মস্কোর স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ট্রাম্প

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের  ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তাবিত ২৮ দফা পরিকল্পনার খসড়া ফাঁস হয়েছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় রাশিয়ার প্রায় সব চাওয়া পূরণ হবে। অন্যদিকে আরও কোণঠাসা হবে ইউক্রেন।

ট্রাম্পের খসড়া প্রস্তাবে ২০২২ সালে ইস্তাম্বুলে হওয়া আলোচনায় রাশিয়ার দাবির সঙ্গে বড় সামঞ্জস্য রয়েছে। তখন বর্তমানের চেয়ে ইউক্রেনের আরও বেশি ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে ছিল। আর গত তিন বছরে যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিকভাবে বিভিন্ন দিকে মস্কোর যেসব ব্যর্থতা, তা আলোচনায় ছিল না।

ট্রাম্পের পরিকল্পনা কার্যকর হলে রাশিয়ার প্রাথমিক দুটি লক্ষ্য পূরণ হবে। প্রথমত, এতে এমন সব শর্ত রয়েছে, যেগুলো রাশিয়ার জন্য এতটাই সুবিধাজনক যে এর সামান্য অংশ মানলেও তা হবে মস্কোর জন্য বড় জয়। দ্বিতীয়ত, এটাকে রাশিয়ান কূটনীতিকেরা একই সঙ্গে আলোচনা ও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।এর মাধ্যমে যখন যুদ্ধক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে, তখন তারা চুক্তি করতে চাইবে।

রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেনকে সাংবিধানিকভাবে অঙ্গীকার করতে হবে যে তারা ন্যাটোতে যোগ দেবে না। নাৎসি ভাবধারার অবসান, নিরপেক্ষ থাকার নিশ্চয়তা ও সেনাবাহিনীর আকার কমিয়ে আনবে। ইস্তাম্বুল আলোচনায় এসব ছিল মস্কোর দাবি, যা ইউক্রেনের আত্মসমর্পণ করারই শামিল।

ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী জব্দ রুশ তহবিল থেকে ১০ হাজার কোটি ডলার ইউক্রেনের পুনর্গঠনে ব্যবহার করা হবে। আপাত মনে হতে পারে এটা রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি ছাড়। তবে যুদ্ধে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এখনো মস্কোর দখলে। তহবিলও ব্যবহার করতে হবে রাশিয়ার শর্ত মেনেই। চুক্তিতে মস্কোর ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার রাশিয়ার জন্য হবে আরেক সাফল্য।

রাশিয়ার চাওয়া অনুযায়ী এতে আরও তিনটি গোপন ঝুঁকি আছে। প্রথমত; চুক্তি স্বাক্ষরের ১০০ দিনের মধ্যে ইউক্রেনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের জন্য কার্যত এটা অসম্ভব। এতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে এবং নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।

দ্বিতীয়ত; ইউক্রেনের পূর্ব দিকের দনবাস নামক অঞ্চলে কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে থাকা অংশগুলোকে ‘অসামরিক অঞ্চল’ ঘোষণা করতে করতে হবে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ ধরনে শর্ত এসব এলাকা রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়ার সমান। তৃতীয়ত; ‘কারণ ছাড়া মস্কো বা সেন্ট পিটার্সবার্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলে চুক্তি বাতিলের’ মতো অস্পষ্ট শর্ত আছে প্রস্তাবিত খসড়ায়। এটা রাশিয়াকে যেকোনো সময় চুক্তি লঙ্ঘনের সুযোগ করে দেবে।

 




হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে স্ত্রী খ্রিষ্টান হবেন উষা, আশাপ্রকাশ ভ্যান্সেরহিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে স্ত্রী খ্রিষ্টান হবেন উষা, আশাপ্রকাশ ভ্যান্সের

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে তরুণদের সংগঠন ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’র একটি অনুষ্ঠানে এক তরুণীর প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ভ্যান্স তার স্ত্রী উষা একদিন খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।

তবে এই মন্তব্য ভারতের ভেতরে এবং ভারতীয় প্রবাসীদের মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ধর্মান্তরকে ঘিরে পুরোনো বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে।

ভ্যান্স জানান, তার স্ত্রী উষা ভ্যান্স দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় বড় হয়েছেন এবং হিন্দু পরিবারে বেড়ে ওঠেছেন। ভ্যান্স নিজে ইভানজেলিকাল পরিবারে বেড়ে উঠলেও ২০১৯ সালে ক্যাথলিক ধর্ম গ্রহণ করেন।

বিষয়টি অনেক ভারতীয় সহজভাবে নেয়নি। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, ভায়েস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছেন।

কিন্তু উষাই বহু বছর আগে ভ্যান্সকে ধর্মের সঙ্গে পুন:সংযোগ স্থাপন করতে উৎসাহ দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন এই ভায়েস প্রেসিডেন্ট।

লেখাপড়ার সময় ইয়েল ল স্কুলে ভ্যান্স ও উষার প্রথম পরিচয় হয়। এরপর ২০১৪ সালে, বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই জুটি।

২০১৯ সালে, ক্যাথলিক ধর্ম নিয়ে পড়ালেখা শুরু করেন ভ্যান্স। উষার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি বলেন, উষার সঙ্গে প্রথম যখন দেখা হয়েছিল, তখন তিনি (ভ্যান্স) নিজেকে নাস্তিক ভাবতেন।

গত জুন মাসে এক সাক্ষাৎকারে উষা ভ্যান্স বলেছেন,আমি ক্যাথলিক নই। হওয়ার ইচ্ছাও নেই। সন্তানরা ক্যাথলিক স্কুলে পড়ে।

তিনি আরও জানান, সন্তানদের তার পরিবার থেকেও হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি শেখানো হয় এবং তাদের নানী নিয়মিত মন্দিরে যান এবং পূজা করেন।

ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ে ভায়েস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স বলেন, স্ত্রীর ধর্ম পরিবর্তন নিয়ে কোন দ্বন্দ্ব নেই। যদি উষা খ্রিষ্টধর্মে না আসে, তাতেও সমস্যা নেই। ঈশ্বর সবাইকে স্বাধীন ইচ্ছা দিয়েছেন এবং বিবেচনা করার জন্য বিবেক দিয়েছেন।’

নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের সময় থেকে ধর্ম, পরিবার ও ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সমন্বয়ে ভ্যান্সের দৃষ্টিভঙ্গি রক্ষণশীল শ্রোতাদের কাছ থেকে প্রশংসা পেয়ে আসছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো।




হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ: সালাহউদ্দিন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ। এ দেশের মানুষ দেখুক এবং ভবিষ্যতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে তারা যাতে এটি মাথায় রাখে যে, এই দেশে স্বৈরাচারের কোনো জায়গা নেই, ফ্যাসিবাদের কোনো জায়গা নেই। যারা গণতন্ত্র হত্যা করবে তাদের এ পরিণতি হবে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম অতন্দ্র প্রহরী শীর্ষক’ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সমাবেশের এসব কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ কখনোই এ দেশের প্রকৃত রাজনৈতিক বা গণতান্ত্রিক দল ছিল না; তারা মূলত গণতন্ত্রের মুখোশ পরা একটি মাফিয়া–ফ্যাসিস্ট শক্তি হিসাবে কাজ করেছে। সংবিধান লঙ্ঘনের কর্মকাণ্ড তারা বারবার করেছে, এমনকি সংসদে দাঁড়িয়েও করেছে।

তিনি বলেন, জনগণের গণ-অভ্যুত্থান এবং অসংখ্য শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই দেশে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। দেশের মানুষ বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়।




এক সপ্তাহও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চালাতে সক্ষম নয় ইসরাইল

ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ দাবি করেছেন, গত জুন মাসে ১২ দিনের আগ্রাসনে ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠী শাস্তি পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া তারা ইরানের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহও যুদ্ধ টিকিয়ে রাখতে পারবে না।

শুক্রবার ইমাম খোমেনি সমাধিস্থলে বসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে গালিবাফ বলেন, জুনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু করেছিল, সেই প্রেক্ষাপটে ইরানের শক্তি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আসে না; বরং জনগণের ব্যাপক সমর্থনই দেশকে শক্তিশালী করে।

তিনি বলেন, ‌‌‘যদি মানুষের হৃদয় আমাদের সঙ্গে থাকে, আমরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। কিন্তু যদি তারা সঙ্গে না থাকে, তবে আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও যুদ্ধের সময়ের মতো কার্যকর হবে না।’

গালিবাফ দাবি করেন, ইরানি জনগণ এবং তাদের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠী ও তাদের মার্কিন সমর্থকরা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম দিনে যে ক্ষতি হয়েছিল, তা ছাড়া যুদ্ধের ছয়দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট (জেডি ভ্যান্স) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সংঘাত থামানোর জন্য আলোচনার চেষ্টা করছিলেন।’

গালিবাফ যোগ করেন, ‘শত্রু সামরিক শক্তি নিয়ে আক্রমণ করেছিল, আর আমরাও সামরিক শক্তি দিয়ে তাকে সতর্ক করেছি এবং শাস্তি দিয়েছি।’

তিনি বলেন, জায়নিস্ট শাসকগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সমর্থন ছাড়া ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহের বেশি যুদ্ধ চালাতে পারে না। ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সহায়তায়ই তারা কয়েকদিন টিকে ছিল,’ মন্তব্য করেন তিনি।

১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থতার পরও শত্রুপক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে নানা রূপে শত্রুতা অব্যাহত রেখেছে উল্লেখ করে গালিবাফ বলেন, তারা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন কৌশলে জনগণকে ইসলামি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।

সংসদ স্পিকার আরও জোর দিয়ে বলেন, জনগণকে ইসলামি প্রতিষ্ঠানের পাশে রাখা—শত্রুকে মোকাবিলায় ধারাবাহিক সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।




মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্যাপক ধরপাকড় ১৭৪ বাংলাদেশিসহ আটক ৪৬৮

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : একটু খানি স্বচছলতা ও প্রিয় জনের মুখের হাসির জন্য কাজের সন্ধানে  দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে বেড়ায় মানুষ কখনো বৈধ আবার প্রানের ঝুকি নিয়ে অবৈধ ভাবে। অবৈধ ভাবে যারা বিদেশে পাড়ি জমায়  বিপদ যেন পিছু  ছাড়েনা  তাদের  । গত  বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মালয়শিয়ার   ক্যামেরুন হাইল্যান্ডের সবুজ চা-বাগান পরিবেষ্টিত জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ক্যামেরুন হাইল্যান্ডের সবজি খামার, ব্যবসায়িক এলাকা এবং নির্মাণস্থল সহ চারটি জোনে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ।

অভিযানে অংশ নেয়—ইমিগ্রেশন বিভাগের ৫৪৭ জন সদস্য,বিপুলসংখ্যক অভিবাসন কর্মকর্তা।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বার্নামা জানায়, অভিযানের সময় বেশিরভাগ অভিবাসনপ্রত্যাশী সবজি প্যাকিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পাননি এবং পালানোরও সুযোগ হয়নি।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, স্থানীয় মালয় অধিবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় এক মাস আগে এই অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তী গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, ক্যামেরুন হাইল্যান্ড ও আশপাশের অঞ্চল অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কর্মসংস্থানের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাহাড়ি অঞ্চলে বিদেশি শ্রমিকদের ব্যাপক উপস্থিতি স্থানীয় কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

অভিযানে মোট ১,৮৮৬ জনের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা হয় এবং বিভিন্ন অভিবাসন আইনের লঙ্ঘনের দায়ে ৪৬৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকেরই—

ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ,বৈধ পাসপোর্ট নেই, বা কোনো প্রকার ভ্রমণ নথিপত্রই নেই।

আটককৃতদের মধ্যে ১৭৫ জন মিয়ানমার, ১৭৪ জন বাংলাদেশ, ৬৭ জন ইন্দোনেশিয়া, ২০ জন নেপাল, ১৬ জন পাকিস্তান, ১১ জন ভারত, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, চীন ও কম্বোডিয়ার একজন করে

আটকদের মধ্যে রয়েছেন ৩৮৮ জন পুরুষ,৭৬ জন নারী ও ৪ জন শিশু।

সবার বয়স ২০ থেকে ৫৪ বছর। আটক ব্যক্তিদের কেলানটান, পেরাক ও সেলাঙ্গরের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হবে।




ভারতকে ৯৩ মিলিয়ন ডলারের জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

ভারতের কাছে জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও এক্সক্যালিবার আর্টিলারি গোলাবারুদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। মোট ৯৩ মিলিয়ন ডলারের এই সম্ভাব্য বিক্রির বিষয়টি বুধবার নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটনের ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ)।

রয়টার্স জানায়, চলতি বছরের আগস্টে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন মিলিটারি সেলস (এফএমএস) কর্মসূচির আওতায় ভারতের প্রথম কোনো প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্রয় অনুমোদন। সেই সময় রাশিয়ান তেল কেনায় অসন্তোষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশে উন্নীত করেছিলেন।

এ ছাড়া, চলতি মাসেই তেজস যুদ্ধবিমান বহরের জন্য আরও ইঞ্জিন সরবরাহে জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি ফাইটার জেট ইঞ্জিনের অর্ডার পুনর্নবায়ন করেছে ভারত।

ডিএসসিএ এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন এই বিক্রি যুক্তরাষ্ট্র–ভারত কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতি, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ভারতের নিরাপত্তা জোরদার করতেও ভূমিকা রাখবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, ভারত সর্বোচ্চ ২১৬টি এক্সক্যালিবার ট্যাকটিক্যাল প্রজেকটাইল এবং ১০০ ইউনিট জ্যাভলিন সিস্টেমের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত ইতিমধ্যে এম-৭৭৭ হাউইটজার কামানে এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ ব্যবহার করছে। ডিএসসিএর তথ্য অনুযায়ী, এক্সক্যালিবার প্রজেকটাইল সরবরাহ করবে আরটিএক্স করপোরেশন। আর জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় ঠিকাদার হিসেবে কাজ করবে আরটিএক্স ও লকহিড মার্টিনের যৌথ উদ্যোগ।

গত ৩১ অক্টোবর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ১০ বছরের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদার করতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে উভয় দেশের পক্ষভারতের কাছে জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও এক্সক্যালিবার আর্টিলারি গোলাবারুদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। মোট ৯৩ মিলিয়ন ডলারের এই সম্ভাব্য বিক্রির বিষয়টি বুধবার নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটনের ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ)।

রয়টার্স জানায়, চলতি বছরের আগস্টে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন মিলিটারি সেলস (এফএমএস) কর্মসূচির আওতায় ভারতের প্রথম কোনো প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্রয় অনুমোদন। সেই সময় রাশিয়ান তেল কেনায় অসন্তোষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশে উন্নীত করেছিলেন।

এ ছাড়া, চলতি মাসেই তেজস যুদ্ধবিমান বহরের জন্য আরও ইঞ্জিন সরবরাহে জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি ফাইটার জেট ইঞ্জিনের অর্ডার পুনর্নবায়ন করেছে ভারত।

ডিএসসিএ এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন এই বিক্রি যুক্তরাষ্ট্র–ভারত কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতি, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ভারতের নিরাপত্তা জোরদার করতেও ভূমিকা রাখবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, ভারত সর্বোচ্চ ২১৬টি এক্সক্যালিবার ট্যাকটিক্যাল প্রজেকটাইল এবং ১০০ ইউনিট জ্যাভলিন সিস্টেমের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত ইতিমধ্যে এম-৭৭৭ হাউইটজার কামানে এক্সক্যালিবার গোলাবারুদ ব্যবহার করছে। ডিএসসিএর তথ্য অনুযায়ী, এক্সক্যালিবার প্রজেকটাইল সরবরাহ করবে আরটিএক্স করপোরেশন। আর জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় ঠিকাদার হিসেবে কাজ করবে আরটিএক্স ও লকহিড মার্টিনের যৌথ উদ্যোগ।

গত ৩১ অক্টোবর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ১০ বছরের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদার করতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে উভয় দেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এক্সে পোস্ট করা বার্তায় হেগসেথ বলেন, চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে ‘সমন্বয়, তথ্য আদান-প্রদান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা’ আরও বাড়াবে। পাশাপাশি এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা প্রশমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। থেকে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এক্সে পোস্ট করা বার্তায় হেগসেথ বলেন, চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে ‘সমন্বয়, তথ্য আদান-প্রদান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা’ আরও বাড়াবে। পাশাপাশি এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা প্রশমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।




১.২১ কোটি টাকায় ‘আমেরিকা’ নামক সোনার কমোড বিক্রি

নিউ ইয়র্কে সথেবিজ় নিলামে এক অদ্ভুত শিল্পকর্ম বিক্রি হয়েছে। ১৮ ক্যারেট খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি ১০১ কেজি ওজনের সম্পূর্ণ কার্যকরী একটি টয়লেট বিক্রি হয়েছে ১.২১ কোটি টাকা (১২.১ মিলিয়ন ডলার) মূল্যে। ইতালির প্রখ্যাত শিল্পী মৌরিজিও ক্যাটেলানের এই শিল্পকর্মটির শিরোনাম ‘আমেরিকা’, যা অতিধনীদের জীবনযাপনকে ব্যঙ্গ করে তৈরি।

২০১৬ সালে তৈরি এ সোনার টয়লেটটির নিলাম শুরু হয় ১০ মিলিয়ন ডলার থেকে। ক্যাটেলান তার কাজ প্রসঙ্গে বলেছেন, ধনী বা গরিব—যা-ই খান না কেন, টয়লেট ব্যবহারের ফলাফল সবার ক্ষেত্রে একই। সথেবিজ় এই শিল্পকর্মকে বর্ণনা করেছে ‘শিল্প উৎপাদন ও ভোগ্যপণ্যের মূল্যের সংঘর্ষের তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ’ হিসেবে।

নিলামের একই রাতে আধুনিক শিল্পের ইতিহাসে ননিউ ইয়র্কে সথেবিজ় নিলামে এক অদ্ভুত শিল্পকর্ম বিক্রি হয়েছে। ১৮ ক্যারেট খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি ১০১ কেজি ওজনের সম্পূর্ণ কার্যকরী একটি টয়লেট বিক্রি হয়েছে ১.২১ কোটি টাকা (১২.১ মিলিয়ন ডলার) মূল্যে। ইতালির প্রখ্যাত শিল্পী মৌরিজিও ক্যাটেলানের এই শিল্পকর্মটির শিরোনাম ‘আমেরিকা’, যা অতিধনীদের জীবনযাপনকে ব্যঙ্গ করে তৈরি।

২০১৬ সালে তৈরি এ সোনার টয়লেটটির নিলাম শুরু হয় ১০ মিলিয়ন ডলার থেকে। ক্যাটেলান তার কাজ প্রসঙ্গে বলেছেন, ধনী বা গরিব—যা-ই খান না কেন, টয়লেট ব্যবহারের ফলাফল সবার ক্ষেত্রে একই। সথেবিজ় এই শিল্পকর্মকে বর্ণনা করেছে ‘শিল্প উৎপাদন ও ভোগ্যপণ্যের মূল্যের সংঘর্ষের তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ’ হিসেবে।

নিলামের একই রাতে আধুনিক শিল্পের ইতিহাসে নতুন রেকর্ডও সৃষ্টি হয়। গুস্তাভ ক্লিম্টের আঁকা ‘পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডারার’ বিক্রি হয়েছে ২৩৬ মিলিয়ন ডলারে—যা সথেবিজ়ের ইতিহাসে সর্বকালের সবচেয়ে দামি শিল্পকর্ম। ক্লিম্টের অল্প কিছু চিত্রকর্মই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পায়; তার মধ্যে এই প্রতিকৃতিটি একটি। এটি তার এক পৃষ্ঠপোষকের কন্যাকে চিত্রিত করে।

চিত্রকর্মটি ছিল প্রসাধনী ব্র্যান্ড এস্টি লওডারের উত্তরাধিকারী বিলিয়নিয়ার লিওনার্ড এ. লওডারের সংগ্রহে; তিনি চলতি বছরেই মারা যান।তুন রেকর্ডও সৃষ্টি হয়। গুস্তাভ ক্লিম্টের আঁকা ‘পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডারার’ বিক্রি হয়েছে ২৩৬ মিলিয়ন ডলারে—যা সথেবিজ়ের ইতিহাসে সর্বকালের সবচেয়ে দামি শিল্পকর্ম। ক্লিম্টের অল্প কিছু চিত্রকর্মই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পায়; তার মধ্যে এই প্রতিকৃতিটি একটি। এটি তার এক পৃষ্ঠপোষকের কন্যাকে চিত্রিত করে।

চিত্রকর্মটি ছিল প্রসাধনী ব্র্যান্ড এস্টি লওডারের উত্তরাধিকারী বিলিয়নিয়ার লিওনার্ড এ. লওডারের সংগ্রহে; তিনি চলতি বছরেই মারা যান।




জব্দ করা বিপুল বিস্ফোরক বিস্ফোরণ, জম্মু-কাশ্মীরে নিহত ৭

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স:  শুক্রবার রাতে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে জব্দ করা বিপুল বিস্ফোরক একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়ে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ২৭ জন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর এনডিটিভির।

নিহতদের বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তা। বিস্ফোরক পরীক্ষা করতেই তারা নওগাম থানায় অবস্থান করছিলেন। নিহতদের মধ্যে শ্রীনগর প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা, একজন নায়েব তহশিলদারও রয়েছেন।

আহতদের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৯২ বেস হাসপাতাল এবং শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এসকেআইএমএস) ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা পৌঁছেছেন এবং পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, থানার পুলিশ সদস্যরা ওই এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী জইস-ই-মোহাম্মদের পোস্টার লাগানোর বিষয়টির সুরাহা করেছিল। পোস্টারের সূত্র ধরে তারা ব্যাপক বিস্ফোরক উদ্ধার করার দাবি করে। এছাড়া কয়েকজন চিকিৎসককেও গ্রেফতার করার কথা জানান।




যুদ্ধবিরতিতে ও থেমে নেই গাজায় ইসরাইলের হত্যাযজ্ঞ

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স: ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের বেড়াজালে ঘুরপাক খাচ্ছে  ফিলিস্তিনিদের জীবন আর  তাই অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও ইসরাইলের হামলায় একমাসে নিহত হয়েছেন ২৬০ জন ফিলিস্তিনি। আহত আরও ৬৩২ জন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারও (১৩ নভেম্বর) গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়া, গাজা সিটির পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদাররা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গত একমাসে নেতানিয়াহু বাহিনীর হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি।

অধিকৃত পশ্চিমতীরেও অব্যাহত আছে নেতানিয়াহু বাহিনীর হামলা ও অভিযান। হেবরনের উত্তরাঞ্চলে বেইত উমর শহরে দখলদারদের গুলিতে কয়েকজন শিশু নিহত হয়। আনতাবা শহরে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের লড়াই ও কয়েকজনকে আটকের খবর পাওয়া গেছে। জেরুজালেমে দখলদারদের অভিযানের সময় গুলিতে আহত হন অনেকে।




সুরের মুর্ছনায় টরন্টো মাতাবেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ :  টরন্টোতে শীতের শুরুতেই গানে গানে দর্শক মাতাবেন রবীন্দ্রসংগীতের প্রখ্যাত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। ২৩শে নভেম্বর ‘মোমেন্টস উইথ রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা’ শিরোনামের এই আয়োজনে বন্যার গানের সঙ্গে বাড়তি চমক হিসেবে থাকবে তাপস-নাহিদ জুটির নাচের বাহার। অনুষ্ঠানটি হবে টরন্টো শহরের স্বনামধন্য চাইনিজ কালচারাল সেন্টারে। মনোমুগ্ধকর এই আয়োজনে কালচারাল সেন্টারটিতে শিল্পী বন্যা পরিবেশন করবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত গান। তার গানের গভীরতা, নিখুঁত উচ্চারণ আর অনবদ্য আবেগের মিশেলে এই সন্ধ্যা হয়ে উঠবে কানাডার টরন্টো এবং আশপাশের শহরগুলোর প্রবাসী বাঙালিদের এক সাংস্কৃতিক পুনর্মিলন। এমনটাই মনে করছেন আয়োজন সংশ্লিষ্টরা। বন্যার গানের পাশাপাশি থাকবে নৃত্যের ছন্দও। মঞ্চে উঠবেন টরন্টোর জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী নাহিদ নাসরীন নয়ন ও তাপস দেব। তাদের নৃত্যে রবীন্দ্রসংগীতের সুর ও তালের সঙ্গে মিলবে এক মোহনীয় দৃষ্টিনন্দন রূপ। দারুণ এ আয়োজনের আয়োজক নাহিদ নাসরীন নয়ন এবং তাপস ড্যান্স গ্রুপের তাপস দেব। আয়োজক ও নৃত্যশিল্পী নাহিদ নাসরীন নয়ন বলেন, এই আয়োজন শুধু একটি সংগীতানুষ্ঠান নয়, এটি এক সাংস্কৃতিক উদ্‌যাপন। প্রবাসে থেকেও বাঙালির আত্মপরিচয়ের যে শেকড়, রবীন্দ্রনাথ সেই শেকড়েরই প্রতীক। আর বন্যার কণ্ঠ সেই শেকড়কে আবার জাগিয়ে তুলবে এই প্রবাসে। আমি নিশ্চিত, টরন্টোর শিল্পপ্রেমীরা ইতিমধ্যে অপেক্ষায় দিন গুনছেন, কবে তারা প্রিয় শিল্পীর কণ্ঠে শুনবেন ‘আজি ঝর ঝর মুখর বাদল দিনে’ কিংবা ‘আমার মাথা নত করে দাও’- এর মতো গান। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নৃত্যশিল্পী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সভাপতি লায়লা হাসান। পুরো আয়োজনটি উপস্থাপনায় থাকছেন অজন্তা চৌধুরী ও শাকিলা নাজ। অনুষ্ঠানটিতে বাঁশি বাজাবেন জাহাঙ্গীর হোসেন।