পবিপ্রবি তে হলে মাদক সরবরাহকালে ভিসির হাতে ৩ জন আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) হলে মাদক সেবন ও সরবরাহকালে ৩ বহিরাগত যুবককে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে শের-ই-বাংলা হল-১ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নাজমুল, হাসান এবং আবু-বক্কর। পরে তাদের রাতেই দুমকি থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হল-১ এ তল্লাশি চালিয়ে বহিরাগত ৩ মাদকসেবীকে মাদক সরবরাহকালে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করেছে পবিপ্রবি নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

এসময় প্রক্টর প্রফেসর আবুল বাশার খান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. জিল্লুর রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন ।

দুমকি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাতে গাজাসহ তিন জনকে আটক করেছে। আমরা খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে পৌঁছাই তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মাদকের বিষয়ে কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এই ক্যাম্পাসের ভেতরে মাদক সেবন, কেনাবেচা সম্পূর্ণ বন্ধ। মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

বরিশাল অফিস :: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটককৃত নারী মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বরিশাল  আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলম চাঁদ জানান, রোববার রাতে মাদক বিক্রির সংবাদ পেয়ে  সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট মো. হাসানুর ইসলাম এর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কালুপাড়া গ্রামের রাজ্জাক সরদারের ভাড়াটিয়া মৃত মতি সরদারের ছেলে আলিম সরদারের বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে আলিম সরদার, তার স্ত্রী রোকসনা বেগম, ছেলে নাফিজ ইসলাম, ছোট ছেলে পিয়াল সরদার পালিয়ে যায়। অভিযানের সময় ঘরে থাকা ৪ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক বিক্রির নগদ ৩৩ হাজার ২৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়।  ঘরে থাকা আলিমের পুত্রবধু নাফিজ ইসলামের স্ত্রী মেঘা বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বরিশাল আগৈলঝাড়া থানার এসআই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত ৫ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।




আইন পেশায় সফলতার কোন সহজ পথ নেই : প্রধান বিচারপতি

বরিশাল অফিস :: আইনপেশায় সফল হওয়ার জন্য কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ৭ টার দিকে
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি
এ্যাডভোকেট আলহাজ্ব মো: গোলাম কবির বাদল এর সভাপতিত্বে বরিশাল জেলা ও দায়রাজজ আদালতের জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা ও আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে প্রি কেস মামলায় ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৪০ টাকা এবং পোস্ট কেইস মামলায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পক্ষকে আদায় করে দিয়েছেন। যা আশাব্যাঞ্জক।

বরিশাল আদালতে বিভিন্ন পর্যায়ে ৪৭ জন বিচারক মামলা দায়েরের তুলনায় শতভাগ মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। কিছু কিছু আদালতের বিচারক মামলা দায়েরের তুলনায় শতভাগের বেশি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। পরিসংখ্যান অনুসারে এ বছর ৮ হাজার ৯২৪টি দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলার বিপরীতে ৮ হাজর ৯৩৬ মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। যা প্রমাণ করে যে জন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশের পথে আমরা হাঁটছি শত বাধা সত্ত্বেও আস্থা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিচারকরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে চলছে।

আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, আইন পেশায় সফলতার কোন সহজ পথ নেই। সফল হতে হলে চাই একাগ্রচিত্তে চেষ্টা। মানুষকে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার জন্য সকল আইনজীবীদের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সকলকে এই পেশা ব্যবহার করে আয়ের চাইতে সাধারনের প্রতি সহযোগীতাপূর্ণ হওয়ার মনোভাব তৈরি করার আহবান জানান প্রধান বিচারপতি।

এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান কখনোই ভোলা যাবে না। তাদের মাধ্যমেই আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করেছি।

বরিশাল আবেগের একটি যায়গা জানিয়ে তিনি বলেন, বিএম কলেজ থেকে তার মা ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেছেন। তাই এই শহরটি তার ভালোবাসার একটি শহর। সে জন্য বিকেলে বিএম কলেজ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। সংবর্ধনা আয়োজন করায় আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে ভবিষ্যতে সর্বদা তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সংবর্ধনা অনুুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ শেখ মোহাম্মদ আবু তাহের, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ সহ সকল আইনজীবীরা। এর আগে সকালে বরিশাল আদালত পরিদর্শন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বরিশাল সফরের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ৯টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ অন্যান্য আদালত পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বরিশাল জেলা ও দায়রা জজসহ অন্যান্য আদালতের বিচারকরা তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি আদালত প্রাঙ্গণে একটি কাঠ গোলাপ গাছের চারা রোপণ করেন।

জানা গেছে, ৩ দিনের সফরে বরিশাল আসছেন তিনি। বরিশালে তিনি বি.এম কলেজ, অক্সফোড মিশন চার্চ,গার্লস স্কুল,বরিশাল ল কলেজ, ক্যাডেট কলেজ,গুঠিয়া মসজিদ, শের ই বাংলা স্মৃতি যাদুঘরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। প্রধান বিচারপতি আসায় বরিশাল আদালত পাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে ছাত্রদল নেতার গাড়িতে আগুন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন হাওলাদার এবং ইয়ামিন হাওলাদারের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোরে পটুয়াখালী শহরের কলেজরোড এলাকার হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে সে বিষয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা যায়, আল আমিন হাওলাদার এবং ইয়ামিন হাওলাদার বিএনপি নেতা আবুল হাওলাদারের ছেলে। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারে সময় এই পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা দেওয়া হয়। একাধিক মামলায় তাদের অনেকেই কারাগারে গেছেন। এছাড়াও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন তারা।

জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়ামিন হাওলাদার বলেন, ‘রাত সাড়ে ৩টার দিকে আমার চাচাতো ভাই এসে জানায় যে তার গাড়িতে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে বের হয়ে সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও পারিনি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা মনে করি এটা একটি পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ড। এ বিষয়ে আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মো. জসিম বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’




মাকে গাছে ঝুলিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারল দুই ছেলে!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতের ত্রিপুরায় ৬২ বছর বয়সী এক নারীকে গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে তারই দুই ছেলের বিরুদ্ধে। গত পুলিশ শনিবার রাতে চম্পকনগর থানা এলাকার খামারবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই দুই ছেলেকে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। প্রায় দেড় বছর আগে স্বামীকে হারানোর পর ওই নারী তার দুই ছেলেকে নিয়ে থাকতেন। তার আরেক ছেলে আগরতলায় থাকেন।

জিরানিয়ার সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার কমল কৃষ্ণ বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, একজন নারীকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, এমন খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশের একটি দল গিয়ে দেখে, একটা পোড়া মরদেহ গাছের সঙ্গে বাঁধা। এরপর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কমল কৃষ্ণ আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা তার দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আজ সোমবার আদালতে হাজির করা হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে। ঘটনার পেছনে পারিবারিক কলহের কারণ হতে পারে।




দেশে ফিরে বিমানবন্দরেই আটক সুলতান মনসুর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : কানাডা থেকে দেশে ফিরেই আটক হয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামলে ইমিগ্রেশন তাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির ডিবিপ্রধান রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, কিছু অভিযোগের কারণে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইমিগ্রেশন থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব এবং কোথায় কী অভিযোগ আছে তা যাচাই-বাছাই করবো। এরপর আইনগত পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান রেজাউল করিম মল্লিক।

পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, সুলতান মনসুর অনেকদিন ধরেই যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ভ্রমণে ছিলেন। ছাত্র আন্দোলনের অনেক আগে থেকেই তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা নেই।

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, এরপর সিলেট এম সি কলেজে পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

আশির দশকে সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগের নেতৃত্বের জন্য পরিচিতি লাভ করেন এই নেতা। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ছাত্রলীগের একমাত্র সভাপতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন।

পঁচাত্তরের কালো অধ্যায় বলে পরিচিত ১৯৭৫’র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরে যে কয়জন প্রতিবাদে সরব হন তাদের মধ্যে সুলতান মনসুর একজন।




ব্যাংকিং খাতে মন্দ ঋণ ৫ লাখ কোটি টাকা




এস আলম গ্রুপের সব সম্পত্তির তালিকা হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশ




পটুয়াখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোদে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেছেন এক অধ্যক্ষ’র স্ত্রী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন পুলিশ সুপার বরাবর পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মুঃ আব্দুল আলী’র (মরহুম) স্ত্রী।

জানা গেছে, পুলিশ সুপার বরাবর দেয়া তার আবেদন পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিজ্ঞ আদালতের রায় হতে প্রাপ্ত তার ভোগ-দখলীয় জমিতে কিছু দূস্কৃতকারী অসাধু ব্যক্তিবর্গ জোর করে দখলের পায়তারা করছে। ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ৯ টায় তার জমিতে তারা জোর করে বাউন্ডারি ওয়াল করতে গেলে তিনি মৌখিকভাবে দেন এবং পুলিশের সহায়তা কামনা করেন। এরই প্রেক্ষাপটে শুক্রবার বেলা ১২ টায় তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা স্হলে পুলিশ এসে দখলদার ব্যক্তিবর্গ ও তাদের কে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় যায় এবং এ থানার ওসি দু-পক্ষকে নিয়ে বসে। এসময় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে মৌখিক ভাবে বলা হয় আগামী ৪৮ ঘন্টার ভিতরে ওখানে কোন ধরনের কাজ না করার জন্য। বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে যে ফয়সালা আসবে সেই অনুসারে কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য। কিন্তু এই দখলদার ভূমিদস্যু অসাধু চক্র গতকালকেই রাতে কাজ করে তারা বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে ফেলেন। এ বিষয়ে রাতে আবার থানা পুলিশকে জানালে থানা পুলিশ ঘটনা স্হলে গেলে দখলদাররা কিছু সময়ের জন্য সরে যান এবং পুলিশ চলে গেলে আবার কাজ শুরু করেন এবং তাদের কাজে বাধা দিলে তাকে, তার ছেলে – মেয়ে ও মেয়ে জামাইদের কে প্রাণ নাশের হুমকি দেন। এই দখলদার বাহিনী গতকাল দিন এবং রাতে তার সাড়ে ৫ শতাংশ জায়গায় বাউন্ডারি ওয়াল করে ফেলেন এবং গেট তৈরী করেছেন।এতে তার জমিতে প্রবেশের শেষ সুযোগ থেকেও তিনি বঞ্চিত হবেন। একই সাথে তাদের এহেন জমি দখলদারি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরমভাবে আতঙ্কিত এবং জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর দেয়া আবেদন পত্রে পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মুঃ আবদুল আলি’র( মরহুম) স্ত্রী মোসাঃ মাজেদা বেগম যাদের কে বিবাদী করেছেন তারা হলেন , (১) আঃ জব্বার মৃধা, পিতা- আঃ মন্নান মৃধা, সাং-ঘুরচাকাঠী, (২) ফোরকান আহম্মদ, পিতা- আবদুর রহমান হাওলাদার, সাং- নিজ বটকাজল, (৩) মোঃ জসিম উদ্দিন, পিতা- আবদুল মান্নান খান,সাং- বটকাজল, (৪) ঈমানুল ইসলাম, পিতা- মোঃ আফজাল হোসেন তালুকদার, সাং-নওমালা, (৫) মোছাঃ কামরুন্নাহার, পিতা- আবদুল মন্নান খান,সাং- মৈশাদী, (৬) মোঃ মনিরুল ইসলাম, পিতা- জালাল আহম্মেদ হাওলাদার, সাং- নওমালা, (৭) মোঃ নজির মৃধা, পিতা- মোঃ জয়নাল মৃধা, সাং- নওমালা, (৮) মোঃ আমিনুল ইসলাম, পিতা- আবদুল মন্নান খান, সাং- বটকাজল, (৯)মোসাঃ শাহনাজ হক, স্বামী /পিতা- মোঃ শাহজাহান মৃধা, সাং-বগা, উভয় উপজেলা – বাউফল, (১০ মোঃ বশিরুল ইসলাম, পিতা- আবদুল আজিজ মৃধা, সাং- খারিজা বেতাগী, উপজেলা -দশমিনা,(১১) মোঃ নাসির উদ্দিন খান, পিতা- আবদুল মান্নান খান,সাং- কৃঞ্চরাম, (১২)মোঃ মনিরুজ্জামান, পিতা- আবদুল মন্নান খান, সাং-বটকাজল, ডাকঘর – নগরের হাট, উভয় উপজেলা – বাউফল, (১৩) মোঃ হাসান, পিতা- আবুল হোসেন সিকদার, সাং- আলীপুর, উপজেলা – দশমিনা, সর্ব জেলা -পটুয়াখালী। (১৪) আবদুল হাই ( ফাহিম ব্রিকস এর স্বত্ত্বাধীকারী), (১৫) মনজুরুল আলম( জামাতাঃ আবদুল জব্বার) ও (১৬) মিজান প্যাদা গং, পিতা- মৃতঃ আমীর হামজা।

এ বিষয় জানতে পুলিশ সুপার বরাবর দেয়া উক্ত মোসাঃ মাজেদা বেগম’র আবেদন পত্রে যাদের বিবাদী করা হয়েছে তাদের সাথে অনেক বার চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি এবং তাদের খুঁজেও পাওয়া যায় নি। এছাড়াও বহু চেষ্টা করেও তাদের মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করা যায়নি। এজন্য তাদের কারোও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।




পটুয়াখালীতে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মহিপুরে গলায় ফাঁস দেওয়া রবিউল ইসলাম (১৯) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড মনসাতলী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনার ঘটে। নিহত রবিউল ডালবুগঞ্জের বাসিন্দা জসিমের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে পরিবারের সাথে দাওয়াত শেষে ঘুমানোর জন্য রবিউল তার রুমে প্রবেশ করে। এসময়ে তার বাবা ও মা পাশের বাড়ি রোগী দেখতে যায়, সেই সময় সবার অগোচরে গলায় গামছা বেঁধে ঘরের ফ্যানের সাথে ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়। পরে তার বাবা মা, বাড়িতে ফিরে রবিউলকে ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে , ডাক চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে মাটিতে নামিয়ে রাখে।

তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হওয়ায় এই ঘটনা ঘটতে পারে মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।