হিজরির বদলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করলো সৌদি সরকার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: সরকারি কাজে হিজরি ক্যালেন্ডার বা বর্ষপঞ্জিকার পরিবর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ব্যবহার শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মাদ বিন সালমানের নেতৃত্বে গত মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বা খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জিকা হলো আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক স্বীকৃত বর্ষপঞ্জিকা। ১৫৮২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরির আদেশ অনুসারে এই বর্ষপঞ্জীর প্রচলন ঘটে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি আরবের সব দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড ও লেনদেনের সময় পরিমা নির্ণয়ের জন্য গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, শরিয়া বিধির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়াবলির ক্ষেত্রে সময় নির্ধারণের জন্য হিজরি ক্যালেন্ডার ব্যবহার করার সুস্পষ্ট প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে নিয়ম শিথিল করা হবে।

এর আগে, ২০১২ সালে আরব সরকারি-বেসরকারি সব কাজ ও দাপ্তরিক লেনদেনে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সৌদি। সে সময় হিজরি তারিখ ও আরবি ভাষার ব্যবহার কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে, হিজরি তারিখের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারের অনুমতি ছিল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব উল্লেখযোগ্য আর্থসামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটিতে এখন বিশাল সংখ্যক প্রবাসী কর্মীর বসবাস। মে মাসে প্রকাশিত সৌদি পরিসংখ্যান বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মোট জনসংখ্যা ৩ কোটি ২২ লাখ, যার ৪১ দশমিক ৫ শতাংশই বিদেশি। এই জনসংখ্যার পরিমাণ ১ কোটি ৩৪ লাখ

সেই পরিসংখ্যানে বলা হয়, সৌদি আরবে বসবাসরত মোট প্রবাসী কর্মীর ৪২ শতাংশেরও বেশি হলো এশিয়ার তিনটি দেশের নাগরিক। আর এ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশটিতে ২১ লাখ বাংলাদেশি রয়েছে, যা দেশটির মোট প্রবাসীর ১৫ দশমিক ০৮ শতাংশ। পরের দুটি অবস্থানে যথাক্রমে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান, যার মধ্যে ১৮ দশমিক ৮ লাখ ভারতীয় ও ১৮ দশমিক ১ লাখ পাকিস্তানি রয়েছে।

১৮ লাখ প্রবাসী নিয়ে তালিকার চার নম্বরে আছে ইয়েমেন। সৌদিতে প্রায় ১৪ লাখ মিসরীয় ও ৮ লাখের বেশি সুদানের নাগরিক বাস করেন। তাছাড়া দেশটিতে ফিলিপাইনের ৭ লাখ ২৫ হাজার ও সিরিয়ার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ প্রবাসী রয়েছে।

সূত্র: সামা টিভি




বরিশালে হেমন্তে শীতের আগমনী বার্তা

 

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : আবহমান বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিতে আবারও শুরু হয়েছে ঋতুর পালাবদল। আবারও পাল্টাচ্ছে প্রকৃতি ও জীবন। ছয়ঋতুর বঙ্গাব্দ বর্ষপঞ্জিতে এখন চলছে কার্ত্তিক মাস। কার্ত্তিক-অগ্রহায়ণ এ দুই মাস বাংলায় হেমন্তকাল। আর হেমন্তকে বলা হয় অনুপম ও অপরূপ রূপের ঋতু। যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার মানুষের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্না। এ ঋতুতেই স্বপ্ন দেখেন বাংলার কৃষক-কৃষাণী।

সকালের শিশির ভেজা ঘাস আর হালকা কুয়াশায় প্রকৃতিতে বেজে ওঠে শীতের আগমনী বার্তা। মাঠের পাকা সোনালি ধান, কৃষকের ধান ঘরে তোলার দৃশ্য, কৃষক-কৃষাণীর নবান্নের আনন্দ সবই হেমন্তের রূপের অনুষঙ্গ। এ যেন হেমন্তেই শীতের হাতছানি। রাতভর টিপটিপ করে শিশির পড়ছে। খোলা মাঠে দুর্বা ঘাসের উপর চিকচিক করছে শিশির ফোটা। ভোরে ফসলের মাঠ, সবজি ক্ষেত ভরে যায় শিশিরে। নানা ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধময় ধান নদী খাল এই তিনে বরিশালে হেমন্তের প্রথমেই শীতের আমেজ অনুভব হচ্ছে ।

এ ঋতুতে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলে শুরু হয় মাছ ধরার উৎসব। বর্ষা আর শরতের বৃষ্টির জলধারা হেমন্তে শুকাতে থাকে। মাছে ভাতে বাঙালি হেমন্তকালে জাল, বর্শা-পলো ও বড়শি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে মাছ শিকারে। এদিকে দিনে গরম ও রাতে শীতের কারণে উপজেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাড়ছে শীতজনিত রোগবালাই। বিশেষ করে শিশু ও বয়ষ্করা সর্দি, কাশি,নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

বরিশাল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহা চন্দ্রদীপ নিউজকে বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সময় সাধারণত অনেকেই ভাইরাসজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হয়। সম্প্রতি বরিশালের হাসপাতালেও ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী বেশি পাচ্ছি। বিশেষ করে বর্তমানে শিশুরা শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসছেন। শিশু অসুস্থ হলে মায়ের বুকের দুধ দিতে হবে এবং নিয়মিত খাবার খাওয়াতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তার ঠান্ডা না লাগে। বসত বাড়িতে আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং ধুলাবালি থেকেও দূরে রাখতে হবে। শিশু একটানা ৩ দিনের বেশি অসুস্থ থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ নিতে হবে ।

এ বিষয়ে বরিশাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অনিরুদ্ধ দাস চন্দ্রদীপ নিউজকে বলেন, এ সময়টাতে ফসলি জমিতে পোকা মাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যায়। যেকারণে আমরা আগে থেকেই সঠিক ওষুধ, সঠিক মাত্রা, সঠিক সময় ইত্যাদি নির্ধারণের পর সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি। পাশাপাশি সঠিক পদ্ধতিতে বালাইনাশক স্প্রে করারও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।




মির্জাগঞ্জের ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক মজিদবাড়িয়া শাহী জামে মসজিদ।

জানা যায়, ৫০০ বছর আগে সুলতানি শাসন আমলে স্থাপিত হয় এ শাহী মসজিদটি। এই পুরাকীর্তিটি কাগজে-কলমে সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অযত্ন-অবহেলায় এখন  ধ্বংসের পথে। এ মসজিদের নামানুসারে এলাকার নাম হয়েছে মসজিদবাড়িয়া।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বর্তমানে মসজিদটির সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। তারপরও ঐতিহাসিক এ মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসেন।

পটুয়াখালী শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে মসজিদবাড়িয়া মসজিদ অবস্থিত।  সুলতান রুকনুদ্দীন শাহ বাকলা দখল করে ১৪৬৫ সালে মির্জাগঞ্জ থানার মজিদবাড়িয়া গ্রামে এক গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদে ৩টি দৃষ্টিনন্দন কারুকার্যখচিত মেহরাব আছে। পূর্বদিকে ৩টি খিলান পথ, ৬টি ৮ কোণার মিনার ও সুদৃশ্য পিলার রয়েছে।

একটি বারান্দাযুক্ত মসজিসটির পূর্ব-উত্তর ও দক্ষিণ দিকে দু’টি করে জানালা রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে দরজা-জানালার কপাট ও পিলারগুলোর অস্তিত্ব বিলীনের পথে।  বিশাল এক গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদটি রড ও সিমেন্ট ছাড়াই চুন সুরকি ও ইট দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদ সংলগ্ন একটি বড় দীঘি রয়েছে। মুসুল্লিরা সেখানে অজু ও গোসল করেন।

এখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন পরগনার ইয়াকিন শাহ ও কালাশাহ। মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব পাশেই রয়েছে আরও দুটি কবর। প্রতিবছর ৩০শে কার্তিক বার্ষিক মাহফিলের আয়োজন করে এন্তেজামিয়া কমিটি। মাহফিলে দেশবরেণ্য আলেম-ওলামারা ওয়াজ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, দ্রুত সংস্কার করলে মসজিদটি আরও দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। শাহী মসজিদের ইমাম মওলানা মো. ইব্রাহীম জানান, প্রাচীন স্থাপত্যকলার উজ্জ্বল নিদর্শন এই মসজিদ দেখতে বহু দর্শনার্থী মজিদবাড়িয়া গ্রামে আসেন। এই মসজিদে যারাই নামাজ পড়েন, প্রশান্তিতে তাদের মন ভরে ওঠে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. বাবুল হাওলাদার   জানান, মসজিদ-সংলগ্ন রেস্ট হাউসটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। রেস্ট হাউসসহ মসজিদের উন্নয়নে বর্তমান সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান (অতি. দা.) জানান, মসজিদটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হবে।




আরও ৫০টি মডেল মসজিদ আজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ষষ্ঠ পর্বে আজ আরও ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিককেন্দ্র উদ্বোধন করবেন।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত জাতীয় ইমাম পরিষদ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও তিনি যোগ দেবেন। মানুষের কাছে ইসলামের সঠিক বাণী পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণে শেখ হাসিনা সারা দেশে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নেন।

মডেল মসজিদ এবং ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমাম প্রশিক্ষণকেন্দ্র, গবেষণাকেন্দ্র এবং ইসলামী গ্রন্থাগার, অটিজম কর্নার, দাফন কার্যক্রমের ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং সুবিধা, হিফজখানা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা, ইসলামী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সম্মেলন কক্ষ এবং ইসলামিক দাওয়া, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র এবং দেশি-বিদেশি অতিথিদের জন্য বোর্ডিং সুবিধা থাকবে।

দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলার পাশাপাশি সব পৌরসভায় ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মডেল মসজিদ নির্মাণে সরকার ২০১৭ সালে ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে। বিভিন্ন পর্যায়ে এ পর্যন্ত ২৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে।




হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে দ্রুত কী করবেন?

যে কোনো ব্যক্তির স্বাভাবিক রক্তচাপ (১২০/৮০এমএম এইচজি) হওয়া উচিত। তবে যদি কারণে রক্তচাপ ৯০/৬০ এমএম এইচজি এর নিচে নেমে যায় তাকে নিম্ন রক্তচাপ বা হাইপোটেনশন বলা হয়।

নিম্ন রক্তচাপ বা লো প্রেশারের লক্ষণ কী কী?

রক্তচাপ কম থাকলে অনেক সমস্যা হতে পারে। রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণে অস্পষ্ট দৃষ্টি, ক্লান্তি, দুর্বলতা, অস্থিরতা, বিভ্রান্তি, মনোযোগ দিতে অসুবিধা, বমি বমি ভাবের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

লো প্রেশারের চিকিৎসা কী?

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অনেক উপায় আছে, যেগুলো আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এ বিষয়ে আয়ুর্বেদ ডা. দীক্ষা ভাবসার নিম্ন রক্তচাপের জন্য সস্তা ও কার্যকরী প্রতিকার সম্পর্কে জানিয়েছেন তার ইনস্টাগ্রামে-

হিমালয় লবণ

এই ডাক্তারের মতে, এক গ্লাস সাধারণ পানিতে আধা চা চামচ হিমালয় লবণ (২.৪ গ্রাম) মিশিয়ে পান করলে দ্রুত নিম্ন রক্তচাপ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

হিমালয় রক সল্ট পটাশিয়ামের একটি বড় উৎস। এই কারণেই এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। আপনার আশপাশে কারো রক্তচাপ যদি হঠাৎ কমে যায়, তাহলে এই রেসিপি তাৎক্ষণিক উপশম দিতে পারে।

একে হিমালয় বা গোলাপি লবণও বলা হয়। এটি নোনতা ও স্বাদে সামান্য মিষ্টি, প্রভাবে ঠান্ডা ও হজমে হালকা। এটি চর্মরোগের জন্যও কার্যকরী উপাদান হতে পারে।

চিকিত্সকের মতে, নোনতা স্বাদের কারণে, হিমালয় লবণ বাতাসের ভারসাম্য বজায় রাখে ও কফ বের করে দিয়ে বুকের ভিড় দূর করতে সাহায্য করে। কফ থেকেও মুক্তি দেয় এই লবণ।

এই লবণ মেশানো পানি পান করলে শরীরের টক্সিন বের হয়ে যায় ও শরীরকে হাইড্রেট করে। পাশাপাশি হারিয়ে যেতে পারে এমন খনিজগুলো পূরণ করতে সহায়তা করে।

সূত্র: প্রেসওয়্যার ১৮




সংখ্যালঘু নির্যাতনে বিএনপি ছিলো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’

বরিশাল অফিস: পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে এসে বিএনপি ও জামায়াতের চারদলীয় জোট সরকারের সময়কার বিশ্বব্যাপী আলোচিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য মন্ত্রী পদমর্যাদায় থাকা বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছিলো। যা ওইসময় বিশ্বব্যাপী ব্যাপক নিন্দার ঝড় তুলেছিলো।

রাতে জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি আরও বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিসন্নিকটে তাই পূনরায় বিএনপি ও তাদের দোসররা সার্বজনীন দুর্গাপূজাকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছিলো। এ কারণে সনাতন ধর্মাবোলম্বীদের মধ্যে একধরনের অজানা আতঙ্ক ছিলো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর নির্দেশে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আমরা স্ব-স্ব এলাকার চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে প্রতিটি পূজা মন্ডপে স্বাচ্ছন্দ্যে পূজা উৎসব পালনের জন্য শৃংখলা কমিটি গঠণ করে দিয়েছি। এ কারণে সংখ্যালঘু নির্যাতনে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিএনপি ও জামায়াতের গভীর ষড়যন্ত্র এবারও ধুলিসাত হয়ে গেছে।

আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি বলেন, কোন ষড়যন্ত্রই বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দাবায়ে রাখতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবেনা। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি, দেশের শান্তিপ্রিয় জনগনকে সাথে নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করা হবে।

একইদিন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি গৌরনদী উপজেলার সরিকল ও বাটাজোর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র হারিছুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।




আগামী বছর থেকে উঠে যাচ্ছে বিজ্ঞান-মানবিক-বাণিজ্য বিভাগ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন থাকছে না। চালু হচ্ছে নতুন শিক্ষাক্রম। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার মতো আলাদা বিভাগ বেছে নেওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে। সব শিক্ষার্থী পড়বে একই পাঠ্যবই।

২০২৫ সালে এ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যখন দশম শ্রেণিতে উঠবে, তখন সেখানেও বিভাগ বিভাজনের সুযোগ থাকবে না। আর ২০২৬ সালে এ শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। সেখানে সবার পরীক্ষার বিষয় ও প্রশ্নপত্র একই থাকবে। মূল্যায়ন করা হবে সূচক বা চিহ্নভিত্তিক

সোমবার (২৩ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (সরকারি মাধ্যমিক-২) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণিতে বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) বিভাজন না থাকার বিষয়ে মাঠপর্যায়ে পত্র জারির প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো।




বরিশালে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শণ করেন জেলা প্রশাসক

বরিশাল অফিস: বরিশালে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম। শনিবার রাতে আগৈলঝাড়া উপজেলার বারপাইকা, উপজেলা সদর, গৈলাসহ বিভিন্ন স্থানের দূর্গামন্ডপ পরিদর্শন করে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক মো: শহিদুল ইসলাম।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেনসহ অন্যানরা। অন্যদিকে একই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে
বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. জামিল হাসান ও জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল
ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দরা।




ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী ‌‘আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে ছিল, আছে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫ পর বাংলাদেশকে অসাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অনেক অত্যাচার নির্যাতন হয়েছে। ’৯২, ২০০১ ও তার আগে বার বার আঘাত এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময় আপনাদের পাশে ছিল, পাশে আছি।



বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

 

বরিশাল অফিস: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন এবং সার্বিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে দিনব্যাপী বরিশাল সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল(অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

শনিবার (২১ অক্টোবর) পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে তিনি হিন্দু ধর্মালম্বীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পুজা মন্ডপের সার্বিক সকল বিষয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কর্তব্যে নিয়োজিত পুলিশ সদস্য ও ডিউটি তদারকি কর্মকর্তাদেরকে সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় তিনি পূজামণ্ডপ ও তার আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসি ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান এবং যে কোনো অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হওয়ার সাথে সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়াও তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ ভাবে একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই সবাই যে যার উৎসব মিলেমিশে পালন করতে পারে।হিন্দু মুসলিম আমরা সবাই ভাই ভাই।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসব শতভাগ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পালনের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক তাদের পাশে আছে বলেও জানান।

বরিশাল সদর ৫ আসনের সংসদ সদস্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি’র সাথে বরিশাল সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তার সাথে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃমনিরুজ্জামান, বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান মধু,বরিশাল মহানগর আওয়ামী যুবলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মাহমুদুল হক খান মামুন, চাদপুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচ এম জাহিদ, বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম মেহেদী হাসান বাপ্পি সহ বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এর সহোযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।