রোজায় শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে করণীয়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিভিন্ন খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানলে এবং খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকলে রোজায় সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকা যাবে।

সতেজ থাকতে করণীয়: সাহরিতে খুব দেরিতে ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়া করে না খেয়ে, একটু আগে উঠতে হবে।

এক গ্লাস হালকা গরম পানি খেয়ে পেট পরিষ্কার করে হালকা হাঁটাহাঁটি করলে এবং ধীরে ধীরে চিবিয়ে বিভিন্ন রঙের খাবার যেমন—তিন-চার রঙের সবজি, দু-তিন রকমের ফল ইত্যাদি গ্রহণ করলে খাবার সহজে হজম হবে।

রোজাদারদের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে একটি নিয়ম বানিয়ে ফেলতে হবে। যেমন—সাহরিতে তিন গ্লাস, ইফতারিতে পানি ও শরবত মিলিয়ে তিন গ্লাস, তারাবির নামাজের আগে ও পরে দুই গ্লাস, রাতের খাবারের পরে দুই গ্লাস, ঘুমানোর আগে বা সাহরিতে হাফ গ্লাস বা এক গ্লাস দুধ (রোগ ও বিশেষ অবস্থার জন্য ডায়েটিশিয়ানের নির্দেশনা অনুযায়ী এই নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে)।

রোজা ভেঙে অনেক বেশি খাবার একবারে খাওয়া যাবে না। সারা দিন পাকস্থলী বা হজমের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত অঙ্গগুলো প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকে। হঠাৎ করে বেশি খাবার পেলে সেগুলোর কাজের গতি বেড়ে যায়। যার দরুন রোজাদারদের অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে।

তাই ইফতারের খাবার হওয়া চাই সহজপাচ্য। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যক্তিভেদে খাবার গ্রহণের পরিমাণও নির্দিষ্ট হতে হবে। ডায়াবেটিস, কিডনি রোগী এবং অন্যান্য বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার তালিকা প্রস্তুত করা উচিত। 

খাবারের পরিমাণের পাশাপাশি খাবার তৈরির পদ্ধতি, রান্নার তেলের মান, খাবার রান্নার পাত্র, পরিবেশনের পাত্র, খাবার প্রস্তুতের পরে সেটা ঢেকে রাখা হচ্ছে কি না, খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, সালাদ বা ফল কতক্ষণ বাইরে রাখা হয়েছে ইত্যাদি ব্যাপার অবশ্যই পর্যবেক্ষণ করা উচিত। শরবতে চিনির ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া ভালো।

 

ব্যবহার করলেও কম পরিমাণে করতে হবে। প্রাকৃতিক চিনি স্টেভিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। ফল জুস করে না খেয়ে স্বাভাবিকভাবে চিবিয়ে খাওয়া ভালো। অবশ্যই খাবারের আগে ও পরে হাত ধোয়া অর্থাৎ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

মোটকথা, আপনার কী ধরনের খাবার প্রয়োজন সেটা একজন অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানের কাছ থেকে জেনেবুঝে গ্রহণ করতে পারেন। কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে রোজার সময় ওষুধের ডোজের মাত্রা কেমন হবে, কখন কখন খেতে হবে, সেগুলো ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত।

পরামর্শ দিয়েছেন ফাতিম তুজ জুহুরা, মেরিন হেলথকেয়ার হসপিটাল, খিলক্ষেত, ঢাকা।




রোজা না রাখলে জেল-জরিমানা হয় যে দেশে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রোজা মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। আরবি মাস রমজান জুড়ে সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে রোজা পালন করেন সারা বিশ্বের মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা। সুবহে সাদেক বা ভোরের সূক্ষ আলো থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার,পাপাচার, কামাচার এবং সেই সঙ্গে যাবতীয় ভোগ-বিলাস থেকেও বিরত থাকার নাম রোজা। ইসলামী বিধান অনুসারে, প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য রমযান মাসের প্রতিদিন রোজা রাখা ফরজ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রোজা পালনের আছে নানান সংস্কৃতি। রোজা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের উপর ফরজ করা হয়েছে। তবে অনেকেই আছেন সুস্থ সবল থেকেও ঠিকভাবে রোজা রাখেন না। একমাস রোজা না পালন করলেও কয়েকটি রোজা রাখেন। কিন্তু এমন একটি দেশ আছে যেখানে রোজা পালন করাটা বাধ্যতামূলক। সেখানে কেউ রোজা না রাখলে গ্রেফতার করা হয়। এমন নিয়ম আছে নাইজেরিয়ায়।

সেখানে এই নিয়ম না মানার কারণে এরই মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাইজেরিয়ায় পবিত্র রমজান মাসে রোজা না রাখা মুসলমানদের গ্রেফতার করছে সেই দেশের ইসলামিক পুলিশ। মূলত আফ্রিকার এই দেশের একটি প্রদেশে রোজার মাসে এই নিয়ম আছে। সেখানে দিনের বেলা খাবার খেতে দেখলে গ্রেফতার করা হয়।

নাইজেরিয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। কিন্তু সেখানের ১২ প্রদেশে চালু করা হয়েছে শরিয়াহ্ আইন চালু। ওই ১২টি প্রদেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকই সংখ্যাগরিষ্ঠ। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সেই সমস্ত প্রদেশগুলির মধ্যে একটি হল কানো। আর কানোর ইসলামিক পুলিশ ‘হিসবাহ’ নামে পরিচিত। তারা প্রতি বছর রমজান মাসে খাবারের দোকান এবং বাজারে তল্লাশি চালিয়ে থাকে।

জানা গেছে, কানোতে মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয় ১১ জনকে। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং একজন নারী। গ্রেফতার করার পরে জানিয়েছেন এবার থেকে প্রতিদিন রোজা পালন করবেন তারা। এরপরে তারা আর ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ‘বাদ’ দেবেন না বলে শপথ করার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

হিসবাহের মুখপাত্র লওয়াল ফাগে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের এই রকম অনুসন্ধান এবং তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে অমুসলিমরা এই অভিযানের আওতার বাইরে থাকছেন।’ লওয়াল ফাগে বলেন, ‘রোজা পালন অমুসলিমদের জন্য নয়। যাদের রোজা রাখার কথা, সেসব মুসলমানের কাছে বিক্রি করার জন্য যারা খাবার রান্না করে এবং সেটা খান তাদের ধরা হয়।’

সূত্র: বিবিসি




সেহরির জন্য যেসব খাবার ক্ষতিকর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সেহরির জন্য কোন খাবারগুলো ক্ষতিকর তা জানা জরুরি। কারণ সঠিক খাদ্য নির্বাচন করতে না পারলে তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে। রোজায় সুস্থতা ধরে রাখা জরুরি। যে কারণে সাহরির খাবারের প্রতি খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ইফতার ও সেহরিতে কী খাচ্ছেন অথবা খাচ্ছেন না তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে পুরো রমজানজুড়ে আপনি কেমন থাকবেন। কিছু খাবার আছে যেগুলো সেহরির জন্য ক্ষতিকর। চলুন জেনে নেওয়া যাক-



সড়কের পাশে ‘ইফতার খানা’ প্রতিদিন বাড়ছে রোজাদারদের উপস্থিতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী শহরের প্রানকেন্দ্র ঝাউতলায় প্রতিদিন আসরের নামাজের পর পরই একদল সেচ্ছাসেবকরা জড়ো হচ্ছেন।

ফোর লেনের প্রশস্ত ওয়াকওয়েতে পলিথিন সিটি(ট্রিপল) বিছিয়ে একে সেখানে দুই সারি করে রাখা হচ্ছে প্লেট, গ্নাস এবং পানির বোতল। একে একে ইফতারীর জন্য সেই প্লেটেরেইরই রাখা হয় ১০ পদের খাবার ঠিক যেন কোন বাড়িতে দাওয়াত করা মেহমা দের জন্য খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। কিন্তু না এগুলো প্রস্তুত হচ্ছে পথচারী ও অসহায় মানুষের ইফতারের জন্য। প্রতিদিন এভাবে কয়েকশ মানুষকে বিনা মূল্য ইফতারের আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রথম রমজান থেকেই শুরু হওয়া এই ইফতার কার্যক্রমের নাম দেয়া হয়েছে ইফতার খানা। পটুয়াখালী জেলার সেচ্ছাসেবী সংগঠন পটুয়াখালী বাসী এই এফতারের আয়োজন করছে। জেলার বিত্তবানদের সহযোগীতায় চলছে এই কার্যক্রম, যা চলছে শেষ রমজান পর্যন্ত। ইফতার করার পাশাপাশি এখানেই ওজু এবং জামাতে নামাজ পরারও ব্যবস্থা করেছে সেচ্ছাসেবী সংগঠনটি। জামাতে নামাজ আদায় করার জন্য রয়েছেন একজন ইমাম।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পটুয়াখালী বাসী’র সভাপতি মাহমুদ হাসান রায়হান বলেন, গত বছরেও আমরা এই ইফতার কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। গত বছর আমাদের কিছু টাকা বেচে গিয়েছিল সেই টাকা দিয়ে এ বছর প্রথম রোজায় ইফকতার কার্যক্রম শুরু করি। আমাদের এখানে মোট ১০ আইটেম এর খাবার দিয়ে থাকি এর মদ্যে আছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, জিলাপি, আলুর চপ, পেয়ারা, খেজুর, কলা, সরবত এবং মিনারেল ওয়াটার এর পানি।

এক জন মানুষকে ইফতার করাতে ৯০ টাকা করে খরচ হচ্ছে। প্রথম দিনে ৫০ জন দিয়ে ইফতার খানা শুরু করলেও বর্তমানে ১০০ জনকে ইফতার করানো হচ্ছে। সহযোগীতা এবং চাহিদা বৃদ্ধি পেলে সংখ্যা বড়ানো হবে। এছাড়া আগামী ৬ রমজান পর্যন্ত আমাদের অর্থের সংস্থান হয়েছে। বিত্তবানরা সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন, আশা করছি শেষ রমজান পর্যন্ত আমাদের এই নইফতার খানার কার্যক্রম চালাতে পারবো। ইতিমধ্যে আগামী ৬ রোজা পর্যন্ত ইফতারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান হয়েছে,পাশপাশি অনেকেই প্রতিশ্রæতি দিয়েছে সহযোগীতা করার।’

শুক্রবার বিকিলে ঝাউতলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সড়কের পাশে সারি সাড়ি অটোরিকশা,ভ্যান সহ সাইকেল স্টান্ড করে রাখা হয়েছে। সকলেই ইফতার খানার মেহমান হয়ে ইফতার করছেন। সেখানেই কথা হয় অটোরিকশা চালক আলম গাজীর সাথে। তিনি বলেন, ‘কোন হোটেলে ইফতার করতে গেলে কমপক্ষে ১শ টাকা খরচ হয়। সারা দিন যা আয় করি তাতে ঠিক মতো সংশারের খরচই চালাইতে পারি না। হের পর যদি একলা মানুষ ইফতার করতে ১শ টাহা খরচ করি তয় পোলা পানেরে খাওয়ামু কি? পহেলা রমজান হইতে এই হানে ইফতার করি। রাস্তার পাশেই অটো রাখতে পারি, চোহের সামনে থাহে, চুরি হওয়ার ভয় নাই। হেরপর নামাজটাও এহানে পরতে পারি। আর যে ভাইরা ইফতার আয়োজন করে হেগো ব্যবহার ও অনেক ভালো। মানষেরে (মানুষ) বোলাইয়া বোলাইয় (ডেকে ডেকে) ইফতার করায়।

এদিকে বিগত বছরগুলোর মত এ বছর ও পটুয়াখালী পৌরসভার পক্ষ থেকে এই ইফতার কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছে পটুয়াখালী পৌরসভা। পৌরসভার পক্ষ থেকে মুসুল্লিদের ওজু করার জন্য বেশ কিছু পানির ট্যাপ স্থাপন করে দেয়া হয়েছে। পাশপাশি বসানো হয়েছে অস্থায়ি ডাস্টবিন।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘আমি সহ আমার যত শুভাকাঙ্খি আছে সকলকেই বলেছি এখানে নিয়মিত ইফতার কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগীতা প্রদানের জন্য। গত বছরও আমি বেশ কয়েকদিন ইফতারের ব্যবস্থা করেছি, এ বছরও সার্বিক সহযোগীতা করবো। যেদিন কোন ডোনার থাকবে না সেদিন আমার পক্ষ থেকে ইফতারের অয়োজন করা হবে। আমার বন্ধু জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, তিনিও এই কার্যক্রমে সহযোগীতা করছেন। পাশপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু ইফতার পার্টি আয়োজন না করার বিষয়ে অনুৎসাহিত করেছেন সে কারনে অসহায় মানুষদের নিয়েই এবার ইফতার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

 




রোজা কি মস্তিষ্ক ও মানসিক রোগের উপশম করে?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পবিত্র রোজার মাসে ব্রেইন তথা মানসিক রোগে আক্রান্ত রোগীদের অভিভাবকরা রোজা নিয়ে প্রায়ই কিছু প্রশ্ন করেন যেমন- রোজা কি মানসিক রোগীর উপসর্গকে বাড়িয়ে দিবে? বা রোজায় মানসিক রোগীরা তাদের ওষুধ বা ইনজেকশন কিভাবে নেবেন?

প্রকৃতপক্ষে রোজা বা Intermittent Fasting মানসিক রোগীদের জন্য উপকারী। রোজা মানসিক রোগীদের আবেগ (Emotion) নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে এবং মনোযোগ (Concentration) ও মেমোরি (Memory) সুগঠিত রাখে।

রোজার সময় দেহে যে কিটোন উৎপন্ন হয়- এর মধ্যে বিএইচবি (BHB- Beta hydroxybutyrate) বিষন্নতা রোগ প্রতিকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ব্রেইনের জটিল রোগ উপশমে রোজা

রোজার সময় দেহ বা ব্রেইন গ্লুকোজের পরিবর্তে শরীরের ক্ষতিকর চর্বিকে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহার করে ফলে উৎপন্ন হয় কিটোন বডি। পজিট্রন ইমিশন টোমোগ্রাফিক (PET Scan) করে দেখা গেছে রোজা বা ফাস্টিংয়ে ব্রেইন সেল অন্যান্য সময়ের তুলনায় প্রায় ৭-৮ গুণ বেশি কিটোন বডি ব্যবহার করে থাকে।

রোজার ফলে উৎপন্ন কিটোন বটি অটিজম (Autism), এলজিমার্স  (Alzheimer’s), এডিএইচডি (ADHD), মৃগীরোগ (Epilepsy), পারকিনসন্স ডিজিজ (Perkinsons disease) এবং ডিমেনশিয়া (Dementia) রোগীদের জন্যে উপকারী। ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরির (TBI) পর ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা রোজা ব্রেইন কোষের গঠনের জন্য উপকারী।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা রোজা মৃগি রোগের জন্য উপকারী। দুরারোধ্য মৃগি রোগে (Treatment Resistant Epilepsy) আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ফাস্টিং একটি কার্যকরী পদ্ধতি হিসেবে কিছু কিছু গবেষণায় উঠে এসেছে।

ব্রেইন স্ট্রোক এবং হৃদরোগে রোজা
চিকিৎসা গবেষণায় বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় কারন ব্রেইন স্ট্রোক (Ischemic stroke); কিন্তু রোজা  ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। স্থুলতা কমিয়ে রোজা ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমিয়ে আনে।

রোজায় ব্রেইনের নিউরোপ্লাসটিসিতে প্রক্রিয়া  (Neroplasticity) অধিকতর সক্রিয় হয় এবং এর মাধ্যমে ব্রেইনের কোষগুলোর মধ্যে নতুন নতুন সংযোগ স্থাপন হয়, ব্রেইন কোষ নতুনভাবে বিন্যস্ত হয়।

গবেষণা মতে, হার্ট রেইট বা হৃদ স্পন্দন ও ব্লাড প্রেশার কমানোর মাধ্যমে রোজা হৃদরোগের জটিলতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

রোজায় (Intermitten Fasting) শরীরের অটোফ্যাগী (Autophagy) প্রক্রিয়া অধিকতর সচল হয় এবং এর মাধ্যমে শরীর থেকে পুরোনো, অকেজো কোষ দেহ থেকে বের হয়ে যায়। এ অটোফ্যাগী প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণার জন্য সম্প্রতি একজন জাপানি বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন। রোজার মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর চর্বি কমে শরীরের স্থুলতা হ্রাস পায়। ক্লান্তি বোধ কমে আসে।

মানসিক রোগের ওষুধ এবং রোজা:

মানসিক রোগের ওষুধ একবেলা কিংবা দুইবেলা হওয়ার জন্য ওষুধ সেবনে রোজাদারদের জন্যে কোন সমস্যা হয় না। ওষুধ একবেলা হলে ইফতারের পর আর দুইবেলা হলে ইফতার এবং সাহরির সময়ে সেবন করা যায়।

ব্রেইন বা মানসিক রোগ সিজোফ্রেনিয়ার জন্য অনেক সময় সাইকিয়াট্রিস্টরা ব্রেইনের ইঞ্জেকশন নিতে পরামর্শ দেন কারণ এটি সহজলভ্য- সাধারণত প্রতি সপ্তাহে বা মাসে প্রতি একবার দিলেই হয়। এতে রোগীকে বা তাদের স্বজনকে আলাদা কোনো দুশ্চিন্তা পোহাতে হয় না।

ইসলাম ও রোজা

রোজা মুসলমানদের একটি ফরজ বিধান। আল্লাহতায়ালা সুরা বাকারায় ১৮৩ নাম্বার আয়াতে বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা পরহেজগারিতা (তাকওয়া) অর্জন করতে পার।’

আরেকটি আয়াতে বলেন, ‘কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে যেন এ মাসের রোজা রাখে’। (সূরা বাকারা: ১৮৫)।

রোজা ও প্রিয় নবী (সা.):

রাসূল সাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম সপ্তাহে দুই দিন সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা পালন করতেন।

আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর কাছে বান্দার আমল পেশ করা হয়। আর আমি পছন্দ করি, আমার আমল এমন সময় পেশ করা হোক, যখন আমি রোজাদার’। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৭৪৭)

আসুন সিয়াম পালনের মাধ্যমে দেহ ও মনে সুস্থতার পাশাপাশি আমরা আজীবন সব ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার আমল করি, মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করি।

লেখক: ডা. সাঈদ এনাম, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।




সিয়ামের নিয়ামত থেকে বঞ্চিত না হই

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দার প্রতি যত অনুগ্রহ করেছেন, তার অন্যতম রমজানুল মোবারক। এটা উম্মতের জন্য এক মহাপ্রাপ্তি ও নিয়ামত। রোজাদার আল্লাহর কাছে এত প্রিয় যে, ‘রোজাদারের মুখের গন্ধ মেশকের সুগন্ধির চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয়’ বলে হাদিসে বিবৃত হয়েছে। রোজার মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা মানুষকে ইহ-পারলৌকিক সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছান। জাগ্রত করেন মনুষ্যত্ববোধ।

সৃষ্টি হয় ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ, প্রেমপ্রীতি ও ভালোবাসা। রমজানের সাধনায় আল্লাহ মানুষের কুপ্রবৃত্তিকে দমন করে, রিপুর তাড়না থেকে তাকে মুক্ত করে তার ভেতর তাকওয়া তথা খোদাভীতি ও আল্লাহপ্রেম জাগ্রত করেন, যা তাকে আজীবন সত্য-সুন্দরের পথে পরিচালিত করতে সহযোগিতা করে। তাই আল্লাহ এ রমজানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে এরশাদ করেছেন, ‘যাতে তোমরা তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জন করতে পার। (সুরা : বাকারা, আয়াত-১৮৩)।

রমজানে আল্লাহ তাঁর সব দয়া ও করুণার দ্বার খুলে দেন। আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন,‘রোজা আমারই জন্য, আর আমিই এর প্রতিদান দেব’। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, আমিই এর প্রতিদান তথা আমার সন্তুষ্টিলাভই হবে এর সত্যিকার প্রতিদান। আবু উবায়দা (রা.) বলেন, ‘রোজাকে বিশেষভাবে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কিত করার কারণ এই যে, অন্যান্য ইবাদত লোক দেখানোর শঙ্কা থাকে। কিন্তু রোজার ক্ষেত্রে এ শঙ্কা নেই। রোজা শুধু আল্লাহর জন্যই হয়।

রমজানের মতো এত বিরাট নিয়ামত পেয়েও যারা অবহেলায় কাটিয়ে দেন, তাদের জন্য রাসুল (সা.) বলেছেন কঠিন ও কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। নবিজি (সা.) একদিন মসজিদে নববির মিম্বরে আরোহণ করছিলেন; মিম্বরের প্রথম সিঁড়িতে পা রেখে তিনি বললেন, আমিন! দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রেখে তিনি আবার বললেন, আমিন! তৃতীয় সিঁড়িতে পা রেখে তিনি তৃতীয়বার বললেন, আমিন! যার অর্থ, হে আল্লাহ তুমি কবুল করো! নবিজি (সা.)-এর জীবনে এই প্রথম এমন ঘটনা দেখে সাহাবায়ে কেরাম এ বিষয়ে জানতে চাইলেন। তখন নবিজি (সা.) বলেন, ‘এই মাত্র জিবরাইল (আ.) এলেন- আমি প্রথম সিঁড়িতে পা রাখতেই তিনি আমাকে (কানে কানে) বললেন, ধ্বংস হোক সে ব্যক্তি, যে রমজান মাস পেল অথচ তার পাপমোচন হলো না। আমি বললাম, আমিন। আমি দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখতেই তিনি বললেন, ধ্বংস হোক সে ব্যক্তি, যার সামনে আপনার নাম উচ্চারিত হওয়া সত্ত্বেও সে আপনার ওপর দরুদ পড়েনি। আমি বললাম, আমিন। আমি তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখতেই তিনি বললেন, ধ্বংস হোক সে ব্যক্তি, যে তার পিতামাতা উভয়কে পেল অথবা উভয়ের একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেল অথচ সে জান্নাত লাভ করতে পারল না। আমি বললাম, আমিন!’

আমাদের কর্তব্য হলো, এই মোবারক মাসকে যথাযথ সমাদর করা। যথার্থ মূল্যায়ন করা। কারণ, আমরা যদি এর উপযুক্ত মূল্য দিতে না পারি, জান্নাতলাভের এমন সুযোগকেও হাতছাড়া করে ফেলি, তাহলে এ জগতে আমাদের চেয়ে বড় হতভাগা আর কে হতে পারে? আল্লাহ যেন আমাদের অভিশপ্তদের অন্তর্ভুক্ত না করেন। শত বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও আমরা যেন সিয়াম সাধনার নিয়ামত থেকে বঞ্চিত না হই। আমরা হয়তো অনেকেই নবিজি (সা.)-এর সাহাবি ইবনে আহমাসি (রা.)-এর ঘটনা জানি। তিনি একবার সিয়াম অবস্থায় যুদ্ধের ময়দানে লড়ছিলেন। লড়তে লড়তে একসময় আঘাতে আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়লেন। সঙ্গীরা তাকে সংরক্ষিত স্থানে নিয়ে গেলেন। তারপর তাকে পানি পান করতে দিলেন। কিন্তু তিনি তা করলেন না। তিনি বললেন, আমার সিয়াম ভেঙে যাবে। কিছুক্ষণ পরই তিনি দুনিয়া ছেড়ে তার কাছে চলে গেলেন, যার জন্য সিয়াম রেখেছিলেন।

দুনিয়াতে সিয়াম সাধনা করে আখেরাতে মহান প্রভুর কাছে ইফতার করতে গেলেন। ওমর এ ঘটনা শুনে বললেন, এই সাহাবি দুনিয়া দিয়ে আখেরাতকে কিনে নিয়েছেন।

লেখক : মাওলানা তোফায়েল গাজালি, মহাপরিচালক, জামিয়া আরাবিয়া নুরুল ইসলাম, উত্তরখান, ঢাকা।




ইফতারে ভাত খাওয়া কি ভালো?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অনেকেই ইফতারে ভাজাপোড়া ও তেল মসলা যু্ক্ত খাবার খেতে পারেন না। এসব খেলে গ্যাসের সমস্যা বাড়ে। ইফতারের পর অস্বস্তিতে ভোগেন। তাই ইফতারের টেবিলে ভাত-তরকারিকেই বেছে নিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে ভাত দিয়ে ইফতার করা কি ভালো?

ইফতারে ভাত খেলে কী হয়?

পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকার মতে, ইফতারে চাইলে ভাত খাওয়া যাবে। ভাতের সঙ্গে মাছ কিংবা মাংসের ঝোল ও সবজি খাওয়া যায়।

তিনি বলেন, যেসব রোগীরা ওজন স্বল্পতায় ভুগছেন তারা চাইলে ইফতারে ভাত যুক্ত করতে পারেন। ভাতের সঙ্গে মাছ, মাংস কিংবা সবজিও খাওয়া যায়।

ইফতারে কতটুকু ভাত খাবেন?

ইফতারে ভাতের পরিমানটা কম হতে হবে। খুব বেশি ভাতে খেলে শরীরের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তবে ইফতারে ভাতের বদলে সবজি খিচুড়ি ও ডিম খেলে বেশি পুষ্টি মেলে। শরীরও দ্রুত শক্তি পায়।

ইফতারে আনুন বৈচিত্র্য

পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সব সময় ইফতারে বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে বলেন। একই খাবার দিয়ে রোজ ইফতার করতে বারণ করেন। অর্থাৎ এক এক দিন এক এক ধরনের খাবার খাওয়া উচিত। ইফতারে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার রাখা উচিত।

পুষ্টির অভাব পূরণ করুন ইফতারে

ইফতারে এমন খাবার রাখা উচিত যেগুলো সারা দিন রোজা রাখার পর শরীরের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টির অভাব পূরণ করে। এই যেমন আপনি যদি ইফতারে ভাত খান তবে সঙ্গে রাখুন মাছ, মাংস এবং সবজি। সঙ্গে ডালও খেতে পারেন।

ভাতের সঙ্গে শসা, টমেটো ও গাজরের সালাদও খেতে পারেন। মোট কথা হচ্ছে ইফতারে ভাত খেতে বারণ নেই, তবে ভাতের সঙ্গে মাছ, মাংস ও সবজি অবশ্যই খেতে হবে। না হলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে না।

ইফতারে ভাত খেলে তার পরিমানটা কম হওয়া উচিত। ভাত কম খেয়ে মাছ, মাংস ও সবজি বেশি খেতে পারেন।




পটুয়াখালীতে বসেছে ‘ইফতার খানা’

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অসহায় নিম্ন আয়ের রোজাদারদের জন্য ‘ইফতার খানা’ আয়োজন করেছে পটুয়াখালীবাসী নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

শহরের বিত্তবানদের সহযোগিতা নিয়ে পুরো রমজান মাস জুড়ে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান সংগঠনের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) প্রথম রমজানে বিকেল ৫টার সময় পটুয়াখালী সার্কিট হাউস সংলগ্ন ঝাউবন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত থেকে ইফতার বিতরণ শুরু করেন। এই ইফতার খানায় যে কেউ চাইলেই ইফতার দিতে পারবেন। আবার সেই ইফতার বিতরণ করবে সংগঠনের সদস্যরা।

জানা যায়, ছোলা, মুড়ি, পিয়াজু, আলুর চপ, জুস, পানি, কলা, খেজুর, জিলাপি দিয়ে প্রতিদিন ৫০ জন রোজাদারকে ইফতার করানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন। সে হিসেবে ১ম রোজায় এ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে জানান সংগঠনের সদস্যরা।

রিকশাচালক নজরুল ইসলাম বলেন, এখান দিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখি রাস্তার পাশে ইফতার সাজিয়ে রাখা হয়েছে। আমাদেরকে ডাকা হচ্ছে ইফতার করার জন্য। আমি রিকশা পাশে রেখে ইফতার করতে বসলাম। খুব ভালো লেগেছে এই আয়োজন দেখে।

দিনমজুর ইব্রাহিম বলেন,  হোটেল থেকে কিনে ইফতার খেতে হলে আমাকে কমপক্ষে হলেও ৫০ থেকে ৬০ টাকা খরচ হতো। কিন্তু এখানে ইফতার করতে  আমার টাকা খরচ হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ যাদের সহযোগিতায় ইফতার করতে পেরেছি আল্লাহ তাদের কবুল করুক। পুরো রমজান মাস জুড়ে এই ইফতার কার্যক্রম চলমান থাকলে আমাদের মত মানুষদের অনেক উপকার হবে।

পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের সদস্য বাতেন হাওলাদার বলেন, বিত্তবানদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা এই রমজান মাসে ইফতার খানার আয়োজন করেছি। এখানে দিনমজুর রিক্সাওয়ালা পথচারী ও ছিন্নমূল মানুষরা ইফতার করছে। তাদের ইফতার করাতে পেরে আমাদের খুব ভালো লাগছে। সবার সহযোগিতা পেলে পুরো রমজান মাস জুড়ে আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালীবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রমজানের আগে থেকেই রমজানের বাজার নামে নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে ভর্তুকি দিয়ে পণ্য বিক্রয় করেছে। এছাড়াও দেশের যে কোন ক্লান্তিলগ্নে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি মানবতার সেবক হিসেবে কাজ করে থাকে।

 




রমজানে খোলা থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : আপিল বিভাগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রমজান মাসে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ আদেশের ফলে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।




সাহরিতে যেসব খাবার কখনোই খাবেন না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রমজান মাসে সাহরি সারা দিন রোজা রাখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাহরির খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। কারণ এসময় খাওয়া খাবার থেকেই আপনি সারাদিনের শক্তি ও পুষ্টি পাবেন। অনেক সময় আমরা ভুল করে সাহরিতে এমন সব খাবার খেয়ে থাকি যা সারাদিন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। কিছু খাবার আছে যেগুলো সাহরিতে এড়িয়ে চলতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-