শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়ে ভারতের পার্লামেন্টে আলোচনা

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। এরমধ্যে বাংলাদেশ সরকার সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ একাধিক অভিযোগ এনেছে। একইসঙ্গে তাকে ফেরত দেওয়ার জন্য নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

তবে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধে ভারত এখনো সাড়া দেয়নি। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে প্রশ্ন করেন এক সংসদ সদস্য। সেখানেও এই একই ধরনের বক্তব্য উঠে এসেছে।

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজ্যসভার সদস্য ডা. জন বৃত্তাস সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, বাংলাদেশ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে কি না, এর কারণ কী এবং ভারত সরকারের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধের জবাব দেয়নি ভারত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে আসার আগে করা অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের এই প্রত্যর্পণের জবাব ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ভারত সরকারের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘আমরা আমাদের অবস্থান সম্পর্কে ভারতকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি। আমরা বলেছি, আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য ফেরত চাই।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনা ও অন্যদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।




নিজ দেশের নাগরিককেই গুলি করল বিএসএফ

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবার নিজ দেশের এক নাগরিককে গুলি করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় যুবককে গুলি করে বিএসএফ।

গুলিবিদ্ধ ভারতীয় নাগরিকের নাম আকতার জামাল রনি। তিনি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তবে পরদিন সীমান্ত পার হয়ে ভারতে ফেরার চেষ্টা করলে বিএসএফ তাকে গুলি করে।

বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের তথ্যানুযায়ী, আকতার জামালের সঙ্গে এক নারীও ছিলেন, যিনি পাশের গ্রামে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। আহত অবস্থায় আকতার জামালকে আগরতলার জিবিপি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বেঁচে গেছে হজের অর্থ, হাজিদের বিপুল অর্থ ফেরত দিচ্ছে পাকিস্তান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  গত বছর পবিত্র হজ পালন করা হাজিদের জন্য বড় অংকের অর্থ ফেরত দেওয়া ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির ধর্ম-বিষয়ক মন্ত্রী চৌধুরী সালিক হুসাইন গত বছর হজ করা হাজিদের ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার রুপি পর্যন্ত ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

মূলত হজের জন্য হাজিদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ বেঁচে যাওয়ার কারণেই তা ফেরত দিচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের ধর্ম-বিষয়ক মন্ত্রী চৌধুরী সালিক হুসাইন বলেন, “আমি জাতিকে একটি সুসংবাদ জানাতে চাই। আমরা গত বছর হজ করা সকল হজযাত্রীর টাকা ফেরত দিচ্ছি। সর্বনিম্ন ২০ হাজার রুপি থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪০ হাজার রুপি পর্যন্ত অর্থ ফেরত দেওয়া হবে এবং আমরা এ বছরও হজের জন্য সর্বোত্তম সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখব। এ বছরের হজের খরচও বাড়েনি।”

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান যে হজ প্যাকেজ দিচ্ছে তা বিশ্বের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের।

পাকিস্তানের ধর্ম-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাজিদের অর্থ ফেরতের বিষয়ে আরও বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কিছু হাজি ১ লাখ ৪০ হাজার রুপি পর্যন্ত অর্থ ফেরত পাবেন, আর অন্যরা কমপক্ষে ২০ হাজার রুপি পাবেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বলছে, গত বছর হজ পালন করা তিন শতাংশ হজযাত্রী পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার রুপি, ২৩ শতাংশ হজযাত্রী পাবেন ৭৫ হাজার রুপি এবং ৩ হাজার হাজি ৫০ হাজার রুপি করে ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, এ বছরের হজ প্রক্রিয়ায়ও যদি অর্থ সঞ্চয় করা সম্ভব হয়, তবে সেই অর্থও হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হবে।




ইসরায়েলের নতুন সেনাপ্রধান: বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের শঙ্কা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইয়াল জামিরকে ইসরায়েলের নতুন চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সেনাপ্রধান) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটি দেশটির কৌশলগত অগ্রাধিকার এবং সামরিক কৌশলে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিয়োগ অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধের দিকে ইসরায়েলকে ঠেলে দিতে পারে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।

জামির ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিরেক্টর জেনারেল। তিনি হার্জি হালেভির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে সংঘটিত অভিযানে সামরিক ও গোয়েন্দা ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছিলেন।

সাধারণ পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধানের নিয়োগ হয়তো এতটা রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করত না। কিন্তু ইসরায়েলে এই ধরনের নিয়োগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়। এর কারণ কেবল সামরিক বাহিনীর রাজনীতির সঙ্গে গভীর জড়িত থাকাই নয়, বরং অনেক সাবেক সেনাপ্রধান, যেমন এহুদ বারাক, বেনি গান্তজ এবং গাদি আইজেনকোট দায়িত্ব পালন শেষে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে জামিরের নিয়োগকে ইসরায়েলের ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতাকে আড়াল করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে আরও আক্রমণাত্মক ও প্রচলিত সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গাজায় যুদ্ধের সময় জামির ইসরায়েলের সামরিক সংঘাতের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। তিনি বিমান হামলার বদলে দীর্ঘস্থায়ী স্থল অভিযানের পক্ষে জোর দিয়েছিলেন।

২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কমান্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জামির গাজায় তীব্র সামরিক হামলা তদারকি করেছেন। এসবের মধ্যে বিমান হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের সীমান্ত প্রতিবাদে সহিংস দমন-পীড়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি ইসরায়েলের যুদ্ধযন্ত্রকে শক্তিশালী করেছেন, অস্ত্র চুক্তি নিশ্চিত করেছেন এবং স্থানীয় অস্ত্র উৎপাদন সম্প্রসারিত করেছেন।

জামিরের নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এসেছে। কেবল গাজায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই নয়, বরং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই নিয়োগ দেওয়া হলো। ইসরায়েল প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নতুন দাবি উত্থাপন করে যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টাকে পদ্ধতিগতভাবে দুর্বল করার পাশাপাশি জেনিন, নাবলুস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি শহরে প্রাণঘাতী অভিযান তীব্র করেছে, যাতে বহু লোক নিহত হয়েছে।

জামিরের পরিবার ১৯২০-এর দশকে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের সময় ইয়েমেন থেকে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন করে। তার দাদা, আহারন, ইরগুনের সদস্য ছিলেন। ইরগুন একটি জায়নবাদী সংগঠন যা ব্রিটিশ বাহিনী এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী ছিল। এই গোষ্ঠীটিই পরে লিকুদ পার্টিতে পরিণত হয়। যে দলের পক্ষ থেকে বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

২০১৮ ও ২০২২ সালে চিফ অব জেনারেল স্টাফের পদে তার বারবার মনোনয়ন ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নেতানিয়াহুর লোক হিসেবে পরিচিতি তাকে ইসরায়েলের সামরিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অজনপ্রিয় করে তুলেছিল।

তবে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বাইরে, জামিরের নিয়োগ আরেকটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ: তার সামরিক পটভূমি ইসরায়েলের কৌশলগত অগ্রাধিকারে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে একজন বাদে সব ইসরায়েলি চিফ অব জেনারেল স্টাফ হয় প্যারাট্রুপার্স বা বিশেষ বাহিনী থেকে নেওয়া হয়েছে। জামির সাঁজোয়া বাহিনী থেকে এসেছেন।

জামিরের মতবাদ ইসরায়েলের সামরিক কৌশলে একটি মৌলিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। সাঁজোয়া ডিভিশনের ওপর তার গুরুত্বারোপ এবং বিমান বাহিনীর শক্তির ওপর নির্ভরতা হ্রাস কেবল একটি কৌশলগত সমন্বয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে না, বরং একটি কৌশলগত পুনর্বিন্যাস হিসেবেও দেখা হচ্ছে। যা সেনাবাহিনীকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করছে।

২০০৬ সালের লেবানন যুদ্ধের অপমানজনক ব্যর্থতার পর শীর্ষ স্তরের পুনরায় প্রশিক্ষণ কোর্সের কমান্ডারদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। ওই সময় স্থলযুদ্ধে ইসরায়েলের দুর্বলতা প্রকাশ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তার সামরিক প্রস্তুতির দৃষ্টিভঙ্গি গঠন করেছে।

নিয়োগের পর তার প্রথম বক্তৃতায় জামির ২০২৫ সালকে ‘যুদ্ধের বছর’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তার এমন বিবৃতি কেবল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় না, বরং ইসরায়েলের বৃহত্তর আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিতও দেয়। সামরিক স্বনির্ভরতার ওপর তার জোর দেওয়া গাজার বাইরে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়। যা সম্ভবত লেবানন, সিরিয়া বা এমনকি ইরান পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে।

যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলের বাইরে, জামির ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সমষ্টিগত শাস্তির একজন কণ্ঠস্বর সমর্থক। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের মতো তিনি প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের অপরিহার্য সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার পক্ষে সমর্থন করেছেন।




১২ শিশুকে দেশে ফিরিয়ে আনল ইউক্রেন

রাশিয়া থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া ১২ শিশুকে ইউক্রেন দেশে ফিরিয়ে এনেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চিফ অফ স্টাফ আন্দ্রি ইয়েরমাক সোমবার গভীর রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উদ্যোগে ১২ শিশুকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আন্দ্রি ইয়েরমাক এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলেন, “শিশুদের ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, ফিরিয়ে আনা শিশুদের মধ্যে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী দুটি কিশোরী এবং আট বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।

ইউক্রেনের পুনরেকত্রীকরণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ এখন পর্যন্ত ৩৮৮ শিশুকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব শিশু রাশিয়ার হাতে চলে যায়। যদিও যুদ্ধের প্রথম থেকেই মস্কো ও কিয়েভ বিভিন্ন সময়ে শিশুদের তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময় করেছে।

ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ১৯ হাজার ৫০০-এর বেশি শিশুকে তাদের পরিবারের সম্মতি ছাড়াই রাশিয়া বা রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইউক্রেন এই অপহরণকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

অপরদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনের এ দাবি অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে যে, তারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দুর্বল শিশুদের রক্ষা করতে তাদের স্বেচ্ছায় সরিয়ে নিচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন মোদি, বৈঠক করবেন ট্রাম্পের সাথে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেতে পারেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সম্ভাব্য এই সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার বৈঠকও হতে পারে। তবে এই সফরের বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাতে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্ভবত আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পর এটাই হবে মোদির প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর।

যদি প্যারিস থেকে মোদি যুক্তরাষ্ট্রে যান, তবে এই সফর অভিবাসন এবং শুল্ক নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভারতের উদ্বেগের মধ্যেই হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার কানাডিয়ান এবং মেক্সিকান পণ্য আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পাশাপাশি চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত আরও ১০ শতাংশ কর আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। পরে তিনি মেক্সিকান ও কানাডিয়ান পণ্য আমদানির ওপর আরোপকৃত শুল্ক স্থগিত করেন, কিন্তু চীনের বিষয়ে কোনও ছাড় ঘোষণা করা হয়নি।

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর এক সপ্তাহ পরে ২৭ জানুয়ারি মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদি। ওই ফোনকলে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত-মার্কিন সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর ফোকাস-সহ উভয় দেশের “বিশ্বস্ত” অংশীদারিত্বের দিকে কাজ করতে সম্মত হন মোদি এবং ট্রাম্প।

এদিকে নথিবিহীন ভারতীয় অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি সি-১৭ উড়োজাহাজ বেশ কয়েক জন ভারতীয়কে নিয়ে রওনা যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও কাস্টমস বিষয়ক আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) কর্মকর্তারা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্য থেকে উড়োজাহাজটি ছেড়েছে, ভারতের কোথায় সেটি অবতরণ করবে এবং উড়োজাহাজটিতে কতজন ভারতীয় রয়েছেন— এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি, তবে আইসিই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পর ভারতের ভূখণ্ড স্পর্শ করবে বিমানটি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রাথমিকভাবে ১৮ হাজার ভারতীয় নথিবিহীন অভিবাসীকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদেরই প্রথম ব্যাচটিকে তোলা হয়েছে বিমানে।




ইরানই একমাত্র দেশ, যারা যুক্তরাষ্ট্রকে আসল নামে ডাকে’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ইরানি জাতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সত্য বলার সাহস। বিশ্বে অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পেলেও ইরানই একমাত্র দেশ, যারা আমেরিকাকে তার প্রকৃত চরিত্র অনুযায়ী মূল্যায়ন করে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি আগ্রাসনকারী, মিথ্যাবাদী, প্রতারক ও উপনিবেশবাদী শক্তি যে কোনো মানবিক নীতি অনুসরণ করে না।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) দেশটির ৪১তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী কোরআনের শীর্ষ শিক্ষক ও আবৃত্তিকারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তার বক্তব্য ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের অকপট অবস্থান

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, ইরান সেই রাষ্ট্র, যা কোনো ধরনের ভয় বা কূটনৈতিক চাপে মাথা নত করে না। আমরা আমেরিকাকে তার প্রকৃত নামে ডাকি—এটি একটি সাম্রাজ্যবাদী, প্রতারক ও যুদ্ধবাজ শক্তি। তারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘর্ষ সৃষ্টি করে এবং নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যার আশ্রয় নেয়।

তিনি আরও বলেন, গত ৪৬ বছর ধরে ইরান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখেছে এবং বিশ্বের দাম্ভিক শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এই প্রতিরোধ ইরানকে ব্যাপক প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়েছে।

গাজার জনগণের বিজয় ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা

ভাষণের আরেক অংশে আয়াতুল্লাহ খামেনি ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার জনগণের সংগ্রামকে ‘অসম্ভবকে সম্ভব করার’ বাস্তব উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধের আগে কেউ ভাবত না, গাজার ছোট্ট ভূখণ্ডের ফিলিস্তিনিরা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৃহৎ শক্তির সহযোগিতায় পরিচালিত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয়ী হবে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় এই অসম্ভব কাজটি বাস্তব হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী ইরানের সত্য বলার দৃষ্টান্ত

ইরান বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে আসছে। দেশটি মনে করে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বিশ্ব দ্বৈত নীতি অনুসরণ করে, যা দুর্বল দেশগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়।

খামেনি বলেন, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যায় নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পায়। কিন্তু ইরান এই ভয়কে জয় করেছে। আমরা সত্য বলার সাহস রাখি এবং সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ইরানের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

বিশ্ব রাজনীতিতে ইরান তাদের স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবে বলে উল্লেখ করেন আয়াতুল্লাহ খামেনি।

তিনি বলেন, ইরানি জাতি কখনো সাম্রাজ্যবাদীদের সামনে মাথা নত করবে না। আমাদের প্রতিরোধ, ধৈর্য এবং আদর্শিক অবস্থানই আমাদের শক্তি ও অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই অকপট অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটির ভূমিকা আরও সুসংহত করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিশ্বশক্তির সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে।




ইউএসএআইডি সন্ত্রাসী সংস্থা, এটির মরে যাওয়া উচিত: ইলন মাস্ক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির কড়া সমালোচনা করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্ক। তিনি বলেছেন, ইউএসএআইডি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউএসএআইডির ওয়েবসাইট বন্ধ দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, সংস্থাটির স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে একে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এরপরেই মাস্ক এমন মন্তব্য করলেন।

ইলন মাস্ক বলেছেন, মার্কিন জনগণের করের অর্থ দিয়ে জৈব অস্ত্র গবেষণায় অর্থায়ন করেছে ইউএসএআইডি। সেইসঙ্গে সংস্থাটি প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর জন্য অর্থ ব্যয় করেছে। তাই সময় হয়েছে সংস্থাটির ‘মরে যাওয়া’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে তিনটি পোস্ট শেয়ার করেছেন মাস্ক। সেখানে তিনি বলেছেন, আপনারা জানেন কী, ইউএসএআইডি আপনাদের করের অর্থে জৈব অস্ত্র গবেষণায় অর্থায়ন করেছে। এর মধ্যে কোভিড-১৯ এর মতো জীবাণুও অন্তর্ভুক্ত, যার কারণে কয়েক কোটি মানুষ মারা গেছেন।




প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব গেলেন আল-শারা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, বিদ্রোহীরা বাশার আল-আসাদের সরকারকে উৎখাতের পর গত সপ্তাহে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয় আহেমদ আল-শারা। প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আল-শারা সিরিয়ায় অর্ন্তবর্তীকালীন আইন পরিষধ গঠন করেছেন। নতুন সংবিধান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত এই আইন পরিষধ কার্যকর থাকবে।

দায়ত্ব নেওয়ার পর সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান আহমেদ আল-শারাকে অভিনন্দন জানান।

এর আগে আল আরাবিয়া টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-শারা বলেন, সিরিয়ার পূর্ণগঠনে ভবিষ্যতে সৌদি আরবের বড় ভূমিকা থাকবে। তিনি মূলত এর মাধ্যমে বড় বিনিয়োগ সুবিধার কথা বলেছেন।

এর মধ্যে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান দামেস্ক সফরে গিয়ে আসাদ সরকারের সময় সিরিয়ার ওপর আরোপিত আর্ন্তজাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে দেশটিকে সহায়তা করবে বলে জানান। প্রেসিডেন্ট শারার সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্স ফয়সাল জানান, ইতোমধ্যে তারা এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনা করছেন।




যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থার ঘোষণা তিন দেশের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  নিজেদের সবচেয়ে বড় তিন বাণিজ্যিক সহযোগী দেশ কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের সব পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে মেক্সিকো ও কানাডার প্রায় সব পণ্যকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। অপরদিকে চীনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি।

এমন নির্বাহী আদেশ জারির পর তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ করে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা ও মেক্সিকো। অপরদিকে চীন জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংস্থার কাছে অভিযোগ জানাবে ও অনুরূপ পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, নিজ দেশের মানুষকে বিষাক্ত মাদক ফেনাটিল থেকে বাঁচাতে এবং অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে তিনি শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাম পার্দো  তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, শুল্ক আরোপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। সমস্যা সমাধানে আলোচনা করতে হবে।

অপরদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আমরা এই জায়গায় আসতে চাইনি। আমরা এটি চাইনি। কিন্তু কানাডিয়ানদের জন্য দাঁড়াতে আমরা পিছপা হব না।”

ট্রুডো জানিয়েছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ১৫৫ বিলিয়ন সমপরিমাণ পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে। যারমধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর আগামী মঙ্গলবার থেকেই শুল্ক আরোপ শুরু হবে। আর বাকিগুলো আরোপিত হবে ২১ দিনে।

সূত্র: বিবিসি, সিএনএন