বিভ্রান্তি নয়, আইন অনুযায়ী খিলক্ষেত থেকে মণ্ডপ সরানো হয়েছে: রেল উপদেষ্টা

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় রেলওয়ের জমিতে স্থাপিত একটি অস্থায়ী পূজামণ্ডপ ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
শুক্রবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় তিনি জানান, গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে কিছু ব্যক্তি পূর্বানুমতি ছাড়াই রেলের জমিতে অস্থায়ী মণ্ডপ নির্মাণ করেন। পূজার আয়োজনের সময় তারা পূজা শেষে মণ্ডপটি সরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু পূজা শেষ হওয়ার পর বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তা সরাননি।
ফাওজুল কবির বলেন, “পূজার আয়োজকরা পরে সেখানে স্থায়ী মন্দির প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন, যা রেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ছিল না। তাদের একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও তারা কোনো কর্ণপাত করেননি।”
তিনি জানান, জনস্বার্থে ও সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলমুক্ত করতে সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গতকাল বৃহস্পতিবার খিলক্ষেত এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা—দোকানপাট, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়, কাঁচাবাজার এবং সর্বশেষ অস্থায়ী মণ্ডপটি সরানো হয়।
অস্থায়ী মণ্ডপে থাকা প্রতিমাগুলো যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদার সঙ্গে বালু নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ফাওজুল কবির আরও বলেন, “মণ্ডপ সরানোকে কেন্দ্র করে যেকোনো বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক প্রচারণা থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ আইনের বাইরে কিছু করেনি, বরং জনস্বার্থেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”








