ইসির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই ‘অটোপাস’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাড়ে চারশ’র বেশি ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি ছেড়ে স্বরাষ্ট্রের জননিরাপত্তা বিভাগে যাওয়ার আগেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন সাবেক সচিব জাহাংগীর আলম। এই নিয়োগে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা সবাইকে পাস করানো হয়েছে এবং ৭৪৭ জন পরীক্ষা না দিয়েও পাস করেছেন।

এ নিয়োগ পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ১৩ শতাংশ উপস্থিত ছিলেন। যাদের মধ্যে সবাই পাস করেন। তারাসহ পরীক্ষা না দিয়ে পাস করা ৭৪৭ জন লিখিত পরীক্ষায় বসবেন আগামী ৩১ জানুয়ারি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের ৪৬৮টি পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে ২০১৯ সালের ২০ মে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ইসি। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে মোট এক লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৪ জন চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেন। কিন্তু আইডিইএ প্রকল্পের আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মামলাজনিত কারণে দীর্ঘদিন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।




বিয়ে করতে আর ট্যাক্স দিতে হবে না: আইন উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বিয়ে সম্পাদনে আরোপিত কর (ট্যাক্স) বাতিল করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বিয়ে সম্পাদনে আরোপিত একটি কর ছিল, আইন মন্ত্রণালয় এ অযৌক্তিক কর বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, ‘বিয়ের ফরমে লেখা থাকতো বিবাহিতা নাকি কুমারী। এটা একটা মেয়ের জন্য অমার্যাদাকর শব্দ। সেটা আমরা অবিবাহিতা করে ফেলেছি। এমন ছোটো ছোটো অনেক কাজ করেছি। আরও অনেক কাজ করার চিন্তা আছে।’

এ সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘বিয়ের ট্যাক্সে আজকে সাইন করলাম। আপনি ট্যাক্স ছাড়া বিয়ে করতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, সিটি করপোরেশন মডেল ট্যাক্স তফসিল ২০১৬ সালে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়ের ওপর বিভিন্ন করের হারের বিধান করে। এক্ষেত্রে করের টাকা পরিশোধ করতে হবে পাত্র পক্ষকে।

তপশিলের ১৫২ ধারায় বলা হয়েছে, প্রথম বিবাহ বা প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পরে বিবাহের জন্য একজন পুরুষকে বিয়ের পিড়িতে বসার আগে ১০০ টাকা ফি দিতে হবে। প্রথম স্ত্রীর জীবদ্দশায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ৫ হাজার টাকা, প্রথম দুই স্ত্রীর জীবদ্দশায় তৃতীয় বিয়ের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে হবে।

তপশিল অনুযায়ী, চতুর্থ বিয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা কর দিতে হবে। স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ বা নিঃসন্তান হলে এই নিয়ম কার্যকর হবে না। তবে, সেক্ষেত্রে ২০০ টাকা দিতে হবে।




দশমিনায় মন্দির বিরোধে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল কৃষ্ণভক্তের

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মন্দির নিয়ে বিরোধের জেরে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই ভক্তগোষ্ঠীর সংঘর্ষে দিবাংসু হাওলাদার ওরফে কালু (৩০) নামের এক কৃষ্ণভক্তের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবদুল আলীম জানান, মন্দির নিয়ে চলমান বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলা এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।

উপজেলার গুলি আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত ৩০ বছরের পুরোনো কৃষ্ণমন্দিরকে কেন্দ্র করে দুই ভক্তগোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। সম্প্রতি মতুয়াভক্তরা ওই মন্দিরের পাশে একটি নতুন মন্দির স্থাপন করে পূজা-অর্চনা শুরু করেন। এ নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে।

গত ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কৃষ্ণমন্দিরে পূজা দিতে আসা মতুয়াভক্ত কৃষ্ণা রানী ও কৃষ্ণভক্ত লক্ষ্মী রানীর মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হন।

দিবাংসু হাওলাদার গুরুতর আহত হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

ওসি মোহাম্মাদ আবদুল আলীম আরও বলেন, “মন্দির বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হওয়ায় আগের মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হবে।”

স্থানীয় সুশীল সমাজ এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে এমন সংঘর্ষ দুঃখজনক। স্থানীয় প্রশাসন এবং সমাজপতিদের বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা উচিত।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




১৭ লাখ ইমাম-মুয়াজ্জিন পাবেন সরকারি ভাতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদের ১৭ লাখ ইমাম-মুয়াজ্জিনকে সম্মানী ভাতা দেবে অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁদের পাশাপাশি মসজিদের খাদেমদেরও দেওয়া হবে এই ভাতা। তাঁরা নিয়মিত বেতন-ভাতার পাশাপাশি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় এ ভাতা পাবেন।

দেশের মোট মসজিদের ১০ শতাংশ মসজিদে প্রথম দফায় এ কর্মসূচি চালু করা হবে।

পর্যায়ক্রমে বাকি মসজিদগুলোকেও এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে ইমাম পাঁচ হাজার, মুয়াজ্জিন চার হাজার এবং খাদেম তিন হাজার টাকা করে পারেন।
সারা দেশের মসজিদগুলোর তালিকা করতে গত মঙ্গলবার সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। প্রতিষ্ঠানটির সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে আজহারীর মাহফিল: স্যানিটেশন ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে প্রস্তুত ১২০০ অস্থায়ী টয়লেট

পটুয়াখালীতে আলোচিত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর আগমনকে কেন্দ্র করে ২৫ জানুয়ারি জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ সমবেত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই মাহফিলের জন্য প্রায় ছয় লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এ বিশাল জনসমাগমের স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে তৈরি করা হচ্ছে ১২০০ অস্থায়ী টয়লেট।

আয়োজকরা ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, পটুয়াখালী জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনে মূল মাঠের পাশে ৪০০টি প্রসাবখানা এবং ২০০টি টয়লেট স্থাপন করা হবে। একইভাবে, সোনালী ব্যাংক মোড়ে ২০০টি প্রসাবখানা ও ১০০টি টয়লেট এবং ফোর লেন সড়কের বিটাইপ রাস্তার মোড়ে ২০০টি প্রসাবখানা ও ৫০টি টয়লেট স্থাপন করা হবে। এসব টয়লেটের পাশাপাশি, অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে আরও অস্থায়ী এবং ভ্রাম্যমাণ টয়লেটও বসানো হবে।

নারীদের সুবিধার জন্য লতিফ স্কুল এবং আব্দুল হাই বিদ্যানিকেতনের প্যান্ডেলে অস্থায়ীভাবে ৫০টি টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের বিদ্যমান টয়লেট ব্যবহারের সুযোগও দেওয়া হবে।

পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, “আমরা আশা করছি, মিজানুর রহমান আজহারীর আগমন উপলক্ষ্যে বিশাল সংখ্যক মানুষের আগমন ঘটবে এবং তাদের স্যানিটেশনের সুবিধার্থে এই ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, সকলের সহযোগিতায় এই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারব।”

এ মাহফিলটি আগামী ২৫ জানুয়ারি পটুয়াখালী তথা বরিশাল বিভাগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মিজানুর রহমান আজহারী সশরীরে উপস্থিত থেকে আলোচনা করবেন। এই মাহফিলকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




উমরার জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক

সংক্রামক ও বিপজ্জনক রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে সৌদি আরব নতুন স্বাস্থ্য শর্ত আরোপ করেছে। এখন থেকে পবিত্র উমরা পালন বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব ভ্রমণ করতে হলে মেনিনজাইটিসের টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক হবে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভ্রমণের কমপক্ষে ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নিতে হবে এবং ভ্রমণের সময় সেই টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

সৌদি প্রশাসন জানিয়েছে, ১ বছরের বেশি বয়সী সব ভ্রমণকারীর জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক। তবে যারা ১০ বছর আগে এই টিকা নিয়েছেন, তাদের নতুন করে টিকা নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

মেনিনজাইটিস হলো মানুষের মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডের চারপাশের সূক্ষ্ম টিস্যু স্তরের সংক্রমণজনিত প্রদাহ। সাধারণত অণুজীবের সংক্রমণে এটি হয়ে থাকে এবং এটি নানা ধরনের হতে পারে, যেমন ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিস, নিসেরিয়া মেনিনজাইটিস, ভাইরাল মেনিনজাইটিস ইত্যাদি। ভাইরাল মেনিনজাইটিস বিভিন্ন ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়, যা হাঁচি, কাশি ও অস্বাস্থ্যকর স্বাস্থ্যবিধির মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে।

এ ছাড়া উমরা যাত্রীদের করোনাভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং পোলিওর টিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষত, পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য পোলিও টিকার সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে আফগানিস্তান, কেনিয়া, কঙ্গো, এবং মোজাম্বিকে ট্রানজিট যাত্রীদেরও পোলিওর টিকা নিতে হবে।

এসব শর্ত মেনে চলার জন্য সৌদি সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (এসসিএএ) ভ্রমণকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এই নতুন নীতিমালা উমরা পালন ও অন্যান্য ভ্রমণের সময় স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জমজমের নামে ট্যাপের পানি বিক্রি, ৫ মাসে আয় ২৫ লাখ ডলার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: তুরস্কে সাধারণ ট্যাপের পানিকে মক্কার পবিত্র জমজম কূপের পানি বলে বিক্রি করায় বিলাল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৫ মাস ধরে তিনি এই প্রতারণা করে আসছিলেন এবং এ থেকে তিনি মুনাফা করেছেন অন্তত ২৫ লাখ ডলার বা ৯ কোটি লিরা (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ কোটি টাকা)।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, এই পাঁচ মাসের প্রতিদিন তিনি ২০ টন করে ‘জমজমের পানি’ বিক্রি করতেন এবং দৈনিক তার আয় হতো ২২ হাজার ডলার বা ৬০ হাজার লিরা।

রোববার তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ব্যবসা কেন্দ্র থেকে ১৫ টন (১৫ হাজার লিটার) ট্যাপের পানিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই পানি তিনি ‘জমজমের পানি’ হিসেবে বিক্রির জন্য মজুত করেছিলেন।




দেশে চাঁদাবাজি-দখলবাজি চাই না: মিজানুর রহমান আজহারী

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, দেশে চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং দুর্নীতি কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাতে সিলেট এমসি কলেজ মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে বয়ান পেশ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

মিজানুর রহমান আজহারী তার বক্তৃতায় বলেন, “দেশের রাজনীতিতে যখন ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, তখন আমরা এক সরকারের দুর্নীতির কাহিনি শুনি, পরবর্তীতে আরেক সরকারের দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠে। আমরা এই বাজে স্বভাবগুলো প্রতিটি দলের মধ্যে দেখতে পেয়েছি। এখন সময় এসেছে আমাদের নিজেদের শুধরে নেয়ার। আমরা চাই না চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বা কোনো ধরনের দুর্নীতি দেশে চলতে থাকুক।”

তিনি আরও বলেন, “এটাই নতুন প্রভাতের বাংলাদেশ, নতুন ভোরের বাংলাদেশ। আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে একসাথে এই দেশকে উন্নত করতে কাজ করবো।”

ড. আজহারী জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমাদের শপথ নেওয়ার সময় এসেছে। সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের শপথ নেয়া উচিত যে তারা আর কোনো দিন চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করবে না এবং সবসময় দেশের পক্ষে থাকবে।”

তাফসীর মাহফিলে তিনি একথাও বলেন যে, “যশোরের মাহফিলের বক্তব্য সাধারণ ও সবার জন্য ছিল। রাজনৈতিক প্রসঙ্গে যদি কেউ বলেন, ‘দল করে দেখান’, তবে আমি বলব, আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন মুফাসসিরে কুরআন এবং তার পর আমি একজন বাংলাদেশি নাগরিক। দেশের যেকোনো সমস্যা নিয়ে কথা বলার আমার অধিকার রয়েছে।”

মাহফিলের শেষ দিনে, ড. মিজানুর রহমান আজহারী ছাড়াও তাফসীর পেশ করেন আল্লামা ইসহাক আল মাদানী, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, মুফতি মাওলানা আমীর হামজা, শায়খ হাফিজ মাওলানা আবু সাঈদ, অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী, মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, শায়েখ আজমল মসরুর, মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, মাওলানা মাহবুবুর রহমান জালালাবী ও মাওলানা হাসানুল বান্না বিন শরিফ আব্দুল কাদির।

এ ছাড়া মাহফিলের বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হাফিজ আব্দুল হাই হারুন প্রস্তাবনা পেশ করেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ড. মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলে পটুয়াখালী প্রস্তুত ৮টি মাঠ 

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামিক বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিল উপলক্ষে পটুয়াখালী শহরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি পটুয়াখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে আয়োজিত মাহফিলকে সফল করতে আটটি মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মাহফিলে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠ ছাড়াও শ্রোতাদের জন্য অতিরিক্ত সাতটি মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিসি বাংলো পার্ক, লতিফ স্কুল মাঠ, আক্কেল আলী কলেজ মাঠ, সোনালি ব্যাংক সংলগ্ন মাঠসহ শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আয়োজন।

শ্রোতাদের সুবিধার্থে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজারো স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হবে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য। পাশাপাশি পর্যাপ্ত মাইক ও ভিজ্যুয়াল সিস্টেম স্থাপন করা হচ্ছে যাতে সব মাঠ থেকে বক্তব্য স্পষ্ট শোনা যায়।

পটুয়াখালী শহরে মাহফিলের আগে থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এবারের মাহফিল শান্তিপূর্ণ এবং সফল করার জন্য সবধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




পরিচয় গোপন করে সংবাদ সম্মেলনে সাদপন্থীরা!

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বেলা ১২টায় একটি সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরিচয় গোপন করে তাবলীগ জামাতের সাদপন্থীরা এই সংবাদ সম্মেলন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান- সেখানে সাদপন্থীরা নিজেদের পরিচয় গোপন করে নিরপেক্ষ হিসাবে পরিচয় দিয়েছে।

সাংবাদিকরা তাদেরকে প্রশ্ন করেন, আপনারা কারা বা আপনারা কোন পক্ষ?
উত্তরে ওনারা জানান, আমরা নিরপেক্ষ।

অথচ উনারা কট্টর সাদপন্থী। এর প্রমাণ ওনারা নিজেরাই রেখে গেছেন। (ছবি দুটো লক্ষ করলে বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে ওঠে)

গত ২৩ শে ডিসেম্বর ২০২৪, রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাদপন্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে যারা সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন, তাদের ভেতরে প্রফেসর মঞ্জুর নামে পরিচিত এক সাদপন্থী ব্যক্তি আজও সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হন। এবং সাংবাদিক ভাইদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এই মিডিয়া সমন্বয়ক প্রশ্ন রাখেন কেন তারা পরিচয় গোপন করছেন? কেন জাতির বিবেক সাংবাদিক ভাইদের সামনে ভুল তথ্য পেশ করলেন? তাহলে কি তারা অস্তিত্বহীনতায় ভুগছেন? উনারা কি নিজেদেরকে সাদপন্থী হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করছেন?

প্রসঙ্গত, প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে গত ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গী ময়দানে সাদপন্থীরা নৃশংস হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। এরপরে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় শতাধিক তাবলীগের সাথী তওবা করে সাদ পন্থী থেকে শুরায়ী নিজামের অধিনে মেহনত শুরু করেন।

খবর প্রেসবিজ্ঞপ্তি’র