পটুয়াখালীতে হলি উৎসব উদযাপিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীতে সনাতন ধর্মালম্বীরা উদযাপন করছে হলি উৎসব। ২৪ মার্চ সোমবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন হিন্দুপাড়া এবং মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয় এ উৎসব।

এসময় ঢাকের বাদ্য, উলুধ্বনি এবং ধর্মীয় গানে মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ।

পরে সনাতনিরা রঙ দিয়ে একে অপরকে রাঙিয়ে তুলেন। রঙ খেলায় মেতে ওঠে শিশুসহ উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীরা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে কলেজের কর্মচারীকে পেটানোর অভিযোগ

বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির বা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সঙ্গে রঙ খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়।

 




ঈদের কেনাকাটার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন




রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া কখন ও কীভাবে দিতে হয়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : কেউ রমজান মাস পেয়েও শরিয়তসম্মত কারণে রোজা রাখতে সক্ষম না হলে তাঁর জন্য রোজা না রাখার সুযোগ আছে। যেমন—অতিশয় বৃদ্ধ অথবা এমন অসুস্থ, যাঁর আরোগ্যলাভের আশা নেই, তাঁর জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়। এমতাবস্থায় ওই ব্যক্তি প্রতিদিনের রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া প্রদান করবেন।

পবিত্র কোরআনে রোজা ফরজ হওয়ার আয়াতেই আল্লাহ তাআলা ফিদিয়ার বিধান বলে দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘হে মুমিনেরা, তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো। নির্দিষ্ট কয়েক দিন। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে, কিংবা সফরে থাকবে, সে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিয়া তথা একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা।

অতএব, যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎ কাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে। আর রোজা পালন তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে। ’ (সুরা বাকারা: ১৮৩-১৮৪)

 

ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, ‘ফিদিয়ার আয়াতটি ওই সব অতিশয় বৃদ্ধ পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা রোজা পালনে অক্ষম। তাঁরা প্রতিদিনের রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাওয়াবেন। ’ (বুখারি: ৪৫০৫)

ফিদিয়া সম্পর্কে ফকিহদের মত
আলমাওসুআহ আলফিকহিয়্যাহ গ্রন্থে বলা হয়েছে, ‘হানাফি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাবের আলেমেরা এ ব্যাপারে একমত যে, ফিদিয়া ওই সময় আদায় করা হবে, যখন রোজার কাজা আদায়ে আশা থাকে না। তা বার্ধক্যের কারণে হতে পারে কিংবা এমন রোগের কারণে হতে পারে, যা থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়। (আল-মাওসুআহ আল ফিকহিয়্যাহ: ৫ / ১১৭)

আল্লামা ইবনে কুদামাহ (রহ.) বলেছেন, ‘অতিশয় বৃদ্ধ পুরুষ ও নারী এবং রোগমুক্তির আশা করা যায় না এমন মানুষ, যাঁদের জন্য রোজা পালন কঠিন ও কষ্টসাধ্য, তাঁরা রোজা পালন না করে প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাওয়াবেন। তাঁরা যদি মিসকিন খাওয়াতেও অক্ষম হন, তবে তাঁদের ওপর কোনো কিছু বর্তাবে না। ’ (আলমুগনি: ৪ / ৩৯৬)

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ কারও ওপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপান না। ’ (সুরা বাকারা: ২৮৬)। 

ফিদিয়ার পরিমাণ
প্রত্যেক রোজার জন্য ফিদিয়ার ন্যূনতম পরিমাণ হলো সাদকায়ে ফিতরের সমান তথা অর্ধ ‘সা’ বা ১ দশমিক ৫ কিলোগ্রাম খাবার। যেমন—খেজুর, চাল বা অন্য কোনো খাদ্যদ্রব্য। অতএব, কোনো ব্যক্তি রোজা রাখতে একান্ত অপারগ হলে তিনি প্রতিদিন একজন দরিদ্রকে পেট পুরে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করবেন। কেউ চাইলে নগদ টাকাও দিয়ে দিতে পারবেন। (আল ইনায়াহ: ২ / ২৭৩)

দরিদ্ররা যেভাবে ফিদিয়া দেবেন
ফিদিয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে ধনী-গরিবের মধ্যে কোনো তারতম্য নেই। তবে দারিদ্র্যের কারণে ফিদিয়া দিতে একেবারেই অক্ষম হলে আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। পরে কখনো সামর্থ্যবান হলে অবশ্যই ফিদিয়া আদায় করে দেবেন। (ফাতাওয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত: ৫ / ৪৫৫)

যাকে ফিদিয়া দেওয়া যাবে
ফিদিয়ার হকদার গরিব-মিসকিন, যারা জাকাতের হকদার। কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেখানে জাকাতের হকদার আছে, সেখানেও ফিদিয়া দেওয়া যাবে। (আল ইনায়াহ: ২ / ২৭৩)।




তিন ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের সাড়ে ১২ হাজার টিকিট বিক্রি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। এই সময় বিক্রি শুরু হয় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট। পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলের ১২ হাজার ৬০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে।



রোজা রাখার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা




ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ (রোববার) অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।



রমজানে মক্কাবাসীদের ‘কাবায় না যাওয়ার আহ্বান’ সৌদির

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পবিত্র রমজান মাস আসার পর মক্কার কাবা শরীফে ভিড় করছেন হাজার হাজার মানুষ। সৌদির বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে দলে দলে মক্কায় যাচ্ছেন মুসল্লিরা। লক্ষ্য রমজান মাসে একবারের জন্য পবিত্র কাবা শরীফ প্রদক্ষিণ করা।



ইফতারে কোন মুসলিম দেশে কী খাওয়া হয়?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইসলামিক বর্ষপঞ্জি বা হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, রমজান হলো সবচেয়ে পবিত্র মাস। রমজানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মাসব্যাপী রোজা রাখেন।



রাসুল (সা.) কেমন খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : সতেজ বা তরতাজা খেজুর দ্বারা ইফতার করা সুন্নত। তরতাজা খেজুর না পেলে শুকনা খেজুর দ্বারা ইফতার করবে। কিন্তু ইফতারিতে খেজুর অবশ্যই রাখতে হবে। কেননা এটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত এবং রোজাদারের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাবার।

হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) তরতাজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। না পেলে শুকনা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। তাও না পেলে তিনি এক অঞ্জলী পানি দ্বারা ইফতার করতেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮; তিরমিজি, হাদিস : ৬৯৬)। খেজুর পবিত্র খাবার।
সালমান বিন আমির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ ইফতার করলে সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। সে খেজুর না পেলে যেন পানি দিয়ে ইফতার করে। কারণ তা পবিত্র। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৬৯৯) 

খেজুর ইসলামী খাদ্য-সংস্কৃতির অংশ হওয়ার পাশাপাশি এর আছে স্বাস্থ্য উপকারিতা।

খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ডিটক্সিফাই করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। 

শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে খেজুর। একই সঙ্গে খেজুরের মিষ্টতা চিনির বিকল্প হিসেবে কাজ করে। খেজুরে আছে পটাসিয়াম, যা হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরনের কোলেস্টেরল কমায় (এলডিএল) এবং ভালো কোলেস্টেরলের (এইচডিএল) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এই আয়রন শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। শরীরে রক্তাল্পতা দেখা দিলে বা হিমোগ্লোবিনের কমতি হলে খেজুর খাওয়া শুরু করুন। এর ফলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বজায় থাকবে। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক হবে এবং রক্তের কোষ উৎপন্ন হবে।

খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন—বি১, বি২, বি৩ ও বি৫। এ ছাড়া ভিটামিন এ১, সিসহ নানা ভিটামিনের পাওয়ার হাউস বলা যেতে পারে খেজুরকে।

নিয়মিত খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো যায়। খেজুরের নানা উপাদান শরীরে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। খেজুর হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে। ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়তা করে। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে। সেই সঙ্গে মাড়ির স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত রাখে।

সূত্র : ফার্মইজি ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট




চরফ্যাশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে ইসলামী ফাউন্ডেশনের দিনব্যাপী কর্মসূচী

বরিশাল অফিস:: ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস- ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে পবিত্র কুরআন খতম, র‍্যালি, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামি ফাউন্ডেশন চরফ্যাশনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।

১৭ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন চরফ্যাশন উপজেলার হল রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চরফ্যাশন কারামাতিয়া কামিল (এমএ) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, পৌর আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা নুরুল আমিন।

এসময় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামের খেদমতে নিবেদিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইসলামের সঠিক বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে । তিনি আরো বলেন, এদেশের আলেম সমাজ জাতির পিতার এই অবদানকে স্মরণ করে। বক্তৃতায় সারাদেশে প্রায় ৬শ’ আধুনিক মডেল মসজিদ নির্মাণ করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা‍‍`র ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন চরফ্যাশন উপজেলার সুপারভাইজার মো. জাহিদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চরফ্যাসন উপজেলা মডেল মসজিদের কর্তব্যরত ইমাম ও খতিব মাওলানা ছালাউদ্দিন, চরফ্যাশন উপজেলা ওলামা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আবদুল মান্নান প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন চরফ্যাশন উপজেলার মডেল কেয়ার টেকার মো. ইসমাঈল। অনুষ্ঠানে আলেম ওলামা ও ইসলামি ফাউন্ডেশনে কর্মরত কয়েকশ’ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। পরে কুরআন তিলাওয়াত, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এদিকে জোহর নামাজের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশন চরফ্যাশনের উদ্যোগে উপজেলা মডেল মসজিদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।