আমার দেশ পত্রিকার মাহমুদুর রহমান কারাগারে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::আদালতে আত্মসমপর্ণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে করা মামলায় এ আবেদন করেন তিনি। তার অভিযোগ ছিল, মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দেয়া হয়েছে।

তবে জামিন মেলেনি দীর্ঘ ছয় বছর পরে দেশে আসা আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত এই সম্পাদকের। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার পর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে পলাতক দেখিয়ে মাহমুদুর রহমানের অনুপস্থিতিতে এ মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেয় বিচারিক আদালত। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার পর গত শুক্রবার দেশে ফেরেন আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত এই সম্পাদক।

এদিকে মাহমুদুর রহমানের আত্মসমর্পণকে ঘিরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আদালতের প্রধান গেটের বাইরে রয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া আদালত ভবনের বাইরেও সর্তকতায় রয়েছেন সেনা ও পুলিশ সদস্যরা।




কাল আত্মসমর্পণ করবেন সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান, যেতে হবে কারাগারে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে করা মামলায় সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামীকাল রবিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন তিনি। আত্মসমর্পণের পর তাকে কারাগারে যেতে হবে।

মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, রবিবার বেলা ১১টার দিকে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন মাহমুদুর রহমান। আত্মসমর্পণ করার পর তাকে (মাহমুদুর রহমান) কারাগারে যেতে হবে। কারণ যে আদালত শাস্তি দিয়েছেন সেই আদালতের সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জামিন দেওয়ার এখতিয়ার নেই। মাহমুদুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর পর মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করা হবে।

গত বছর ১৭ আগস্ট মাহমুদুর রহমানসহ পাঁচজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।

দণ্ডবিধির দুইটি ধারায় একটিতে পাঁচ বছর এবং অপরটিতে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় আসামিদের। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও তিন মাসের কারা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়। রায় ঘোষণার সময় সবাই পলাতক ছিলেন।

রায়ে আরও বলা হয়, সাজাপ্রাপ্ত সবাই পলাতক থাকায় তারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর অথবা আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর রায় কার্যকর হবে।

মামলার অভিযোগ ছিল, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগে যেকোনো সময় থেকে বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানীর পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় একত্রিত হয়ে পরস্পর যোগসাজশে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন। ওই ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ফজলুর রহমান ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন।

২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয় আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাকে হত্যার চেষ্টার ষড়যন্ত্রের ঘটনার বিচার দাবি করেন তিনি।

সজীব ওয়াজেদ জয় তার জবানবন্দিতে বলেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন এবং বিএনপির নেতৃস্থানীয় কয়েকজন তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। তিনি বিষয়টি ‘ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস’ থেকে জানতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর একজন সদস্যকে শফিক রহমান, মাহমুদুর রহমান, মামুন ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান এবং বিএনপির আর এক নেতা মামুনের ছেলে রিজভী আহমেদ ওরফে সিজারের মাধ্যমে ঘুষ দেন।

তিনি দাবি করেন, এফবিআইর ওই সদস্যকে ৪০ হাজার ডলার ঘুষ দিয়েছিলেন সিজার। সজীব ওয়াজেদ জয়ের গতিবিধি লক্ষ্য রাখার এবং প্রতিটি মুহূর্তের খবরা খবর দেওয়ার জন্য এফবিআই সদস্যকে ঘুষ দেওয়া হয়। জয় যতদিন থাকবেন ততদিন প্রতিমাসে আরও ৩০ হাজার ডলার করে ঘুষ দেওয়ার চুক্তিও হয়েছিল ওই এফবিআই সদস্যের সঙ্গে।

জয় বলেন, এফবিআই সদস্যকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা হয়। ওই মামলায় জাসাস সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনের ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার ও এফবিআই এক সদস্যকে সাজা দেওয়া হয়।

এদিকে, গত শুক্রবার সকালে তুরস্ক থেকে দেশে ফিরেছেন মাহমুদুর রহমান। দেশে ফিরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তার এ সাজা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এই আমলে আমার ৫ মাস কারাগারে থাকতে আপত্তি নেই। হ্যাঁ আমার বয়স হয়েছে, আমি বুড়ো হয়ে গেছি, কিন্তু জেলে থাকার মতো মানসিক এবং শারীরিক শক্তি এখনো আমার আছে। কাজেই আপনারা এটা নিয়ে একদম বিচলিত হবেন না। একদম উদ্বিগ্ন হবেন না। আইনকে তার রাস্তায় যেতে দিন। আমাকে আমার মতো করে লড়াই করতে দিন।




রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সাবেক রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুব শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী এলাকায় রফিকুল ইসলাম গুলিতে নিহতের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গত ২১ সেপ্টেম্বর এ আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ ওই রিমান্ড শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মৃগাংক শেখর তালুকদার সুজনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন আদালত।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের ৮৩৩ নম্বর কক্ষ থেকে সুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন দুপুরেইমরান হাসান নামের এক শিক্ষার্থী গুলিতে নিহতের মামলায় নূরুল ইসলামের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। বিকেলে এ মামলায় তার উচ্চ আদালতে জামিন শুনানি হয়েছে যা আদেশের জন্য রয়েছে জানিয়ে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন তার আইনজীবী। বিকেলে শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড স্থগিত করেন।

পরে রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।




পটুয়াখালীর সাবেক এমপি শাহজাহান খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর সাবেক এমপি শাহজাহান খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলাপটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর জননন্দিত বিএনপি নেতা গলাচিপা-দশমিনা থেকে নির্বাচীত সাবেক এমপি শাহজাহান খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী আলমগীর সহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী সদর থানায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন ঘটনার প্রায় ২ বছর পর নিহত শাহজাখানের ছেলে জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক শিপলু খান।

মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক তানভির আহম্মেদ আরিফ,শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ: গনি সহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ সহ এবং অজ্ঞাতনামা ১ থেকে দেড়শো জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামালার বিবরনে প্রকাশ ,পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা -দশমিনা থেকে নির্বাচীত সাবেক সংসদ সদস্য ,বর্তমান জেলা আহবায়ক কমিটির ১ নং সদস্য শাহজাহান খান ২০২২ সালের ৫ নভেম্বরের বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে যোগদানের উদ্দেশ্যে ৪ নভেম্বর বিকেলে নেতাকর্মীদের নিয়ে ৭/৮টি মটর সাইকেল যোগে পটুয়াখালী-বরিশাল মহসড়কের শিয়ালী এলাকায় পৌছলে মহসমাবেশ বানচালকরার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মহসমাবেশে যোগদানকারীদরে পথে বাধা দেয়ার অংশ হিসেবে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী আলমগীর সহ জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা মোতাবেক খুন করার পরিকল্পনায় আসামীরা বে-আইনীভাবে জনতাবদ্ধভাবে শাহজাহান খান সহ সাথে থাকা নেতা-কর্মীদের উপর দা,রামদা, রোহার রড জিআইপাইপ, লাঠিসোটা নিয়ে হামলাচালায় । এসময় মামলায় উল্লেখিত আসামাদীরে বেশ কয়েকজন শাহজাহান খানের মাথায় রামদার কোপ, জিআইপাইপ দিয়ে পিটিয়ে শরীরেরে বিভিন্ন অংশ জখম সহ ডানপাশের কোমড়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাতœক রকম জখম করে। এ সময় বহরের ৪ টি মটর সাইকেল ভাংচুর সহ প্রত্যেককে পিটিয়ে জখম সহ পকেটে থাকা নগদ টাকা এবং মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা শাহজাহান খানকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করালে মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে তাদের চিকিৎসা কিবাং হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন গুরুতর জখম অবস্থায় শাহজাহান খানকে শহরের সবুজবাগের বাসায় নিয়ে যায় । স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের ভয়ে শহজাহানখানকে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি করতে না পেরে বাসায় বসে চিকিৎসা চালান। পরবর্তীতে শাহজাহান খানের অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকলে আসামীদের লোক চক্ষুর আড়ালে তাকে ঢাকায় নিয়ে ২২ নভেম্বর ঢাকায় পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫ নভেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি ল্যাব এইড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ নভেম্বর হামলার ঘটনায় কিডনীতে আঘাত জনিত জটিলতায় ২৮ নভেম্বর শাহজাহান খান মারা যান। পরবর্তীতে ঢাকায় পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে নামাজে জানাযা শেষে পটুয়াখালী বড় মসজিদ মাঠে, গলাচিপা এবং পরে নিজ বাড়ী গলাচিপার সুতাবাড়িয়ায় জানাযা শেষে দাফন করা হয়।

মামলার সত্যতার কথা স্বীকার করে পটুয়াখালী সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জসিম জানান, এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা মামলা দায়ের হয়েছে মামলা নং ৩৯ ,তারিখ ২৬.৯ ২০২৪ । এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা করা হবে।

শাহাজাহন খান হত্যাকান্ডের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়েএ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে গিয়ে জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক শিপলু খান বলেন,আওয়ামীলীগের আমলে কোন মানুষই গুম, হত্যার কোন সঠিক বিচার পায়নি। আমার পিতা ছিলেন বিএনপির একজন সাবেক এমপি, জেলা- উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা। সুতরাং তার হত্যার মামলা দায়ের করা ছিল আমার জন বিরাট হুমকী স্বরুপ। আমি যাতে আমার পিতার মৃত্যুর পোর্স্ট মর্টেম না করতে পারি, মামলা না করতে পারি সে জন্য আমার উপর আওয়ামীলীগের জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল হত্যাকান্ডের জড়িত নেতারা প্রচন্ড ভাবে থ্রেট করে। আমি যদি মামলা করতাম তাহলে তারা মামলাটা শেষ করে ফেলতো প্রশাসনের সহায়তায়। তাই আমি আমার পিতার হত্যাকান্ডের পর পল্টনের বিএনপির কেন্দ্রী অফিসের সামনে নামাযে জানায, এবং পটুয়াখালীর জানাযায় বলেছিলাম এ সরকারের কাছে আমি বিচার চাইনা। যখন দেশে সুষ্ঠু বিচার পাওয়া সম্ভব হবে তখন আমি আমার পিতার হত্যাকান্ডের বিচার চাইবো।এখন দেশ আওয়ামী স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে , তাই আমি এ হত্যা মামলা দায়ের করেছি, আমার পিতার হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার চাইতে।




‘বিদেশি প্রভুদের নিয়ে বিপ্লবকে নস্যাৎ করার চেষ্টা চালাচ্ছে শেখ হাসিনা’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পরাজিত ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা বিদেশি প্রভুদের নিয়ে ছাত্র জনতার বিপ্লবকে নস্যাৎ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। দীর্ঘ ৬ বছর পর তুরষ্ক থেকে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময়টায় সবাইকে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান মাহমুদুর রহমান।

উদ্ভট মামলায় তাকে অন্যায়ভাবে ৭ বছরের সাজা দিয়েছে হাসিনা সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শতাধিক মামলা রয়েছে আমার নামে। এসব মামলার আইনি মোকাবেলা করা হবে। ’

হাসিনার আমলে ৫ বছর জেল খাটার কথা উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘এ সরকারের আমলে আরও ৫ মাস জেল খাটলেও অসুবিধা নেই। জেল থেকে বের হয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলবো। ’

এ সময় যে বিপ্লব অর্জিত হয়েছে, তা যেন দীর্ঘমেয়াদি হয় এমন প্রত্যাশা করেন মাহমুদুর রহমান।




ড. ইউনূসকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পটুয়াখালীতে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাসুম বিল্লাহ নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কলাপাড়া চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ রায় বাদীর নালিশি মামলা আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ওসিকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কাইউম ও বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব মধুখালী গ্রামের আবুল হাসেম খানের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাসান মাহমুদ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার একমাত্র আসমি মাসুম বিল্লাহ একই গ্রামের মৃত তোজাম্বর আলী খানের ছেলে। তিনি রেলওয়েতে পয়েন্টস ম্যান পদে কর্মরত।

মামলায় বলা হয়, গত ২ মে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি মামলায় হাজিরা শেষে আদালতের বাইরে এলে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেন। যা সময় টিভিসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল প্রচার করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে কমেন্টস করেন, শেয়ার করেন। তখন আসামি উক্ত ভিডিওতে কমেন্টস করেন ‘আপনাকে দেখে মনে হয় আমেরিকার দালাল।’ এতে বাদীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। অতঃপর আসামি এলাকায় বসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সুদখোর, ইহুদি পশ্চিমা দালাল বলে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মানহানিমূলক উক্তি করেন। সর্বোপরি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে একাকি পেলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেন আসামি।

মামলার বিবাদী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, বাদী হাসান মাহমুদ আমার আপন চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। গ্রামের স্কুলের নিয়োগ সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে আমাকে ঘায়েল করতে আমার বিরুদ্ধে এমন কাল্পনিক ইস্যুতে মামলা করেছে। এছাড়া ঘটনার তারিখে আমি গ্রামে নয়, অফিসে কর্মরত ছিলাম। অফিসের হাজিরা খাতায় আমার স্বাক্ষর রয়েছে।




ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে অনুমতি দিয়েছে তা বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ বুধবার রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিট পিটিশনে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বাতিলসহ বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা ও নদীর ইলিশ মাছ রপ্তানির বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ও আমদানি-রপ্তানি কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, ইলিশ একটি সামুদ্রিক মাছ। এটি মূলত বঙ্গোপসাগরের মাছ। এই বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার সংযুক্ত। বাংলাদেশের চেয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা অনেক বেশি ও বিস্তৃত। এই ভারত ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় প্রচুর ইলিশ মাছ উৎপাদন হয়। এ ছাড়া ভারতের বিভিন্ন নদীতে ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। মূলত বাংলাদেশ থেকে ভারতের ইলিশ মাছ আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই।

এতে বলা হয়, ভারত মূলত বাংলাদেশের পদ্মা নদীর ইলিশ আমদানি করে থাকে। এই ইলিশ সাগরের মাছ হলেও ডিম পাড়ার জন্য যখন এই মাছ পদ্মা নদীতে আসে তখন এই ইলিশ মাছ পদ্মা নদীর বিভিন্ন প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে পরিপুষ্ট হয় এবং অত্যন্ত সুস্বাদু হয়ে ওঠে। মূলত পদ্মা নদীর ইলিশই স্বাদে ও গন্ধে উৎকৃষ্ট। এই পদ্মা নদীর ইলিশ যখন রান্না করা হয় তখন এর সুঘ্রাণ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ।

রিটে বলা হয়, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের তথ্য অনুযায়ী— বাংলাদেশে যত ইলিশ ধরা পড়ে তার মাত্র ১০ শতাংশ পদ্মা নদীতে পাওয়া যায়। অর্থাৎ পদ্মা নদীতে অত্যন্ত সীমিত পরিমাণ ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। পদ্মার নদীতে যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায় তা বাংলাদেশের জনগণের চাহিদা পূরণে একেবারে অপ্রতুল। ভারত মূলত বাংলাদেশের পদ্মা নদীর ইলিশ আমদানি করে থাকে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভারতের ফিস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ আমদানির করে থাকেন।

এতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের পদ্মা নদীর সব মাছ ভারতে রপ্তানি হয় এবং বিপুল পরিমাণ ইলিশ মাছ ভারতে চোরাচালান হয়। বাংলাদেশে ভারতীয় এজেন্ট ও রপ্তানিকারকরা সারা বছর পদ্মা নদীর মাছ সংগ্রহ করে ফ্রিজিং করে রাখেন এবং পরবর্তীতে সুযোগ অনুযায়ী ভারতে রপ্তানি ও পাচার করে থাকেন। এর ফলে বাংলাদেশের জনগণ বাজারে গিয়ে পদ্মার ইলিশ পায় না এবং সামান্য পরিমাণ পেলেও তার দাম অত্যন্ত বেশি থাকে যা সাধারণ জনগণের পক্ষে কিনে খাওয়া সম্ভব নয়।

রিটে আরও বলা হয়েছে, এ ছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ইলিশ রপ্তানির ঘোষণার ফলে, বাংলাদেশে ইলিশ মাছের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে ইলিশ মাছ কিনে খাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী, ইলিশ মাছ মুক্তভাবে রপ্তানিযোগ্য কোনো পণ্য নয়। এই মাছ রপ্তানি করতে চাইলে যথাযথ শর্ত পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এককভাবে এই ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিতে পারে না। এটি এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ। এক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিব বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছেন এবং বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন।




শাইখ সিরাজসহ ৫ জনের নামে ফারজানা ব্রাউনিয়ার মামলা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন উপস্থাপিকা ফারজানা ব্রাউনিয়া।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটে হাসিবুল হকের আদালতে তিনি এই মামলার আবেদন করেন। এসময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে সিআইডিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

অপর আসামিরা হলেন, জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, মুকিত মজুমদার বাবু, আবদুর রশিদ মজুমদার পারভেজ ও রিয়াজ আহম্মেদ খান।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ফারজানা ব্রাউনিয়া আসামিদের অধীনে চ্যানেল আই-এ ম্যানেজার (মার্কেটিং) পদে ১ লাখ টাকা বেতনে চাকরিতে যোগ দেন। তিনি ‘স্বর্ণকিশোরী’ নামে এক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০১৮ সালে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলার কারণে হঠাৎ করে ১১ অক্টোবর তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। তিনি মৌখিকভাবে প্রতিবাদ জানালে আসামিরা জানান, যতদিন পর্যন্ত তাকে লিখিতভাবে বরখাস্ত না করা হচ্ছেন, ততদিন পর্যন্ত তিনি মাসিক ভিত্তিতে মজুরি পাবেন। সেই হিসাবে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৯ লাখ টাকা মজুরি বাবদ পাওনা হকদার। পাওনা টাকার জন্য আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলে আসামিরা তার কোনও জবাব না দিয়ে বাদীকে হুমকি দেন। তার কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন।

মামলার আসামিরা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেও এজাহারে অভিযোগ করেন ফারজানা ব্রাউনিয়া।




স্ত্রীর করা এক মামলার হাজিরা দিতে এসে আর এক মামলার আসামী শাহজাহান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে স্ত্রীর দেয়া মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শাহজাহান নামের এক যুবক।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহজাহান জানান, ২০১১ সালের (৭ নভেম্বর) পারিবারিকভাবে মোসাঃ নাসরিন জাহানকে বিবাহ করেন তিনি। পরে পারিবারিক কলহ বিবাদের জেরে চলতি বছরের (২০ মার্চ) বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাদের। বিবাহ বিচ্ছেদের পওে চলতি বছরের (১২ মে) নাসরিন একটি যৌতুক মামলা করেন তার স্বামী শাহজাহানের বিরুদ্ধে।

তিনি আরও জানান, স্ত্রী নাসরিনের দেয়া মামলার হাজিরা দিতে (১৯ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী আসেন তিনি। মামলার হাজিরা শেষে পটুয়াখালী পৌর শহরের হোটেল পার্কে অবস্থান করেন। এসময় তার স্ত্রী অপর আর একটি মামলা করেন। যেখানে উল্লেখ করা হয়, শাহজাহান তার ভাইদের নিয়ে বাউফল উপজেলার কালাইয়া গ্রামে তার প্রাক্তন স্ত্রীকে মারধর করেন। এঘটনায় শাহজাহানসহ মোট ৫ জনকে আসামী করা হয়।

শাহজাহানের দাবি তিনি মামলার হাজিরা শেষে হোটেল পার্কে অবস্থান করেন এবং হোটেল থেকে বের হননি। স্ত্রীর করা মামলার হাজিরা দিতে এসে অন্য এক মামলার আসামী হলেন দশমিনা উপজেলার চরবোরহান এলাকার শাহজাহান হোসেন।




বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি

বরিশাল প্রতিনিধি :: বরিশাল বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হেমায়েত উদ্দিন সেরনিয়াবাত সুমনের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নূরুল আমীন এই আদেশ দেন। এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সুমন সেরনিয়াবাতকে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

৪ আগস্ট বরিশালে জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট কোতোয়ালি মডেল থানায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৩৮১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৬০০-৭০০ জনকে।

একই মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার হন সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ ফারুক শামীম। তিনি বরিশাল সদর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।