প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা উচিত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: মুসলিম সন্তানদের জন্য তাদের ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো শিক্ষা করা ফরজ। এটা মুসলমানদের প্রায় প্রতিটি পরিবার ও সমাজে কোনো না কোনোভাবে সম্পন্ন করার একটা চেষ্টা থাকে। তাই একটি মুসলিমপ্রধান দেশে এটা একটি নৈতিক ও স্বাভাবিক জনচাহিদার দাবি হলো, এর স্কুলগুলো ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা থাকা এবং ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া।
আদর্শ সমাজ ও নাগরিক তৈরিতে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষায় থেকে গেছে এক বিরাট শূন্যতা। সিলেবাসে ধর্ম থাকলেও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক নয়। ফলে ধর্ম শিক্ষা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান রাখেন না এমন ব্যক্তিরাও পাঠদান করছেন।
সিলেবাসে ধর্মীয় বই আছে, কিন্তু ধর্মীয় শিক্ষকের অভাবে যথাযথভাবে পাঠ দেওয়া যায় না। বিভিন্ন সময়ে শোনা গেছে, ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানে না বা অন্য ধর্মের অনুসারীদেরও ইসলাম শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে ইসলাম শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে পারলে এটা নাগরিকদের নৈতিক মান উন্নত করবে, ইসলাম সম্পর্কে অসচেতনতা দূর করবে এবং অভিভাবকদের ভেতর কোরআন সহ ইসলামের মৌলিক শিক্ষা প্রদানের যে চাহিদা রয়েছে, তাও পূরণ হবে।








