বৃষ্টির কামনায় পটুয়াখালী ইসতিসকার নামাজ আদায়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: তীব্রতাপদাহ থেকে মুক্তি ও বৃষ্টি কামনায় পটুয়াখালীতে সালাতুল ই‌স্তিসকার নামাজ আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় শেখ রা‌সেল শিশুপার্ক সংলগ্ন ঝাউতলার বালুর মাঠে (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উত্তরপা‌শে) ওলামা মাশায়েক পরিষদ এ নামাজের আয়োজন করেন। পটুয়াখালী সরকারি কলেজ মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোতাসসিমবিল্লাহ জুনায়েদ নামাজে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

শহরের বিভিন্ন এলাকার সকল স্তরের মানুষ নামাজে অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে মোনাজাতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সবার আকুতিতে আমীন আমীন শব্দে চোখের পানিতে এক হৃদয় আকিতি পরিবেশের সৃষ্টি হয়।




পটুয়াখালীতে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ আদায় করা হয়েছে।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকার মসজিদ-ই-নূর জামে মসজিদ মাঠে এ নামাজ আদায় করা হয়।

নামাজ শেষে আল্লাহর রহমত কামনা করে তাপদাহ থেকে মুক্তি এবং বৃষ্টিবর্ষণের জন্য মোনাজাত করা হয়। এর আগে দীর্ঘক্ষণ ধরে মসজিদে দোয়া-দরুদ পাঠ করেন নামাজে অংশ নেন মুসুল্লিরা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ডায়রিয়ায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৬

বিশেষ নামাজের মোনাজাত পরিচালনা করেন ওই মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ক্বারী মোহাম্মদ আল আমিন ইউনুস।

মাওলানা ক্বারী মোহাম্মদ আল আমিন ইউনুস বলেন, ‘খরা বা দাবদাহের অবস্থা থেকে নিস্কৃতি পেতে আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আকুতি ভরে বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে হয়। এই নামাজকে ইসতিসকার নামাজ বলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই গরম থেকে রক্ষা পেতে এবং আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি যাতে আমাদের ওপর বর্ষণ হয়, এজন্য আমরা ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছি। আল্লাহ তাআলা যাতে আমাদের বালা মুসিবত থেকে হেফাজত করেন এ জন্য দোয়া ইউনুস পড়েছি।’




পটুয়াখালী পৌর মেয়রের উদ্যোগে ইমামসহ ১২ জনের হজের সুযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ এর ব্যক্তিগত অর্থায়নে ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে সৌদিআরবের রওহনা করেছেন পটুয়াখালী পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১০টি মসজিদের ১০ জন ইমাম এবং পটুয়াখালী পৌরসভার ২ জন স্টাফ। বুধবার এই ১২ জন ঢাকা থেকে বিমান যোগে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওহনা করেছেন।

ওমরা হজ্বের উদ্দেশ্যে যারা সৌদি আরবে গেছেন তারা হচ্ছেন পটুয়াখালী বড় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু সাইদ, ১নং ওয়ার্ড এর গাজী বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মনোয়ার হোসেন, ২ নং ওয়ার্ডের লোহালিয়া খেয়াঘাট বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল বাসার, ৪নং ওয়ার্ডের বড় বাড়ী জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবু জাফর, ৫নং ওয়ার্ডের বায়তুল গফুর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা শামীম আহম্মেদ, ৭নং ওয়ার্ডের নিউ মার্কেট জামে সমজিদের ইমাম মাওলানা তাজুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের জেলা মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা তানভীরুল ইসলাম, ৯নং ওযার্ডের বড় চৌরাস্তা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল আলম, বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম মুফতী নিজাম উদ্দিন এবং মার্কাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইদুল ইসলাম। এছাড়া পটুয়াখালী পৌরসভার গাড়ী চালক সিদ্দিকুর রহমান ও মাসুদুর রহমান মেয়রের অর্থায়নে ওমরা হজ¦ পালন করছেন।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় গরমে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী, বেশির ভাগই শিশু

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘সকল ধর্মপ্রান সুমলমানদের একটা ইচ্ছা থাকে কাবাঘর ও রওজা মোবারক দেখার। কিন্তু অনেকেরই আর্থিক সামর্থ থাকে না। এ জন্য আমি গত তিন বছর আগে এই উদ্যোগটি গ্রহন করি। আমি সকলের সাথে আলাপ সিদ্ধান্ত নেই, যেহেতু অধিকাংশ মসজিদের ইমাম সাহেবরা আর্থিক ভাবে স্বাভলম্বী থাকেননা। সে কারনে প্রতি বছর ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন ইমাম সাহেবকে ওমরা হজ¦ পালনের ব্যবস্থা করবো। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথম বছর ৯জন ইমাম সাহেবকে পাঠাতে পারলেও করোনার কারনে গত দুই বছর এই কার্যক্রমটি চালু রাখতে পারিনি। তবে এবার থেকে আবারও শুরু করলাম। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন এই কাজটি করে যেতে পারি। মহান আল্লাহ আমার যেন সেই আর্থিক সামর্থ বজায় রাখে।’

পটুয়াখালী জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আব্দুল কাদের বলেন, এটি একটি মহৎ উদ্যোগ, আমরা জেলা ইমাম পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েই ইমাম সাহেবদের একটি তালিকা তৈরী করে মেয়রের কাছে উপস্থাপন করেছি। আশা করছি আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারীতে অরেকটি গ্রুপ ওমরা পালনের সুযোগ পাবে। মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদকে ধন্যবাদ জানানোর পাশপাশি দোয়া করি তিনি যেন ইসলামের খেদমতে তারা এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন।’




শাওয়াল মাসের ছয় রোজার ফজিলত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পবিত্র রমজান মাস ছিল মুমিনের আমলের মৌসুম। এ মাসের আমলগুলো যেন পুরো বছর অব্যাহত থাকে সেটাই এ মাসের প্রধান শিক্ষা। এর মাধ্যমে রোজার সামর্থ্যের জন্য মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়। কোরআনে রোজা রাখার নির্দেশের পরই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের কথা এসেছে।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম দিক হলো, আমল করা অব্যাহত রাখা। এর মধ্যে রমজানের পর শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা গুরুত্বপূর্ণ আমল। রাসুলুল্লাহ (সা.) এ রোজা রাখতেন এবং সাহাবাদের তা রাখার নির্দেশ দিতেন।

আবু আইউব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি রমজানে রোজা রাখবে এবং পরবর্তী সময়ে শাওয়ালের ছয় রোজা রাখবে সে যেন পুরো বছর রোজা রাখল।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬৪)ছয় দিনের রোজায় পুরো বছরের সওয়াব : রমজান মাসে রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসে আরো ছয়টি রোজা রাখলে পুরো বছর রোজার সওয়াব পাওয়া যায়। সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, মহান আল্লাহ সব ভালো কাজের প্রতিদান ১০ গুণ করে দেন। তাই রমজান মাস ১০ মাসের সমতুল্য এবং পরবর্তী (শাওয়াল মাসের) ছয় রোজার মাধ্যমে এক বছর পূর্ণতা লাভ করে। (নাসায়ি : ২/১৬২)

পুরো বছর সওয়াব হয় যেভাবে মূলত রমজান মাসের রোজার পর অতিরিক্ত ছয় রোজা মিলে সাধারণত ৩৬টি রোজা হয়। আর তা ১০ গুণ করলে মোট ৩৬০টি হয়। কারণ মুমিনের যেকোনো আমলের সওয়াব ১০ গুণ করে দেওয়া হয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘কেউ কোনো ভালো কাজ করলে সে তার ১০ গুণ পাবে। আর কেউ কোনো খারাপ কাজ করলে তাকে শুধু তার প্রতিফলই দেওয়া হবে; তাদের ওপর কোনো জুলুম করা হবে না। (সুরা : আনআম, আয়াত : ১৬০)

রমজানের রোজার পরিপূরক : নফল আমলের মাধ্যমে ফরজের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করা হয়। তেমনি শাওয়ালের রোজার মাধ্যমে রমজানের রোজার ত্রুটিগুলো পূর্ণ করা হবে। নামাজ প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার ফরজ নামাজের হিসাব করা হবে। তা ঠিক থাকলে সে সফলকাম। আর তাতে সমস্যা হলে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর কোনো ফরজ আমলে অপূর্ণতা দেখা দিলে মহান রব বলবেন, তোমরা দেখো, আমার বান্দার কি কোনো নফল নামাজ রয়েছে? নফল থাকলে তা দিয়ে ফরজকে পরিপূর্ণ করা হবে। এভাবে সব ফরজ আমলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ করা হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৪১৩)




ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গত ১১ এপ্রিল বাংলাদেশে উদযাপন হয়েছে ঈদুল ফিতর। তার এক দিন আগে ১০ এপ্রিল সৌদি আরবে ইদুল ফিতর পালিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের ঠিক দুই মাস ১০ দিন পর ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পালনের নিয়ম।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী এবার (২০২৪ সালে) ১০ জিলহজ বা ঈদুল আজহা হতে পারে জুন মাসের ১৬ তারিখ।

বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরব, কাতার, ওমান, আরব আমিরাত এসব দেশের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করা হয়। সেই হিসেবে জুন মাসের ১৭ তারিখ বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে তারিখ পরিবর্তন হতে পারে।




কর্মস্থলে ফেরার সময় গুরুত্বপূর্ণ ৬ দোয়া

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ঈদ ছুটি শেষ হওয়ার পর জীবনের প্রয়োজনে আবারও কর্মস্থলে ফেরার সময় হয়ে গেছে। তাই চাকরিজীবী, শ্রমজীবী কিংবা ব্যবসায়ীরা পরিবার পরিজনের মায়া ছেড়ে কর্মস্থলে ফেরার সময় ৬টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পাঠ করার শিক্ষা রয়েছে হাদিসে। নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো।

১. ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া 
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ وَ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ অর্থ : আল্লাহর নামে, আল্লাহ তাআলার ওপরই নির্ভর করলাম, আল্লাহ তাআলার সাহায্য ছাড়া বিরত থাকা ও মঙ্গল লাভ করার শক্তি কারো নেই।’
আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়াটি পড়ে, তাকে বলা হয় (আল্লাহ তাআলাই) তোমার জন্য যথেষ্ট, তুমি হেফাজত অবলম্বন করেছ (অনিষ্ট থেকে)। তাতে শয়তান তার থেকে দূরে সরে যায়। (তিরমিজি: ৩৪২৬)।

২. পরিবার পরিজনের জন্য দোয়া
أَسْتَوْدِعُكَ اللهَ الَّذِي لَا تَضِيعُ وَدَائِعُهُ উচ্চারণ: ‘আসতাওদিউকাল্লাহাল্লাজি লা তাদীউ ওয়াদা-ইউহু’ অর্থ: ‘আমি তোমাকে আল্লাহর আমানতে সোপর্দ করলাম, যাঁর নিকট সোপর্দকৃত জিনিস ধ্বংস হয় না।’ (ইবনে মাজাহ: ২৮২৫)।

৩. যানবাহন কিংবা নৌযানে আরোহনের দোয়া
বাহনে আরোহনের দোয়া: سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হা-যা ওয়া-মা-কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন কালিবুন।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও অশেষ করুণাময়। তিনি পূতপবিত্র ওই সত্তা যিনি বাহনকে আমার অধীন করে দিয়েছেন। আমাদের কাছে তাকে আয়ত্তে আনার ক্ষমতা ছিল না। অবশ্যই আমরা আমাদের প্রভুর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।’ (শামায়েলে তিরমিজি: ১৭৩)
নৌযানে চড়ার দোয়া: بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَحِيمٌ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি মাজরিহা ওয়া মুরসা-হা, ইন্না রাব্বি লা গাফুরুর রহিম।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। আমার পালনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন, মেহেরবান।’ (সুরা হুদ: ৪১)।

. ভ্রমণের মাঝপথে দোয়া
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّاتِ من شَرِّ ما خَلَقَ উচ্চারণ: ‘আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।’ অর্থ: ‘আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি।’ ভ্রমণের মাঝপথে এ দোয়া পড়ার নির্দেশ দিয়ে রাসুল (স.) বলেন, ‘এই দোয়াটি পড়লে, ঘরে ফেরা পর্যন্ত কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না।’ (মুসলিম: ২৭০৮)।

৫. সফর শেষে দোয়া
آيِبُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ উচ্চারণ: ‘আয়িবুনা ইনশাআল্লাহু তায়িবুনা আবিদুনা লি-রাব্বিনা হামিদুন।’ অর্থ: ‘আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী নিজ রবের প্রশংসাকারী।’ (তিরমিজি: ৩৪৪৭, বুখারি, ওমরা: ১৭৯৭; মুসলিম, হজ: ১৩৪৪)

৬. কর্মেক্ষেত্রে বরকত লাভের দোয়া
اللهم اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عن حَرَامِكَ ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ ‘আল্লাহুম্মাকফিনি বি হালালিকা আন হারামিক, ওয়াগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।’ অর্থ: হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে আপনার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করুন। আর আপনাকে ছাড়া আমাকে কারো মুখাপেক্ষী করবেন না এবং স্বীয় অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে সচ্ছলতা দান করুন। (তিরমিজি: ৩৫৬৩; মুসনাদ আহমদ: ১৩২১)।




হজের আগে আর কতদিন উমরা করা যাবে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সৌদি আরবের হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয় হজের আগে আর কতদিন উমরা করা যাবে, তার সময়-সীমা বেঁধে দিয়েছে। মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, হজের আগে আগামী ১৫ শাওয়াল পর্যন্ত আর উমরা করা যাবে। এরপর প্রশাসন হজের জন্য পবিত্র স্থানগুলো প্রস্তুত করবে। সেজন্য এ সময় উমরা করার সুযোগ থাকবে না।

রোববার (১৪ এপ্রিল) ইসলামিক ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, জের আগে আগামী ১৫ শাওয়াল পর্যন্ত আর উমরা করা যাবে। এরপর প্রশাসন হজের জন্য পবিত্র স্থানগুলো প্রস্তুত করবে। সেজন্য এ সময় উমরা করার সুযোগ থাকবে না। উমরা প্রত্যাশীদের তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উমরা সফর সম্পন্ন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ওমরা মৌসুমের সমাপ্তি প্রশাসনকে ওমরা থেকে হজে কার্যকরভাবে স্থানান্তর করার অনুমতি দেয়। যাতে আল্লাহর মেহমানদের জন্য আরো ভালো সেবা নিশ্চিত করা যায়।

পরিষেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে লজিস্টিক পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা প্রোটোকল বাস্তবায়ন, হজযাত্রীদের জন্য বাসস্থান এবং অবকাঠামোগত উন্নতি।




দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ঈদের প্রধান জামাত ষাটগম্বুজ মসজিদে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগুম্বুজ মসজিদে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারও ষাটগুম্বুজ মসজিদে তিনটি জামাতে প্রায় অর্ধলাখ দেশি-বিদেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সকাল সাড়ে ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বাগেরহাট কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম শেখ।

ষাটগুম্বুজ মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রথম জামায়াতে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালিদ হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এরপর সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ও সাড়ে ৮টায় ঈদের তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

হযরত খানজাহান (রহ:)-এর অমর সৃষ্টি সাড়ে ৬০০ বছরের পূর্বে নির্মিত ষাটগুম্বুজ মসজিদে এবারের তিনটি ঈদের জামাতে মসজিদের ভেতর ছাড়াও বাইরের দুটি প্যান্ডেলে প্রায় অর্ধলাখ দেশি-বিদেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজ শেষে দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি-অগ্রগতি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা এক অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করেন।




দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হলো দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টায় প্রায় সাত লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের এ জামাত শুরু হয় বলে জানান আয়োজকরা।

ঐতিহাসিক এ ঈদের জামাতে অংশ নিতে সদর উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের কয়েকটি জেলার মুসল্লিরা আসেন। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল জামে মসজিদের ইমাম শামসুল হক কাসেমি।

বৃহৎ এ জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ছিল কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি। মাঠের আশপাশে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও তৎপর ছিলেন।

নামাজ শেষে ঈদগাহ মাঠের সমন্বয়ক, পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, আয়তনের দিক দিয়ে এটি উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠ। এর আয়তন প্রায় ২২ একর। এবার দিনাজপুর জেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলার প্রায় ছয় লাখ মুসল্লি এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

তিনি আরও বলেন, মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থায়নে এ মাঠের সুন্দর মিনারটি নির্মিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এটিকে আরও সুন্দর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান ঈদগাহ মাঠের এ সমন্বয়ক।

এর আগে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতো কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এখন দিনাজপুরের ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মাঠে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।




আওয়ামী লীগ জনগণের সম্পদ খায় না: প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নেতাকর্মীরা আবারও প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ জনগণের দল। এই রমজানে দলের নেতাকর্মীরা দুস্থ মানুষের সেবা করেছে। কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের সম্পদ খায় না; বরং জনগণকে কিছু দেয়।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) গণভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় ঈদের আনন্দ ভাগ করতে সব শ্রেণি পেশার মানুষ হাজির হয়েছিলেন গণভবনে। দলের কেন্দ্রীয় নেতা পরিবারের সদস্য এবং ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়ে মঞ্চে উঠে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

এবারের ঈদ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে— এ প্রত্যাশার কথা জানান সরকার প্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। নেতাকর্মীরা যেকোনো দুর্বিপাকে জনগণের পাশে দাঁড়ায়।

পরে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং মিশন প্রধানরা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিচারপতি এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক এবং অসামরিক কর্মকর্তারাও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।