরবেষ্টিন বাজার আশ্রয়ণের লোকজনকে বিষয়টি জানায়। এরপর সে আশ্রয়ণের লোকজন নিয়ে চরবেষ্টিন বাজারের বিএনপি অফিসের পোস্টার এবং ব্যানার খুলে নেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপির লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। এভাবে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। যার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যেই লুটপাট, ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলতে থাকে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।




সালমান এফ রহমানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির ১৭ মামলা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে মানিলন্ডারিং এর মাধ্যমে ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১০০০ কোটি টাকা) বিদেশে পাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান সহ ২৮ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা করেছে সিআইডি ।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও বিধি মোতাবেক পরিচালিত সিআইডির অনুসন্ধানে সালমান এফ রহমান (বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান) এবং তার ভাই এ এস এফ রহমান (বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান) এর স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বেক্সিমকো গ্রুপের মালিকানাধীন মোট ১৭ (সতের) টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ২০২১ খ্রিঃ হতে ২০২৪ খ্রিঃ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জনতা ব্যাংক পিএলসি লোকাল অফিস শাখা, দিলকুশা, মতিঝিল হতে ৯৩টি এলসি/সেলস কন্ট্রাক্ট (বিক্রয় চুক্তি) গ্রহণপূর্বক এর বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও রপ্তানিমূল্য প্রায় ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ১০০০ কোটি টাকা) বাংলাদেশে আনয়ন না করে বিদেশে পাচারের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ১. অ্যাডভেঞ্চার গার্মেন্টস লিমিটেড, ২. অ্যাপোলো অ্যাপারেলস লিমিটেড, ৩. অটাম লুপ অ্যাপারেলস লিমিটেড, ৪. বেক্সটেক্স গার্মেন্টস লিমিটেড, ৫. কসমোপলিটান অ্যাপারেলস লিমিটেড, ৬. কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেড, ৭. এসেস ফ্যাশন লিমিটেড, ৮. ইন্টারন্যাশনাল নিটওয়্যার অ্যান্ড অ্যাপারেলস লিমিটেড, ৯. কাঁচপুর অ্যাপারেলস লিমিটেড, ১০. মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস লিমিটেড, ১১. পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেড, ১২. পিঙ্ক মেকার গার্মেন্টস লিমিটেড, ১৩. প্ল্যাটিনাম গার্মেন্টস লিমিটেড, ১৪. স্কাইনেট অ্যাপারেলস লিমিটেড, ১৫. স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস লিমিটেড, ১৬. আরবান ফ্যাশনস লিমিটেড ও ১৭. উইন্টার স্প্রিন্ট গার্মেন্টস লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে প্রায় ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশী মূদ্রায় প্রায় ১০০০ কোটি টাকা) মূল্যমানের পণ্য সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি করার পর রপ্তানিমূল্য ০৪ মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসন করার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্বেও যথাসময়ে রপ্তানি মূল্য বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন না করে সালমান এফ রহমান সহ বেক্সিমকো গ্রুপের অন্যান্য স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত অর্থ বিদেশে পাচার করার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

বিদেশে রপ্তানি হওয়া পণ্যগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ পণ্যই বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান এর পূত্র আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং এ এস এফ রহমান এর পুত্র আহমেদ শাহরিয়ার রহমান দ্বয়ের যৌথ মালিকানাধীন RR Global Trading (FZE) এর শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব এর ঠিকানায় রপ্তানি করা হয়েছে। এছাড়া জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ইউকে, তুরস্ক, শ্রীলংকা সহ বিভিন্ন দেশেও পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে রপ্তানি মূল্য বাংলাদেশে আনয়ন না করে উক্ত আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে বিদেশে পাচার করেছেন।

আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে বৈদেশিক বাণিজ্যের আড়ালে বিদেশে টাকা পাচারের অসদুদ্দেশ্যে নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানি করে ইচ্ছাকৃতভাবে রপ্তানিমূল্য প্রত্যাবাসন না করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ২(শ) এর (১৪) ও (২৬) ধারায় সম্পৃক্ত অপরাধ করে যা একই আইনের ৪(২)/৪(৪) ধারা মোতাবেক দন্ডণীয় অপরাধ। বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান এবং তার সহযোগীরা তাদের ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সহযোগিতায় বিদেশে অর্থপাচার করেছে মর্মে অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হওয়ায় ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম, সিআইডি মতিঝিল থানা, ডিএমপি-তে ১৭টি মামলা রুজু করেছে।

এছাড়া সালমান এফ রহমান এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানী বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ও বেনামে প্রায় ৩৩,৪৭০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহনপূর্বক বিদেশে পাচার এবং অন্যান্য আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে পৃথক অনুসন্ধান কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম, সিআইডি-তে চলমান রয়েছে।




৬ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার, আদালতে যা বললেন মানিক

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ঢাকার পৃথক ছয় হত্যা মামলায় সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকী-আল-ফারাবী গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের শুনানি সময় তিনি গ্রেপ্তার দেখানো মামলায় মিথ্যা বানোয়াট দাবি করে নিজেকে নিরপরাধ মর্মে উল্লেখ করেন।

তাকে গ্রেপ্তার দেখানো মামলাগুলোর মধ্যে রাজধানীর আদাবর থানার গার্মেন্টস কর্মী রুবেল হত্যা, লালবাগ থানার আইডিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা এবং বাড্ডা থানার চারটি হত্যা মামলা।

সকাল ৮টার পর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানি হয়।

বিচারপতি মানিককে গত ২৩ আগস্ট সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরদিন সকালে তাকে কানাইঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে সিলেটের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১-এর বিচারক আলমগীর হোসাইন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতে ওঠানোর সময় তার ওপর হামলা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে কারা হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গত ১২ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় মানিককে ছাড়পত্র (ডিসচার্জ) দেয় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপরই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মানিককে হাসপাতাল থেকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।

গতকাল সিলেট অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অঞ্জন কান্তি দাস তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় কারামুক্ত হতে পারেননি। পরে সিলেট থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর তাকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়




ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেল সেনাবাহিনী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, ব্যবস্থা গ্রহণের পর্যাপ্ত পদ্ধতিতে উক্ত ব্যক্তিকে কেন এক বৎসরের অনধিক কাল শান্তি রক্ষার জন্য জামিনদারসহ বা ব্যতীত একটি মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলবেন।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ঢাকাসহ সারা দেশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন ও কারফিউ জারি করেছিল তৎকালীন সরকার। এরপর ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। তিন দিনের মাথায় ৮ আগস্ট শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এখনো সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।