ঝগড়ার সময় যে কথাগুলো বলবেন না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রেগে গেলে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন সব শব্দ ব্যবহার করি যেগুলো আসলে সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে নিয়ে যায়। আবার ঝগড়ার সময় একটু রয়েসয়ে কথা বললেই সম্পর্কের সৌন্দর্য ধরে রাখা সহজ হয়। তাতে দু’জনের মধ্যে ঝগড়ার প্রভাব খুব একটা পড়ে না। সম্পর্ক থাকলে ঝগড়াও থাকবে। মতের অমিল হবেই। সেখান থেকে হতে পারে কথা কাটাকাটিও। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন একজন অপরজনের জন্য অসম্মানজনক কিছু না বলেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঝগড়ার সময় কোন কথাগুলো বলা থেকে বিরত থাকতে হবে-



অস্তিত্ব সঙ্কটে কুয়াকাটার বেত ও বাঁশশিল্প কারিগররা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী :পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপজেলার গ্রামগঞ্জে একসময় বাঁশ আর বেতের তৈরি পাত্রই ছিল ধান-চাল রাখার ভরসা।
গোলা ভরা ধান যে পাত্রে রাখা হতো সেই গোলাই তৈরি হতো বাঁশ কিংবা বেত দিয়ে।

কিন্তু এ যুগে প্লাস্টিকের দাপট আর সহজলভ্যতার কারণে দখল হওয়ায় বাঁশ-বেতশিল্পের অনেক কারিগর এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। যে ক’জন ধরে রেখেছেন তারা আছেন খুব কষ্টে। এ পেশার লোকদের দিন চলে কোনো রকমে। পুঁজি আর ক্রেতার অভাবে এগুলোর দেখা মিলছে না হাটবাজারে। ফলে অস্তিত্বসঙ্কটে পড়েছে এককালের গ্রামে জৌলুশ নিয়ে চলা বাঁশ আর বেতের তৈরি আসবাবপত্র।

একটা সময় গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে ছিল বাঁশ আর বেতের তৈরি ধান মাপার পালা, ধামা সের, গোলা, কুলা, চালনি, পানডালা, ধানের গোলা, নানা রঙের চাটাই, ছোট ছোট পাটি, খেলনা, গরুর ঠুসি, কলমদানি, কাস্তের ঠোঙ্গা, বাঁশি, ফুলদানি, তরকারি ঢাকনা, চাল মাপার পুরাসহ নানান রকমের আসবাবপত্র। আধুনিক সময়ে এসবের ব্যবহার নেই বললেই চলে। এগুলো এখন আর চোখেও তেমন পড়ে না। বাঁশের কিছুটা দেখা মিললেও বেতের দেখা মিলছেই না একদম। এক দিকে যেমন ব্যবহারে আগ্রহ হারিয়েছে গ্রামের বাসিন্দারা, তেমনি কারিগরদের মজুরি এবং বাঁশ আর বেতসঙ্কটে এ পেশা বিলুপ্তির পথে।

২৫ বছর ধরে কুটির শিল্পে জড়িত কুয়াকাটা উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের পুলিন ব্যাপারি বলেন, একটা সময় বিক্রিবাট্টা খুব ভালো ছিল। উৎপাদন খরচ ও কাঁচামালের দাম কম থাকার পাশাপাশি চাহিদাও ছিল বেশ। সবমিলিয়ে ভালোভাবেই চলত দিনগুলো। এখন কাঁচামালের অভাব আর উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় এ শিল্প একেবারেই শেষের পথে। সবমিলিয়ে যেন এ শিল্পটা আর থাকল না।
তিনি আরো বলেন, একটা মাঝারি ডোলা বানাতে সময় লাগে এক দুপুর। এখানে কাঁচামাল আর সময় মিলিয়ে যেটি ব্যয় হয় সেটি কাক্সিক্ষত টাকায় বিক্রি করতে পারি না। আগে ডেইলি ১০টা ডোলা বিক্রি হতো। এখন সপ্তাহে ১০টা বিক্রি হয় না। সরকার এ দিকে নজর দিলে এ শিল্পটা বেঁচে যেত। গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ ও কারিগরদের উন্নত প্রশিক্ষণের দাবি জানান তিনি।

অনিল চন্দ্র ব্যাপারী বলেন, কুটির শিল্পের সাথে জড়িত ছিলাম প্রায় ২০ বছর। এ পেশাকে বংশপরম্পরায় নিয়েছিলাম আপন করে। আমার বাবার হাত ধরে শিখছিলাম এ কাজ। কিন্তু বাঁশ-বেতসঙ্কট ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় এ পেশা ছেড়ে দিয়েছি।

পটুয়াখালী জেলার বিসিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আলমগীর সিকদার বলেন, বিভিন্ন সেক্টরেই আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে। কুটির শিল্পের নানা জিনিসপত্র এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রফতানি করা হচ্ছে। যে পরিমাণে চাহিদা রয়েছে সে পরিমাণ আমরা রফতানি করতে পারছি না। আমরা বছরে দুই থেকে তিনবার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি, তারা এলে আমরা উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারি। পেশায় ভ্যারিয়েশন আনতে হবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত মেলায় ভালো বিক্রি হয়। নতুনত্ব না থাকায় বাজারে টিকতে না পেরে ছিটকে পড়ছে। আমরা সব সময়ই চেষ্টা করি কুটির শিল্পীদের সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার। এটা সবসময় অব্যাহত থাকে।




সপ্তাহে ১ দিন শ্যাম্পু করলেই খুশকি দূর হবে 




ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকার সহজ ৭ উপায়




শীতের মরসুমে পেটের সমস্যা, সমাধান ? 

চন্দ্রদ্বীপ অনলাইন:  শীতকাল মানেই ভূরিভোজ। এই সময়ে হজমের সমস্যা লেগেই থাকে। শরীর চাঙ্গা রাখতে ডায়েটে রাখতে পারেন বিশেষ চাটনি। কবাবের সঙ্গে পুদিনার চাটনি না হলে ঠিক জমে না। স্যান্ডউইচ হোক কিংবা শরবত, পুদিনা পাতা দিলেই স্বাদ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। তবে কেবল রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করতেই নয়, শরীর চাঙ্গা রাখতেও বেশ উপকারী এই পাতা।

১) হজমের সমস্যা দূর করে: শীতকাল মানেই ভূরিভোজ। এই সময়ে যদি হজমের সমস্যা হয়, সে ক্ষেত্রে পুদিনার চাটনি কিন্তু কাজে আসতে পারে। পুদিনায় থাকা যৌগ হজমে সহায়ক উৎসচেকগুলির ক্ষরণ বাড়িয়ে তোলে। গলা, বুকে জ্বালা ভাব কমায়। তবে খেয়াল রাখবেন চাটনিতে যেন লঙ্কা না থাকে। তা হলে কিন্তু উল্টে বিপত্তি বাড়বে। বদহজম হলে এক গ্লাস পুদিনার শরবতও খেতে পারেন।

২) ঋতুকালীন সমস্যা: প্রতি মাসে ঋতুস্রাব চলাকালীন শরীরে যে অতিরিক্ত ফোলা ভাব দেখা যায়, তা অনেকটাই ফ্লুইড বা ‘ইডিমা’ জমার কারণে। এই ফোলা ভাব দূর করতে পারে পুদিনা। ভাত, রুটি বা স্যুপের সঙ্গে এই পুদিনা পাতার চাটনি খেলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়।

৩) অন্ত্রের জন্য ভাল: পুদিনা পাতায় রয়েছে জ়ানথাইন অক্সাইড। এই যৌগটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করে। অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক থাকলে, তার প্রভাব পড়ে বিপাক হারের উপরেও। ফলে বিপাকক্রিয়ার উপর নির্ভর করে, ডায়াবিটিসের মতো এমন বহু রোগ ঠেকিয়ে রাখতে পারে পুদিনা।

৪) প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে: পুদিনা পাতার এই চাটনির স্বাদ আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য অনেকেই এর মধ্যে লেবুর রস, আমচুর পাউডার দেন। এই সব উপকরণের মধ্যেই যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। তাই প্রতিরোধ ব্যবস্থা মজবুত করার পক্ষে সহায়ক এই চাটনি।

৫) মন শান্ত রাখে: অনেক সময়ে বাড়তি কাজের চাপের কারণে বিরক্তি আসে, উদ্বেগ হয়। সেই সমস্যারও সমাধান করতে পারে পুদিনা। পুদিনা নিয়ম করে খেলে স্নায়ু শান্ত থাকে। কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।




বিদেশিদের জন্য হজের নিবন্ধন শুরু করল সৌদি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বিদেশিদের জন্য পবিত্র হজের নতুন মৌসুম— ২০২৪ সালের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে সৌদি আরব। দেশটির আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কেন্দ্র (সিআইসি) সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে,‘বিশ্বের সকল মুসল্লিরা তাদের পরিবারসহ এখন নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে  ১৪৪৫/২০২৪ সালের হজের নিবন্ধন করতে পারবেন।’



শুভ বড়দিন আজ




বড়দিনে মানতে হবে ডিএমপির ১৩ নির্দেশনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বড়দিন উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ উৎসব ঘিরে প্রত্যেক গীর্জায় স্থায়ীভাবে পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি পুলিশি টহল বৃদ্ধিসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন ও গোয়েন্দা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।



শীতে দাঁতের যত্ন নেবেন কীভাবে?

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: শীত আসতেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে শুরু করেছেন কমবেশি সবাই। তবে দাঁতের কথা ভুলে গেলে কী হবে? শরীরের অন্যান্য অঙ্গের সঙ্গে দাঁতের যত্নও অপরিহার্য। শীতে দাঁতের পুরোনো রোগগুলো বেড়ে যায়। এ সময় অনেকেরই ঠান্ডা পানির প্রভাবে দাঁতে ব্যথা, শিরশিরানি হওয়া, মাড়ি ফুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

শীতের সময় দাঁতের যত্নে কি করবেন? 

> নিয়মিত দু’বেলা দাঁত ব্রাশ করতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে ও সকালে নাশতা খাওয়ার পর।

> সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ব্রাশ সামনে-পেছনে করে দাঁত মাবেন না। এতে দাঁতের ক্ষয় হয়। দাঁত ব্রাশ করতে হবে আস্তে আস্তে ওপরে-নিচে করে।

নিচের পাটির দাঁতের জন্য ব্রাশ দাঁতের গোড়ার দিক থেকে ওপরের দিকে নিতে হবে। ঠিক তেমনি ওপরের পাটির জন্য দাঁতের গোড়ার দিক থেকে নিচের দিকে নিতে হবে।

> দেড় থেকে দুই মিনিট দাঁত ব্রাশই যথেষ্ট। এর বেশি করার দরকার পড়ে না। করলে দাঁত ক্ষয় হয়ে যেতে পারে।

> দুপুরে খাওয়ার পর ভালো করে কুলিকুচি করতে হবে।

> প্রতি দু’মাস অন্তর ব্রাশ ও প্রতি ৩ মাস অন্তর টুথপেষ্ট পরিবর্তন করতে হবে।

সমস্যা হলে করণীয়-

> দাঁতের ব্যথা সাময়িকভাবে কমানো কোনো চিকিৎসা নয়। সব সময় দাঁতের যত্নের প্রতি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

> মাড়ি থেকে যদি ব্রাশ করার সময় বা অন্য সময়ও রক্ত পড়ে তাহলে দাঁতের স্কেলিং দরকার।

> খাবার পর কিংবা অন্য যে কোনো সময় যদি দাঁত ব্যথা বা শিরশির করে তাহলে দেরি না করে ডেন্টিস্টের সঙ্গে দেখা করুন।

> সেনসিটিভিটি কমানোর জন্য ফ্লোরাইড জাতীয় ভালো পেস্ট ব্যবহার করতে হবে।

> অনেক সময় ব্রাশ ব্যবহারে অবহেলা ও অতিরিক্ত ব্রাশের কারণে দাঁত ক্ষয়ে যায়। এক্ষেত্রে দাঁতের ক্ষয়ে যাওয়া রোধে ফিলিং ও কোটিং করতে হয়। এতে ক্ষয় পূরণ হয়। বেশি ক্ষয় হয়ে ব্যথা শুরু হলে রুট ক্যানেল চিকিৎসারও প্রয়োজন হতে পারে।

> বছরে অন্তত দু’বার ডেন্টিস্টের কাছে দাঁত দেখানো উচিত। এতে আপনার দাঁতে কি সমস্যা হয়েছে সেই অনুযায়ী অল্পতেই সমাধান দেয়া যাবে।

যা পরিহার করতে হবে-

> দাঁত ব্যথা করলে গরম সেঁক দেওয়া উচিত নয়। বরফ দিতে হবে। তবে লবণ গরম পানি দিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে।

> দাঁতের পোকা বলে কিছু নেই। তাই ভ্রান্ত ধারণা পরিহার করতে হবে।

> দাঁত দিয়ে নখ কাটা উচিত নয়। এতে দাঁতের ক্ষয় হয়।

> দাঁত দিয়ে কোল্ডড্রিংস জাতীয় বোতলের মুখ খোলা উচিত নয়




অতিরিক্ত কফি পান ডেকে আনতে পারে যে বিপদ