শিক্ষক নিয়োগে ই-রেজিস্ট্রেশন শুরু, শিগগির পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ই-রেজিস্ট্রেশন চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করবে সংস্থাটি এবং তথ্য যাচাই শেষে শিগগির পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) এনটিআরসিএর সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) মুহাম্মদ নুরে আলম সিদ্দিকীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এনটিআরসিএ কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি) শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে পঞ্চম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে এনটিআরসিএর প্রচলিত নিয়ম অনুসারে সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শূন্যপদের তথ্য চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) অনলাইনে সংগ্রহ করা হবে। অনলাইনে চাহিদা দেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে ই-রেজিস্ট্রেশন (অনলাইন নিবন্ধন) কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠান পূর্বেই ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে, তাদের অবশ্যই ই-রেজিস্ট্রেশন প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে অনলাইন প্লাটফর্মে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পাদন কিংবা প্রোফাইল হালনাগাদ না করলে অনলাইনে নিয়োগযোগ্য শিক্ষকের শূন্যপদের চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) দেওয়া সম্ভব হবে না।

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এর মধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ই-রেজিস্টেশন ফর্মের এডিট অপশনে ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে।

কোনো প্রতিষ্ঠানের সব তথ্য অপরিবর্তিত থাকলেও ওই প্রতিষ্ঠানকে লগইন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। নতুবা ই-রেজিস্ট্রেশন নবায়ন বা হালনাগাদ হবে না। এজন্য ২৯ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশন করা এবং আগে ই-রেজিস্ট্রেশন করা প্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদ করার জন্য অনুরোধ করেছে সংস্থাটি।

এতে আরও বলা হয়, জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের নিজস্ব প্রোফাইলও হালনাগাদ করতে হবে। ই-রেজিস্ট্রেশন প্লাটফর্মে লগইন করার জন্য তাদেরকে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড টেলিটক থেকে এমএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে।

ই-রেজিস্ট্রেশন প্ল্যাটফর্মে লগইন করে তথ্য প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ই-রেজিস্ট্রেশন নামক সেবাবক্সে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হলো।

জানা গেছে, ২০২২ সালের আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসে সর্বশেষ এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। চতুর্থ ধাপে শিক্ষক নিয়োগের জন্য যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায় ৬৮ হাজার পদ শূন্য। এমপিওপ্রাপ্য এসব এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশ করতে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ। কিন্তু মাত্র সাড়ে ৩২ হাজার পদে প্রার্থী নির্বাচন করা সম্ভব হয়। যেখান থেকে মাত্র ২৭ হাজার নতুন শিক্ষককে গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষাংশে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। যাদের কেউ যোগ দিয়েছেন, কেউ কেউ দেননি।

নতুন শিক্ষকরা সবাই যোগদান করলেও ৪১ হাজারের বেশি শিক্ষক পদ শূন্যই থাকছে। এসবের সঙ্গে যোগ হবে ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত অবসরজনিত কারণে শূন্য হওয়া শিক্ষক পদ। এ হিসাবে প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক পদ এখন শূন্য।




অনাগত শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না, হাইকোর্টে নীতিমালা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না জানিয়ে নতুন নীতিমালা করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে বলা হয়েছে, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকসহ সবাইকে এ নীতিমালা মানতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না মর্মে নীতিমালা করে ছয় মাস আগে জমা দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) হাইকোর্টে এ বিষয়ে শুনানি রয়েছে।

জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিচালক ডা. তাহমিনা সুলতানা এ প্রতিবেদন জমা দেন। এর আগে ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

স্বাস্থ্য সচিব, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজ কল্যাণ সচিবকে এ নোটিশ পাঠান অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। নোটিশে তাদের তিন দিনের মধ্যে সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে মাতৃগর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা-লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধ করতে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়।

এ বিষয়ে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, আমাদের দেশে এখনো বেশির ভাগ মানুষের ছেলে সন্তানই আশা করেন। কারণ তারা মনে করেন, ছেলেরা বংশের ধারক, তারা আয় করে, বেশি শক্তিশালী। এমন কি অনেক নারীও মনে করে ছেলে সন্তান তাদের ভবিষ্যতের সুরক্ষা দেবে। এ অবস্থায় যদি পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় জানা যায় এবং তা মা-বাবার কাঙ্ক্ষিত না হলে গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। মা যদি হতাশায় ভোগেন, তবে বাচ্চার মস্তিষ্ক গঠন /বিকাশ সঠিকভাবে হয় না। চীন-ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে গর্ভে থাকা শিশুদের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধ হওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, গর্ভবতী মা ও শিশুর কল্যাণের জন্য বা অনাগত সন্তানের সুস্থতা জানতে তারা যেকোনো পরীক্ষা করতেই পারেন। কিন্তু শুধু পেটে থাকা সন্তান ছেলে না মেয়ে তা জানার উদ্দেশ্যে ডাক্তারি পরীক্ষা বা রিপোর্টে লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

মাতৃগর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা সম্পর্কে এর আগেই আইনে নিষেধ করা হয়। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার থেকে এটি তাদের নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করলো।




পরিবারের খাবার জোটাতে ময়লার স্তুপে ইদ্রিস আলী

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: স্ত্রী আর দুই সন্তান নিয়ে ইদ্রিস আলীর (৫৫) পরিবার। তাদের চার জনের খাবার জোটাতে তাকে প্রতিদিন যেতে হয় ময়লা-আবর্জনার স্তুপে।

তিনি প্রতিদিন সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ময়লার স্তুপ থেকে প্লাস্টিকের বোতল, লোহাসহ নানা ধরণের বস্তু খুঁজে বেড়ান।
তারপর খুঁজে পাওয়া লোহার রড ও প্লাস্টিকের বোতলসহ অন্যান্য সামগ্রী ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করেন। এ থেকে তার প্রতিদিনের আয় ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

ইদ্রিস আলীর বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামে। পৌরসভার বালিকা বিদ্যালয় ও বাজার রোডের সংযোগ সড়কে ফেলে রাখা প্রতিদিনের ময়লার স্তুপ থেকে চলছে তার পরিবার।

ইদ্রিস আলী আক্ষেপ করে বলেন, সরকার বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ দিলেও আমার মতো হতভাগার ভাগ্যে কোনটাই জোটেনি। চেয়ারম্যান মেম্বারদের সঙ্গে যাদের সখ্যতা আছে তারাই বার বার চাল, ডাল, তেল ও টাকা পেয়ে থাকে।

ক্ষোভ নিয়ে তিনি আরো বলেন, আমি গরিব ময়লা ছানি, আমাকে চোখে দেখে না কেউ।

বাউফল পৌসভার পরিচ্ছন্নকর্মী সেলিম বলেন, প্রতিদিন পৌরসভার বিভিন্নস্থান থেকে আনা ময়লা থেকে ইদ্রিস ভাই খুঁজে পুরানো জিনিসপত্র নিয়ে থাকে। দেখেছি প্রতিদিন এভাবে কুড়াইয়া আনে। তার কোনো অসুখ-বিসুখ দেখিনি। আল্লাহর কী লিলা খেলা, বড়লোকেরা বাসি খাবার খায় না। লোকটা গরীব মানুষ, বড়লোকের ডাস্টবিনে ফেলে রাখা খাবার তুলে নিয়ে খায় অথচ তার কিছু হয় না।

এ বিষয়ে নাজিরপুর ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান এসএম মহসিন বলেন, আমি মাত্র কয়েক মাস হলো নির্বাচিত হয়েছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পাইলস কেন হয়? জানুন লক্ষণ ও সমাধানের উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পাইলসে ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও এ সমস্যা বাড়ছে। এর কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস। চিকিৎসার ভাষায় একে হেমোরয়েড বলা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাইলস হলে মলদ্বারের চারপাশ ফুলে যায়। এটি এমন একটি রোগ যাতে মলদ্বারের ভেতরে ও বাইরের শিরাগুলো ফুলে যায়। আবার মলদ্বারের ভেতরে ও বাইরের অংশে কিছু মাংস জমা হয়।

এসব মাংসপিণ্ড থেকে রক্তপাতের পাশাপাশি প্রচণ্ড ব্যথা হয়। বিশেষত খুব গরম ও মসলাদার খাবার খেলে এই সমস্যা হয়। একই সঙ্গে পরিবারের কারো যদি এ সমস্যা থাকে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মেও রোগটি স্থানান্তরিত হয়।

পাইলস কেন হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়ুদ্বারের ভেতরে অনেকগুলো শিরা থাকে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে সেই শিরা সাধারণত ফুলে যায়। তারপর ওই স্থান শক্ত হয়ে ছিঁড়ে যায় ও রক্তপাত হয়। এ সমস্যারই নাম পাইলস বা হেমোরয়েডস। রক্তপাতই এ অসুখের প্রধান ও অন্যতম লক্ষণ।

সাধারণত মলত্যাগের সঙ্গেই রক্তপাত হতে থাকে। এছাড়া ব্যথাও হয় অনেকের। তবে সবারই যে অসহ্য যন্ত্রণা হয় তা কিন্তু নয়। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগ ধরা পড়লে সহজেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

পাইলসের লক্ষণ কী?

>> মলত্যাগের সময় অস্বাভাবিক ব্যথা বা জ্বালাপোড়া
>> মলের মঙ্গে রক্ত পড়া
>> মলদ্বারের চারপাশে ফোলা বা পিণ্ডভাব
>> মলদ্বারের কাছে চুলকানি ও
>> রক্তপাত।

পাইলস রোগের সমাধান কী?

এ বিষয়ে ভারতের কলকাতার ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পাল জানান, প্রথমেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে যেতে হবে।

কনস্টিপেশন কমাতে পারলেই এ সমস্যা কমবে। আর ঘরোয়া উপায়ে পাইলসের সমস্যার সমাধান করতে কয়েকটি নিয়ম মানতে হবে। সেগুলো হলো-

ফাইবারজাতীয় খাবার

পাইলসের রোগীদের অবশ্যই ফাইবার বা আঁশজাতীয় খাবার খেতে হবে। ফাইবার মল নরম করতে ও নিয়মিত মলত্যাগে সাহায্য করে।

পানি পান করুন

অনেকেই দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই পানি পান করতেই হবে। শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারলে অনেক রোগেরই ঝুঁকি কমবে।

শরীরচর্চার বিকল্প নেই

রুদ্রজিৎ পাল এ বিষয়ে জানান, সুস্থ থাকতে হলে ব্যায়াম করতেই হবে। ব্যায়াম করলে অন্ত্রের চলন ঠিক থাকে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে পারবেন। দিনে অন্ততপক্ষে ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করুন।

শিশুদের টয়লেট ট্রেনিং দিন

এই চিকিৎসকের মতে, বেশিরভাগ সময় দেখা যায় টয়লেট ট্রেনিং ঠিকমতো না হওয়ার কারণে শিশুরা অনিয়মিত মলত্যাগ করছে। এতে ছোট থেকেই শিশু কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে শুরু করে ও অল্প বয়সেই সে পাইলসের রোগী হয়ে যায়।

এসব নিয়ম মেনেও যদি পাইলসের সমস্যা না কমে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেতে হবে। এই অবস্থায় ল্যাক্সেটিভসহ বেশ কিছু ওষুধ দারুণ কার্যকরী বলে জানান ডা. রুদ্রজিৎ পাল।

তবে এই রোগ আরও গভীরে চলে গেলে ওষুধেও একসময় কাজ হয় না। তখন করতে হয় সার্জারি। এখন উন্নত প্রযুক্তি দ্বারা এ অপারেশন করা হয়, যা খুবই নিরাপদ। সার্জারির পরে রোগী খুব সহজেই সুস্থ হয়ে যান।

সূত্র: ওয়েবএমডি/মায়োক্লিনিক




সম্পর্ক কখন ভেঙে দেওয়া জরুরি?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দু’জনেরই সমান প্রচেষ্টা থাকা জরুরি। যার প্রেমে পড়ে একটা সময় তাকে ছাড়া বেঁচে থাকাই অসম্ভব মনে হতো, বাস্তবতা হলো, তাকে ছাড়াই হয়তো আপনাকে বেঁচে থাকতে জানতে হবে। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ বদলে যেতে পারে। হয়তো এমন কোনো বাস্তবতা আপনার সামনে আসতে পারে, যার পর আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না।



হজের নিবন্ধনে আরও ৮ দিন সময় বাড়লো

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  হজের নিবন্ধনে আরও আটদিন সময় দিয়েছে সরকার। দুই দফা সময় বাড়ানোর পর গত ১৮ জানুয়ারি শেষ হয় হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম। কিন্তু হজ এজেন্সিগুলো নিবন্ধনের সময় আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নিবন্ধনের জন্য আরও আটদিন সময় দিল ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

সময় বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় হতে হজ চুক্তির পূর্বেই হজযাত্রীর চূড়ান্ত সংখ্যা জানানোর বাধ্যবাধকতা থাকা স্বত্বেও হজযাত্রী ও হজ এজেন্সির বিশেষ অনুরোধে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো। এ সময়ের মধ্যে ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন বা প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করা যাবে।

প্রাথমিক নিবন্ধন করা হলে প্যাকেজের অবশিষ্ট মূল্য আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবশ্যিকভাবে একই ব্যাংকে জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় এ বছর হজে যাওয়া যাবে না এবং প্রদত্ত অর্থ ফেরত দেয়া হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ হতে পারে। এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ১৯৮ জন এবং এক লাখ ১৭ হাজার জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাতে পারবেন।

কিন্তু, এখন পর্যন্ত মোট ৫৩ হাজার ১৭৩ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৮০২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৯ হাজার ৩৭১ জন।

সেই অনুযায়ী কোটার ৪২ শতাংশ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এখনও ৭৪ হাজার ২৫ জন নিবন্ধন করেননি। অর্থাৎ কোটার ৫৮ শতাংশ খালি রয়েছে।

সৌদি সরকার হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার কারণে এবার বিভিন্ন দেশ থেকে কতজন হজে যাবে তা আগেভাগে জানাতে হবে। অন্যান্য বছর হজচুক্তির পর নিবন্ধন শুরু হলেও এবার সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী চুক্তির আগেই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে হয়।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হয়। প্রথম নিবন্ধনের সময় সময় ছিল ১০ ডিসেম্বর। পরে নিবন্ধনের সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। হজযাত্রীদের সাড়া না পাওয়ায় সর্বশেষ নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে ১৮ জানুয়ারি করা হয়।




সঞ্চয়পত্রে হয়রানি বন্ধ ও অতিরিক্ত চার্জ না নেওয়ার নির্দেশ




পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে অজানা রোগ

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : বেশ কিছু দিন ধরে খেতের বেশ কিছু গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে। কীটনাশক প্রয়োগ করেও গাছ বাঁচানো যাচ্ছে না। মাসুম সিকদার চলতি মৌসুমে তিন হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। বীজ, সার, সেচ ও শ্রমিক খরচ বাবদ মোট খরচ হয়েছে প্রায় ছয় লাখ টাকা। তাঁর খেতে ২০ হাজারের মতো তরমুজের চারা রোপণ করা হয়েছে। গাঢ় সবুজ লতায় মোড়ানো কোনো কোনো গাছে ফল এসেছে। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে খেতের বেশ কিছু গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে। কীটনাশক প্রয়োগ করেও গাছ বাঁচানো যাচ্ছে না। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মাসুম সিকদার।

মাসুম সিকদারের বাড়ি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে। তিনি ইউনিয়নের কাউখালী চরে তরমুজের চাষ করেছেন।
মাসুম সিকদার বলেন, তাঁর প্রতি হেক্টর খেত থেকে অন্তত ৩৫ মেট্রিক টন তরমুজের ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার বাজারমূল্য হবে কমপক্ষে এক কোটি টাকা। কিন্তু যেভাবে গাছ মরে যাচ্ছে, তাতে উল্টো লোকসানের শঙ্কায় আছেন তিনি। বিষয়টি তিনি কৃষি কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলার আরেক তরমুজচাষি মনির হাওলাদার কাউখালী চরে সাত হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা। তাঁর খেতে ৩০ হাজারের মতো তরমুজের চারা রোপণ করা হয়েছে। তাঁর খেতেও বেশ কিছু গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে। কী রোগে গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন এই চাষি। বিষয়টি তিনি কৃষি বিভাগকে জানিয়েছেন। খেতের গাছ রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা না নিতে পারলে তাঁর মতো কৃষকেরা লোকসানে পড়বেন বলে জানান মনির হাওলাদার।

দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান এলাকা পটুয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালী।

সরেজমিনে রাঙ্গাবালীর ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কাউখালী ও চরইমারশন চরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। তবে খেতের ফাঁকে ফাঁকে ফল ধরা তরমুজগাছ নিস্তেজ হয়ে পড়ে রয়েছে। চাষিরা কেউ ওষুধ ছিটাচ্ছেন। আবার কেউ মরা গাছ উপড়ে ফেলে দিচ্ছেন।

ইউনুস সিকদার নামের এক তরমুজচাষি বলেন, মরা গাছ থেকে পাশের আরেকটি গাছ রোগে আক্রান্ত হবে—এই ভয়ে আক্রান্ত গাছ খেত থেকে উঠিয়ে ফেলে দিচ্ছেন।

চরইমারশন এলাকার আহোসেন নামে এক চাষি বলেন, ‘তরমুজগাছের শিকড় এবং পাতা শুকিয়ে মরছে। কারণ যে কী বুঝি না। পানি দিচ্ছি, ওষুধ ছিটাই, কোনোটাতেই কোনো কাজ হয় না। ফল ধরেছে, এমন গাছও মরে যাচ্ছে। ধার আইন্যা তরমুজ দিছি। গাছ মইরা গেলে তো আমরা মাঠে মরব।’

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চাষিদের কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলার কাউখালী ও চরইমারশন—এই দুটি চরে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। এই দুটি চরে মোট এক হাজার হেক্টর খেতের মধ্যে আনুমানিক ১০০ হেক্টর খেত ক্ষতির মুখে পড়েছে। সঠিক কারণ নির্ণয় করতে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

গত বছর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৮ হাজার ২৬২ হেক্টর খেতে তরমুজের আবাদ হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন তরমুজ। যা বিক্রি করে কৃষকদের আয় হয় কমপক্ষে ৫৭৮ কোটি টাকা। এলাকার উপযুক্ত মাটি, উৎপাদন খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় এই উপজেলার কৃষকেরা তরমুজ চাষে বেশি ঝুঁকছেন।




এইচএসসি পাসে নিয়োগ দেবে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিতে (এমআরএ) ‘অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)

পদের বিবরণ
jagonews24

চাকরির ধরন: অস্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

বয়স: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিক ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা mra.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদন ফি: টেলিটক প্রি-পেইডের মাধ্যমে ২২৩ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

আবেদন শুরু: ২২ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ সকাল ১০টা থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ বিকেল ০৫টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।




পুরুষের পোশাকের রঙ নিয়ে যা বলেছেন মহানবী সা.

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে আদাম সন্তান! আমরা তোমাদেরকে পোশাক-পরিচ্ছদ দিয়েছি তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করার জন্য এবং শোভা বর্ধনের জন্য।

আর তাক্বওয়ার পোশাক হচ্ছে সর্বোত্তম। ওটা আল্লাহর নিদর্শন সমূহের মধ্যে একটি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। ’ ( সুরা আরাফ, আয়াত,২৬)

পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে হাদিসে বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে। পুরুষদের পোশাক বিষয়েও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট বিধান দিয়েছেন।

এক সাহাবি মহানবী  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাকে জিজ্ঞাসা করেন, আমার শখ হলো, আমার কাপড় উন্নতমানের হোক, আমার জুতা জোড়া অভিজাত হোক—এটা কি অহংকারপ্রসূত? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা বললেন, ‘নিঃসন্দেহে মহান আল্লাহ সৌন্দর্য পছন্দ করেন (সৌন্দর্যের প্রকাশ অহংকার নয়)। ওই ব্যক্তি অহংকারী, যে সত্যের সামনে ঔদ্ধত্য দেখায় আর মানুষদের তুচ্ছজ্ঞান করে, অবজ্ঞা করে। ’ (মুসলিম, হাদিস, ১৪৭)

পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য অবলম্বনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। বিষয়গুলো হলো:

১. কাফির-মুশরিকদের পোশাক গ্রহণ করা যাবে না।

২. ফাসেক-পাপাচারীদের মতো পোশাক পরিধান করা যাবে না।

৩. বিপরীত লিঙ্গের মতো পোশাক ধারণ করা যাবে না। অর্থাৎ পুরুষের জন্য নারীদের ন্যায় আর নারীদের জন্য পুরুষের মতো পোশাক পরিধান করা জায়েজ নয়।

৪. পোশাক হতে হবে ঢিলেঢালা। আরামদায়ক।

পুরুষদের জন্য রেশমি কাপড় পরিধানও বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে পুরুষদের জন্য রেশমি কাপড় এবং স্বর্ণ ব্যবহার করা হারাম; কিন্তু নারীদের জন্য তা হালাল। ’ (তিরমিজি, হাদিস, ১৭২০)

পুরুষদের জন্য একেবারে লাল ও হলুদ রঙের পোশাক না পরা কথা বলা হয়েছে। তাদের জন্য একেবারে গাঢ় লাল রঙের পোশাক পরিধান করা মাকরুহ। তবে হালকা লাল রঙের পোশাক পরিধান করা বৈধ। (রদ্দুল মুহতার : ৬/৩৫৮, কাশফুল বারি : কিতাবুল লেবাস : ২০৯)

আর পোশাকের ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষণীয় হলো- বিলাসিতা প্রকাশ পায় এমন পোশাক পরিহার করা। কারণ, সীমাতিরিক্ত বিলাসিতার গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেওয়া কাফিরদের অভ্যাস।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘বিলাসিতা পরিহার করো। আল্লাহর নেক বান্দারা বিলাসী জীবনযাপন করে না। ’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২২১০৫)