মধ্যপ্রাচ্যে ৩০ মার্চ ঈদ, বাংলাদেশে সম্ভাবনা ১ এপ্রিল

কুয়েতের আল-ওজাইরি বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতর পালিত হবে ৩০ মার্চ। ওইদিন সৌদি আরব ও কুয়েতের আকাশে চাঁদ মাত্র ৮ মিনিট দৃশ্যমান থাকবে, যা খালি চোখে দেখা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণ

বিজ্ঞান কেন্দ্রের গবেষণা অনুসারে, ২৯ মার্চ দুপুর ১টা ৫৭ মিনিটে ১৪৪৬ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ উঠবে। তবে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে চাঁদ অস্ত যাবে সূর্যোদয়ের আগেই, ফলে তারা ওইদিন ঈদ শুরু করতে পারবে না। এ অঞ্চলের অনেক দেশ সৌদির সঙ্গে রমজান শুরু করলেও এবার তারা ৩০টি রোজা পূর্ণ করতে পারে।

কুয়েতের বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, কিছু আরব ও ইসলামিক দেশের প্রধান শহরগুলোতে চাঁদ ৪ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবে। তবে প্রতিটি দেশ নিজস্ব চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের তারিখ ঘোষণা করবে।

দুবাই জ্যোতির্বিদ্যা গ্রুপের ভিন্ন পূর্বাভাস

এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই জ্যোতির্বিদ্যা গ্রুপ জানিয়েছিল, আমিরাতে ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যেতে পারে এবং ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে। যদি আমিরাতে ঈদ ৩১ মার্চ হয়, তবে সেখানকার মানুষ ৩০টি রোজা পালন করবেন।

বাংলাদেশে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ

মধ্যপ্রাচ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় ১ মার্চ থেকে রোজা শুরু হয়। সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয়। সে হিসেবে, যদি সৌদি আরবে ৩০ মার্চ ঈদ হয়, তবে বাংলাদেশে ঈদ হবে ৩১ মার্চ। তবে সৌদি আরবে ২৯ মার্চ চাঁদ দেখা গেলে, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ৩০ মার্চ চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে, ফলে ১ এপ্রিল ঈদ উদযাপিত হতে পারে।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ দান ও কেন এটি আদায় করা প্রয়োজন

ফিতরা বা ফিতরাহ হলো ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দান, যা ঈদুল ফিতরের আগে অবশ্যই আদায় করতে হয়। এটি যাকাতুল ফিতর বা সাদাকাতুল ফিতর নামে পরিচিত এবং এটি রোজার ত্রুটিবিচ্যুতি মার্জনা করার একটি মাধ্যম হিসেবে আদায় করা হয়।

ফিতরা শব্দটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো ‘রোজা ছাড়া’। এটি মূলত রমজান মাসের শেষে, ঈদুল ফিতরের দিন সকালে অসহায় ও গরিবদের সাহায্য করার জন্য দান করা হয়। এই দানের মাধ্যমে ঈদ উৎসবে গরিবদেরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যাতে তারা আনন্দের সময় ধনীদের মতো ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

ফিতরা কী?::

ফিতরা বা সাদকাতুল ফিতর হলো ঈদের নামাজের আগে গরিব-দুঃখীদের দেওয়া নির্ধারিত সাদকা। এর মাধ্যমে রোজা পালনের ত্রুটির পরিপূরক হিসেবে আত্মশুদ্ধি এবং পবিত্রতা অর্জন হয়। যারা নিসাব পরিমাণ সম্পদ, যেমন সোনা বা রুপার সমমূল্যের মালিক, তাদের জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। এটি মূলত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সকল সদস্যের পক্ষ থেকে আদায় করতে হয়।

ফিতরা কেন আদায় করতে হয়?::

ফিতরা আদায় করার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। রমজানের রোজা পালনকালে যদি কোনো ত্রুটি বা ভুল ঘটে, তবে তার সংশোধন করতে ফিতরা দেওয়া হয়। এটি গরিব ও অসহায়দের মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে, যাতে তারা ঈদের দিন ভালো খাবার ও পোশাক পায় এবং তাদের মনও আনন্দিত হয়।

এছাড়া, ফিতরা মানুষের আত্মশুদ্ধির একটি উপায় হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং মানবিক মূল্যবোধের উন্নয়ন ঘটায়।

ফিতরা আদায়ের উপকারিতা:

ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে রোজার যে কোনো ভুল বা ত্রুটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। হাদিসে এসেছে, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিমদের জন্য সাড়ে ৩ কেজি খেজুর বা যব খাদ্য আদায় ফরজ করেছেন।” (বুখারি, মুসলিম)

ফিতরা দিয়ে গরিবদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া যায়, যাতে তারা ঈদ উদযাপন করতে পারে, এবং এটি তাদের জন্য এক প্রকার উপহার বা দানের মতো কাজ করে।

ফিতরা আদায় করার নিয়ম:

ফিতরা আদায় করার সময়, এটি ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে করা উচিত। মুসলিম পরিবারের নাবালক ছেলে-মেয়ের পক্ষ থেকে তাদের বাবা-মা ফিতরা আদায় করে দেবেন। ঈদের দিন গরিবদের মধ্যে ফিতরা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটি অবশ্যই যথাসময়ে আদায় করা জরুরি।

এটি কেবল রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি মেটানোর জন্য নয়, বরং গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেও করা হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রমজানে সাধ্যমতো ফিতরা আদায় করার তাওফিক দান করুন, যাতে আমরা তাঁর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারি।


মোঃ আব্দুল কুদ্দুস,
জেনারেল ম্যানেজার, সোনালী ব্যাংক পিএলসি

 




রমজানে যে চার আমল বেশি বেশি করবেন

রমজান মাসের পবিত্রতা ও মর্যাদা অনেক বেশি। এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য কিছু বিশেষ আমল রয়েছে, যেগুলি আমাদের জন্য একান্তভাবে উপকারী। এখানে জানানো হলো সেই চারটি আমল, যা রমজানে বেশি বেশি করা উচিত।

১. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করা
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ হলো আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা। এটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দনীয় একটি আমল। যার দ্বারা ঈমানদারদের আল্লাহর প্রতি আনুগত্য স্পষ্ট হয় এবং কুফর থেকে পার্থক্য তৈরি হয়। হজরত মুয়াজ বিন জাবাল (রা.) এক হাদিসে বলেছেন, “যার সর্বশেষ কথা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (সুনানে আবু দাউদ: ৩১১৬)

২. ইস্তেগফার পড়া
রমজানে বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করা সফল মুমিনের অন্যতম গুণ। ইস্তেগফার দ্বারা শয়তানের প্ররোচনা এবং গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, “আমি তাদের বলেছি, নিজ প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল।” (সুরা নুহ: ১০)

৩. জান্নাত চাওয়া
রমজানের এই পবিত্র সময়ে আল্লাহর কাছে জান্নাত চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জান্নাত মুমিনের চিরস্থায়ী সুখের আবাস এবং এটি সব মুসলমানের একান্ত আকাঙ্ক্ষা। আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করা আমাদের মনের শান্তি ও পরকালীন সুখের পথ।

৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া
যদিও সবাই জানে, জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা সত্ত্বেও মানুষ প্রায়ই তার কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ জাহান্নামের দিকে চলে যায়। সুতরাং, রমজানে আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রমজান হলো আল্লাহর কাছে বেশি বেশি চাওয়ার মাস। চারটি আমলের মধ্যে তিনটি চাওয়ার এবং একটিতে ধ্যান স্থাপন করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো বেশি বেশি করার তওফিক দান করুন।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম


 




লঞ্চে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত নিলে ব্যবস্থা : নৌ পরিবহন উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ঈদযাত্রায় লঞ্চে অতিরিক্ত নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। যাত্রীদের নির্ধারিত ভাড়া তালিকাভুক্ত করে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে শুধু জরিমানা নয়, সেই লঞ্চের রুট পারমিটও বাতিল করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সচিবালয়ে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০২৫ উপলক্ষ্যে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা জানান, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌচলাচলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সিদ্ধান্তগুলো ১৫ রমজান থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে। জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি উন্মুক্ত রাখতে হবে। বাস যাত্রাপথে যত্রতত্র দাঁড়িয়ে রাস্তা বন্ধ করতে পারবে না। আমি পুলিশকে অনুরোধ করেছি, তারা তিনটি জায়গায় র‌্যাকার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন। প্রয়োজন হলে বাস উঠিয়ে নিয়ে যাবেন। গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত এমন একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা হয়, কেউ ৩টার সময় রওনা হলেও ৭টার লঞ্চ ধরতে পারে না। একটা সভ্য দেশ, সভ্য শহরে এটা হয় না।




লেডিস ক্লাবে আজ সংবাদকর্মীদের ইফতার

আজ সন্ধ্যায় মিডিয়া কর্মীদের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানীর লেডিস ক্লাবে এক ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।




রোজা রাখার ৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রমজান মাসে রোজা রাখার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বের পাশাপাশি অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই মাসে রোজা রাখার মাধ্যমে শরীরকে খাবার থেকে বিরতি দেওয়া হয়। যা আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই পবিত্র মাসে রোজা রাখলে শারীরিক ও আধ্যাত্মিক উভয় উভয় অর্জন করা যায়। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রোজা রাখার ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

রোজা রাখার ফলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস প্রো-ইনফ্ল্যামেটরি সাইটোকাইনের উৎপাদন হ্রাস করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎপাদন বৃদ্ধি করে, যা অসুস্থতা এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। পুষ্টিবিদদের মতে, রোজা অন্ত্রের আস্তরণকে শক্তিশালী করে। এটি অটোফ্যাজি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষতিকারক এবং ক্ষতিগ্রস্ত উপাদান থেকে কোষকে পরিষ্কার করে।

২. ইনসুলিন
রোজা ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
রোজার সময় শক্তির জন্য সঞ্চিত গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করলে শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত হয়। গবেষণা অনুসারে, রমজান মাসে রোজা রাখার ইতিবাচক ফলাফল রয়েছে। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে।

৩. ওজন কমায়

ওজন কমানোর জন্য রোজা একটি দুর্দান্ত উপায়। সাহরি ও ইফতারে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে এই মাসে ওজন কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে রমজান মাস ছাড়া বছরের অন্যান্য সময়েও অতিরিক্ত খাওয়ার প্রলোভন এড়াতে হবে।

৪. হৃদরোগের জন্য ভালো

রোজা রাখলে তা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে। এটি রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে, যা প্রদাহ কমাতে এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করতে সহায়তা করে। তবে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ আছে তাদের রোজা শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে

রোজা রাখার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার মধ্যে একটি হলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতার উন্নতি। রমজান মাসে মস্তিষ্ক থেকে প্রাপ্ত নিউরোট্রপিক ফ্যাক্টর (BDNF) উৎপাদন বেশ বৃদ্ধি পায়। BDNF হলো একটি প্রোটিন যা মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধি এবং বেঁচে থাকার জন্য সহায়তা করে। এটি স্মৃতিশক্তি, শেখা এবং মানসিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।




দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু রোব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে রোববার (২ মার্চ) পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। আজ এশার নামাজের সঙ্গে তারাবির নামাজ পড়বেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। ভোরে রোজা রাখার উদ্দেশে সেহরি খাবেন তারা।

শনিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সৌদি আরবে হিজরি ১৪৪৬ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শনিবার (১ মার্চ) দেশটিতে শুরু হয়েছে পবিত্র ও মহিমান্বিত এ মাস। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে শুক্রবার রমজানের চাঁদের দেখা গেছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ শনিবার (১ মার্চ) রোজা শুরু করেছেন। তারা শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে রোজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছেন।




দুমকিতে দুই দিনব্যাপী মতুয়া মহোৎসব ও হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে সার্বজনীন শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন আঙ্গারিয়া শাখা মন্দির ও শ্রীমৎ উত্তম গোসাঁই ভক্ত সেবাশ্রমে দুই দিনব্যাপী ১৯তম বার্ষিক হরিনাম সংকীর্তন ও মতুয়া মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশ মাতৃকা ও বিশ্ব জননীর সকল সন্তানের শান্তি ও কল্যাণ কামনায় আয়োজিত এই মহোৎসবে দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো ভক্ত অংশ নেন।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া অনুষ্ঠানমালায় ছিল শুভ অধিবাস, মঙ্গলঘট স্থাপন, মঙ্গল দীপ প্রজ্জ্বলন, পূজা-অর্চনা, শ্রী শ্রী হরিলীলামৃত পাঠ, সন্ধ্যা আরতী, শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাবের ওপর আলোচনা, হরিনাম সংকীর্তন, কবিগান, শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ যাত্রাপালা, ভক্তিমূলক গান ও মঙ্গল শোভাযাত্রা।

এপার বাংলা ও ওপার বাংলার ধর্ম প্রচারকদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই মহোৎসব পরিচালনা করেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা মতুয়ার শ্রীমৎ উত্তম গোসাঁই। এছাড়া, অনুষ্ঠানে আশীর্বাদ প্রদান করেন শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও শ্রীধাম ওড়াকান্দি গদিসমাসীন প্রতিভু অবতার মহা-মতুয়াচার্য শ্রী পদ্মনাভ ঠাকুর।

মহোৎসবের শুভ উদ্বোধক ও প্রধান বক্তা ছিলেন শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি মতুয়া মাতা শ্রীমতী সুবর্ণা ঠাকুর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শ্রী শুভাশিষ মুখার্জি।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জজকোর্টের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট কমল দত্ত, উত্তম গোঁসাই ভক্ত সংগঠনের উপদেষ্টা শ্রী পবিত্র মজুমদার, বরিশালের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রী জয়দেব চন্দ্র দাস, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাব-রেজিস্ট্রার শ্রী সঞ্জয় বড়াল, মন্দির পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা শ্রী গৌরাঙ্গ দাস, সভাপতি শ্রী বাবুল চন্দ্র শীল ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র কর্মকার।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবুল চন্দ্র শীল জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ হিন্দু ভক্তরা এই মহোৎসবে অংশ নেন। উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। এবারের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন এলাকার ২৫টি মতুয়া দল অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে মহোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সৌদিতে দেখা গেছে চাঁদ, শনিবার প্রথম রোজা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সৌদি আরবে হিজরি ১৪৪৬ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে কাল শনিবার (১ মার্চ) থেকে দেশটিতে শুরু হচ্ছে পবিত্র ও মহিমান্বিত এ মাস। এছাাড় সংযুক্ত আরব আমিরাতেও রমজানের চাঁদের দেখা মিলেছে।

সৌদিতে চাঁদ দেখার জন্য কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে রাজধানী রিয়াদের কাছের সুদাইর এবং তুমাইর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চাঁদ দেখার সবচেয়ে বড় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। তবে তুমাইরে বিকেল থেকেই আকাশ মেঘলা হওয়া শুরু করে। এতে করে সেখান থেকে খালি চোখে চাঁদ দেখা কষ্টকর হয়ে পড়ে।

কিন্তু সুদাইর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কাছের আকাশ কিছুটা পরিস্কার ছিল। সেখানে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদের অনুসন্ধান শুরু হয়।




রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পবিত্র রমজান মাসে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে ১৫ মিনিট যোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে উপ-সচিব মো. কামরুজ্জামান সই করেন।

এতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় দেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চলবে। জোহরের নামাজের জন্য দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে।

তবে, ব্যাংক, বিমা, অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল ও রাষ্ট্রায়ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য জরুরি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থ বিবেচনায় তাদের নিজস্ব আইন বিধি অনুযায়ী অফিস সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও তার আওতাধীন সব কোর্টের অফিস সময়সূচি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে।