শ্রীগুরু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্যের ৫০ তম তিরোভাব ১১ দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে শ্রীগুরু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা পরিব্রাজক আচার্য শ্রীশ্রীমদন দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেবের ৫০ তম তিরোভাব পালন করা হয়েছে। এছাড়াও শুক্লা দশমী ও ঝুলন পূর্নিমা উপলক্ষে পটুয়াখালীতে ১১ দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

শনিবার (৩১ আগষ্ট) ভোর রাতে অধিবাসের মধ্য দিয়ে এ উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়।

শনিবার বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী পৌর শহরের পুরান বাজার শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউঁর আখড়া বাড়ি মন্দির প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

শ্রীগুরু সংঘ প্রতিষ্ঠাতার ৫০ তম তিরোভাব উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে হাজারো ভক্তবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রা শেষে শুরুহয় নাম কৃর্ত্তন। দেশের সর্বজনপ্রিয় সব দলসমূহ নামসুধা পরিবেশন করবেন। আগত ভক্তবৃন্দের জন্য প্রসাদ গ্রহনের ব্যাবস্থা করেছেন আয়োজকরা।




বন্যার্তদের সহায়তায় রাজনৈতিক-ধর্মীয় পরিচয় না দেখার আহ্বান তারেক রহমানের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার দেশে মানুষে মানুষে হিংসা-বিভেদ তৈরি করেছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেছেন, এক ভিডিও বার্তায় ‘আপনাদের প্রতি একান্ত অনুরোধ, মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে কারও রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেবেন না। ব্যক্তিগত ও দলীয় উদ্যোগের পাশাপাশি বন্যার্তদের সহায়তার জন্য সরকার ও প্রশাসন আপনাদের সহযোগিতা চাইলে সাধ্যমতো সহায়তা করবেন।’

দেশবাসীর উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দলমত-নির্বিশেষে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াই তাহলে আল্লাহর রহমতে অবশ্যই এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে।’

বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যার জন্য ভারতকে দায়ী করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের এই বন্যা দেশের অভ্যন্তরে উদ্ভূত কোনো কারণে নয়। বন্যাকবলিত অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও তা দেশের পূর্বাঞ্চলের বন্যার মূল কারণ নয়। বরং এবারের বন্যার মূল কারণ উজানের দেশ প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা ও খামখেয়ালিপনা।




বন্যাদুর্গত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আশ্রয় নিয়েছেন মসজিদে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত একটি গ্রাম চান্দেরবাগ। এটি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাকাতিয়া নদী তীরবর্তী একটি গ্রাম। ওই গ্রামে ২৩০-২৫০ লোকের বসবাস, যার মধ্যে শুধু দু’টি পরিবার মুসলিম। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পুরো গ্রামটি ডুবে যায়। আশেপাশে আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় এখানকার হিন্দুরা পার্শ্ববর্তী পিপড্ডা গ্রামের মসজিদে আশ্রয় নিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা থেকে আলাদা হওয়ায় গ্রামের লোকজন একটু অবহেলিত। তাদের পেশা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা। টানা বৃষ্টি ও ডাকাতিয়া নদীর  পানি বৃদ্ধি পেয়ে গ্রামটি ডুবে যায়। গ্রামের লোকজন আশেপাশে কোনো আশ্রয় কেন্দ্র না পেয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের মসজিদে অবস্থান করছে। আর কিছু লোক বিভিন্ন বাড়ির ছাদে রয়েছেন। সরকারি কোনো সহায়তা এখনো পাননি তারা।

ওই গ্রামের বাসিন্দা গিতা রানী বলেন, সংসার জীবনে ডাকাতিয়া নদীতে পানি বাড়ে আবার চলে যায়। ওই গ্রামে রাস্তা সমান পানি হয়। কিন্তু কখনো ঘরে পানি ঢুকেনি। এবার পুরো গ্রাম ডুবে গেছে। কোনোরকম জীবন নিয়ে এই মসজিদে অবস্থান করছি। আশেপাশের কয়েকজন মানুষ শুকনো কিছু খাবার দিয়েছে। সরকারিভাবে কোনো সহায়তা পাইনি।

তিনি বলেন, আগ থেকে আমাদের গ্রামটি অবহেলিত। কিছুই বের করতে পারিনি। সব  পানিতে ডুবে গেছে। বাকিরা অন্যান্য স্থানে ছাদে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় সাংবাদিক পিপড্ডা গ্রামের বাসিন্দা শরীফ আহমেদ মজুমদার বলেন, বন্যা হলেই সবার আগে আমাদের এই গ্রাম ও চান্দেরবাগ পানিতে ডুবে যায়। এবারের বন্যা আমার বয়সে দেখিনি। পুরো তালাঘর সমান সমান পানি হয়ে গেছে। আমি ঘর নির্মাণ করার জন্য ইট, সিমেন্ট, বালু এনে রেখেছি। সব তলিয়ে গেছে। কিছুই রইল না। আশেপাশে আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে চান্দেরবাগ গ্রামের কয়েকটি হিন্দু পরিবারকে মসজিদে থাকার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছি।




ইরানে ভাগ্য গণকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর




ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান : ইসলামী আন্দোলনের ১৮ নেতাকর্মী নিহত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের ১৮ নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

তিনি বলেন, ‘দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বর ও নৃশংস আওয়ামী দুঃশাসন উৎখাতের সংগ্রামের সূচনা করেছে আমাদের ছাত্রসমাজ। তাদের অসীম সাহস, ত্যাগ ও বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্ব আমাদের গর্বিত করেছে। শুরু থেকেই এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ফয়জুল করীম।

তিনি বলেন, সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৮ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন হাজারের বেশি। গুরুতর আহত ১৫০ জনেরও বেশি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আমিনুল ইসলাম, কেএম আতিকুর রহমান প্রমুখ।




হেরা গুহা পরিদর্শনে ক্যাবল কার বানাবে সৌদি

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালানকারীদের অন্যতম আকর্ষণ মক্কার জাবাল আল নূরের হেরা গুহা। যেখানে ধ্যানে মগ্ন থেকে নবুয়ত লাভ করেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)।

পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হওয়া এ গুহায় মহানবীর ধ্যানের স্থান হাজিদের জন্য প্রবল আকর্ষনীয় স্থান। এ গুহা পরিদর্শন করতে হাজিদের অনেক কষ্টসাধ্য করে পাথুরে পাহাড়ে চড়তে হয়। আবার পাহাড় থেকে নামতেও বেশ বেগ পেতে হয়। পবিত্র কাবা শরীফ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ গুহার উচ্চতা ৬৩৪ মিটার।

হাজিদের এ অপরিসীম কষ্টের বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় রেখে এবার একটি অভুতপূর্ব প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার। হেরা গুহায় সকল দর্শনার্থীদের প্রবেশের সুবিধার্থে একটি কেবল কার সিস্টেম তৈরি করবে তারা। সৌদি প্রশাসন আশা করছেন, আগামী হজ মৌসুমেই হাজিরা এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অর্থাৎ ২০২৫ সালে এই কেবল কার সেবা চালু হবে।

এ প্রসঙ্গে সৌদি সরকার জানিয়েছে, হেরা গুহা পরিদর্শনে শুধু ক্যাবল কার সিস্টেম তৈরির পরিকল্পনাই নেওয়া হয়নি, গুহাটি যেখানে অবস্থিত সেটিকে সাংস্কৃতিক বিভাগ হিসেবেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এছাড়াও একই বছরের মধ্যে জাবালে ওমর তথা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.) এর বাড়িতে তিনটি নতুন জাদুঘরও নির্মিত হবে।

বিখ্যাত জাবাল আল নূর পাহাড়ে আলোর পাহাড় হিসেবেও পরিচিত। উটের কুঁজের মতো দেখতে পাহাড়টিতে অনেকগুলো খাড়া ঢাল রয়েছে। পাহাড়টি ৫৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত এবং ৩৮০ মিটার থেকে ৫০০ মিটার পর্যন্ত খাড়া বাঁক রয়েছে।

আর এই পাহাড়েই হেরা গুহা অবস্থিত। এ গুহাটিতে একসঙ্গে পাঁচজন মানুষ বসতে পারেন। এটি মুসলিমদের জন্য খুবই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। কারণ, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হযরত মোহাম্মদ (সা.)’এর স্মৃতি এবং ইসলামের ইতিহাস।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)পবিত্র হজপবিত্র ওমরাহমক্কাপবিত্র কোরআনহাজিক্যাবল কারক্যাবল কার সিস্টেমসৌদি সরকারসৌদি আরবইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.)জাবাল আল নূর পাহাড়ইসলামের ইতিহাস।




নামাজের ১৪টি ওয়াজিব কী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হল সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হল নামাজ।

প্রতিটি মুমিন মুসলমানের জন্য ইমান গ্রহণের পর প্রথম এবং প্রধান ইবাদত নামাজ। নামাজের জন্য কিছু নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে এবং সে অনুযায়ী যথাসময়ে নামাজ আদায় করাও জরুরি।

কেননা, পরকালে সব মুসলমানের কাছে প্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে। যে ব্যক্তির নামাজের হিসাব দিতে সহজ হবে, তার পরবর্তী সব হিসাব সহজ হয়ে যাবে।

নামাজের সব বিধান মেনে সঠিকভাবে নামাজ আদায় করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহতায়ালার প্রতি ধ্যান রেখে পরিপূর্ণ মনোযোগের সঙ্গে নামাজ আদায়ের কথা বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘সেসব মুমিনরা সফলকাম, যারা তাদের নামাজে বিনয়াবনত থাকে।’ -(সূরা মুমিনুন, আয়াত : ১-২)।

নামাজের মধ্যে রয়েছে ১৪টি ওয়াজিব কাজ। ওয়াজিব কাজ বলতে ওই সব কাজকে বুঝায়, যার কোনো একটিও ছুটে গেলে সিজদায়ে সাহু আদায় করতে হয়। সিজদায়ে সাহু আদায় করতে ভুলে গেলে পুনরায় নামাজ পড়তে হয়। তাই নামাজের ওয়াজিবগুলো যথাযথ আদায় না করলে নামাজ হবে না।

নামাজের ওয়াজিব বা আবশ্যক ১৪টি কাজ হলো:

১. প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতিহা পূর্ণ পড়া। (বুখারি ১/১০৪, হাদিস: ৭৫৬)

২. প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা বা ছোট তিন আয়াত পরিমাণ মেলানো। (বুখারি ১/১০৫, হাদিস : ৭৭৬, মুসলিম ১/১৮৫, হাদিস : ৪৫১)

৩. ফরজের প্রথম দুই রাকাতকে কিরাতের জন্য নির্দিষ্ট করা। (বুখারি ১/১০৫, হাদিস : ৭৭৬, মুসলিম ১/১৮৫, হাদিস : ৪৫১)

৪. সুরা ফাতিহা অন্য সুরার আগে পড়া। (বুখারি ১/১০২, ১০৩, হাদিস : ৭৪৩, মুসলিম ১/১৯৪, হাদিস : ৪৯৮, তিরমিজি, হাদিস : ১/৫৭, হাদিস : ২৪৬ সহিহ)

৫. নামাজের সব রুকন ধীরস্থিরভাবে আদায় করা (অর্থাৎ রুকু, সিজদা ও রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে এবং দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ দেরি করা)। (বুখারি ১/১০৯, হাদিস : ৭৯৩, মুসলিম ১/১৭০, হাদিস : ৩৯৭, আবু দাউদ ১/১২৪, ১২৪, হাদিস : ৮৫৬, ৮৫৭, ৮৫৮)

৬. প্রথম বৈঠক করা (অর্থাৎ তিন অথবা চার রাকাতবিশিষ্ট নামাজের দুই রাকাতের পর বসা)। (বুখারি ১/১১৪, হাদিস : ৮২৮)

৭. উভয় বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। (বুখারি ১/১১৫, হাদিস : ৮৩০, ৮৩১, মুসলিম ১/১৯৪, ১৭৩, হাদিস : ৪৯৮, ৪০২, ৪০৩, তিরমিজি ১/৮৯, হাদিস : ৩৯১)

৮. প্রতি রাকাতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তারতিব বা ধারাবাহিকতা ঠিক রাখা। (বুখারি ২/৯২৪, হাদিস : ৬২৫১, তিরমিজি ১/৬৬, ৬৭, হাদিস : ৩০২, ৩০৩)

৯. ফরজ ও ওয়াজিবগুলো নিজ নিজ স্থানে আদায় করা। (যেমন—দ্বিতীয় সিজদা প্রথম সিজদার সঙ্গে করা। প্রথম বৈঠকে আত্তাহিয়াতু শেষ করে তত্ক্ষণাৎ তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি। (বুখারি ২/৯২৪, হাদিস : ৬২৫১, তিরমিজি ১/৬৬, ৬৭, হাদিস : ৩০২, ৩০৩)

১০. বিতর নামাজে তৃতীয় রাকাতে কিরাতের পর কোনো দোয়া পড়া। অবশ্য দোয়া কুনুত পড়লে ওয়াজিবের সঙ্গে সুন্নতও আদায় হয়ে যাবে। (বুখারি ১/১৩৬, হাদিস : ১০০২, তিরমিজি ১/১০৬, হাদিস : ৪৬৪১ হাসান, ইবনে মাজাহ ১/৮৩, হাদিস : ১১৮২)

১১. দুই ঈদের নামাজে অতিরিক্ত ছয় তাকবির বলা। (আবু দাউদ ১/১৬৩, হাদিস : ১১৫৩ হাসান, মুসনাদে আহমাদ ৪/৪১৬, হাদিস : ১৯৭৩৪ হাসান, মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাহ ২/১৭২, হাদিস : ৫৬৯৪ হাসান, মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক ৩/২৯৩, হাদিস : ৫৬৮৬)

১২. দুই ঈদের নামাজে দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত তিন তাকবির বলার পর রুকুতে যাওয়ার সময় ভিন্নভাবে তাকবির বলা। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাহ ১/৪৯৫, হাদিস : ৫৭০৭ সহিহ, মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক ৩/২৯৩ হাদিস : ৫৬৮৬ সহিহ, তাহাবি ৪/৩৪৮, হাদিস : ১৬৭৪)

(এই তাকবিরটি অন্যান্য নামাজে সুন্নত)

১৩. ইমামের জন্য জোহর, আসর এবং দিনের বেলায় সুন্নত ও নফল নামাজে কিরাত আস্তে পড়া। আর ফজর, মাগরিব, এশা, জুমা, দুই ঈদ, তারাবি ও রমজান মাসের বিতর নামাজে কিরাত শব্দ করে পড়া। (মুসলিম ১/২৯১, হাদিস : ২৫৯, নাসায়ি ১/১১২, হাদিস : ৯৭০ সহিহ, তিরমিজি ১/১০৬)

মনে রাখতে হবে, আস্তে পড়ার অর্থ মনে মনে পড়া নয়। কেননা এতে নামাজ শুদ্ধ হয় না; বরং আওয়াজ না করে মুখে উচ্চারণ করে পড়া জরুরি)।

১৪. সালামের মাধ্যমে নামাজ শেষ করা। (বুখারি ১/১১৫, হাদিস : ৮৩৭)।




সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার   আহ্বান জানিয়েছে সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের  শিক্ষার্থীরা।পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ  প্রদান ও  পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছে তারা।

আজ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ  ইউনূসের সঙ্গে বৈঠককালে সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের  শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল এসব দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। । প্রতিনিধি দল অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করারও দাবি জানান।

এছাড়া সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রনালয় করারও প্রস্তাব তুলে ধরেন তারা।

এ সময় উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।




বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলো বেশ ক্রিটিক্যাল: মিজানুর রহমান আজহারী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলোকে বেশ ক্রিটিক্যাল বলে মন্তব্য করেছেন দেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। আজ সোমবার (রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লেখেন।

ফেসবুক পোস্টে আজহারী লিখেছেন, ‘বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলো বেশ ক্রিটিক্যাল। প্রতি-বিপ্লব ঠেকাতে সদা-জাগ্রত, সদা-সজাগ থাকা চাই। বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে রাজপথ দখলে রাখতে হবে আরও কিছুদিন। তারুণ্যের এই গণজোয়ার অব্যাহত থাকুক। করুণাময় এ বিজয়কে টেকসই করুন। Miles to go…’

দেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী বর্তমানে মালয়েশিয়ায় থাকেন। এর আগে দেশটির গার্ডেন অব নলেজ খ্যাত ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব কোরআন অ্যান্ড সুন্নাহ স্টাডিজ থেকে ২০১৬ সালে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন শেষ করেন আজহারী। তার আগে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব তাফসির অ্যান্ড কোরআনিক সায়েন্স থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এ জন্য নামের শেষে আজহারী যোগ করেছেন এ ইসলামি বক্তা।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে গত ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।



দুর্গাপূজার ছুটি ৩ দিন করার সুপারিশ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দুর্গাপূজার ছুটি বাড়িয়ে তিনদিন করার সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান উপদেষ্টা।

নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয় তিনি বলেন, ওনারা কয়েকটা দাবি দেওয়া দিয়েছেন, সেগুলো অনেক পুরনো, নতুন বিষয় নয়। ওনারা আমার কাছে এইটুকু প্রমিস করেছেন, যারা বুঝে না বুঝে আন্দোলন করার চেষ্টা করছেন, সেটা সঠিক নয়। আমরা হয়তো তাদের সঙ্গে বৃহৎ পরিসরে কথা বলব।

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি মনে করি দুর্গাপূজায় দুই বা তিন দিন ছুটি দিতে অসুবিধা কী? এই ছুটি তো শুধু ওনাদের জন্য নয়। ছুটি পেলে আমরা একটু ঘুরে টুরে আসলাম কক্সবাজার বা এখানে ওখানে। আমি বলছি আমি তো ডিসিশন মেকার নই, আমি এটা সচিব মহোদয়কে বলেছি উনারা যে দাবিগুলো দিয়েছেন সেগুলো নোট করতে, ক্যাবিনেট মিটিং যখন হবে আলোচনা করব।’

‘ক্যাবিনেটে যা এখন করা যায় তাই হবে। যেগুলো এখন করা যাবে না, যেগুলো সংবিধানের কিছু বিষয় আছে, আমাদের তো সংবিধান পরিবর্তন করার কোন প্রভিশন নেই। এটা আমাদের সুপারিশে থাকবে সংবিধানের যদি কখনো হাত লাগানো হয়, সংবিধানের অনেক বিষয় আমাদের হাত লাগাতে হবে। আমরা ডিক্টেটরশিপ চাই না, আমরা জবাবদিহি সরকার চাই।’

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি এই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শক্তভাবে সুপারিশ করব- অন্তত দুর্গাপূজায় তিন দিন ছুটি হয়, তিনদিন না হলে যাতে কমপক্ষে দুদিন ছুটি হয়।

জন্মাষ্টমীর সময় নিবিড় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। যাতে কোন ধরনের কিছু না হয়।