রাতে পড়ার জন্য ফজিলতপূর্ণ কিছু আয়াত

চন্দ্রদীপ নিউজ: রাতে নফল নামাজ, দোয়া দরুদ, জিকিরের গুরুত্ব বেশি। তাহাজ্জুদের মতো মহান ইবাদতও রাতে করতে হয়। এজন্যই পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই রাতে জাগরণ ইবাদতের জন্য গভীর মনোনিবেশ, হৃদয়ঙ্গম এবং স্পষ্ট উচ্চারণে অনুকূল।’ (সুরা মুজ্জাম্মিল: ৬)

আবার রাতে সহজে আমল করার মতো কিছু ফজিলতপূর্ণ আয়াত পাঠ ও দোয়ার বর্ণনা এসেছে হাদিসে। এমন কিছু আমল নিচে তুলে ধরা হলো—

১. সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
বদরি সাহাবি আবু মাসউদ আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তেলাওয়াত করে, তবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। (সহিহ বুখারি: ৫০৪০)
‘তার জন্য যথেষ্ট হবে’ বাক্যটির ব্যাখ্যায় একদল আলেম বলেন, এই দুই আয়াত তাহাজ্জুদের বিপরীতে যথেষ্ট হবে। অন্যরা বলেন, আয়াতদ্বয় রাতের বেলা শয়তান, জিন ও মানুষের ক্ষতি থেকে রক্ষায় যথেষ্ট হবে। (শরহুন নববি: ৬/৯১।

২. সুরা মুলক তেলাওয়াত
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, কোরআনে ৩০ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা আছে। যে সুরাটি কারো পক্ষে সুপারিশ করলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। সুরাটি হলো—তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলক..(অর্থাৎ সুরা মুলক)। (সুনানে তিরমিজি: ২৮৯১)
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে তাবারাকাল্লাজি পাঠ করবে আল্লাহ তার বিনিময়ে তাকে কবরের শাস্তি থেকে রক্ষা করবেন। আমরা রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগে এই সুরাকে ‘মানিআ’ (প্রতিহতকারী বা রক্ষাকারী) বলতাম। (সুনানে নাসায়ি: ১০৫৪৭)

৩. সুরা ওয়াকেয়া পাঠ
উসমান (রা.) বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সুরা ওয়াকেয়া পাঠ করবে, সে কখনো উপবাস থাকবে না।’ (তাফসিরে মারেফুল কোরআন: ৮/১০৬; ইবনে কাসির: ৪/২৮১)

৪. আয়াতুল কুরসি পাঠ
রাসুল (স.) বলেন, ‘তুমি যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়বে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার জন্য একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।’ (বুখারি: ২৩১১)।

৫. ‘তিন কুল’ পাঠ
মুআজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রা.) বলেন, এক বর্ষণমুখর খুবই অন্ধকার কালো রাতে নামাজ পড়ার জন্য আমরা রাসুলুল্লাহ (স.)-কে খুঁজছিলাম। আমরা তাঁকে পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, বলো। আমি কিছুই বললাম না। পুনরায় তিনি বলেন, বলো। আমি কিছুই বললাম না। তিনি আবার বলেন, বলো। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, কী বলব? তিনি বলেন, তুমি সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে তিনবার সুরা ইখলাস, সুরা নাস ও ফালাক পড়বে। এতে তুমি যাবতীয় অনিষ্ট হতে রক্ষা পাবে। (আবু দাউদ: ৫০৮২)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (স.) প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন দুই হাত একত্র করে তাতে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফুঁ দিতেন। অতঃপর মাথা ও চেহারা থেকে শুরু করে যত দূর সম্ভব পুরো শরীরে তিনবার দুই হাত বোলাতেন।’ (বুখারি: ৫০১৭)

৬. রাতে যত বেশি তেলাওয়াত তত বেশি মর্যাদা
রাতে কোরআন তেলাওয়াতের আয়াতসংখ্যার পরিমাণ অনুযায়ী তেলাওয়াতকারীর মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে ১০টি আয়াত তেলাওয়াত করে সে গাফেল বলে গণ্য হবে না, আর যে ব্যক্তি ১০০ আয়াত তেলাওয়াত করে সে আনুগত্যশীল বলে গণ্য হবে, আর যে ব্যক্তি এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করে তার জন্য সওয়াবের ভাণ্ডার লেখা হবে।’ (আবু দাউদ: ১৪০০)

৭. তিনবার সুরা ইখলাস পাঠ
মহানবী (স.) একবার সাহাবিদের বলেন, তোমরা কি এক রাতে কোরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশ পড়তে পারবে? সাহাবিরা এ প্রস্তাবকে খুবই কঠিন মনে করলেন। ফলে তারা বলল, আমাদের মধ্যে এ কাজ কে করতে পারবে? মহানবী (স.) তখন বলেন, সুরা ইখলাস কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান। (বুখারি: ৫০১৫)

৮. সাইয়িদুল ইস্তেগফার পাঠ
শাদ্দাদ ইবনুল আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিনে (সকালে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এই ইস্তেগফার পড়বে আর সন্ধ্যা হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে ব্যক্তি জান্নাতি হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (প্রথম ভাগে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এই দোয়া পড়ে নেবে আর ভোর হওয়ার আগে মারা যাবে, সে জান্নাতি হবে। আর সাইয়িদুল ইস্তেগফার হলো বান্দার এই দোয়া পড়া— اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا صَنَعْتُ، أبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْلِىْ، فَإِنَّهُ لاَيَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ

(উচ্চারণ) ‘আল্লা-হুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাকতানি, ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু, আউজুবিকা মিন শাররি মা সানাতু। আবুউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়া ওয়া আবুউ বিজাম্বি ফাগফিরলি ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা।’

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের ওপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নেয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা করো। (সহিহ বুখারি: ৬৩০৬)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সবসময় কোরআন তেলাওয়াতের তাওফিক দান করুন। উল্লেখিত আয়াত, সুরা ও দোয়া রাতে নিয়মিত পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।




দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অতীত পাপকাজে অনুশোচিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে ওই পাপকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞা করার নামই তওবা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো- বিশুদ্ধ তওবা; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত।’ -(সুরা তাহরিম: ৮)।

 

ধর্ম
দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
dhaka-post
ধর্ম ডেস্ক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:২৯
দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
প্রতীকী ছবি
অতীত পাপকাজে অনুশোচিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে ওই পাপকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞা করার নামই তওবা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো- বিশুদ্ধ তওবা; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত।’ -(সুরা তাহরিম: ৮)

বিজ্ঞাপন

তাই আল্লাহভীতি জাগ্রত করতে হবে। আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে বিলম্ব না করে তওবা করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ অবশ্যই সেসব মানুষের তওবা কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে এবং সত্বর তাওবা করে। এরাই তারা, যাদের তাওবা আল্লাহ কবুল করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। তাওবা তাদের জন্য নয়, যারা আজীবন মন্দ কাজ করে, অবশেষে তাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হলো; সে বলে, আমি এখন তাওবা করছি। এবং তাদের জন্যও নয়, যাদের মৃত্যু হয় কাফের অবস্থায়। এরা তারাই, যাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তির ব্যবস্থা।’ (সুরা নিসা: ১৭-১৮)।

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বান্দা যখন একটি গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর যখন সে গুনাহের কাজ পরিহার করে, ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তওবা করে তখন তার অন্তর পরিষ্কার ও দাগমুক্ত হয়ে যায়। সে আবার পাপ করলে তার অন্তরে দাগ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তার পুরো অন্তর এভাবে কালো দাগে ঢেকে যায়। এটাই সেই মরিচা আল্লাহ তাআলা যা বর্ণনা করেছেন- ‘কখনই না, বরং তাদের অপকর্মসমূহ তাদের অন্তরে মরিচা ধরিয়েছে।’ -(সুরা মুতাফফিফিন: ১৪)।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে লোক কাঁদে, তার জাহান্নামে যাওয়া এরূপ অসম্ভব যেমন অসম্ভব দোহন করা দুধ আবার ওলানের মধ্যে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ তাআলার পথের ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না (আল্লাহ তাআলার পথের পথিক জাহান্নামে যাবে না)। (তিরমিজি: ১৬৩৩)।

 

ধর্ম
দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
dhaka-post
ধর্ম ডেস্ক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:২৯
দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
প্রতীকী ছবি
অতীত পাপকাজে অনুশোচিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে ওই পাপকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞা করার নামই তওবা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো- বিশুদ্ধ তওবা; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত।’ -(সুরা তাহরিম: ৮)

বিজ্ঞাপন

তাই আল্লাহভীতি জাগ্রত করতে হবে। আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে বিলম্ব না করে তওবা করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ অবশ্যই সেসব মানুষের তওবা কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে এবং সত্বর তাওবা করে। এরাই তারা, যাদের তাওবা আল্লাহ কবুল করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। তাওবা তাদের জন্য নয়, যারা আজীবন মন্দ কাজ করে, অবশেষে তাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হলো; সে বলে, আমি এখন তাওবা করছি। এবং তাদের জন্যও নয়, যাদের মৃত্যু হয় কাফের অবস্থায়। এরা তারাই, যাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তির ব্যবস্থা।’ (সুরা নিসা: ১৭-১৮)

বিজ্ঞাপন

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বান্দা যখন একটি গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর যখন সে গুনাহের কাজ পরিহার করে, ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তওবা করে তখন তার অন্তর পরিষ্কার ও দাগমুক্ত হয়ে যায়। সে আবার পাপ করলে তার অন্তরে দাগ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তার পুরো অন্তর এভাবে কালো দাগে ঢেকে যায়। এটাই সেই মরিচা আল্লাহ তাআলা যা বর্ণনা করেছেন- ‘কখনই না, বরং তাদের অপকর্মসমূহ তাদের অন্তরে মরিচা ধরিয়েছে।’ -(সুরা মুতাফফিফিন: ১৪)

 

বিজ্ঞাপন

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে লোক কাঁদে, তার জাহান্নামে যাওয়া এরূপ অসম্ভব যেমন অসম্ভব দোহন করা দুধ আবার ওলানের মধ্যে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ তাআলার পথের ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না (আল্লাহ তাআলার পথের পথিক জাহান্নামে যাবে না)। (তিরমিজি: ১৬৩৩)

রাসুলুল্লাহ (স.) আরও বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া উট খুঁজে পেয়ে যতটা খুশি হও, আল্লাহ তাআলা তার বান্দার তওবাতে এরচেয়েও বেশি খুশি হন।’ -(বুখারি: ৬৭০৯)
যখনই কোনো অন্যায় হয়ে যায়, তখন অবিলম্বে তওবা করতে হবে। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘আল্লাহ তাদেরই তওবা কবুল করেন, যারা না জেনে মন্দ কাজ করে, তারপর অচিরেই তওবা করে। এদেরই তওবা আল্লাহ কবুল করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা নিসা: ১৭)

কিন্তু যদি কোনো ব্যক্তি- যে গুনাহ করে তওবা করে আবার গুনাহ করে। আবার তওবা করে আবার গোনাহ করে। অর্থাৎ তার প্রবল ইচ্ছা পাপ থেকে দূরে থাকার; কিন্তু শয়তানের কারণে সে বারবার ব্যর্থ হয় তাহলে তার কর্তব্য হলো সর্বদা তওবা-ইস্তেগফার করতে থাকা, সেইসঙ্গে আল্লাহর কাছে এ ব্যাপারে সাহায্য চাওয়া।

 

ধর্ম
দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
dhaka-post
ধর্ম ডেস্ক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:২৯
দ্রুত তওবাকারীদের সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
প্রতীকী ছবি
অতীত পাপকাজে অনুশোচিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে ওই পাপকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞা করার নামই তওবা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো- বিশুদ্ধ তওবা; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত।’ -(সুরা তাহরিম: ৮)

বিজ্ঞাপন

তাই আল্লাহভীতি জাগ্রত করতে হবে। আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে বিলম্ব না করে তওবা করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ অবশ্যই সেসব মানুষের তওবা কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে এবং সত্বর তাওবা করে। এরাই তারা, যাদের তাওবা আল্লাহ কবুল করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। তাওবা তাদের জন্য নয়, যারা আজীবন মন্দ কাজ করে, অবশেষে তাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হলো; সে বলে, আমি এখন তাওবা করছি। এবং তাদের জন্যও নয়, যাদের মৃত্যু হয় কাফের অবস্থায়। এরা তারাই, যাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তির ব্যবস্থা।’ (সুরা নিসা: ১৭-১৮)

বিজ্ঞাপন

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বান্দা যখন একটি গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর যখন সে গুনাহের কাজ পরিহার করে, ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তওবা করে তখন তার অন্তর পরিষ্কার ও দাগমুক্ত হয়ে যায়। সে আবার পাপ করলে তার অন্তরে দাগ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তার পুরো অন্তর এভাবে কালো দাগে ঢেকে যায়। এটাই সেই মরিচা আল্লাহ তাআলা যা বর্ণনা করেছেন- ‘কখনই না, বরং তাদের অপকর্মসমূহ তাদের অন্তরে মরিচা ধরিয়েছে।’ -(সুরা মুতাফফিফিন: ১৪)

 

বিজ্ঞাপন

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে লোক কাঁদে, তার জাহান্নামে যাওয়া এরূপ অসম্ভব যেমন অসম্ভব দোহন করা দুধ আবার ওলানের মধ্যে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ তাআলার পথের ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না (আল্লাহ তাআলার পথের পথিক জাহান্নামে যাবে না)। (তিরমিজি: ১৬৩৩)

রাসুলুল্লাহ (স.) আরও বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া উট খুঁজে পেয়ে যতটা খুশি হও, আল্লাহ তাআলা তার বান্দার তওবাতে এরচেয়েও বেশি খুশি হন।’ -(বুখারি: ৬৭০৯)
যখনই কোনো অন্যায় হয়ে যায়, তখন অবিলম্বে তওবা করতে হবে। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘আল্লাহ তাদেরই তওবা কবুল করেন, যারা না জেনে মন্দ কাজ করে, তারপর অচিরেই তওবা করে। এদেরই তওবা আল্লাহ কবুল করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা নিসা: ১৭)

কিন্তু যদি কোনো ব্যক্তি- যে গুনাহ করে তওবা করে আবার গুনাহ করে। আবার তওবা করে আবার গোনাহ করে। অর্থাৎ তার প্রবল ইচ্ছা পাপ থেকে দূরে থাকার; কিন্তু শয়তানের কারণে সে বারবার ব্যর্থ হয় তাহলে তার কর্তব্য হলো সর্বদা তওবা-ইস্তেগফার করতে থাকা, সেইসঙ্গে আল্লাহর কাছে এ ব্যাপারে সাহায্য চাওয়া।

আর যাদের অন্তর কঠিন ও আল্লাহর ভয়শূন্য, তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা হুঁশিয়ারি করেন, ‘দুর্ভোগ ওই লোকদের জন্য, যাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণ থেকে কঠোর। তারা সুস্পষ্ট ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে।’ (সুরা জুমার: ২২)।

তওবার গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে পবিত্র কোরআনে আরও বলা হয়েছে, ‘আর যারা কোনো অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে, অতঃপর গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর আল্লাহ ছাড়া কে আছে গুনাহ ক্ষমা করবে? আর তারা যা করেছে, জেনে শুনে তারা তার পুনরাবৃত্তি করে না।’ (সুরা ইমরান: ১৩৫




হাদিসের গল্প : তওবা যেভাবে মানুষকে পবিত্র করে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : হজরত আবু নুজাইদ ইমরান ইবনে হুসাইন আল-খুযায়ী থেকে বর্ণিত, একবার জুহাইনাহ গোত্রের একজন নারী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি কাছে এলেন। তিনি গর্ভবতী ছিলেন, জেনার কারণে তার গর্ভে এই সন্তান এসেছিলো। তবে এই নারী তার কৃতকর্মের কারণে লজ্জিত ছিল। তিনি তার পাপ সম্পর্কে বুঝতে পারার পর তওবার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছিলেন।

তিনি আল্লাহর রাসূলের কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হদ্দ (শরীয়ত নির্ধারিত ব্যভিচারের শাস্তি) এর উপযোগী হয়েছি। আমার ওপর তা কার্যকর করুন। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার ওপর শরীয়ত নির্ধারিত ব্যভিচারের শাস্তি আরোপ করতে অনুরোধ করলেন। এখানে হদ্দ বলতে রজমকে (ইসলামি বিধানমতে পাথর মেরে মৃত্যু) বুঝানো হয়েছে; কারণ, সেই নারী বিবাহিত ছিলেন।

এ কথা জানার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অভিভাবককে ডাকলেন এবং বললেন, ‘তাকে ভালোভাবে দেখাশুনা কর। এরপর সে যখন সন্তান প্রসব করবে তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে।’

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ভালোভাবে দেখাশুনা করার নির্দেশ দেওয়ার কারণ ছিলো- তার ওপর তার আপনজনদের পক্ষ থেকে ক্ষতির আশংকা ছিল। কারণ, তার জন্যে তাদের কলঙ্ক লেগেছে, ফলে তারা নিজেদের আত্মসম্মানবোধ ও লাঞ্ছিত হওয়ার কারণে তাকে কষ্ট দিতে পারত।

এ কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অভিভাবকদের বিশেষভাবে সর্তক করে দিয়েছেন, যেন তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা না হয় এবং তার সঙ্গে সদাচারণ করতে বললেন। কারণ, এই নারী তার নিজের পাপাচারের বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং তওবার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

তার সঙ্গে ভালো আচরণ করতে বলার আরেকটি কারণ ছিলো- এ ধরণের কাজের কারণে মানুষের অন্তরে তার প্রতি ঘৃণা জন্মায় এবং তারা তাকে কষ্টদায়ক কথাবার্তা বলে।

নির্ধারিত সময় পরে সেই নারী সন্তান প্রসব করলেন। সন্তান প্রসবের পর তিনি আবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন এবং নিজের পাপের শাস্তি প্রয়োগ করতে বললেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সন্তানের দুধপান শেষ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন। সেই নারীর সন্তান দুধ পান ছেড়ে দেওয়ার পর তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন এবং নিজের পাপ থেকে তওবার আগ্রহ প্রকাশ করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলামি বিধানমতে তার অপরাধের শাস্তি প্রদানের নির্দেশ দিলেন।

শাস্তি বাস্তবায়নের আগে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শক্তভাবে তার কাপড় বেঁধে নিতে বললেন, যেনো রজমের (শরীয়ত নির্ধারিত বিবাহিত নারীর ব্যভিচারের শাস্তি) সময় তার সতর খুলে না যায়। এরপর তিনি শাস্তি কার্যকর করার আদেশ দিলেন। তাকে পাথর মারা হলো।

অবশেষে তিনি মারা গেলেন। শাস্তি কার্যকর শেষে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই নারীর জানাজার নামাজ পড়ালেন এবং তার জন্য অন্যান্য মৃত ব্যক্তির মতো দোয়া করলেন।

তখন উমার রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আল্লাহর রাসূলকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তার জানাজার নামাজ পড়লেন, অথচ সে যে জেনা করেছে?’

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জানালেন, ‘এ নারী এমন বিশুদ্ধ তাওবা করেছে, যদি তা মদীনার ৭০টি অপরাধী লোকের মধ্যে ভাগ করা হয় তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে এবং তাদের উপকার হবে। কারণ, এই নারী আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় এবং ব্যভিচারের গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছে। এর থেকে মহান আর কী হতে পারে? (মুসলিম শরিফ)।




হাই প্রেশার নিয়ন্ত্রণে আনতে যা খাবেন

এ বিষয়ে ভারতের পুষ্টিবিদ নমামি আগরওয়াল তার ইনস্টাগ্রামের এক ভিডিওতে জানিয়েছেন কীভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে সাধারণ কিছু খাবার খেয়েই কমানো যায় উচ্চ রক্তচাপ। জেনে নিন কোন ৪ খাবার খেয়ে বশে আনবেন রক্তচাপ-

সবুজ শাক সবজি

এই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়েছেন, পালং শাক, কেল ও লেটুস জাতীয় খাবারে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বেশি থাকে। পটাসিয়াম কিডনিকে প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত সোডিয়াম থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

কলা

কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও পটাসিয়াম। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কলায় থাকা পটাসিয়াম খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

বিটরুট

নাইট্রিক অক্সাইড সমৃদ্ধ এই সবজির স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। রক্তনালিগুলো প্রসারিত রাখতে কাজ করে এই সবজির পুষ্টি উপাদান।

রসুন

সবার রান্নাঘরেই রসুন থাকে। শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল খাবার, যা পেশি শিথিল করে। এমনকি রক্তনালিগুলোকেও প্রসারিত করে এই ভেষজ উপাদান। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে সহজেই।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস




পটুয়াখালীতে দুর্গাপূজার আমেজ শুরু, ব্যস্ত প্রতিমা কারিগররা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): আগামি ২০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে দূর্গাপূজা। তাই পাড়া মহল্লাসহ প্রতিটা মন্ডপে মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরি ও সাজ সজ্জার কাজ। যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মণ্ডপে মণ্ডপে থাকছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

পটুয়াখালীর ৮ উপজেলার ২০০টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা। প্রতিটা মন্দিরেই প্রতিমাসহ সাজসজ্জার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। প্রতিমা তৈরিতে নাড়াকুটার কাজ শেষ। চলছে শেষ মুহূর্তের মাটির কাজ। এছাড়া লাইটিং ও প্যান্ডেল সাজানোর কাজও চলছে। অধিকাংশ মন্দির থেকে এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থাকছে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা। দুই চার দিনের মধ্যেই শুরু হবে রংয়ের কাজ।

২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকের বাদ্যে মেতে উঠবে জেলার হাজারো সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। দেবী দূর্গার আগমনে দূর হবে সকল অশুভ শক্তি। তাই ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এ উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদ।

এদিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রতিটি মণ্ডপে থাকবে পুলিশের নজরদারিসহ সিসি ক্যামেরা।

কলাপাড়া শ্রী শ্রী জগন্নাথ নাট মন্দিরের প্রতিমা কারিগর দেবাশীষ জানান, আজকের মধ্যেই আমাদের মাটির কাজ শেষ হবে। দুই থেকে তিন দিন পরই আমরা রংয়ের কাজ শুরু করবো। পূজা উদযাপনের তিন চার দিন আগেই আমাদের প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হবে। পূজা উদযাপন কমিটি প্যান্ডেল তৈরি থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করেছে।

চিংগড়িয়া সার্বজনিন দুর্গা মন্দিরের প্রতিমা কারিগর উত্তম জানান, নাড়াকুটার কাজ আমরা অনেক আগেই শেষ করেছি। দিনরাত মিলিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ করছি। আজ আমাদের মাটির কাজ শেষ হবে। মাটি শুকানোর পরই আমরা রংয়ের কাজ শুরু করবো। এখানে পূজা উপলক্ষে ৫ দিন ব্যাপী উৎসব চলবে।

পটুয়াখালী পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক এড. সঞ্জয় কুমার খাসকেল জানান, আমাদের জেলা প্রশাসন এবং পূজা কমিটির সভা হয়েছে। আমাদের বেশির ভাগ মণ্ডপের দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি আশি ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এ উৎসব ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার। তাই আমরা সবাইকে এ উৎসব উপভোগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, আমাদের জেলার প্রতিটা মণ্ডপে পূজা চলাকালীন সময় আনসার সদস্য এবং পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি আমাদের টহল টিম মাঠে কাজ করবে। এছাড়া প্রতিটা মণ্ডপই সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আশা করছি শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা শেষ হবে।




নবী-রাসুলরা যেভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : সব নবী-রাসুলের কোনো না কোনো পেশা ছিল, তাঁরা অন্যের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন না। নবী-রাসুলরা হলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব। তাঁরা শ্রেষ্ঠ উপার্জন তথা স্বহস্তে অর্জিত সম্পদে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

আদম (আ.) ছিলেন একজন কৃষক। তাঁর ছেলেদের পেশাও ছিল চাষাবাদ। তা ছাড়া তিনি তাঁতের কাজও করতেন। কারো কারো মতে, তাঁর পুত্র হাবিল পশু পালন করতেন।

শিশ (আ.)ও কৃষক ছিলেন।

 

আদম (আ.) ছিলেন একজন কৃষক।

তাঁর ছেলেদের পেশাও ছিল চাষাবাদ। তা ছাড়া তিনি তাঁতের কাজও করতেন। কারো কারো মতে, তাঁর পুত্র হাবিল পশু পালন করতেন।

হযরত শিশ (আ.)ও কৃষক ছিলেন।

ইদরিস (আ.)-এর পেশা ছিল কাপড় সেলাই করা। কাপড় সেলাই করে যে অর্থ উপার্জন করতেন তা দিয়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

নুহ (আ.) ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। আল্লাহ তাআলা তাঁকে নৌকা তৈরির কলাকৌশল শিক্ষা দিয়েছিলেন।

হুদ (আ.)-এর পেশা ছিল ব্যবসা ও পশু পালন।

সালেহ (আ.)-এর পেশাও ছিল ব্যবসা ও পশু পালন।

লুত (আ.)-এর সম্প্রদায়ের লোকেরা চাষাবাদের সঙ্গে জড়িত ছিল।

ইবরাহিম (আ.) কখনো ব্যবসা আবার কখনো পশু পালন করতেন। ইসমাঈল (আ.) পশু শিকার করতেন।

তিনি ও তাঁর পিতা উভয়ই ছিলেন রাজমিস্ত্রি। পিতা-পুত্র মিলে আল্লাহর ঘর তৈরি করেছিলেন।
ইয়াকুব (আ.)-এর পেশা ছিল ব্যবসা, কৃষি কাজ করা ও পশু পালন। ইউসুফ (আ.) রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন।

শোয়াইব (আ.)-এর পেশা ছিল পশু পালন ও দুধ বিক্রি।

দাউদ (আ.) যুদ্ধাস্ত্র, লৌহ বর্ম ও দেহবস্ত্র প্রস্তুত করতেন। এগুলো বিক্রি করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

সোলাইমান (আ.) ভিন্ন পেশা গ্রহণ করার চেয়ে নিজ সম্পদ রক্ষা ও তদারকি করতে বেশি মনোযোগী ছিলেন।

মুসা (আ.) ছিলেন একজন রাখাল। হারুন (আ.)-এর পেশাও ছিল পশু পালন। পশু পালন করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ইলিয়াস (আ.)-এর পেশাও ছিল ব্যবসা ও পশু পালন।

আইয়ুব (আ.)-এর পেশা ছিল গবাদি পশু পালন।

ইউনুস (আ.)-এর গোত্রের পেশা ছিল চাষাবাদ।

জাকারিয়া (আ.) ছিলেন কাঠমিস্ত্রি।

জুলকিফল (আ.)-এর পেশা ছিল পশু পালন।

ইয়াসা (আ.)-এর পেশা ছিল ব্যবসা ও পশু পালন।

মহানবী (সা.) ছিলেন একজন সফল ও সৎ ব্যবসায়ী।




মহানবীর রওজা জিয়ারতের সময় মানতে হবে নতুন যেসব নির্দেশনা

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর রওজা বা সমাধিস্থল ‘আল রাওদা আল শরিফা’ জিয়ারতের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি আরব। এ নির্দেশনায় বেশকিছু কাজে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতেতে জানায়, এখন থেকে রওজা জিয়ারতে আসতে হবে নির্ধারিত সময়ে। তাছাড়া জিয়ারতের জন্য আগে থেকে আসন সংরক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আল রাওদা আল শরিফায় প্রবেশের পরপরই উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। যতদূর সম্ভব নিচু স্বরে নিজেদের মধ্যে কথা-বার্তা বলতে হবে। এমনকি, এখন থেকে রাসুল (সা.) এর রওজা জিয়ারতের সময় সঙ্গে করে খাবার নিয়ে যাওয়া, ছবি তোলা যাবে না ও নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা যাবে না।

সৌদি আরবে এখন ওমরাহ মৌসুম চলছে। এ সময় মক্কা শরিফের গ্রান্ড মসজিদে ওমরা পালন শেষে অনেকে মদিনায় রাসুল (সা.) এর রওজা জিয়ারতে যান। চলতি বছর প্রায় এক কোটি মুসলমান ওমরাহ পালন করতে আসবেন বলে আশা করছে সৌদি সরকার।

গত এপ্রিলে সৌদি কর্তৃপক্ষ মসজিদে নববীর পবিত্র কক্ষের চারপাশে সোনালি পিতলের বেষ্টনী উদ্বোধন করেছিল। কাঠের জায়গায় নতুন এই বেষ্টনী তৈরি হওয়ায় মসজিদের স্থাপত্য দেখতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

এর আগে শিশুদের নিরাপত্তায় নতুন নির্দেশনা জারি করে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। কাবা শরিফের পবিত্রতা রক্ষায় এসব নির্দেশনা বাবা-মায়ের ওপর বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে ওমরাহর সময়ে শিশুদের সঙ্গে আনলে এসব নির্দেশনাও মানতে হবে।




ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা: সৌদি রাষ্ট্রদূত

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সৌদি দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি ভলান্টিয়ার প্রোগ্রাম ‘ইবসার’ উদ্বোধন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে তাদের সাউদিয়া এয়ারলাইন্স বা সে দেশের জাতীয় মালিকানাধীন বিমানের ট্রানজিটের যাত্রী হতে হবে। ট্রানজিট যাত্রীরা ৯৬ ঘণ্টার জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করে ওমরাহ পালন করতে পারবেন।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সেনজেনের ভিসা থাকলেও সৌদিতে ওমরাহ পালন করা যাবে। এছাড়া কোনো এজেন্সির সহায়তা ছাড়াই নুসুক অ্যাপে নিবন্ধন করে যে কেউ ওমরাহ ভিসা করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইবসার কর্মসূচির আওতায় ঢাকা জেলার ৫০ স্কুলে ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর চক্ষুসেবা দেওয়া হবে।




প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সঠিক বয়স ৩০, দাবি গবেষকদের

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পিটার জোন্স জানিয়েছেন, শৈশব থেকে কৈশোরের পথে পা দেওয়ার এই যাত্রাপথ খুবই কঠিন। তার মতে, ‘শারীরিক এবং মানসিকভাবে এত পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, যে জীবনের সব চেয়ে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় এই সময়টাতেই। আবার সকলেরই যে ঠিক এই বয়সেই পরিবর্তন আসবে, এমনও নয়।’

এই বিষয়ে বিশদে জানতে ১৪-২৪ বছর বয়সী প্রায় ৩০০ জন যুবক-যুবতীর উপর একটি সমীক্ষা করেন। প্রত্যেকের মস্তিষ্কের এমআরআই স্ক্যান করার পর গবেষকরা দেখেন, ১৮ বছর বয়সের পরেও তাদের অনেকেরই মস্তিষ্কের গঠনে পরিবর্তন আসছে। যার প্রভাব শরীরে ও মনের উপরে পড়ে।

তাই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গিয়েছেন ভেবে যদি কেউ বিয়ের মতো সিদ্ধান্ত নেন, পরবর্তী সময়ে সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আবার সমাজ, সামাজিক পরিকাঠামো সম্পর্কে কোনো ধারণা না রেখেই নির্বাচনে অংশ নেওয়াও উচিত নয়।

বিজ্ঞানীদের মতে, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, আচরণ ও ব্যবহারিক পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স অন্তত পক্ষে ২৫ হওয়া উচিত।




পবিত্র সংবিধানের বিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: কাদের

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি কখনো জনকল্যাণ, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ভাগ্যোন্নয়নের রাজনীতি করেনি। সেজন্য বিএনপির রাজনীতি বিদেশি প্রভুদের কৃপা নির্ভর! জনগণ, গণতন্ত্র ও কল্যাণকর রাজনীতির প্রতি বিএনপির ন্যূনতম বিশ্বাস থাকলে এদেশের গণতন্ত্রে কোনো সংকট সৃষ্টি হতো না।

সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের দুরভিসন্ধি ও উসকানিমূলক বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল ও নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা আগের ধারাবাহিকতায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান করে নির্বাচন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। একই সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের চলমান অভিযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায়। বিগত দিনে দেশের সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে

ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতায় পবিত্র সংবিধানের বিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সারাদেশে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল। নির্বাচন প্রতিরোধের নামে বিএনপি তিন হাজারের বেশি মানুষ পুড়িয়েছিল, পাঁচ শতাধিক ভোটকেন্দ্র ও স্কুলসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দিয়েছিল। তারা এজলাসে বসা বিচারককে বোমা মেরে হত্যা ও আইনজীবীকে হত্যা করেছিল। রেললাইন উপড়ে ফেলেছিল, হাজার হাজার গাছ কেটে ও রাস্তা কেটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মাধ্যমে মধ্যযুগীয় কায়দায় নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল নিজ দেশের মানুষের ওপর এমন প্রতিহিংসামূলক আচরণ করতে পারে! বিএনপির কর্মকাণ্ডে তা বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করেছিল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাদের নেতা দুর্নীতির বরপুত্র সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান লন্ডনে বসে রমরমা মনোনয়ন বাণিজ্যে মেতে উঠেছিল; ৩০০ আসনে প্রায় ৭৫০টি মনোনয়ন দিয়েছিল। আজ তারা যখন বলে নির্বাচন হতে দেবে না তখন দেশের মানুষ স্পষ্টতই বুঝতে পারে যে, দেশের জনগণ, গণতন্ত্র, সংবিধান ও আইন কোনো কিছুর প্রতি বিএনপির দায়বদ্ধতা নেই।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি একটি অবৈধ রাজনৈতিক দল। অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে বন্দুকের নলের মুখে ক্ষমতাদখলকারী স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস গণতন্ত্রবিরোধী, অসাংবিধানিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে ভরপুর। ক্ষমতাকে কেন্দ্রবিন্দু করেই পরিচালিত হয়ে আসছে বিএনপির রাজনীতি। হ্যাঁ/না ভোটের প্রহসন, জাতিকে কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র উপহার, ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন, সাদেক-রউফ-আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত, এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার সৃষ্টি এবং একুশে আগস্টের মতো গণহত্যার মধ্য দিয়ে বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করে ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করার অপচেষ্টাসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা বিএনপি করেনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পবিত্র সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে। কোনো অপশক্তিই এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ। সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রাকে সুমন্নত রেখে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে আমরা বদ্ধপরিকর।