তুরস্কগামী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে আগুন, জরুরি অবতরণে রক্ষা পেল ২৯০ যাত্রী

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছু সময় পরই ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে। মঙ্গলবার সকালে ইস্তাম্বুলগামী TK713 ফ্লাইটটি জরুরি পরিস্থিতিতে অবতরণ করতে বাধ্য হয়। তবে ফ্লাইটে থাকা ২৯০ যাত্রীর সবাই নিরাপদ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় এয়ারবাস A330-303 মডেলের TK713 ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। উড্ডয়নের ১৫ মিনিট পর পাইলট ইঞ্জিনে স্পার্ক বা আগুনের ফুলকি লক্ষ্য করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি প্লেনটি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন।

ঘটনার বিষয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ জানান, উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজটি একটি পাখির সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। এতে একটি ইঞ্জিনে আগুনের আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে ফ্লাইটটি প্রায় দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর দিয়ে জ্বালানি পোড়ানোর পর সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে নিরাপদে অবতরণ করে।

ঘটনার পর টার্কিশ এয়ারলাইন্স এক বিবৃতিতে জানায়, উড্ডয়নের পর দ্বিতীয় ইঞ্জিনে পাখির আঘাত লাগে, যার ফলে ফ্লাইটটি ফিরে আসতে বাধ্য হয়। তারা আরও জানায়, যাত্রী, ক্রু এবং উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। মেরামতের প্রয়োজন হওয়ায় উড়োজাহাজটি রানওয়েতে রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের জন্য হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এমতাবস্থায় এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফ্লাইটটি চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।




ইয়াহিয়া সিনওয়ারের পর মোহাম্মদ সিনওয়ারের মৃত্যু

সিনওয়ার

সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-হাদাত জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ সিনওয়ারের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে খান ইউনিসে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর নিক্ষেপকৃত আচমকা হামলায় তিনি নিহত হন।

আল-হাদাত আরও জানায়, মোহাম্মদ সিনওয়ারের সঙ্গে অভিযানস্থলে আরও ১০ জন তার সহকর্মীর মরদেহ পাওয়া গেছে।

মোহাম্মদ সিনওয়ার ছিলেন সাবেক প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ছোট ভাই। গত বছরের অক্টোবর মাসে গাজার রাফা এলাকার ‘তেল সুলতান’ নামক পয়েন্টে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর তিনি সামরিক শাখার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে গাজার প্রধান নিয়োগও পান তিনি।

এছাড়া একই হামলায় হামাসের রাফা ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ শাবানাও নিহত হয়েছেন বলে আল-হাদাত জানিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বৈঠকে মন্তব্য করেন, “মোহাম্মদ সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সব ইঙ্গিতই তাঁর নিহত হওয়ার দিকে নির্দেশ করছে।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ দেইফ। গত বছরের জুলাইয়ে দেইফ নিহতের পর প্রথমে সামরিক শাখার, পরবর্তীতে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর পর পুরো গাজার দায়িত্ব পেয়েছিলেন মোহাম্মদ সিনওয়ার।




ট্রাম্প একদিকে শান্তির আহ্বান করে অন্যদিকে যুদ্ধের হুমকি দেয়!

ট্রাম্প

একদিকে শান্তির আহ্বান, আরেকদিকে যুদ্ধের হুমকি—এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। শনিবার তেহরানে একটি নৌ-অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে বলেন, “তিনি একদিকে শান্তির কথা বলেন, আবার অন্যদিকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র দিয়ে হুমকি দেন—আমরা কী বিশ্বাস করব?”

পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় আগ্রহী, তবে কোনো ধরনের হুমকিতে তারা ভয় পায় না। তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু ভয় দেখিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত পাল্টানো যাবে না।”

এর আগে শুক্রবার, ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব পেয়েছে এবং তারা জানে দ্রুত সমাধানে না এলে “খুব খারাপ কিছু” ঘটতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করার পর এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ট্রাম্পের ওই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব আমরা পাইনি। আমরা যে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার অর্জন করেছি, তা কখনোই ত্যাগ করব না।”

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আরও বলেন, “আমরা আমাদের বৈধ অধিকার থেকে একচুলও সরে যাব না। কেউ আমাদের দম্ভ দেখিয়ে পথচ্যুত করতে পারবে না, আর এজন্যই আমাদের অস্থিরতার উৎস বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়।”

প্রসঙ্গত, গত রবিবার ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ দফার আলোচনার সমাপ্তি হয়েছে, যদিও পরবর্তী দফার আলোচনার দিনক্ষণ এখনো নির্ধারণ হয়নি।




জনতার গণধোলাই খেয়ে পালিয়েছেন পশ্চিম বঙ্গের শুভেন্দু-ময়ূখ!

পশ্চিম বঙ্গ

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ‘মোদি হটাও, ভারত বাঁচাও’—এই স্লোগান এখন দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছে। দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে টানাপোড়েন এবং যুদ্ধের আশঙ্কায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সাধারণ ভারতীয় নাগরিকরা।

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপি। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী অনেক নাগরিক ও বিজেপিরই কিছু নেতা-কর্মী এখন মোদির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মীর ইস্যুতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং ইসলামবিদ্বেষ ছড়ানো সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ এখন গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে নিখোঁজ। গণধোলাইয়ের শিকার হয়ে তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশিদের মধ্যে ‘মলম বিক্রেতা’ নামে পরিচিত ময়ূখ রঞ্জনকে কলকাতা ছাড়তে বাধ্য করেছেন সেখানকার হিন্দু নাগরিকরাই। জানা যায়, তিনি ও শুভেন্দু অধিকারী হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শুধু তাই নয়, শুভেন্দু বাংলাদেশি পণ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি তোলেন এবং বাংলাদেশি রোগীদের ভারতে চিকিৎসা না নিয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার পরামর্শও দেন।

এর জেরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে মানুষের যাতায়াত এবং পণ্যের আদান-প্রদান ব্যাহত হয়, যার প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীদের ওপর। এখন অনেক ব্যবসায়ী চরম সংকটে পড়েছেন, এমনকি না খেয়ে থাকার অবস্থায় রয়েছেন বলেও জানা গেছে।

এই ঘটনাগুলো মোদি সরকার ও বিজেপির প্রতি ভারতীয় নাগরিকদের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সে দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা উপমহাদেশ।




পরমাণু কার্যক্রম সীমিত করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে প্রস্তুত ইরান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি করায় প্রস্তুত আছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শীর্ষ পরামর্শক শাখমানি এ তথ্য জানিয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ মে) শাখমানি বলেছেন, ইরান কথা দেবে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, ইউরেনিয়ামের মজুদ কমিয়ে ফেলবে এবং এটির মজুদ শুধুমাত্র বেসামরিক ব্যবহার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করবে। আর আন্তর্জাতিকভাবে এসব বিষয় তদারকি করা হবে।

তবে এর বদলে ইরানের ওপর আরোপ করা যুক্তরাষ্ট্রের সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। তাকে এনবিসির সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেন যদি যুক্তরাষ্ট্র আজই আপনাদের দাবি মেনে নিলে পারমাণবিক চুক্তি করবেন কি না। জবাবে খামেনির এ পরামর্শক বলেন, ‘হ্যাঁ’। তিনি জানান, যদি মার্কিনিরা তাদের কথা রাখে তাহলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে ভালো সম্পর্ক হতে পারে। তিনি বলেন, “এটি সম্ভব। যদি মার্কিনিরা যা বলে তা করে, তাহলে অবশ্যই আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক হতে পারে। যেটির মাধ্যমে ভবিষ্যতে ভালো পরিস্থিতি হবে।”




যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর সৌদির




বাংলাদেশিদের সঙ্গে সৌদির মালিকদের নিষ্ঠুর আচরণ

(১৪ মে) এক প্রতিবেদনে মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং ফেয়ার স্কয়ার জানিয়েছে,
সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালিরা। তবে চাইলে এসব মৃত্যু হয়ত এড়ানো যেত। কিন্তু সৌদির মালিক ও চাকরিদাতাদের খামখেয়ালিতে ঝরে যাচ্ছে এসব প্রাণ। বিশেষ করে বিদ্যুতায়িত হয়ে, সড়ক দুর্ঘটনায় এবং উঁচু স্থান থেকে পড়ে এসব মৃত্যু হচ্ছে। বুধবার

তারা এসব মানুষের মৃত্যুর বিস্তারিত তদন্ত করেছে। যেখানে এসব মৃত্যুর পেছনে অবহেলা পাওয়া গেছে।

এরমধ্যে এক বাংলাদেশির মৃত্যু সম্পর্কে আলাদাভাবে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি বলেছে, কর্মক্ষেত্রে এক বাংলাদেশি বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তার সৌদি মালিক, যার প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করতেন, সেই মালিক তার মরদেহ আটকে রেখেছিলেন। তিনি ওই বাংলাদেশির পরিবারকে বলেছিলেন, যদি তার মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়। শুধুমাত্র তখনই তাদের ক্ষতিপূরণ দেবেন তিনি।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী মারা গেছেন তাদের মৃত্যুর কারণ নিয়েও ভুল তথ্য দিয়েছে সৌদির মালিকরা। তারা মৃত্যুর কারণ তদন্ত করতে দেননি, এতে করে পরিবারগুলো সৌদির আইন অনুযায়ী যে ক্ষতিপূরণ পেত সেটি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়া প্রিয়জন সৌদিতে কাজ করতে গিয়ে কীভাবে মারা গেল সেটিও এসব পরিবার জানতে পারেননি।

অপর একটি পরিবার জানিয়েছে, সৌদির সরকার থেকে আত্মীয়ের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ পেতে তাদের ১৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে।

সৌদি আরব ২০৩৪ সালে ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। আর বিশ্বকাপের জন্য নতুন নতুন স্টেডিয়ামসহ অনেক বড় বড় অবকাঠামো তৈরি করবে তারা। এগুলোতে কাজ করতে গিয়ে আরও অনেক বাংলাদেশি, ভারতীয় আর নেপালি মারা যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন সময় এ প্রতিবেদন প্রকাশ করল সংস্থা দুটি।

সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের পরিচালক মিনকি ওর্ডেন বার্তাসংস্থা এপিকে বলেছেন, শ্রমিকদের সাধারণ নিরাপত্তার বিষয়টি সৌদি এবং ফিফাকে নিশ্চিত করতে হবে এবং এ বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানিয়েছেন, কাতার যখন বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি নেয় তখনও এমন অনেক মৃত্যু ঘটেছিল। তবে কাতার ফিফার অবকাঠামো নির্মাণস্থল এবং অনিরাপদ কর্ম পরিবেশের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করতে একটি সুপ্রিম কমিটি তৈরি করেছিল। এছাড়া কাতার জীবন বীমা এবং গরম থেকে শ্রমিকদের রক্ষার পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু সৌদিতে এমন কোনো পদক্ষেপই নেয়নি।




যে দুই দেশে যেতে এবার বাংলাদেশিদের ভিসা লাগবে না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ এবং এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র তিমুর-লেস্তের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক, অফিসিয়াল ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা এখন থেকে তিমুর-লেস্তেতে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবেন l

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সম্পাদন করে থাকে।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ এশিয়ার ২১টি দেশ, ইউরোপের ৪টি দেশ, আফ্রিকার ১টি দেশ এবং আমেরিকার ৩টি দেশসহ মোট ২৯টি দেশের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।




গাজাজুড়ে হামলা, নিহত ৮১

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলায় কমপক্ষে ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক হামলায় মধ্যরাতের পর থেকে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৫১ জন।

আর দক্ষিণ গাজায় হাসপাতালে চালানো হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩০ জন। মূলত হাসপাতালে হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই উত্তর গাজায় ওই হামলা চালায় ইসরায়েল। বুধবার (১৪ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় হামলা তীব্রতর করেছে এবং মধ্যরাত থেকে কমপক্ষে ৫১ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বলে চিকিৎসকরা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন উত্তর গাজায় নিহত হয়েছেন।




সিরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সৌদির রাজধানী রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলনে ট্রাম্প এমন চমকপ্রদ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি এ সপ্তাহের শেষে (মার্কিন) পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তুরস্কে সিরিয়ার নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এবং খুব গুরুত্বপূর্ণ হলো, ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পর এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে গতকাল কথা বলার সময়, তিনি আমাকে একই কথা বলেছেন। আমার মধ্যপ্রাচ্যের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। আমি সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেব। যেন তারা উন্নতি করতে পারে।”