পটুয়াখালীতে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় সাইফুল ইসলাম রাঢ়ী (২৮) নামের এক যুবদল নেতাকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তাঁর মাথা, দুই হাত মুখ ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে।

উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের সুবিদখালী বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে শুক্রবার সন্ধ্যার পরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাইফুল ইসলাম রাঢ়ীর বাড়ি দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে নুরুল হক রাঢ়ীর ছেলে ও উপজেলার যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই আহত যুবদল নেতার পিতা হারুন রাঢ়ী কিশোর গ্যং সদস্য সিয়াম মুন্সী ও আলোচিত আতাউল্লাহ হাতটা চেষ্টা মামলার চার্জশিট ভুক্ত প্রদান আসামি কিশোর গ্যং নেতা তাওহীদকে অভিযুক্ত করে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদে মিলাদুন্নবীর খাবার মাটিতে পড়া নিয়ে হাসান রাড়ী ও জুয়েল খানের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকেলে চরখালী সমবায় বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে সিয়াম মুন্সী (২১) সাথে মাসুমের কথার কাটাকাটি হয়। স্থানীয় লোকজনের হস্তক্ষেপে তা মীমাংসা হয়ে যায়।

এর কিছুক্ষণ পরে সন্ধ্যা পাঁচটার দিকে সিয়াম মুন্সির পিতা তারেক মুন্সি যুবদল নেতা সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করে ওই ঘটনার সম্পর্কে জানতে চায় এবং ঘটনা স্থলে আসতে বলেন। সাইফুল ইসলাম ঘটনা স্থলে আসার সাথে সাথেই আগে থেকে পেতে থাকা সিয়াম মুন্সি ও তার পিতা তারেক মুন্সীর নেতৃত্বে অন্যান্য অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরতর জখম করে করে। পরের স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসেন অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরে বাংলা হাসপাতালে পাঠান।

মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগে পৃথক সচিবালয় দরকার: প্রধান বিচারপতি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, বিচার বিভাগ পৃথক হলেও বিচার বিভাগে চলছে দ্বৈত শাসন। এ কারণে বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। বিচার বিভাগ পৃথক সচিবালয়ে না হলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

শনিবার সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে প্রায় দুই হাজার বিচারকের উপস্থিতিতে নিজের অভিভাষণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘বিচারকদের বদলি এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়নের নীতিমালা করা হবে। এখনই সময় পৃথক সচিবালয়ে গঠনের। না হয়, মানুষ বিচার বিভাগের সুফল পাবে না।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘পৃথকভাবে সচিবালয়ে তৈরি করে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক বাজেট তৈরি করতে হবে। অন্য সার্ভিসের সঙ্গে বিচার বিভাগের বেতন, সুযোগসুবিধায় যে বৈষম্য রয়েছে, তা নিরসন করতে হবে। বিচার বিভাগে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতার জন্য কমিশন নিয়োগ করতে হবে।’

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘বিচার বিভাগে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। জেলা জজ ও বিচারকদের দুর্নীতি দমনে ব্যর্থ হলে এটি তার সার্ভিসে ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য করা হবে। কারণ বিচার বিভাগে কারও ব্যক্তির দুর্নীতি পুরো বিচার বিভাগের দুর্নাম হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন শাখায় দুর্নীতি-অনিয়ম ছেয়ে গেছে৷ এটি এখন আর বরদাশত করা হবে না।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমাদেরকে কঠিন সময়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের বিদ্যমান বিচার বিভাগের স্বচ্ছতার জন্য মাসদার হোসেন মামলার রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে বিচারকদের গাড়ি, বাসস্থান ও এজলাস নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।’

সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘৪২ লাখ মামলার জট রয়েছে। মুদ্রার ওই পিঠে রয়েছে বিচারক সংকট। মাত্র দুই হাজার বিচারক দিয়ে এটি সম্ভব নয়। দক্ষ জনবল নিয়োগ জরুরি।’

 অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিটির প্রধান বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত রয়েছেন।




রাজধানীতে পিটিয়ে ও কুপিয়ে ৩ জনকে হত্যা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজধানীতে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’জনকে পিটিয়ে হত্যার রেশ না কাটতেই শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরে নাসির বিশ্বাস (২৩) ও মুন্না হাওলাদার (২৪) নামে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকা থেকে নূর ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত নাসিরের বড় ভাই ইসলাম বিশ্বাস জানান, হাজারীবাগের রায়েরবাজার এলাকার বাড়ৈখালীর ১২ নম্বর সড়কের বাসায় থাকতেন নাসির। তার বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পশ্চিম বালিগ্রামে। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রী ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের এক নম্বর ফটকের পাশে তাঁর ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নাসিরের মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানায়, একই ঘটনায় মুন্না হাওলাদার নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বাবার নাম বাবর হাওলাদার; বাড়ি পটুয়াখালী। তিনি রায়েরবাজারের পাবনা হাউস গলিতে থাকতেন। মুন্নার বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, ইমন ও আলতাফ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে আহত দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকা থেকে শুক্রবার দুপুরে নূর ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

খিলগাঁও থানার ওসি দাউদ খান বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঢাকার কেরানীগঞ্জের রায়েরচর এলাকায় থাকতেন নূর। তিনি আগে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বেকার ছিলেন। কাজের খোঁজে প্রায়ই ঢাকায় আসতেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাসা থেকে বের হন। এর পর আর তাঁর খোঁজ পাননি স্বজনরা। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঝিলপাড়ে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হলো, তা ময়নাতদন্তে বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]




চার কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে বাধ্যতামূলক অবসর




সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান কারাগারে

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহান সাদিকের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আসামি পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে দ্রুত বিচারকের আদালত না থাকায় তার জামিন শুনানি করা হয়নি। এছাড়া আসামির রিমান্ড আবেদনের বিষয়েও কোনো আদেশ দেননি জুডিশিয়াল চতুর্থ আদালতের বিচারক।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাসুক আলম।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলায় নিজ বাড়ি হিজক করচ থেকে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ও সুনামগঞ্জ ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ মান্নানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত ৪ আগস্ট শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ৪ সেপ্টেম্বর করা মামলায় এজাহার নামীয় আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতভর তাকে সুনামগঞ্জ সদর থানা হেফাজতে রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার ১ মাস পর ৪ সেপ্টেম্বর সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানসহ ৯৯ জনকে আসামি করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন ঘটনায় আহত যুবকের ভাই দোয়ারাবাজার উপজেলার জহির মিয়া।

 




সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গ্রেপ্তার




সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বরিশাল অফিস :: সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী এবং পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শ ম রেজাউল করিমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মোনায়েম হোসেন শ ম রেজাউল করিমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, শ ম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান আছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শ ম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে তার নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে নাজিরপুর, পিরোজপুর এবং ঢাকা বিভিন্ন স্থানে কোটি কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত তথ্যাবলী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বক্তব্য বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ আলামত এবং অবৈধ টাকাসহ যেকোন মুহূর্তে দেশ ত্যাগ করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

এদিকে, একই আদালত আজ সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সদস্য জান্নাত আরা হেনরী, তার স্বামী শামীম তালুকদার ও মেয়ে মুনতাহা রিদায়ী লাম এবং সাবেক কর কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীরও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।




দুমকিতে সাংবাদিকের নামে ফেসবুকে অপপ্রচার, প্রেসক্লাবের নিন্দা, থানায় জিডি!

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাব দুমকির সদস্য প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক (ফেক আইডি) দিয়ে অপপ্রচার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রেসক্লাবের সদস্যরা। পাশাপাশি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব দুমকির সভাকক্ষে দৈনিক জনকণ্ঠ প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাব সহ সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মৃধার সভাপতিত্বে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি মো. সাইফুল ইসলাম, মো: কামাল হোসেন নয়াদিগন্ত, মো দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিন, মো.মিজানুর রহমান আনন্দ টিভি, মো.জসিম উদ্দিন আমার সংবাদ, সৈয়দ আতিকুল ইসলাম মানব কন্ঠ, মো: সুমন মৃধা পর্যবেক্ষণ, সোয়েব মর্তুজা একুশে নিউজ , ভোরের পাতা প্রতিনিধি বাহাদুর হোসেনসহ অনান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সদস্যরা কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যে বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক ফেসবুক পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

পরবর্তীতে প্রেসক্লাব সদস্যদের সিদ্ধান্তানুযায়ী থানায় ফেক আইডির বিরুদ্ধে জিডি করা হয়। দুমকি থানা জিডি নং ৭১৮ তারিখ ১৮/৯/২০২৪খ্রীঃ।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, জিডির কপি পেয়েছি অতি শীগ্রই আমরা অপরাধীকে খুঁজে বের করব।




রাঙ্গাবালীতে ভোক্তা ঠকানোর অভিযোগে ৯ জনকে অর্থদণ্ড

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়ে অভিযান চালিয়েছে নৌবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ টায় উপজেলা সদরের বাহেরচর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিজানুর রহমান এবং নৌবাহিনীর রাঙ্গাবালীতে দায়িত্বরত কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মহসিন কবির মৃধার নেতৃত্বে এ অভিযান করা হয়।

অভিযানকালে খুচরা বাজারে মাছের অতিরিক্ত দাম রাখা এবং পরিমাপে কম দিয়ে ভোক্তা ঠকানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ৮ জন মাছ ব্যবসায়ীসহ ৯ জনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারা মোতাবেক তাদের এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি সিন্ডিকেট জেলেদের কাছ থেকে কম টাকায় মাছ ক্রয় করে ভোক্তাদের কাছে বাড়তি দামে বিক্রি করতো। এতে ভোক্তারা বঞ্চিত হয়েছেন। এই সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।’

তিনি আরও বলেন, গোশতের দোকানেও বেশি দামে মাংস বিক্রির অভিযোগ ছিল। মাছ-গোশতের দোকানে পাল্লা-বাঠখারায় ক্রুটি রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোক্তাকে ওজনে কম দেয়া হতো। ওই সব জব্দ করা হয়েছে। সকলকে বলা হয়েছে সঠিক পরিমাপে মাছ-গোশত বিক্রি করতে। কোনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না।




বাবা-ছেলেসহ একই পরিবারের ১৬ জনের যাবজ্জীবন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে নির্বাচনী সহিংসতায় সহিদুল ইসলাম মৃধা নামের এক যুবককে হত্যার দায়ে বাবা-ছেলেসহ একই পরিবারের ১৬ জনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছেন আদালত। হত্যা মামলার ১৩ বছর পর এ রায় ঘোষণা করা হলো।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক একেএম এনামুল কবির এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডিতরা হলেন সোহরাব সিকদার (৫০), আঃ রহমান সিকদার (৩০), আমিরুল সিকদার (২০), মুছা সিকদার (২৫), রাসেল সিকদার (১৮), আবুক্কর সিকদার (২০), মো. ছত্তার সিকদার (৫৫), জাকির সিকদার (৩০), হানিফ সিকদার (১৮), সেলিম সিকদার (৩৭), জালাল সিকদার (৩০), জাকির সিকদার (৩০), মামুন সিকদার (৩০), ইউছুব সিকদার (৪২), সানু সিকদার (৪০) ও সামসু মৃধা (৫৫)।

আদালত ও মামরা সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ৪ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনী সহিংসতায় খুন হন পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের নূর মোহাম্মদের ছেলে সহিদুল ইসলাম মৃধা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নূর মোহাম্মদ বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। ওই বছরের ৬ আগষ্ট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজশিট দেয় পুলিশ। থানা পুলিশের তদন্তে এজাহারভুক্ত সাগর (২৫) এবং নাঈমুল হক টুকু (৩২), সোহেল হাওলাদারকে (২৪) অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটে অর্ন্তভুক্ত সহিদুল ইসলামকে (৩২) খালাস দেন আদালত। দণ্ডিতরা সকলে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।