সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হলেন শারা

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বদানকারী আহমেদ আল শারা দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানার বরাতে এ খবর নিশ্চিত করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, বাশার আল আসাদ এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করতে সামরিক গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা এক বৈঠকে শারা-কে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। এই বৈঠকটি “সিরীয় বিপ্লবের বিজয়” নামক একটি ঐতিহাসিক সমাবেশ ছিল, যেখানে শারা নিজেও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শারা-কে মন্ত্রিসভা গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনা করতে পারেন।

একটি সামরিক কর্মকর্তা হাসান আবদেল ঘানি সানাকে জানান, “আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত শারা দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের পর নতুন সরকার ক্ষমতায় আসলে, তারা সিরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করবে।” এছাড়া, বাশার আল আসাদের পতনে অংশগ্রহণকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিলোপ এবং তাদের সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে শারা মনোনীত হওয়ার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, “সিরিয়ার সরকার ব্যবস্থায় বর্তমান শূন্যতা বৈধ এবং আইনানুগভাবে পূরণ করা হবে।” তিনি আরো বলেন, “আন্তবর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সিরিয়ায় যথাযথ সরকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সে জন্য রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে আমূল সংস্কারের প্রয়োজন।”

শারা আরও জানান, সিরিয়ার জন্য নতুন সংবিধান গ্রহণ করা হবে, যা তৈরি করতে প্রায় তিন বছর সময় লাগতে পারে।

এছাড়া, গত ডিসেম্বরে সিরিয়ায় সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল ও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অভিযানে বাশার আল আসাদের সরকারের পতন ঘটে। সে সময় আসাদ পরিবারসহ দেশ থেকে পালিয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নেয়। আহমেদ আল শারা ছিলেন ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া শীর্ষ কমান্ডার এবং গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল শামসের প্রধান সংগঠক।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩০

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে সামরিক হেলিকপ্টারের সঙ্গে সংঘর্ষে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত উদ্ধারকর্মীরা ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন, তবে কোনো জীবিত যাত্রী পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার শিকার উড়োজাহাজটিতে ৬০ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। সংঘর্ষে বিধ্বস্ত হওয়া সামরিক হেলিকপ্টারটিতে ৩ জন মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন।

বুধবার রাতে রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দরের কাছে **পিএসএ এয়ারলাইন্সের একটি আঞ্চলিক উড়োজাহাজ** ও **সিকরস্কি এইচ-৬০ সামরিক হেলিকপ্টার** মাঝ আকাশে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, পটোম্যাক নদীর ওপরে মুহূর্তেই দুটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার পরপরই ইউএস পার্ক পুলিশ, ডিসি মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর একাধিক হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার পরপরই সব ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং তারা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ওয়াশিংটনে মাঝ আকাশে হেলিকপ্টারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের সঙ্গে সংঘর্ষে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে ৬৪ জন আরোহী ছিলেন বলে জানা গেছে।

এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও হতাহতের বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর ইতোমধ্যেই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

রয়টার্স বলছে, রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি আঞ্চলিক যাত্রীবাহী জেটের সাথে বুধবার রাতে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের মধ্য-আকাশে সংঘর্ষ হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, “আমরা জানি সেখানে প্রাণহানি হয়েছে,” যদিও কতজনের প্রাণহানি হয়েছে তা তিনি বলেননি।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, আমেরিকান এয়ারলাইন্সের জন্য ফ্লাইট ৫৩৪২ পরিচালনা করছিল পিএসএ। এফএএ অনুসারে, কানসাসের উইচিটা থেকে ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করে। আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইট অনুসারে, জেটটি ৬৫ জন যাত্রী বহন করতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর একাধিক সংস্থা বিমানবন্দরের সীমান্তবর্তী পটোম্যাক নদীতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে কাজ করছে। বিমানবন্দরটি বুধবার রাতে বলেছে, দুর্ঘটনার পর জরুরি কর্মীরা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন এবং বিমানবন্দর থেকে সমস্ত উড্ডয়ন এবং অবতরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ বলছে, এই মুহূর্তে হতাহতের কোনও নিশ্চিত তথ্য নেই। একাধিক সংস্থা নদীতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের কাজ সমন্বয় করছে।

এদিকে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানে ৬৪ জন আরোহী ছিলেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আমেরিকান এয়ারলাইন্সের যে বিমানটি ওয়াশিংটনের রিগান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে তাতে ৬০ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু সদস্য রয়েছেন।




সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হলেন শারা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে উচ্ছেদ অভিযানের শীর্ষ নেতা আহমেদ আল শারা দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনা করার জন্য মন্ত্রিসভা গঠনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে সিরিয়ার বর্তমান এই ডি ফ্যাক্টো নেতাকে।

বাশার ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে উচ্ছেদে নেতৃত্ব দেওয়া অন্যান্য সামরিক গোষ্ঠীর কমান্ডার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা বুধবার এক বৈঠকে শারা-কে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স এবং এএফপি। ‘সিরীয় বিপ্লবের বিজয়’ নামের সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শারা নিজেও।

সিরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব বার্তাসংস্থা সানা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেশের প্রেসিডেন্ট থাকবেন শারা।  নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গণে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান হিসেবে সিরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।’

গত ডিসেম্বরে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল ও কয়েকটি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দুর্দান্ত অভিযানে পতন ঘটে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের নেতৃত্বাধীন সরকারের এবং সপরিবারে দেশ থেকে পালিয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নেন আসাদ। আহমেদ আল শারা ছিলেন সেই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল শামসের প্রধান সংগঠক এবং শীর্ষ কমান্ডার।

 




সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নিতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন দাবিই করেছে ইসরায়েলের মিডিয়া। সিরীয় ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ হাজার সৈন্য রয়েছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া থেকে হাজার হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে চান বলে মঙ্গলবার ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে।

ইসরায়েলের সরকারি পাবলিক ব্রডকাস্টিং কান জানিয়েছে, “হোয়াইট হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের ইসরায়েলি সমকক্ষ কর্মকর্তাদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন, যেখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে— প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিরিয়া থেকে হাজার হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে চান।”

এতে আরও বলা হয়েছে, “সিরিয়া থেকে আমেরিকান বাহিনীর প্রত্যাহার তেল আবিবের জন্য উল্লেখযোগ্য উদ্বেগ তৈরি করবে”।

গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক ঘোষণা অনুযায়ী, সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ মঙ্গলবার সিরিয়ার দখলকৃত হারমন পর্বত পরিদর্শন করেছেন। গত মাসে এই অঞ্চলটি দখলের পরে সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার বিষয়ে ইসরায়েলের অভিপ্রায়ের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

কাটজ বলেন, “আমরা শত্রু বাহিনীকে সিরিয়ার দক্ষিণে, এখান থেকে সুইদা-দামেস্ক অক্ষ পর্যন্ত নিরাপত্তা অঞ্চলে পা রাখতে দেব না। আমরা যে কোনও হুমকির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

এর আগে গত ডিসেম্বরে সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের সরকারের পতনের নানা ঘটনাবলীর সুযোগ নিয়ে সিরিয়ার মাউন্ট হারমনের বেসামরিক অঞ্চল দখল করে গোলান মালভূমিতে নিজেদের দখল আরও প্রসারিত করে ইসরায়েল।

সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন করে চালানো এই হামলায় সেসময় নিন্দা জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।




আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইসের আকস্মিক পদত্যাগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল’র (আইসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিওফ অ্যালারডাইস পদত্যাগ করেছেন। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এরই মাধ্যমে আইসিসিতে দীর্ঘ ১৩ বছরের পথচলা শেষ করেছেন অ্যালারডাইস। ২০১২ সালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) অপারেশনস ম্যানেজারের দায়িত্ব ছেড়ে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিসিতে যোগ দিয়েছিলেন অ্যালারডাইস। ২০২১ সালের নভেম্বরে তিনি প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ পান। মাঝে আটমাস ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

হঠাৎ পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। আইসিসির প্রকাশিত বিবৃতিতে অ্যালারডাইসের ভাষ্য, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারা আমার জন্য সম্মানের। ক্রিকেটের বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে আইসিসির সদস্যদের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তি স্থাপন করা পর্যন্ত আমরা যা কিছু অর্জন করেছি, তাতে আমি সত্যিই গর্বিত।’

নিজের পদত্যাগের জন্য এটাই উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন অ্যালারডাইস, ‘গত ১৩ বছর ধরে আমাকে সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য আইসিসির চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ এবং গোটা ক্রিকেট সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, পদত্যাগ করার এবং নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার জন্য এটাই সঠিক সময়। আমার আত্মবিশ্বাসী যে, ক্রিকেটের সামনে রোমাঞ্চকর সময় অপেক্ষা করছে। আমি আইসিসি ও বিশ্ব ক্রিকেট সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করছি।’

এছাড়া, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে ভারতীয় দলের পাকিস্তানে না যাওয়ার বিষয়টি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও সুরাহা করতে পারেননি অ্যালারডাইস। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মূল সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান স্টার স্পোর্টস সূচি প্রকাশে ক্রমাগত দেরি করতে থাকায় তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল এবং টুর্নামেন্ট শুরুর ১০০ দিন আগে অনুষ্ঠান ও বিজ্ঞাপন প্রচার করার ব্যাপারে চুক্তির বাধ্যবাধকতার বিষয়েও জিওফ অ্যালারডাইসকে পত্র দিয়েছিল।

এছাড়া অভিযোগ আছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অর্থ খরচ করা হয়েছে। গত জুলাইয়েই পদত্যাগ করেন সংস্থাটির বিপণন ও যোগাযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ক্লেয়ার ফারলং এবং ভেন্যু পরিদর্শক দলের সদস্য ও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটির প্রধান ক্রিস টেটলি। এবার তাদের পথ অনুসরণ করলেন জিওফ অ্যালারডাইস।




২ মাসের মধ্যে শেষ হতে পারে ইউক্রেন যুদ্ধ : পুতিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ওয়াশিংটন যদি কিয়েভকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা প্রদান বন্ধ করে, সেক্ষেত্রে দুই মাসের মধ্যেই ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার রুশ সাংবাদিক পাভেল জারুবিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

“আমি মনে করি, সবকিছু শেষ হতে পারে আগামী দেড় থেকে দু’মাসের মধ্যেই। এদিক থেকে বিবেচনা করলে, সত্যিকার অর্থে এ মুহূর্তে ইউক্রেনের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই।”

“আরেকটি কথা আমি বলব— কিয়েভের পশ্চিমা পৃষ্ঠপোষকরা যদি সত্যিই শান্তি চায়, তাহলে এখনই আদর্শ সময়। আমরা ইতোমধ্যে এ ইস্যুতে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি।”

২০১৫ সালে সাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির শর্ত লঙ্ঘণ, ক্রিমিয়াকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী, যা এখনও চলছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

দুই পক্ষের অনড় অবস্থান এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন ইউক্রেনকে ধারাবাহিকভাবে অর্থ ও সামরিক সহায়তা প্রদান করে যাওয়ায় এ যুদ্ধ থামানোর যাবতীয় প্রক্রিয়া কার্যত থেমে আছে।

তবে গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের পর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থ সহায়তা প্রদান স্থগিত রাখা সংক্রান্ত একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে আগামী অন্তত ৯০ দিন বিশ্বের সব দেশে স্থগিত থাকবে মার্কিন সহায়তা।

ট্রাম্প অবশ্য নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ইউক্রেনে যুদ্ধ থামানোর ব্যাপারটিকে তিনি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দেখেন এবং তার লক্ষ্য ক্ষমতা গ্রহণের পর যত দ্রুত সম্ভব এ যুদ্ধ থামানো।




বিশ্বব্যাপী জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সহায়তা বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গরীব দেশগুলোতে এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, টিউবারকিউলোসিস এবং সদ্যোজাত শিশুদের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএইড) এসব সহায়তা প্রদান করত।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) থেকে ইউএসএইডের কন্ট্রাক্টর ও সহযোগীরা এই নির্দেশনা পেতে শুরু করে। তাদের অনতিবিলম্বে কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা নিয়েই নির্বাহী আদেশে বিশ্বব্যাপী মার্কিন সহায়তা বন্ধ করেন ট্রাম্প। এই ওষুধ সরবরাহ বন্ধ সেই নির্বাহী আদেশের অংশ। যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশে সহায়তা করত সেগুলো পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। পর্যবেক্ষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্তত আগামী ৯০ দিন সহায়তাগুলো বন্ধ থাকবে।

এই ধরনের একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে চেমোনিকসের কাছে। তারা ইউএসএইডের হয়ে বিশ্বব্যাপী এইচআইভি, ম্যালেরিয়াসহ প্রাণঘাতি বিভিন্ন রোগের ওষুধ সহায়তা পাঠাত।




ছাত্র আন্দোলনের চাপে সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিলোসি ভুকেভিক ছাত্র আন্দোলনের চাপে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে তুলেছিল। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, গত সোমবার বেলগ্রেডের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেন হাজারো ছাত্র। এ বিক্ষোভে কৃষকরাও তাদের ট্রাক্টর নিয়ে যোগ দেন। সড়ক অবরোধের ঘটনায় রাজধানী অচল হয়ে পড়লে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

আন্দোলনের সূত্রপাত গত বছরের ১৫ নভেম্বর নোভি সাদ শহরে রেলস্টেশনের ছাদ ধসে পড়ার ঘটনায়। ওই দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হন। শিক্ষার্থীদের দাবি, রেলস্টেশন নির্মাণকালে দুর্নীতি না হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটত না।

প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুকিক আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেন এবং সরকারের বড় ধরনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে শিক্ষার্থীরা সেই প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান, যা দেশের ১০০টি শহরে ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে, যোগাযোগমন্ত্রী গোরান ভেসিকও একই আন্দোলনের কারণে পদত্যাগে বাধ্য হন। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল দুর্নীতির মূল হোতা প্রধানমন্ত্রীকেও বিদায় নিতে হবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ট্রাম্প-মোদির সাক্ষাৎ ঘটবে ফেব্রুয়ারিতে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎ ঘটবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। সোমবার ট্রাম্প নিজেই সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিন ফ্লোরিডার সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন বিমানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমার আজ (সোমবার) সকালে দীর্ঘক্ষণ টেলিফোনে কথা হয়েছে। আগামী মাসে, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতেই তিনি হোয়াইট হাউসে আসছেন। ভারতের সঙ্গে বরাবরই আমাদের সম্পর্ক ভালো।”

টেলিফোনে মোদির সঙ্গে কী কী ইস্যুতে কথা হয়েছে— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “দু’দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব ইস্যুতেই আমরা কথা বলেছি।”

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর ৩ জন বিদেশি নেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। মোদি তাদের মধ্যে একজন।