বেইজিং চুক্তি বাস্তবায়নে সৌদি আরব, চীন, ইরান বৈঠক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সৌদি আরব ও ইরান বেইজিং চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনঃব্যক্ত এবং জাতিসঙ্ঘ সনদের আলোকে প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মঙ্গলবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত বেইজিং চুক্তি বাস্তবায়নে সৌদি-চীন-ইরান যৌথ ত্রিপক্ষীয় কমিটির দ্বিতীয় সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে বলে সৌদি প্রেস অ্যাজেন্সি জানিয়েছে।

সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ বিন আবদুলকরিম এরখারেজির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনা উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেং লি ও ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত রাভাচি উপস্থিত ছিলেন। সৌদি আরব ও ইরান বেইজিং চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনঃব্যক্ত এবং জাতিসঙ্ঘ সনদের আলোকে প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। উভয় দেশ আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ, সার্বভৌম, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেয়।




সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে ৯২৫ বিলিয়ন ডলারের তহবিল-ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশ সৌদি আরবের ডি-ফ্যাক্টো নেতা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় তহবিল ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বৈশ্বিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

স্থানীয় সময় বুধবার (২০ নভেম্বর) এ বিষয়ে ৯৩ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সংবাদ সংস্থা এএফপির বরাতে দ্য জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের নামে সৌদির ভিন্ন মতাবলম্বী শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ধনকুবেরদের প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি জব্দ করেছেন সৌদি যুবরাজ। ওই বছরই তার বাবা সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের কাছ থেকে রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা গ্রহণ করেন তিনি।

এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের নামে সৌদির শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ধনকুবেরদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান-সম্পত্তি জব্দ করছেন মোহাম্মদ বিন সালমান, পরে সেসব রাষ্ট্রীয় তহবিল পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় নিয়ে যান।

ফলে অস্বাভাবিকভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠে পিআইএফের সম্পদের পরিমাণ। এক দশক আগে রাষ্ট্রীয় এই তহবিলে সম্পদের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। বর্তমানে এটির সম্পদের পরিমাণ ১০ গুণের বেশি বেড়ে হয়েছে ৯২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার (৯২৫ বিলিয়ন ডলার)।

প্রসঙ্গত, পদাধিকার বলে পিআইএফের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ৩৯ বছর বয়সী সৌদি যুবরাজের হাতে। এ তহবিলের অর্থ কোন খাতে কীভাবে ব্যয় হবে সে সম্পর্কেও তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

এইচআরডব্লিউ’র প্রতিবেদনে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘পিআইএফের মাধ্যমে সৌদি যুবরাজ রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ব্যাপকভাবে নিজের প্রভাব বিস্তার করেছেন, যা অভূতপূর্ব। এর আগে কখনও কোনো শাসক দেশের অর্থনীতিতে এত প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। তবে দেশের অর্থনীতিতে যুবরাজ মোহাম্মদের এই পরিমাণ প্রভাবশালী হয়ে ওঠা শেষ পর্যন্ত সৌদির জনগণের কোনো উপকারে আসবে কি না তা নিয়ে গভীর সংশয় দেখা গেছে।’

এদিকে সালমানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘণের অভিযোগও তুলেছে এইচআরডব্লিউ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিআইএফের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মীদের অতিরিক্ত সময় কাজ করতে বাধ্য করা, সেইসঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।




রাশিয়ার হামলার আশঙ্কায় ইউক্রেনে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাশিয়ার হামলার আশঙ্কায় ইউক্রেনে অবস্থিত নিজেদের দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার বিমান হামলা হতে পারে বলে তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে দূতাবাসের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে
এমন পদক্ষেপ নিল ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এমন পদক্ষেপ নিল ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রথমবারের মতো গতকাল বুধবার রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের সহস্রতম দিনে এ হামলা চালানো হয়। এমন হামলা চালানো হলে পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়ে রেখেছে দেশটি। তাই গতকালের এ হামলার পর ইউক্রেন যুদ্ধ আরও সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।




সানার সামরিক শক্তির কাছে ওয়াশিংটনের পরাজয় অব্যাহত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ২৬ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনি নিউজ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর লোহিত সাগর থেকে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পালিয়ে গেছে।

ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউটের উদ্ধৃতি দিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনি নিউজ এজেন্সি আরও জানায় ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী এলাকা ছেড়ে যাওয়ার পর ইউএস ৭ম ফ্লিট এলাকায় প্রবেশ করেছে। পার্সটুডে জানিয়েছে, গত এক বছরে এই দ্বিতীয়বার পশ্চিম এশিয়া থেকে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী সরে গেল।

পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ যখন বৃদ্ধি পাচ্ছে তখনই ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ওয়াশিংটনের পরাজয়ও অব্যাহত রয়েছে। সেইসাথে আমেরিকা এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশের আধিপত্য ভেঙে পড়ছে।

আইজেনহাওয়ার, রুজভেল্ট এবং আব্রাহাম লিঙ্কন বিমানবাহী রণতরী পালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আমেরিকা স্বীকার করেছে, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর উন্নত এবং আধুনিক সামরিক সক্ষমতা রয়েছে। আমেরিকার নৌবাহিনীর জন্য ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী একটি বড় বাধা এবং চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত।

গত কয়েক মাস ধরে, ইয়েমেনি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণ এবং প্রতিরোধ বাহিনীর সমর্থনে লোহিত সাগর এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে বেশ কয়েকটি ইহুদিবাদী জাহাজ কিংবা ইসরাইল অভিমুখি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ইসরাইলের অভ্যন্তরে বিশেষ করে তেল আবিবে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী অঙ্গিকার করেছে, যতদিন পর্যন্ত ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজায় তাদের আক্রমণ বন্ধ না করবে ততদিন লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজ এবং ইসরাইলগামী জাহাজের ওপর হামলা চালিয়ে যাবে।#




ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিলেন পুতিন




চার দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি




যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে লেবানন ও হিজবুল্লাহ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে লেবানন সরকার এবং ইরান সমর্থিত দেশটির সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। সোমবার (১৮ নভেম্বর) এ বিষয় সম্পর্কে জানে এমন এক শীর্ষ লেবানিজ কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন। তিনি এই প্রচেষ্টাকে যুদ্ধ শেষ করার সবচেয়ে গুরুতর উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

তবে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত এক কূটনীতিক সতর্ক করে বলেছেন, কিছু বিষয় এখনও চূড়ান্ত করা বাকি আছে, যা চুক্তি সম্পন্ন হতে বিলম্ব ঘটাতে পারে। রয়টার্সকে একজন মার্কিন সূত্র জানায়, মার্কিন দূত আমোস জে হোচস্টাইন শিগগিরই বৈরুত সফরে যাবেন।

গত বছর একাধিক ব্যর্থ যুদ্ধবিরতির আলোচনার পর হোচস্টাইন গত সপ্তাহে আশা প্রকাশ করেন যে একটি সমঝোতা হতে পারে।




আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে বাধা নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারকে সমর্থন করে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। তিনি সোমবার (১৮ নভেম্বর) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন, যখন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের ওপর সমালোচনার বিষয়টি উঠে আসে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিলার বলেন, “আমরা বাংলাদেশের মানুষের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারকে সমর্থন করি এবং আশা করি, সরকার এই ধরনের আন্দোলনকে সহিংসভাবে দমন করবে না।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের সব দেশেই আমরা একই কথা বলি—শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমন না করা উচিত, বরং তা সমর্থন করা উচিত।”

প্রেস ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের ‘নূর হোসেন দিবস’ উপলক্ষে সমাবেশের ঘোষণা ও এতে পুলিশের বাধার বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে। এছাড়াও, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর কথিত নির্যাতন, বিতর্কিত সাংবাদিকদের আটক এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সাংবাদিকরা জানতে চান, এসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বা সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেছে কিনা।

এ প্রসঙ্গে মিলার বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আলাদাভাবে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে আমি এখানে কিছু বলব না। তবে আমরা সরকারের কাছে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে সমর্থন করি এবং আশা করি সরকার কোনওভাবেই সেই আন্দোলন দমন করবে না।”

এ সময় সাংবাদিকরা বাংলাদেশ সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ বাদ দেওয়ার উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলেও মিলার স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




অবৈধ অভিবাসীদের তাড়াতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করবেন ট্রাম্প!

নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের তাড়াতে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, তিনি প্রথম দিনে এই অভিযান শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) আমেরিকান জুডিশিয়াল ওয়াচের প্রেসিডেন্ট টম ফিটনের সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি ঘোষণা প্রস্তুত করছে, যেখানে অভিবাসীদের তাড়াতে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সেনাবাহিনী ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল, “আমি অপরাধীদের বের করে আনার জন্য আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাসন কর্মসূচি শুরু করব।” তিনি আরো বলেন, “আমরা প্রতিটি শহরকে উদ্ধার করব এবং এই দুষ্ট অপরাধীদের কারাগারে রেখে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের বের করে দেব।”

ট্রাম্পের প্রশাসন গঠনও শুরু হয়ে গেছে। তিনি ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকজন ইমিগ্রেশন হার্ড-লাইনারকে নিয়োগ দিয়েছেন, যাদের মধ্যে সাউথ ডাকোটার গভর্নর ক্রিস্টি নয়েমকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া, মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টম হোম্যানও গণ নির্বাসনের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি জানান, প্রথমে অপরাধীদের বহিষ্কার করা হবে এবং তারপর জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হবে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এমন পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং স্থানীয় শ্রম বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ট্রাম্পের অভিবাসন পরিকল্পনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি শিল্পের উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

বর্তমানে, আনুমানিক ১১ মিলিয়ন অননুমোদিত অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। এই বিপুল জনগণের অপসারণে বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে, যা দেশের কর রাজস্ব এবং শ্রমের ঘাটতি তৈরি করতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে আকাশপথ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা তুরস্কের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: তুরস্কের আকাশসীমা ব্যবহার করে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চেয়েছিলেন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। তবে তার সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্ক। যে কারণে শনিবার এক বিবৃতিতে হারজোগ তার ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ’ উল্লেখ করে সম্মেলনে অংশগ্রহণ বাতিল করেছেন।

গত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় আক্রমণ চালাচ্ছে ইসরাইল। আর ইস্যুতে ইসরাইলকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। এ কারণে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কে ভাটা পড়েছে ইসরাইলের। এ অবস্থায় ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে নিজেদের আকাশপথ ব্যবহার করার অনুমতি দেয়নি তুরস্ক।

এর আগে, গত সপ্তাহে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান শীর্ষ সম্মেলনের অংশগ্রহণ করেন। যেখানে ইসরাইলের সঙ্গে নিজেদের সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানান।

তুরস্ক ও তেল আবিবের মধ্যে সর্বশেষ বাণিজ্য সম্পর্ক ছিল মে মাসে। এরপর দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত করা হয়। ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাতের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আঙ্কারা এখন ইসরাইলের উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের দিকে মনোনিবেশ করছে। একই সঙ্গে দেশটি জাতিসংঘে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এক করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।