ভারতের হামলায় মাসুদ আজহারের পরিবারের ১০ সদস্য নিহত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরের ‘সুবহান আল্লাহ’ মসজিদে ভারতের সামরিক বাহিনীর হামলায় মাওলানা মাসুদ আজহারের পরিবারের অন্তত ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার মধ্যরাতের এই হামলায় তার আরও ৪ ঘনিষ্ঠ সহযোগীও নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান-ভিত্তিক সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি খবর দিয়েছে।

পাকিস্তানি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন মাওলানা মাসুদ আজহার। তার এই সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ।

জইশ-ই-মোহাম্মদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে মাসুদ আজহারের বড় বোন, তার স্বামী, তার ভাগ্নে, তার স্ত্রী, ভাগ্নী এবং তার পরিবারের পাঁচ সন্তান রয়েছে। এছাড়াও ভারতের হামলায় সুবহান আল্লাহ মসজিদে মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ আরও তিন সহযোগী নিহত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।




পাকিস্তানে নিহত বেড়ে ২৬




ভারতের ৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল  পাকিস্তান




ইয়েমেনে বোমা হামলা বন্ধ ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

 




ভারতে পাল্টা হামলা পাকিস্তানের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরের বিভিন্ন জায়গায় বুধবার (৭ মে) মধ্যরাতে মিসাইল ছুড়েছে ভারত। এ হামলায় পাকিস্তানে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। যারমধ্যে এক শিশুও রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। ভারতের মিসাইল হামলার কিছুক্ষণ পরই পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক লেফটেনেন্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী।

দেশটির সরকারি টিভি পিটিভি মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ভারতে পাল্টা হামলা চালানো হচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজকে জানিয়েছেন, ভারত বেসামরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, “বেসামরিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। এ কাপুরুষরা (ভারতীয়রা) তাদের নিজেদের আকাশসীমা থেকে হামলা চালিয়েছে। তারা তাদের বাড়ি কখনো ছাড়েনি। তাদের বের হতে দিন। আমরা উপযুক্ত জবাব দেব।”

ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামের অভিযানে পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলায় সশস্ত্র বাহিনীর অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়েছে; পাকিস্তানের সেনা সদস্যদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়নি।




পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত, নিহত ৮

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরসহ দেশটির কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। মধ্যরাতে দেশটির মোট নয়টি জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে বলে ভারতের সরকার দাবি করেছে। হামলায় পাকিস্তানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে।

আহত হয়েছেন আরও ৩৫ জন। মধ্যরাতের এই হামলায় পাকিস্তানের দুটি মসজিদকেও লক্ষ্যবস্তু করে ভারত। বুধবার (৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আহমেদ শরীফ বলেছেন, ভারতীয় হামলায় আটজন পাকিস্তানি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩৫ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার ভোরে তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের সাথে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে দুইজন বেসামরিক নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ভারত পাকিস্তানের ছয়টি স্থানে ২৪টি হামলা চালিয়েছে।

ভারতীয় বাহিনী কোটলিতে মসজিদ-ই-আব্বাস নামে একটি মসজিদ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যেখানে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী এবং ১৮ বছর বয়সী এক ছেলেসহ দুই নাগরিক নিহত হয়েছেন। কোটলিতে ভারতীয় হামলায় একজন নারী এবং তার মেয়েও আহত হয়েছেন।




গাজায়  নিহত আরও ৫৪ ফিলিস্তিনি




নিরাপত্তা পরিষদের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক আজ




 গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, একদিনেই নিহত ৪৫ ফিলিস্তিনি

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ শনিবার (৩ মে) দিনভর চালানো হামলায় আরও ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

রোববার (৪ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

চলমান আগ্রাসনে গাজায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ জনে, আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজারের বেশি মানুষ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় ৭৭ জন নিহত এবং ২৭৫ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ এখনও আটকে আছেন, যাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা অঞ্চলে প্রাণহানির সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর চাপে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এসেছিল, কিন্তু সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ফের নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এই দ্বিতীয় দফার হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন ৫ হাজারের বেশি

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেও গাজায় সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি এখন এই সংকটের টেকসই সমাধানের দিকে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




তিন ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে ইরানের আলোচনা বাতিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চ-স্তরের বৈঠক স্থগিত হওয়ায় তিন ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে ইরানের একটি নির্ধারিত কারিগরি বৈঠক বাতিল ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চ-স্তরের বৈঠকের আগে একটি নির্ধারিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। যেহেতু ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে না, তাই কারিগরি বৈঠকটি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার আগে ২ মে ইরান এবং জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ফরাসি মন্ত্রী বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরানের উপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, যদি পারমাণবিক কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য, যাচাইযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য হ্রাসের বিষয়ে ইরানের সাথে আমাদের কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে আমরা ইউরোপীয়রা এক দশক আগে চুক্তিতে পৌঁছানোর সময় যে নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিয়েছিলাম, তা আবার প্রয়োগ করব।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই পরোক্ষভাবে ইরান-মার্কিন আলোচনার তারিখ স্থগিতের ঘোষণা দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেছেন, ইরান আগের চেয়েও বেশি একটি ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ চুক্তিতে পৌঁছাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আরাকচি এক্স-পোস্টে লিখেছেন, আমরা ওমানি এবং আমেরিকান পক্ষের সাথে লজিস্টিক এবং কারিগরি কারণে চতুর্থ দফার আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রকৃতপক্ষে, আমরা একটি ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আগের চেয়েও বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: এমন একটি চুক্তি যা নিষেধাজ্ঞার অবসান নিশ্চিত করে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি চিরকাল শান্তিপূর্ণ থাকবে বলে আস্থা তৈরি করে, একই সাথে ইরানের অধিকারের পূর্ণ সম্মান নিশ্চিত করে।